ঈদ কুরবানী নিয়ে বিরক্ত জনৈক ব্যাক্তির দিনলিপি : (উৎসর্গ ঈদ উৎসবে গরু ছাগলের সাথে কুরবানী হওয়া সকল দ্বিপদী মানব মানবীদের)

[ঈদ চলে আসল উৎসবের আমেজ নিয়ে। ছোট বেলায় যখন ঈদ উৎসব নিয়ে রচনা লিখতাম ঈদের আনন্দে মোহবিষ্ট হয়ে গিয়ে যা করি আর যা করতে চাই সব কিছুকে চালিয়ে খাতার মাঝে এক জগত তৈরি করে ফেলতাম। নিজের রচনা নিজেই পড়তে পড়তে অদ্ভুত ভার্চুয়াল সুখে মেতে উঠতাম। সময়ের আবর্তনে এখন যখন একটু দেখি চারপাশে বাস্তবতার আঘাতে সেই আনন্দ হারিয়ে যেতে চায়। কুরবানীর ঈদকে অনেকে বলে বড় ঈদ।

বিস্তারিত»

দিনলিপি : উৎসবের মাঝে আমিত্বের আত্নত্যাগ স্বরণে

উৎসব উৎসব ভাবে চারদিক ছেয়ে গেছে আর বাই প্রোডাক্ট হিসেবে আছে গোবরের গন্ধ। গরু ছাগল উট ইত্যাদি ইত্যাদি। সকালে ছোটভাই এর সাথে একটা গবেষণা করলাম। কুরবানী করা যায় এইসব প্রাণীর ক্রাইটেরিয়া কি? মুরগী বা গাধাকে কেন বাদ দেয়া হবে ইত্যাদি।

উৎসবের প্রয়োজন মানব জীবনে কতটুকু সেটা আমি জানি না। সেটা ভ্যালেন্টাইনস ডেতে হুড তোলা রিকশায় লিপস্টিক দিয়ে রাঙ্গানো ঠোট চোষা বা ভরপেটে প্রাণীজ আমিষ খাওয়ার উপলক্ষ তৈরী করে দেয়া নাকি কোন সমাজতাত্বিক কারন আছে পৃথিবীজুড়ে উৎসবের দিনক্ষণ করার জন্যে।

বিস্তারিত»

খুচরো কথা-২

১।
জানালার ধারে বসে আঁধফালি চাঁদটা দেখছি খানিকক্ষণ। রুমের সাথে সাথে রাস্তার বাতিগুলোও নিভে গেছে; সম্ভবত বৈদ্যুতিক গোলযোগ; একটু অবাক হবার মতোই বৈকি। উত্তর আমেরিকার এসব দেশগুলোতে লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে, অন্তত আমার ক্ষুদ্র প্রবাস জীবনে এমনটি এই প্রথম। ভালোই লাগছে, ঘুঁটঘুটে অন্ধকারের মাঝে বসে মেঘের আড়ালে চাঁদের লুকোচুরি খেলা; এভাবে যে অনেকটা কাল চাঁদের নরম আলোয় গা ভেঁজ়েনি। ফুড়ুৎ করেই মনটা আবার উড়াল দেয় পেছন পানে।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৮

গত সাপ্তাহিকে সবার দোয়া চেয়েছিলাম যাতে পরবর্তী পর্ব ছুটিতে বসে লিখতে পারি। এর মাঝে ছুটিতে শেষ করেও ফেলেছি, কিন্তু লেখা হয়নি। ছুটিতে বিভিন্ন মহল থেকে আমার প্রতি অভিযোগ তোলা হয়েছে আমি নাকি তাদের থেকে ব্লগকেই বেশি সময় দেই। এ অভিযোগ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে ছুটির মধ্যে রাতে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢুঁ মারা ছাড়া ল্যাপটপ চালুই করি নাই বলা যায়। ছুটি শেষ করেই আবার অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।

বিস্তারিত»