খেরোখাতা – কাঁচা হলুদ রোদ এবং আমার কবিতারা

১।
পরের দিন সকালে বাসে চড়তে হবে বলে, আর দুপুরে আমাদের রাস্তায় খেতে হবে বলে রাত জেগে মা খাবার তৈরী করেন। বাবার হাঁক-ডাকে সক্কাল বেলায় উঠে আধো ঘুমেই আমরা জামা কাপড় পরে তৈরী হয়ে নেই। নয়টা সাড়ে নয়টার বাস ধরতে পারলেও লাল-দিঘী নামতে নামতে দুপুর সাড়ে বারো বা একটা বেজে যায়। লাল –দিঘীর হাটে গরু অথবা মহিষের গাড়ি অপেক্ষায় থাকে, আর সাথে থাকে সদা হাস্যময় প্রিয় খলিল চাচা।

বিস্তারিত»

আমার ফেরা

গত কয়েকটাদিন ধরে আমার মাথা ঠিকমতো কাজ করছেনা। হয়তো এর কারন আমি সারাক্ষণ কেনাকাটা আর গোছগাছ নিয়েই বেশি ভাবছি। ফ্লোরিডার সুদীর্ঘ
৫ বছরের পড়াশোনা আমার শেষ হয়ে এলো প্রায়। আর একটি মাত্র মাস, এরপর আমি ফিরে যাব আমার দেশে, আমার ভালবাসার দেশ, বাংলাদেশে! ও আমার মা,
আমার আমার প্রিয় জন্মভূমি, কবে আবার তোমার দেখা পাবো, পাবো তোমার স্নেহের স্পর্শ! কবে তমার বুকের শিশিরভেজা ঘাসের মাঝে হেঁটে বেড়াবো।

বিস্তারিত»

কৈশোর

56

রাত দুইটার সময় যদি কেউ ঘুম ভাঙিয়ে বলে “স্যার আপনারে ডাকে”-তাহলে কেমন মেজাজ গরম হয়!ঠিক সেই ঘটনাই ঘটলো!রাত দুইটায় হাউজ বেয়ারা গফুর ভাই দরোজা ধাক্কিয়ে ঘুম ভাঙালো,বললো
-আপনারে স্যার ডাকতাসে!
-“স্যার মানে?কোন স্যার?”আমার গলায় তীব্র বিরক্তি!
-ডি এম সাবের স্যার।স্যার ওইখানে খাড়ায়া আছে।
জানালায় দাঁড়িয়ে দেখলাম ডি এম রুমের লাইটা জ্বালানো,বাইরে একটা ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে!সাবের স্যার,ক্যাডেট কলেজে সবচেয়ে অপছন্দ করি এমন স্যারদের একজন।আমাদের ইংরেজী পড়ায়।পড়ায় মানে ক্লাসে আসে আর কি!পড়াশোনা কিচ্ছু নাই!আর ক্যাডেটদেরও নাক একটু উঁচু,ইংলিশ ভার্সনে পড়ি…ইংরেজী তো আমরা পারিই!তাই স্যারও অবসরে শুধু কার কী ফল্ট আছে এইসব খুঁজে বেড়ায়!আর সবসময় দেখেছি ইংলিশ ডিপার্টমেন্টটাই বজ্জাত হয় সবচেয়ে বেশী।আর ইয়াং টিচারদের গ্রুপদেরও নাম থাকে আলাদা,যেমন বন্ড,ডগ স্কোয়াড ইত্যাদি!

বিস্তারিত»

অতীত-বর্তমান

সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো?
প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার
অসংখ্য পুরুষ – নারীর জন্য
আসংখ্য নারী – পুরুষের জন্য।
বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়।
পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী,
নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের!
গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা
কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ।
তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে,
কিন্তু জেনে রাখো,

বিস্তারিত»