নাহ,ভাইজান আর আপামনিরা-টাইটেল পড়ে আঁতকে উঠবেন না প্লিজ!আপনাদের এই গরীব মাস্ফ্যুর ডায়ালগ এইটা না।আর আমার এই পোস্ট কোন জন্মদিন পোস্টও না,কাজেই যারা চোরের উপর বাটপারি করতে গিয়ে শেষ লাইন আগে পড়ে নেয়ার ধান্ধায় আছেন তাঁরা কিন্তু ধরা খাবেন বলে দিচ্ছি।
তেমন কিছু না,এই ছোট্ট লেখাটার উদ্দেশ্য ক্ষোভ প্রকাশ।আমাদের এক অতি পরিচিত বালক হঠাৎ করে আমাকে ভীষণ যন্ত্রনা করা শুরু করল।ফাজিলটা পড়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং কিন্তু তার নাকি বায়োলজি লাইনে যাবার শখ(সিপি হাসান ভাইয়ের ডাক্তারি পড়ে একজন বড় ইঞ্জিনিয়ার হবার শখের মত)।আর তাই সে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংএ মাস্টার্স না-এক লাফে পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল।এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে প্রথম পিএইচডি প্রোগ্রাম খোলা হয়েছে এবং শত শত পোস্ট গ্র্যাজুয়েটধারীরা তাতে আবেদনও করেছে।বালকের আমার কাছে ঘ্যান ঘ্যান করার কারণ আর কিছুই না-যেহেতু আমি নসুর ইংরেজি ডিপার্টমেন্টে টিচিং এসিস্টেন্টশীপ করি(আগেই বলেছি-আমার মূল কাজ শিক্ষক চা খেতে চাইলে ক্যান্টিন থেকে তা নিয়ে আসা,উনার চেয়ার টেবিল মুছে ঝকঝকে করে রাখা ইত্যাদি ইত্যাদি) তাই এই বালকের ধারণা ওর স্টেটমেন্ট অফ পারপাজ বা মূল আবেদনপত্রে আমি চোখ বুলিয়ে দিলে নাকি এতে বেশ উন্নতি(?!) ঘটবে।এই ছেলের সাথে আবার আমার এক ছোটবোনের বেশ “ইয়ে”
বিস্তারিত»