খুব ভোরে প্যারিসে পৌঁছালাম। সকাল ৮ টা। ইন্টারন্যাশনাল বাস টার্মিনালের অপেক্ষাগারে ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত হয়ে বসে বসে ঠিক করে নিচ্ছি আজকের দিনের পরিকল্পনা। কোথায় আস্তানা গাড়বো সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে আর এর মাঝেই এক আগন্তুকের আবির্ভাব। আগন্তুক আমাদেরকে তার বাসায় পেইং গেষ্ট হিসাবে থাকার প্রস্তাব করলো। প্রতিদিন ২০ ইউরো দিতে হবে বিনিময়ে থাকা এবং খাওয়া। ফ্রড হতে পারে এইকথা মাথায় থাকার পরও কেমন করে যেন আমরা রাজি হয়ে গেলাম।
বিস্তারিত»যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (২)
যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (১)
………………………………………………………………………………………………
১ বছর পর আকাশ আর নীলিমা কক্সবাজারের বালুকা বেলায় ~
সময় ডিসেম্বরের মাঝামাঝি …
……………………………………………………………………………………………।
-
সিকোয়েন্স- ১। কথার পিঠে কথা ।
দৃশ্যপটঃ ১
ওপেনিং শট – সাগর আর আকাশ ঘুরে দুটো গাঙচিলের উড়ে চলা দেখিয়ে ফেড আউট।
জুম ইন-সাগর পাড়ের একটি কটেজ।
সেটঃ ইন্টেরিয়র-আকাশ-নীলিমা’র কটেজ।
আমার আপুসোনা – ৬
এটা আমার কাল্পনিক সিরিজ।
আমার আপুসোনা – ৫
মোবাইলের এসএমএসটা পড়ার সাথে সাথে আমার মধ্যে প্রথমেই যে অনুভূতি আসল সেটা হল অভিমান। তীব্র অভিমানে গাল ফুলিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছা হল। তীব্র ভাইব্রেশনে মোবাইল যখন একটি এসএমএস এর আগমনবার্তা জানাল প্রবল ভাল লাগায় সাথে সাথে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি আমার আপুসোনার এসএমএস। একরাশ আনন্দ চোখেমুখে নিয়ে যখন এসএমএস পড়ছি তখন আস্তে আস্তে সেই জায়গায় অভিমান চলে আসল।
মনমরণের ইতিবৃত্ত
মন মরে যাবার প্রক্রিয়ার সাথে আমি তেমন পরিচিত ছিলাম না।
বিজ্ঞপ্তি ও বিবৃতিতে মানুষের বিদেহী আত্মার কথা শুনেছি কেবল
জেনেছি, কেউ কেউ মরে গেলে দেহ বিয়োজন ঘটে,
আর কোনো কোনো লাশের খবর থাকে না।
ঈর্ষা করেছি যারা আত্মা হয়ে গেছেন, চল্লিশ দিন
ঘুরে বেড়িয়েছেন ভরহীন অশরীরে।
দুঃখ-শোক-সন্তাপ-বিদুরিত-প্রাণে-অপ্রাণে
আর অনেক অনেক বছর পরে, বিদেহীদের পরিচয়
আমার কাছে আটপৌরে হয়ে গেলে,