হাড়কাঁপানো শীতে/ আমরা পারি ওদের দিকে / হাত বাড়িয়ে দিতে

ঠান্ডায় মাথা খারাপ মত হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে এই ছাতার রাতের দিকে বাসায় ফেরার সময়, যখন ঠান্ডা হাওয়া মুখের মধ্যে খোচা দেয়, তখন মনে হয় দেশটা লন্ডন হয়ে যেতে আর বেশি বাকি নাই। আমার চেয়ে দুই সাইজ বড় জাম্পার দিয়ে নিজেকে কোনমতে ঢেকেঢুকে বাসায় ফিরি। এত বড় একটা জাম্পার থাকতেই আমার এই অবস্থা, রাস্তার মানুষদের না জানি কি অবস্থা, চিন্তা করেন খালি।

চলেন সবাই মিলে তাই একটু উনাদের কথা ভাবি।

বিস্তারিত»

তোর ঘ্রাণ পাই

তোর ঘ্রাণ পাই——–মাঠে এলে রোজ
তুই এসেছিলি——–আমি তারই খোঁজ
পেয়ে এসে দেখি——কেউ আর নেই
তবু জানি ঠিক——–চলে যাবো যেই
তুই আবারো———-ফিরে আসবি
অস্থির আমি———-দেখে হাসবি

বিস্তারিত»

ছুটির শুরুঃ কিছু কথা

বলাই বাহুল্য আমার ক্যাডেট কলেজ খুবই ভাল লাগে!তবুও বাসা…অন্যরকম ভাব আছে না! এবার আমি মরেই যাচ্ছি! নিয়মানুযায়ী ইলেভেন হিসাবে আমার রেজাল্ট ভয়ংকর!!!
আম্মা তাই দুনিয়ার যত পড়াশোনার ব্যাবস্থা আছে সব খুঁজে বের করে ফেলছে! দিন রাত… কোনো ব্রেক নাই! তাই সিসিবি তে ও কম বসা হয়। কলেজে বসে অনেক কবিতা, গল্প লেখা হলেও বাসায় এসে তা দেয়া হচ্ছে না। আমি প্রহর গুনছি…আমার রেজাল্ট কবে আম্মার পছন্দ হবে!

বিস্তারিত»

খুঁজে বেড়াই সহজ কবিতা

অজস্র কবিতায় কঠিন সব শব্দের খেলা
বুঝতে পারি না কিছুই – নিজেকে বড়ই ক্ষুদ্র মনে হয়।
মনে হয় আমি এখনও অনেক ছোট,
এখনও কবিতা বুঝতে গিয়ে অন্ধকারে ডুবে যাই আমি,
সহজ বাংলায় ‘ভালবাসি’ না বলে কবি কেন যে লিখে ফেলেন
দুই লাইনের শব্দজট – এখনও মাথায় আসে না আমার;
সহজ শব্দের ‘জল পড়ে, পাতা নড়ে’ আজ যেন হারিয়ে গেছে –

বিস্তারিত»

শপথ

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ। কত আলোচনা, সভা, বিশেষ দিনগুলো সুন্দরভাবে পালন করা সহ কত কবিতা-গান তৈরী করা, সেগুলো উপস্হাপন করা, নাটক-সিনামা তৈরি করা, তার জন্য কত নিত্য নতুন পোশাকের ধরন, কালার নির্বাচন, শরীরের বিভিন্ন স্হানে পতাকা ও বাংলার বিভিন্ন চিন্হসহকারে বহুরকম ট্যাটো আকা, বইমেলা, বিজয়মেলা, পিঠামেলা এবং সৃত্নিচারণসহ অনেক কিছু করে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কত চেষ্টা করা। কিন্তু এখন আমার কথা হল, আমাদের এই ঐতিহ্য পালন করলেও আমরা কি সঠিকভাবে মর্যাদা দিয়ে একে মূল্যায়ন করি?

বিস্তারিত»

সানশাইনঃ সূর্যস্নানের মানবিক ছবি

[পুরোপুরি স্পয়লারমুক্ত মুভি-রিভিউ 😀 ]

ধরা যাক, আমরা একটি সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র বানাতে যাচ্ছি। ছবিটির কাহিনী অনেকটা সময় পরের পৃথিবীর পটভূমিতে। এমন একটা সময়ে যখন সূর্যের আয়ুষ্কাল শেষের পথে। তারকা হিসেবে সূর্যের দীপ্তি কমে আসছে, ধীরে ধীরে সে নিভে যাচ্ছে। সূর্য নিভে গেলে প্রাণের উদ্ভব হওয়া গ্রহটিতে সকল প্রাণ বিলুপ্ত হবে। মানুষ হিসেবে তখন সবচেয়ে জরুরি কাজই হবে সূর্যকে টিকিয়ে রাখা। মানব সভ্যতার এরকম একটা ক্রান্তি সময়ে একদল নভোচারীকে পাঠানো হলো সূর্যরক্ষা মিশনে।

বিস্তারিত»