অন্যদের কথা জানিনা কিন্তু আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় মামুন ভাইয়ের নাম আছে। মোস্তফা মামুন। ক্যাডেটদের নিয়ে লেখেন, ক্যাডেট কলেজের গল্প লিখেন শুধু এসব কারণে নয়। তাঁর কিশোর উপন্যাসগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি। যেমন পড়ি রম্য রচনা বা খেলা নিয়ে লেখাগুলো। ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন , দ্বিতীয় প্রিয় মানুষ, রিমি আজ চলে যাবে বা বামহাতি বাবলুর মতো বই গুলো যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে দ্বিমত করবেন না।
বিস্তারিত»‘এফ পি’
কলেজে একটা ‘এফ পি’ ছিল।সোহরাওয়ার্দি হাউসের সামনের রাস্তায় সাদা কালি দিয়ে লেখা ছিল।ঐ টা ছিল আসলে ফিনিশিং পয়েন্ট,অর্থাৎ ক্রস কান্ট্রি বা ইডি খেলে দৌড়ে এসে ঐ খানে ফিনিশিং হত।ক্লাস ৭ থেকে ‘এফ পি’ দেখে আসছি,কিন্তু ‘এফ পি’র সংজ্ঞা বদলে গেল ক্লাস ৮ এর মাঝামাঝি সময়ে।কারন হল ক্লাস ৮ এ আমরা দেখলাম কলেজে একজন ভূগোলের নতুন ম্যাডাম আসলেন,নাম ফরিদা পারভিন।
ফরিদা পারভিন ম্যাডাম সম্পর্কে আমার সিনিওররা অনেক কিছুই আমার চেয়ে অনেক অনেক বেশী বলতে পারবেন ।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন মাঝি ভাই
পদ্মা নদীর মাঝি তো সবাই পড়েছেন। রাশুকে মনে পড়ে; আরে হ্যাঁ, পীতম মাঝির ভাতিজা রাশু। ঐযে কুবিরের মেয়ে গোপীর প্রেমে পড়েছিলো যেই জেলেটা, ওটার কথাই তো বলছি। কুবির তো পদ্মা পাড়ি দিয়ে ময়নাদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিল; কিন্তু এই ব্যাটা কুকীর্তিবাজ রাশু মিয়ার খবর কি কেউ জানেন নাকী? আমি বরং গরম গরম খবর দেই।
কুবির চলে যাবার পর, গোপীর কাছে তেমন পাত্তা না পেয়ে মনের দুঃখে রাশু পাড়ি জমায় গোমতী নদীর পাড়ে।
বিস্তারিত»