আমার জীবনের ১০টি অজানা কথা – এর চেয়ে ফালতু পোস্ট আর হতে পারে না

আমার জীবনের ১০টি অজানা কথা - এর চেয়ে ফালতু পোস্ট আর হতে পারে নাএকটি কথা:
আমার ব্যক্তিগত ব্লগে একটি বিভাগ আছে, ফালতু পোষ্ট। সেখানে আমি ফালতু বিষয়গুলো নিয়ে ব্লগ প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগটি সেখানে প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু পোষ্টটিতে ক্যাডেট কলেজের কথা আছে, তাই এখানে প্রকাশ না করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

  • আমার নাম জিন্নাত উল হাসান। ডাক নাম জনি। এটা এখন বিলুপ্ত প্রায়। আত্মীয়স্বজন ছাড়া এই নাম এখন কেউই জানে না।
বিস্তারিত»

সালসা, আমের আচার আর একজন শুভ্রদা

১।

শিকাগো ট্রিবিউনের স্পোর্টস কলামিস্ট রিক মরিসে কেমন ক্রীড়া সাহিত্যিক তা আমার জানা নাই। কারণ, উনার একটা কলামও আমি পড়ি নাই। কিন্তু লোকটা যে খুবই প্যাশনেট সেটা বুঝেছিলাম গত বছরের নভেম্বরে, একটা খবর পড়ে। শিকাগো বুলসের ফার্স্ট রাউন্ড ড্রাফট পিক, পাওয়ার ফরোয়ার্ড আর সেন্টার পজিশনের খেলোয়াড় জোয়াকিম নোয়াহ যে জিন্দেগিতেও একজন ভালো প্রোডাক্টিভ প্লেয়ার হইতে পারবেন না, সেইটা তিনি ২০০৭ ই বলে দিয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

বিশেষ নাগরিক সুবিধা ও এন.আর.বি. এ্যাপ্লিক্যান্ট্‌স্‌

[ভূমিকাঃ আগের পাঠানো বিডিআর বিদ্রোহের ছড়াটা যদিও সম্প্রতিই লেখা, কিন্তু ঘটনাটা প্রায় বছর খানেকের পুরোনো। তাই বোনাস হিসেবে এই ছড়াটাও ব্লগে পাঠাচ্ছি]

[ব্যাকগ্রাউন্ডঃ রেমিটেন্স প্রেরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের যারা ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে ন্যুনতম ৫,০০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমান বৈদেশিক মুদ্রা বৈধভাবে বাংলাদেশে প্রেরণ করেছিলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে আগ্রহী প্রবাসীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহবান করা হয় ২০০৮-এর জুন মাসে।

বিস্তারিত»

বিডিআর বিদ্রোহ ও রাজনীতির কচড়া

[মুখবন্ধঃ ছড়াটা লেখা শুরু করেছিলাম বিডিআর বিদ্রোহের মর্মান্তিক ঘটনার কিছুদিন পরপরই, যদিও সেসময় পুরোটা শেষ করা হয়নি। যে কোনো কারনেই হোক, সেসময় ই-ফোরামগুলোতে প্রকাশের জন্যে ছড়াটা কেন জানি পাঠানো হয়নি। সম্প্রতি কম্পিউটারে আমার পুরোনো লেখার ফোল্ডারগুলো ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে হঠাৎ করেই ছড়াটা খুঁজে পেয়ে মনে হলো ই-ফোরামগুলোয় প্রকাশের জন্যে ছড়াটা পাঠানো উচিত, যদিও ঘটনাটা ইতিমধ্যেই অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। আরেকটা কথা, আমার এ ছড়াটা কোনো রাজনৈতিক মোটিভেশন থেকে রচিত নয়।

বিস্তারিত»

সিসিবি তে যোগ দেয়ার শানে-নজুল

আমি সিসিবির নবীনতম সদস্যেদর একজন।ক্যাডেট কলেজে পড়ার সময় সিসিবির কথা অনেক শুনেছি, কিন্তু ইন্টারনেট নামক বস্তুটির সাখে খুব একটা সখ্যতা না থাকায় কখনোই যোগদান করা হয়ে উঠেনি।আমার সিসিবি তে যোগ দেয়ার কারনটা একটু অন্যরকম।
সেদিন বাসায় ফোন করতেই আমার সাহিত্যপ্রবন বাবা হঠাত করে বলে বসলেন যে, তাদের সমিতির ম্যাগাজিনে আমাকে অবশ্যই একটা লেখা জমা দিতে হবে। আমার বাবার বন্ধুদের নাকি ধারনা, প্রত্যেক ক্যাডেটই সাহিত্য স্বত্তার অধিকারী।এই কথা শোনার পর নিজের ক্যাডেট ভাবমুর্তি বজায় রাখতে আমি জবাব দিলাম,

বিস্তারিত»