রবি ঠাকুর বলেছিলেন,
“প্রহর শেষে আলোয়ে রাঙ্গা সেদিন চৈত্র মাস,
তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ”
আর আমি বলি,
প্রহর সেতো শুরু কেবল শিশির ভেজা মায়া।
আলো কিন্তু ভালো লাগে অন্ধকারের ছায়া।
চোখ সেতো চোখ নয় যেনো মহাকালের হাতছানি,
চোখের ভাষায় ভালবাসা, চোখে চোখে কানাকানি।
সেই চোখেই ভাষা বুঝে কবির সর্বনাশ,
তোমার চোখে চোখ রেখে তাকে করছি উপহাস।
হতাশাপুরাণ
(এই চতুষ্পদীটি আমার গত দুদিনের মানসিক চাপ হতে উদ্ভূত। চাপের কারণটা চতুষ্পদীর ভেতরেই নিহিত আছে। দেখি কে সবার আগে সেটা বের করতে পারেন!)
ভালোই তো কাটছিল দিনগুলো তোমা বিনে
ইত্যবসরে কেন তুমি এলে এ জীবনে?
রাখি শ্যাম নাকি কূল, শেষে কিনা ছিঁড়ি চুল
সব-হারা আমি আজ, ত্রিশঙ্কু ত্রিভূবনে।
আমার প্রেমিকারা-৬
নদী আর নারীর মধ্যে মিল কি? দুইটাতেই ডুব দিতে ইচ্ছা হয়!- এটি আমার কথা নয়, ব্লগের প্রিন্সিপাল সাহেবের কথা। আমি বলি কি, নদী যদি হয় বুড়িগঙ্গার মত তাহলে তো ডুব মানেই মরন। তবে যারা সাঁতার কাঁটতে চান, তাদের জন্য ভিন্ন কথা। তবে আমি বলি নদীর থেকে ভরা কলস ভালো। এখন বলুন, ভরা কলস আর নারীর মধ্যে মিল কি? গানের ভাষায়- হাতের কাছে ভরা কলস, কিন্তু কখনোই তৃষ্ণা মেটে না।
বিস্তারিত»জনাব ফখরউদ্দিন আকন্দ স্যার – ব্যাটিং এর জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে যারা ১৯৯০ থেকে পরবর্তি বছরে পড়েছেন তাদের সবার “ফখরউদ্দিন আকন্দ” নাম দেখা মাত্র চেনার কথা। গনিতের এই শিক্ষকের নিকনেম ছিল ব্যাটসম্যান (আগের কথা ঠিক জানিনা)।
মূল কাহিনীতে যাবার আগে নামকরনের সার্থকতা একটু বর্ণনা করে যেতে চাই। লেকচার, কথা, বকা, স্যার ম্যাডামদের এই মোক্ষম অস্ত্রটিকে যে নামেই ডাকতে চান উনি সেটা ক্যাডেটদের উপর প্রয়োগ করতেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে। বাধ্য হয়েই ব্যাপারটির হয়ত নাম হয়ে গিয়েছিল ব্যাটিং।
বিস্তারিত»