একটা ক্যাডেট বিষয়ক ডকুমেন্টারি (পুরাই এমেচার কাজ): আগে কেউ দেখছেন??

মনটা খুব খারাপ।কিছু করার খুজে পাচ্ছিলাম না।পড়াশোনা কিচ্ছু হচ্ছে না।এদিকে ২২ তারিখ ISSB.সারাদিন ব্যস্ত থাকি,কোচিং করি,রুমে আসি আর ঘুমাই।সময়গুলোও বিরক্তিকর হয়ে গেছে।একমাত্র শান্তি পাই ফার্মগেটে ডিফেন্স গাইডের সামনে দাড়ালে।কোন চিপা থেকে যে ক্যাডট বের হয় বোঝা মুশকিল।তারপর চলে ধুমাইয়া আড্ডা।কোন কাহিনী যে কোথায় গিয়ে গড়ায়…!আজকে অনেক দিন পর ইউটিউব করতে গিয়ে একটা ভিডিও’র কথা মনে পড়লো।কাজটা দিয়েছিলেন আমাদের এডজুটেন্ট স্যার।২ দিনের মাঝে একটা ডকুমেন্টারি বানায়া দিতে হবে।সাব্জেক্ট ক্যাডেট লাইফ।নতুন ক্যাডেটদের প্যারেন্টস দের দেখানো হবে।ভাল ক্যামেরা কিচ্ছু নাই,তার উপর পরপর ২ দিন ই ফ্রীডে।তাও কোন ভাবে কাজটা শেষ করসিলাম।

বিস্তারিত»

নিঃশব্দ অনুভূতি

ত্রপাদের বাসাটা ছিলো ঠিক আমাদের গলির শেষ মাথা থেকে দ্বিতীয়টা। তখন আমার বয়স ছিলো তেরো কি চৌদ্দ যখন ওরা এইখানে প্রথম এসেছিলো। আমি বেশ ঘরকুনো ছিলাম তখন। বাসা থেকে বিশেষ একটা বের হতাম না। সেবার শীতে শ্বাসকষ্টটা বেশ ভালোভাবেই ভোগাচ্ছিলো। আম্মু তাই স্কুলে যেতে দিচ্ছিলেন না। আমারও বিশেষ একটা সমস্যা হচ্ছিলো না ঐ ঘরকুনো অভ্যাসটটার জন্য। সকালটা জানালার পাশে রোদে বসে বাসার নীচ দিয়ে ডাকতে ডাকতে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের দেখেই কাটতো।

বিস্তারিত»

আষাঢ়েঃ একটি দৃশ্যভিত্তিক গল্প

আষাঢ় মাস চলে গেলে নাকি আষাঢ়ে গল্প জমে ভালো। আমিও তাই বলি, দিনক্ষণ মেনে গল্প বলতে বসলে কি চলে? আমরা কতো ব্যস্ত মানুষ, সেলিব্রেটি, এটা দেখতে হবে না! আমাদের সারাদিন কতো কাজ থাকে, আমরা ঘুরি ফিরি খাই দাই, দুপুরে ঘুমাই ভাতঘুম থেকে উঠে সন্ধ্যার খবর দেখি আর সন্ধ্যাতারা খুঁজে চোখ ট্যারা করি (ঢাকা শহরে তারা দেখা যায় না, এমন ধোঁয়া আর ধুলা!)। সেই ট্যারা চোখে কি জানি আবোল তাবোল দেখি আর ভাবি যা দেখতেছি সবই ঠিক,

বিস্তারিত»