অভিবাদন বাংলাদেশ…

‘মিডিয়া এক্সপ্লোরেশন’ নামে আমাদের একটা বিষয় পড়ানো হয়। পড়তে খুবই বিরক্তিকর। এবং ঘুমবান্ধব। বড় একটা গ্যালারীতে তিন সেকশনের একসাথে ক্লাস হয়। শীতের দিন সকাল বেলা এই ক্লাসে গিয়ে ঘুমানোর আনন্দ সীমাহীন। গত ব্লক ঘুম দিয়ে বেশ ভালভাবেই পার করেছি। সমস্যা হয়েছে এই ব্লকে এসে।

‘ডরিক গ্রিট’ নামের এক ভদ্রলোক এই বিষয় পড়ান। চমৎকার একজন মানুষ। একদিন কী মনে করে এই লোক আমাকে ক্লাসে দাঁড় করিয়ে বলেন,’তোমার দেশের খবরের ধরনের সাথে এই দেশের(হল্যান্ড) খবরের ধরনের পার্থক্য বল’।

বিস্তারিত»

নিউটন,আইনস্টাইন,হিটলারদের সাথে দেখা !!!!

রুয়েটে পরে সোহাগ ।ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ।প্রথম সেমিস্টার এ ভাল রেজাল্ট করছে ।২য় সেমিস্টারে একটু খারাপ করছে । সোহাগ এর এই ভাল রেজাল্ট করার পিছনে তার বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য । তার বাবা-মা তাকে পড়াশুনার ব্যাপারে খুব তাগিদ দেয়।৩য় সেমিস্টার এর ক্লাস টেস্ট,ল্যাব-রিপোর্ট,অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদির কারণে জীবন যখন দিশেহারা ঠিক তখনি চলে এলো রমযান মাসের ৪৫ দিন এর

ছুটি ।স্বভাবতই বাসায় প্রত্যাবর্তন । তারপর শুরু হয় শেষ রাত্রিতে সেহেরী খাওয়া,সারাদিন রোযা রাখা আর সন্ধ্যায় ইফতারি খাওয়া ।ইফতারি খাবার পর শরীর এক অদ্ভুত ক্লান্তিতে ভরে ওঠে আর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আসে সোহাগ এর দুইটি চোখ ।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৪

গত দশ পনের বছরে ঢাকা অনেক বদলিয়ে গিয়েছে। চারদিকে এত্তো এত্তো সব হাইরাইজ বিল্ডিং। কোন এক কালে সিদ্ধেশ্বরীতে আমাদের বাসার ছাদে উঠলে জাতীয় স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইটের আলো দেখা যেতো। সম্ভবতঃ ৯৪ এর সাফ গেমসের সময় ঢাকা স্টেডিয়ামে যে অসাধারণ আতশবাজীর প্রদশর্ণী হয়েছিল তা আমাদের বাসার ছাদ থেকেই দেখেছিলাম।

আমাদের বাসার সামনে বেশ বড় জায়গা আছে। আশেপাশের সব বাসা থেকে আমাদের ওই জায়গাতেই খেলতে আসত।

বিস্তারিত»