আমাদের ছেলেবেলা (এপিসোড ৭)

১)  ১৭তম ব্যাচের স্টাডিট্যুর। বাসের ভিতর হঠাৎ ভাইয়াদের চ্যাচামেচি শুরু হল। গাড়ি থামাও, টয়লেট করব। স্যারেরা কেউ পাত্তা দিল না । এবার শুরু হল বাস থামাও মুতব। এডজ্যুটান্ট স্যার উঠে দাড়ালেন। চিৎকার বন্ধ হয়ে গেল। কিন্তু জনৈক ভাইয়ার সিরিয়াস জোরে চাপছে। পিছনের সিটের জানালা খুলে, অন করে দিছে ট্যাপ। বাকিরা লাফাইয়া সরে গেল। কিন্তু হঠাৎ ভাইয়ারা খেয়াল করল বাসের ঠিক পিছনেই যে ট্রাকটা ছিল। ট্রাক ড্রাইভার তার ওয়াইপার চালু করে দিছে। (ভাইয়ার নামটা দিলাম না,

বিস্তারিত»

কথাটি আর বলা গেল না

শোন, আজ তোমাকে একটা কথা বলব
সেই কথাটা।
ঐযে সেদিন বলতে চেয়েছিলাম- বিকেল বেলা
মানবজ্যামে আটকে পড়ে আর বলাই হলো না।

আরো একদিন বলতে চেয়েছিলাম ওই কথা।
২৩ অক্টোবর, তোমার জন্মদিন ছিল
নেমতন্ন করোনি বোধহয় কাউকে, অতিথি ছিল না বেশী
শুধু কাছের ক’জন সঙ্গী ছাড়া।
কয়েক রকম ফুলও ছিল টেবিল জুড়ে
ছিল একটা মদের বোতল আর ছাইদানি ভরা ধর্ষিত অগ্নিশলাকা
আনমনে হাত থেকে পড়ে গেল আমার- একথোকা চন্দ্রমল্লিকা
সেদিনওতো কথাটি আর বলা হলো না।

দুপুরের বিষ্টি ছুঁয়ে,

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৬

মৃত্যুগুলো দ্যাখো ফুটেছে কী শুভ্রতায়!

এপাশে
ট্রাফিকের দিনভর গোঙানি
লালবাতিতে লটকে থাকে জমাট খুন
আঙুলে গোলাপকাঁটা বিঁধে গেলে
ঠোঁটের সলতেয় আগুন
জুড়ে দিয়ে
প্রেমিকেরা শ্লাঘায়
ডুবে গেছে…

অতঃপর সবাই
ঘুরপথে সব অলিগলি শেষ করে
অইখানে
এপিটাফের
দুলাইনে এসে
পৌঁছুলে
মৃত্যুগুলো সাদা ফুল হয়ে ফোটে…

বিস্তারিত»

অল্প কিছু কথা

অনেকদিন ধরে ব্লগ লেখা হয়না, কিছু ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করোতে চাচ্ছিলাম।

১/ বিডিয়ার বিদ্রোহের পর, ক্যাডেট কলেজ ব্লগের উদ্যোগে আমরা সবাই রাইফেলস স্কোয়ারের সামনে একত্রিত হয়েছিলাম শহীদদের জন্য। দেশের বর্তমান বড় একটা ঝামেলা হল টিপাই-মুখ বাধ।

আমরা কি এ ব্যাপারে কিছু করতে পারিনা!!! সবাইকে একসাথে নিয়ে কি কোথাও এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করোতে পারিনা!!

যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে এত ব্লগ, এত ফোরাম কিন্তু টিপাই-মুখ নিয়ে ফেসবুক বাদে কোথাও তেমন কিছু দেখতে পেলামনা। আর ২০ বছর পর কিন্তু আমরাও যুদ্ধাপরাধীদের মত অপরাধী হয়ে যাবো,

বিস্তারিত»

সময় এল আরেকবার আর একটি জীবন বাচাবার

পাবনা ক্যাডেট কলেজ এর রুমন (২০০৫-২০১১) Motor Neuron Disease-এ আক্রান্ত। খুব জরুরি ভিত্তিতে অনেক টাকার দরকার। সবাই প্লিজ এগিয়ে আসুন।

তাকে সাহায্য করবার ঠিকানাঃ

Islami bank Bangladesh limited
Name: Mosammat Afruza
No. (murdaba sonchoi hishab no) 15516
Dutch Bangla Bank Limited

Name: Mst Afruza Sorker
No.172-101-82502
Dinajpur main branch.
or Disease Contribution Fund
0040-0310009506
Trust bank,Khulna

বিস্তারিত»

প্রলাপ এবং

তোমার চোখে ঝাপসা দিয়ে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
তার আগেই আমার চোখে কুয়াশা দিলে
কামবাসনা-লোভ লালসা দাঁতে চেপে
মাথার উপর দু’হাত তুলে
লোকচক্ষুর আড়াল বাধা-হাজার ছি ছি
উপড়ে ফেলে ছুড়ে দিলাম তোমার দিকে
অন্ধ গোপন বন্ধ ঘরে তোমার দিকে হাত বাড়াতেই
তোমার বুকের সকল চর্বি জমা করে
জ্বাললে প্রদীপ নিশীথ রাতে
সেই প্রদীপের তাপ ও আলো শুষে নিলো অন্যলোকে
তবুও তুমি যাবার বেলায় আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছো
কোন সাহসে?

বিস্তারিত»

হাবিজাবি…

অনেকদিন হয়, কিছু লেখালেখি হয় না। আগের মত ব্লগটাও ঠিক জমজমাট হয়ে উঠছে না । এখনও মনে আছে, একটা সময় ছিল একে্কটা পোস্ট আসত আর কমেন্টের ঝড় উঠতো সেগুলোতে। মজার মজার সব কাহিনীগুলো পড়তে পড়তে আমার মত নিরব পাঠক আমব্লগার, চলে যেত আব্র সেই পুরোনো দিনগুলোতে। অবশ্য সবসময় যে শুধু কলেজ নিয়েই গল্প চলত এমনটাও তো না। এমনি এমনিতেই সবাই পোস্ট দিত, এইসব এমনি এমনি পোস্টেই কি কি যে মজার মজার সব কমেন্ট পড়ত্‌ এখনো সেগুলো মিস করি। আসেন না সবাই,

বিস্তারিত»

কিছু বইয়ের নাম

সামনে বই মেলা। অনেকেই বই কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। কি বই কিনবেন, এমন ভাবছেন। আমি নিচে কিছু বইয়ের নাম দিলাম। বইগুলো আমি আমার জীবনের বিভিন্ন সময়ে পড়েছি। বইগুলো আমার মনে দাগ কেটেছে।
ধর্মগ্রন্থ :
কোরান, বাইবেল, তোরা, গীতা

ধর্মসংক্রান্তঃ
তাজকেরাতুল আউলিয়া, চাহার দরবেশ

মিথঃ
ইলিয়ড, ওডিসি, রামায়ণ, মহাভারত,

দর্শনঃ
প্লেটোর রিপাবলিক, এরিস্টলের পলিটিক্স, ম্যাকিয়েভেলির দি প্রিন্স,

বিস্তারিত»

আসর ভাঙ্গার কলরব

(কলেজ থেকে চলে আসার কয়েকদিন আগে এই কবিতাটা লেখা। আমাদের ফেয়ারওয়েল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের নামেই কবিতার নামটা দেয়া।)

উদাসী বাতাসে আসর ভাঙ্গার গুঞ্জন শুনি
আজকাল। স্মৃতির ডাকপিয়ন হঠাৎ হঠাৎ
কড়া নাড়ে। লুকোচুরি চলে তার সাথে।
গল্পচ্ছলে বলে কিনা-
আমার নাকি রাধাচূড়া-রক্তকায়ার স্তুপ মাড়িয়ে
আর কোনদিন হাঁটা হবে না-
ভোরবেলা কংক্রিটে চিৎ হয়ে শুয়ে জলরঙা সেই আকাশ,
ছুটির সন্ধ্যায় মাঝমাঠে বুক খোলা শার্ট গায়ে
তারা গোণা…………

বিস্তারিত»

আমাদের নেতারা চোর, আমরা সৎ নেতৃত্ব চাই

আমি কিছুদিন আগে ফেসবুকে দেখলাম যে বেশকিছু লোকজন ১লা মার্চ ভারতীয় পণ্য বর্জন করার জন্য সবাইকে আহবান জানাচ্ছে। আমি একমত হতে পারলাম না ব্যাপারটার সাথে। একদিন যদি আমরা ভারতীয় পণ্য বর্জন করি তাতে ভারত হয়ত অর্থনৈতিক ভাবে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কিন্তু আমরা যে সমস্যাগুলির জন্য প্রতিবাদ জানাবো (টিপাই মুখ বাঁধ, সীমান্তে নির্যাতন, ইত্যাদি) তা কোন ভাবেই সমাধান হবে না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি আমাদের সবচাইতে বড় শত্রু হল আমাদের অযোগ্য নেতৃত্ব (ক্ষমতাসীন এবং পূর্বের ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দ),

বিস্তারিত»

স্বপ্নের রাত

স্বপ্নের রাত

———— ড. রমিত আজাদ

কাল রাতে আমি তোমায় স্বপ্নে দেখলাম,

একটি কূয়াশাচ্ছন্ন শীতল রাতে অপ্রত্যাশিত কিছু পাওয়ার মত।

এমন একটা সময় ছিল, যখন আমি প্রতিরাতেই তোমায় স্বপ্ন দেখতাম,

মাঝরাতে হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙে অস্থির হয়ে উঠতাম।

সেইযে আমাদের বিচ্ছেদের পর কয়েকটি বছর।

এক এক করে কেটে গেছে পনেরটি বছর,

বিস্তারিত»

পাঠ ভাবনা : বিতংস — ওয়াহিদা নূর আফজা

প্রচলিত অর্থে রিভিউ বলতে যা বুঝায় আমার এই লেখাটি ঠিক সেই কাতারে পড়বে না। আবার কেউ যদি একে বিজ্ঞাপনমূলক ফরমায়েশী লেখার দলে ফেলে দেন তা হলেও আমি আপত্তি করবো। কারো উপন্যাস নিয়ে যখন আলোচনা মূলক কিছু লিখবো তার উদ্দেশ্যে প্রচারণা থাকবে না এমন আশা করা যায় না। তবে এই লেখাটি আমার কাছে মোটেও ফরমায়েশী নয়। বরং ভালো লাগার জায়গা থেকে স্বপ্রণোদিত লেখা।এত কিছু শুরুতে বলে নেয়ার কারণ হলো এই বইটি আমি পুরোটা পড়ি নি। তবে এই উপন্যাস জন্ম নেয়ার সাথে খুব সামান্য জায়গা থেকে হলেও জড়িত ছিলাম বলেই হয়তো এর মধ্যে আমার নিজের অধিকারবোধ কাজ করে অজান্তেই। তাই বই বিষয়ে কিছু বলার চাইতেও বইয়ের সাথে আমার সৌহার্দের গল্পের বয়ানটুকু আগে করে নেই।

বইয়ের লেখক ওয়াহিদা নূর আফজা শান্তা আপার সাথে আমার পরিচয় মূলত ক্যাডেট কলেজ ব্লগ সূত্রে। তার কিছু লেখা পড়া তা নিয়ে কথা বলার সূত্র ধরেই কোন কারণে আমার পাঠক সত্তার উপর উনার ব্যাপক আস্থা জন্মে। অথবা বলা যায় ক্যাডেট কলেজ ব্লগে পরিচয়ের সূত্র ধরেই তিনি আমাকে ফেসবুকে কথা প্রসঙ্গে এই বইটির কথা বলেন। এবং আমি বইটি পড়ে পাঠকের জায়গা থেকে মূল্যায়ন তাকে দিতে পারি কিনা তা জানতে চান। পাঠ্য বই ব্যতীত কোন পড়ার ব্যাপারেই আমার কখনো না ছিলো না। তাই সানন্দের সাথেই রাজি হই। আপা আমাকে অল্প কিছু অংশ পাঠান। সত্যি বলতে দ্বিধা নেই বইটির ব্যাপারে খুব বেশি উচ্চ ধারণা নিয়ে পড়া শুরু করি নি। তাই পড়ার পরে মূল্যায়ন করতে গিয়ে গৎবাধা অ আ ক খ এর বাইরে কিছু বলতে পারি নি। ভাগ্য ভালো বলতে হবে,

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে –২)


ঢাকা শহরে আমরা বস্তি দেখেই বড় হয়েছি। কিন্তু এবার দেশে গিয়ে প্রথম পানির ভাসমান বস্তি দেখলাম। এ শহরে এখন জমির আকাশচুম্বী মূল্য। রবীন্দ্রনাথের মতো কেউ থাকলে আজ দু বিঘের বদলে এক ইঞ্চি জমি দখলের কবিতা শুনতে পেতাম। প্রতিটি ইঞ্চি মেপে মেপে শহর দালান-কোঠার জংগলে ভরে যাচ্ছে। আর ওদিকে বস্তি উঠে গেছে পানির উপরে। এক-একেকটা বেড়ার ঘর, কোনরকমভাবে বাঁশের পিলারের উপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশে থাকলে এসব দৃশ্য গা-সওয়া হয়ে গেলেও প্রবাসী চোখে প্রথম প্রথম এই বৈষম্যটা বড্ড বেশি চোখে ঠেকে। মনে মনে সান্ত্বনা খুঁজি এই ভেবে যে পশ্চিমে অর্থনৈতিক বৈষম্য থাকলেও খালি চোখে তা খুব একটা বোঝা যায় না। যদিও দেশে যাওয়ার পর দুদিনেই আমরা আবার এসবে অভ্যস্ত হয়ে যাই। ছিয়ানব্বই সালের দিকে একবার ট্রেনে করে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিলাম। ভোরবেলা জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে সাথে সাথেই চোখ ভেতরের দিকে ফিরিয়ে নিতে হলো। ভারত ভ্রমণের সে যাত্রায় বুঝতে পারলাম যে ভারত মানে শুধু ঝাঁ-চকচকে বোম্বে আর দিল্লি নয়। সে দেশের গ্রামাঞ্চলের একটা বিশাল অংশ জুড়ে তখন পর্যন্ত কোন সভ্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। অথচ গেল বছর এই ভারতের বুক চিরেই দাঁড়িয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আবাসিক ভবন। মুকেশ আম্বানির এই ভবন তৈরি করতে নাকি এক বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। দেশ কেমন উন্নতি করছে তা বোঝাতে কতগুলো সূচক ব্যবহার করা হয়। এই যেমন জিডিপি,

বিস্তারিত»

ব্যবধান

এখন না হয় সন্ধ্যা নামুক আর কিছুক্ষন পর
সত্যি বলছি তোমায় নিয়ে বাঁধবো নতুন ঘর
থাকবে আঁধার জোনাকীরা তোমায় দেবে আলো
আমি তখন চুপটি করে বাসবো তোমায় ভালো
রাত কেটেছে অনেক আগে এখন হলো ভোর
তোমার আমার ভালোবাসার কাটলোনা যে ঘোর
সকাল বেলা ঘর বাঁধাটা একটু অসম্ভব
দুপুর আসুক ভালোবাসার হবে কলরব
দুপুর রোদে লাগবে ছায়া তোমার আঁচল তাই
আর কিছু নয় আজ এ লগন এটুকুই চাই
দুপুর গেল রোদের তাপে সন্ধ্যা গেল কবে
তোমার আমার ঘর বাঁধা কি আর কখনো হবে?

বিস্তারিত»

ঐ উড়াল বলাকায়- ((প্রভাতী পর্ব))

দুই ঘাড়ের উপর বসে মোনকার-নাকীর এমন জোরে ঝাঁকাঝাঁকি শুরু করল যে রিজভীর ঘুম ভেঙে গেল। রাত তিনটার সময় ঘুম ঘুম চোখ মেলে- মশারির ফুটো দিয়ে ঘরের অন্ধকার দেখল সে কিছুক্ষণ। বারান্দায় আলো জ্বলছিল। আর এদিকে বিছানার পাশের জানালা দিয়ে বাইরের ফ্লাড-লাইটের আলোকে কিছুটা হলেও ঢেকে দিয়েছে আড়াই তলার সমান উঁচু যুবতী জামরুল গাছ।

প্রসাব করতে বাইরে যাওয়াটা কি ঠিক হবে এখন! সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সময় লাগছে। দরজা খুলেই হয়তো দেখা যাবে করিডোরের মাথায় আজরাইল সদৃশ কোন বড় ভাই দাঁড়িয়ে আছে। কিংবা টয়লেটের দিকে কয়েক পা এগিয়ে যাওয়ার পর হয়তো হঠাৎ করে পেছন থেকে এক জান্তব হুংকার আসবে- হোল্ড অন!

বিস্তারিত»