বোধহীন

বোধহীন

খুব অদ্ভুত এক বোধ কদিন হলো পকেটে নিয়ে ঘুরছি, তোমরা যাকে

মানসিক ব্যধি বলতে পারো।

এই যেমন, পহেলা বৈশাখের সকালে

সিঁড়ি ধরে নামতে নামতেই

নিচতলার সিঁথি কাটা ছেলেটার সাথে দেখা হয়ে গেলো

ভেজা, বিচ্ছিন্ন ত্যানা দিয়ে

নিজের হাতের মত খরখরে সিঁড়ির ধাপগুলো

মুছে দিচ্ছিলো ছেলেটা- যাতে আমাদের,প্রভুদের,ঈশ্বরদের

ইউটোপিয়া থেকে নেমে আসতে তকলিফ না হয়।

বিস্তারিত»

বন্ধুত্ব আর কিছু বিড়ম্বনা…

রাজ-এর মাথায় হঠাৎ একটা শয়তানি খেলে গেল ।

ওকে কষ্ট দিয়ে দিপ্তি শান্তিতে থাকবে, এইটা মেনে নাওয়া যায় না, ভাবল সে ।

কত্ত বড় খারাপ মেয়েটা , কাল সারাটা বিকাল ওকে টেনশনে রেখেছে। সেই কখন থেকে দিপ্তির একটা খোজ খবর কিচ্ছু পায়নি সে । একটা কল ও না, এমনকি ফেসবুক এ একটা পোক ও না…

পরে দেখে, ফেসবুক আইডিটাই ডিয়েক্টিভেটেড,

বিস্তারিত»

আরেক ফাল্গুন

সেইদিন নীলাকে অনেক বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল।আসলে সেদিন না,হয়ত প্রতিদিন ই।

নীলা, ঢাকা ভার্সিটির একজন নিতান্তই সাধারণ ছাত্রী (পড়াশুনার দিক থেকে নয়) যতদূর ওকে জেনেছিলাম ছোট ছোট বই এর বড় বড় জ্ঞান ওকে কখনই টানত না।তবুও কেন যেন ও অন্য সবার থেকে আলাদা ছিল।

আর আমি তো আমি ই। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অপদার্থের চেয়ে কিঞ্চিৎ খারাপ একজন শিক্ষার্থী ।পড়াশুনা র প্রতি ছোটবেলা থেকেই অনাগ্রহ ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ের।

বিস্তারিত»

প্রশ্ন

অজশ্র বেদনার মাঝে একটু খানি আশা
ভুলিয়ে দিতে পারে তোমার বিরল ভালবাসা
রাত জাগা কোনো আঁধার ঘরে তুমি প্রানের আলো
অপূর্ণ সব আশার মাঝে তুমিই দ্বীপ জ্বালো
হারিয়ে যাবার ক্রান্তিকালে পথ রুধিলে আমার
ফিরল এমন পূর্ণ করতে স্বপ্ন যত তোমার
কিযে এক প্রানের টানে কেঁদে উঠে এমন
বিষন্ন রাতের মাঝে হারাতে চায় যখন,
তুমি এলে আমার মাঝে উষার আবীরের মতন
সুখ দুখের চিরসাথী যেন যুগ সন্ধিক্ষণ।

বিস্তারিত»

বলে দিলাম শঙ্খের কাছে, খুঁজে পেলে শুনে নিও

লিখতে আমি ভুলে গেছি
লিখতে বসলে এখন হাত আর চলে না
তবুও লিখছি, হাতটা আজ বেশ চলছে।

আজ তোমায় দেখতে পাচ্ছি না
কানে কানে কিছু বলতে পারছি না
তোমার কোমল মুখটা ছুঁয়ে দিতে পারছি না।
পারছিনা জেনে  আরও বেশি ইচ্ছে করছে
কিছু বলতে, একটু দেখতে …একটু পাগলামি করতে।

তাই এখন হাতরে বেড়াই তোমায় ঘুমের মাঝে
জানি ছুঁতে পারব না
তবু খুঁজতে খুব ইচ্ছে হয়,

বিস্তারিত»

১৫ নম্বর কেবিনের যাত্রী : স্টেশন- মুর্তজা বশীর গল্পসংগ্রহ

অনেকদিন পর লিখতে বসে টের পাচ্ছি, লেখালেখি ব্যাপারটা আসলে অলসদের জন্য বেজায় অসুবিধার। দুচারটে লাইন সাজিয়ে ফেসবুকে “কি, কেমন দেখলে !” টাইপ স্ট্যাটাস দেয়া এক কথা, আর সুস্থির হয়ে বসে একটা- দুটো ভাবনাকে মনমতো হরফবন্দী করাটা আরেক কথা- মেলা ভাবতে হয়! তবু, পানিতে নামতে হলে ঝাঁপটা তো একসময় দিতেই হবে, তাই বসে গেলাম লেখার হাতটা খানিক মকশো করে নিতে ।

কদিন ধরে একটা বই পড়লাম- মুর্তজা বশীর গল্পসমগ্র।

বিস্তারিত»

বোধ !

ও আমার বন্ধু ছিল,
রানা খালকো
বেগম রোকেয়া শিশুনিকেতনে কিছুদিন একসাথে বিদ্যা নেয়া
অদ্ভূত সারল্যের এক বালক দেবতা,

দীঘীর ওপারের সাঁওতাল পাড়া থেকে সাত সকালে

কয়েক কিলো রাস্তা খালি পায়ে হেটে,
কালচে সাদা শার্ট চেপে গায়ে,
কখনো ছেঁড়া ব্যাগে কখনোবা পুরনো বইগুলো হাতে নিয়ে,
অনাহার ভুলে-
এই আদিবাসি বালক ছুটে যেত রোজ- পাঠশালে।

তারপর কিভাবে যেন আবার লুকিয়ে গেল অগোচরে
কেউ খুঁজেও দেখল না!

বিস্তারিত»

চালকের বাংলাদেশ, বাংলাদেশের চালক


হাড়ির একটা ভাত টিপেই বোঝা যায় হাড়ির সব ভাতের অবস্থা। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে বাংলাদেশের অবস্থা বোঝার জন্য সারা বাংলাদেশ না ঘুরলেও হয়। বিভিন্ন যানবাহনের চালকের সাথে গল্প জুড়ে দিলেই হবে। বাংলাদেশে যখন বেড়াতে যাই তখন আমি ছিন্নমূল। নিজের কোন বাহন নেই। তাই অনেকের বাহন ব্যবহার করতে হয়। অনিচ্ছাতেই। দেশে থাকতে আমি সব সময়ই একা চলে অভ্যস্ত। পদব্রজ, পাবলিক বাস, রিক্সা, গাড়ি –

বিস্তারিত»

মাত্রতো একটা যুগের একটু বেশী….

বন্ধূ চয়নকে ফোন দিয়েছিলাম বহুদিন পর- চিনতেই পারেনি।
নাম বললাম- ভালো নামটা, যে নামে স্কুলে প্রতিদিন উপস্থিতি ডাকত রেবেকা আপা
সেই নামটাই বললাম, ডাক নাম অবশ্য ইচ্ছে করেই বলিনি
নাহ! বন্ধু আমাকে চিনতেই পারেনি।
সময়ও অবশ্য কম গড়ায়নি, এক যুগেরও একটু বেশী।
আমার আবেগ এখনো কাঁচা কিন্তু বন্ধুরা কেউ মনে রাখেনি।

যাই হোক, চয়নের কথা বলছিলাম।
ফাল্গুনের নতুন বাতাসে আজিজের দুই তলায় দাড়িয়ে দাড়িয়ে চয়নকে একবার ফোন দিলাম-
স্নাতক শেষ,

বিস্তারিত»

আজ তাকে শাড়ীতে দেখেছি

আজ তাকে শাড়ীতে দেখেছি

মেয়েটিকে প্রায়ই দেখি,
অসম্ভব সুন্দর, নিস্পাপ একটি মুখ,
বৃষ্টির পরে সবুজ সতেজ ঘাস যেমন,
কখনো তুলনা করি বন ছেয়ে যাওয়া পিংক কাসিয়ার সাথে,
ঐ সৌন্দর্য থেকে চোখ সরানো যায়না।
তার অনুপস্থিতি আমার মাঝে শূণ্যতার সৃষ্টি করে।
আবার কখনো কখনো তাকে দেখি,
অনেক মানুষের ভীড়ে হঠাৎ হঠাৎ দেখা দেয়,
অনেকটা দক্ষিণা হাওয়ার দিনে,

বিস্তারিত»

এক দিনের ভণ্ডামি আর কত???

আমরা বাঙ্গালীরা হুজুগে পাগল, এটা মোটামুটি আমরা সবাই ই এক কথায় স্বীকার করবো। আর তা যদি হয় বিশেষ কোন দিবসকে কেন্দ্র করে তাহলে তো কথাই নেই। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস,শহীদ দিবস কোনটাই এর বাতিক্রম নয়। শুধু ওই বিশেষ দিনটিতেই যেন সবার মনে পরে দিনটির কথা।ক্যালেন্ডার এর পাতা উল্টালেই ভুলে যাই দিনের কথা এবং শুরু হয় পরবর্তী অন্য কোন বিশেষ দিবসের জন্য প্রস্তুতি।

এই হুজুগে মাতাল হওয়া টা খুব বেশি মাত্রায় যেসব দিবসগুলোকে আক্রমন করে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসব,শরত উৎসব,

বিস্তারিত»

ডলফিন, নীলতিমি ও একটি থিসিস পেপার

(১)

ভেজা বারান্দায় দৌড়ানো সহজ কথা নয়। সেটাই করতে হচ্ছে শুভকে। এমনিতেই পাঁচ মিনিট দেরী হয়ে গেছে।থিসিস পেপারটা শুভ স্যার কে দেখাতে পারবে তো? এমনিতেই রশিদ স্যার যে রাগী! এসব ভাবতে ভাবতে একটু অন্যমনস্ক হয়েছিল শুভ। হঠাৎ পা পিছলে গেল।

কিছুটা স্পীডেই দৌড়াচ্ছিল শুভ।তাই পড়ে গিয়ে ভাল ব্যথা পেল সে।কাপড়চোপড় আগেই ভিজে গিয়েছিল। এখন আরো খারাপ হল কাপড়ের অবস্থা। যাই হোক শুভ একটু ঠিক হয়ে নিক।এই সুযোগে আপনাদের সাথে ওকে পরিচয় করিয়ে দেই।

বিস্তারিত»

শুভ নববর্ষ।

শুরুতেই সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই।শুভ নববর্ষ !

এই শুভেচ্ছা সম্বোধনটা যদিও আমাদের জন্যে অপেক্ষাকৃত নতুন। গত দশ পনের বছর ধরে এর চল।

এর একটা অত্যন্ত সুন্দর দিক আছে, আবার ওপিঠে কিছু দিক আছে, যা ভাবনার অবকাশ রাখে।

একদম ছোট্ট বেলায়, মনে পরে গ্রীষ্মের ছুটিতে যখন গ্রামে বেরাতে যেতাম, তখন একটা নতুন, মজার জিনিস উপভোগ করতাম। “হালখাতা”!

হালখাতা অর্থ যাই হোক,

বিস্তারিত»

ঢাকা খ্রীস্টান কবরস্থান, ওয়ারী – ছবিব্লগ

ছবি নিয়ে বেশ কিছুদিন কিছু পোস্ট করা হয় নাই, কিছু পেলামও না আশেপাশে যে দিব। তাই ইতিহাসের মত বোরিং একটা সাবজেক্ট নিয়ে টান দিলাম এবার।

এই পোস্টের স্থান হল নারিন্দার খ্রিস্টান কবরস্থান। নারিন্দা জায়গাটা হল ওয়ারীতে, ওই বলধা গার্ডেন থেকে ভেতরের রাস্তায় একটু সোজা এগোলেই হাতের বাম দিকে পড়বে এই কবরস্থান। তবে সবার জন্য প্রবেশ নিষেধ, গেটে গিয়ে শুধু ছবি তুলেই চলে যাব অনুরোধ করার পরও বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে লেগেছে।

বিস্তারিত»

হে শান্তিরক্ষী ……… নিজের পরিবারের শান্তি নিশ্চিত করার জন্য হলেও ফিরে এসো

বাংলাদেশে সারা বিশ্বের মধ্যে যে কয়টা বিষয় নিয়ে গর্ব করতে পারে , তার মধ্যে অন্যতম হল শান্তিরক্ষী হিসেবে পুরো পৃথিবীর কাছে অর্জিত সুনাম। সঠিক তারিখ না বলতে পারলেও এইটুকু বলতে পারছি ৯০ এর দশকের গোঁড়ার দিকে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে সেনা প্রেরন শুরু করে। অবিশ্বাস্য হলেও  সত্য , দেশের মানুষের কাছ থেকে অধিকাংশ সময় প্রাপ্য সন্মান না পেলেও কেন জানি এই সংঘাতময় দেশের মানুষগুলো সব সময় ই এই সেনাদের খুব বেশিই আপন করে নিয়েছে।

বিস্তারিত»