মা, মা, আমি ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়েছি! :D


ছোটবেলায় সিনেমায় দেখেছিলাম নায়ক জসিম দৌড়ে দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলছে, মা, মা, দেখো,আমি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছি!

জীবনের প্রায় মাঝবরাবর এসে, আমি একসময়ের রবিউল থেকে শরীর-স্বাস্থ্যে মাশাল্লাহ জসিমে এসে দাঁড়িয়েছি। এই ‘সুবিশাল’ প্রাপ্তি উদযাপনেরই সম্ভবত একটা সুযোগ করে দিলো রকমারি ডট কম। তাদের কল্যাণে আমি জসিমের মতই আপ্রাণ দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলতে পারছি, জনগণ দেখো দেখো, আমি সেকেন্ড হয়েছি।

বিস্তারিত»

দিন যায় কথা থাকে…

প্রসঙ্গক্রমে কিছু কাল্পনিক ঘটনার অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে।কারও কারও বাস্তব জীবনের সাথে মিলে গেলেও যেতে পারে।তবে সে ক্ষেত্রে লেখক দায়ী থাকবে না 😉

সবই আছে,সবাই আছে।কাঁধের উপর পাঁচ দাগ আছে।আছে পিছনে হাত বা পকেটে হাত দিয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হেটে যাবার রাজকীয় ক্ষমতা।এত সব ক্ষমতা আর পাঁচ দাগের ভারে ডান কাঁধটা কবে যেন একটু বাঁকা হয়ে গেছে খেয়াল করার সুযোগই হয়নি।ক্লাস ইলেভেন কলেজের ক্যাডার।মন যা চায় মোটামুটি সবই হাতের নাগালে পাওয়া যায়।খাকী পোশাক গায়ে জড়াবার প্রথম দিন থেকে এই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা।এখন সবই হাতের নাগালে।এতসব কিছুর মাঝেও বুকের মধ্যে কোথায় যেন একটা শূন্যতা কাজ করে।কিছু যেন একটা মিসিং।শুধু আমার একার না মোটামুটি সবারই এক অবস্থা।

বিস্তারিত»

মনে পড়ে ওপারের জীবন…

আজ অনেক দিন…দিন বললে ভুল হবে,অনেক মাস পর সিসিবি তে লিখছি। লেখাটা নিতান্তই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে,নিজের ব্যাচ, নিজের কলেজের কিছু নিজের মানুষকে উৎসর্গ করছি!
লেখা হয়না কতদিন!!জীবনের ব্যাস্ততার মাঝে ভুলেই গেছি ফেলে আসা আরেক জীবন আমার! কিন্তু বাস্তবে…ভোলা হয়নি, ভলা যায়নি, যাবেও না সেই দিন গুলো!
কলেজে বসে শেষদিনগুলোতে লেখা কিছু বিক্ষিপ্ত আবেগের আবোল তাবোল আর ডায়েরির বাকি পাতা গুলোতে নিজের মানুষদের উত্তপ্ত মন্তব্যের ঢল- এইতো সম্বল আমার!

বিস্তারিত»