প্রায় সিগারেটের সমান হয়ে এসে ছাইয়ের লম্বাটে কায়াটা আর পারলোনা, টুপ করে খসে পড়লো মেঝেয়।আরেকটা ধরাবো কি ধরাবোনা ভাবতে ভাবতে মার্লবোরোর প্যাকেটটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকি, অস্থিরতাটুকু আড়াল করবো বলে।
জানলা দিয়ে বারোতলা থেকে আকাশ দেখছে পৃ, দেখেই চলেছে।অনেকক্ষণ কোন শব্দবিনিময় নেই, কেবল মনে মনে নিরুচ্চারে পরষ্পর কথা কয়ে চলেছি দুজনে।ও জানলায়, আমি এইখানে ছাইদানের পাশে উবু হয়ে।
সিগারেটের একচোখা আগুনটাকে পিষে ফেলতে ফেলতে আমি ওকে জিজ্ঞেস করি,
মিঠু-মন্টির ছড়ার বাকী অন্তরা
ক–এ কলা খ–এ খাই
এতো বেশী খেতে নাই।
গ–এ গরু ঘ–এ ঘাস
কত ঘাস খেতে চাস।
‘ঙ’ বলে, “কোলা ব্যাঙ,
সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ!”
ক – খ – গ – ঘ – ঙ॥
চ–এ চাচা ছ–এ ছাই
দাঁত মাজো। ছাই চাই?
জ–এ জাম ঝ–এ ঝড়
ঝড় এলো জাম পড়।
‘ঞ’–বলে, “মিঞা ভাই,
বিয়ে খাব।
নীল দানব
গ্রামের সরল শিশু জিজ্ঞাসে,
বাবা, বাবা, এইটা কি?
বাবা বলে বেলু্ন।
বাবা ওইটা কি?
বাবা বলে ওইটা ফুচকা, তুমি খাবে?
হ্যাঁ , বাবা খাবো।
আবার জিজ্ঞাসা,বাবা ওটা কি?
বাবার সরল উত্তর ,উনি পুলিশ।
উনি কি করে?
চোর ধরে ,ডাকাত ধরে , খারাপ লোক ধরে।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিউটি করে।
উনি কি বেতন পান?
হ্যাঁ,সবাই বেতন পায়।