ছোটবেলায় আমরা যখন প্রাইভেট টিউটর কে জ্বালায়ে মাছভাজা করে ছেড়ে দিতাম,তখন ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনাই যে এক মাঘে শীত যায়না। এই মহা মুসিবত যে আমার ঘাড়েও চাপবে তা বুঝলে আমার টীচারদের জ্বালাতন করার তোড়জোড় একটু কমায়ে দিতাম। আমি তখন ক্লাস টু তে। । বাড়ির মানুষজনের শাসন আর চোখ রাঙ্গানি থোড়াই কেয়ার করতাম দেখে আমার মা ঠিক করল আমারে টিউটর দেবে। আমার মা অফিসে চলে গেলে আমি নিজেকে রাজা বাদশাহ গোত্রীয় ভাবা শুরু করতাম।
বিস্তারিত»দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার পদ্মা
কিছু করার নাই। মানিক বন্দোপাধ্যায় সেই কবে পদ্মা নদীর মাঝি লিখেছিলেন। উপন্যাসের নায়ক বা ভিলেন যাই বলেন, তার নাম হোসেন মিয়া। সেই থেকে পদ্মা নদী নিয়ে সব গল্পের নায়কের নামই হোসেন মিয়া। তবে খানিকটা আধুনিকতা দিতে এই গল্পের নায়ক হোসেনের নামের শেষে মিয়া না লিখে নামের শুরুতেই সৈয়দ লেখা যেতে পারে।
আমাদের এই হোসেন মিয়া আবার রাজনীতি করেন। তার এলাকা পদ্মা নদী থেকে একটু দূরে।
নূপুর কাব্য – ২
(এইনামে একটা সিরিজ কিন্তু চলে ভাইসাব আর বোনসাব, ভুইলেন না মোট্টেও)
১।
কিছু কাজ তো ফেলে রাখা যায় । কিবা এমন জরুরী সেসব ?
এমন কিছু ছিল না শহরের সবকিছু,
মাঝখান দিয়ে একটুখানি রাস্তা, দুধারে দোকানপাট
শহরের শেষ মাথায় স্কুল।
পথ শেষের লালবাড়িটিতে আমরা ক্যালকুলাসের জটিল সব সমাধান করতাম ।
তুই জমিয়ে রাখতি অংক,
অনাকাঙ্খিত পরিচয়
বাসে ভীড় চমৎকার,
তার মধ্যে আবার-
যাত্রী নেওয়ায় ব্যস্ত কন্ডাক্টর,
সিট অবশ্য পেয়েছি একটা,
আর পাশে বসা মহিলাটাকে দেখছে আমার উৎসাহী চোখটা,
চেনা চেনা লাগে,
মনে হচ্ছে দেখেছি অনেকবার আগে-
কোথাও,
মনে পড়ছে না নামটাও ।
“ওহে টিকিটটা-”, আনমনে দিলাম তা,
“ওহে”- বলে কলেজের এক বন্ধুও ডাকত সবাইকে,
বিস্তারিত»মুসলমানিত্ব
বাঙালি মুসলমানের মন যে এখনো আদিম অবস্থায়, তা বাঙালি হওয়ার জন্যও নয় এবং মুসলমান হওয়ার জন্যও নয়। সুদীর্ঘকালব্যাপী একটি ঐতিহাসিক পদ্ধতির দরুন তার মনের ওপর একটি গাঢ় মায়াজাল বিস্তৃত রয়েছে, সজ্ঞানে তার বাইরে সে আসতে পারে না। তাই এক পা যদি এগিয়ে আসে, তিন পা পিছিয়ে যেতে হয়। মানসিক ভীতিই এই সমাজকে চালিয়ে থাকে।
(বাঙালি মুসলমানের মন/আহমদ ছফা)
–
–
–