পাঁচ মিনিট বিরহের গল্প/ ২

আনিকা মেয়েটার ভেতর ন্যাকামি ভাব প্রবল। তার চেয়েও সাংঘাতিক রকমের প্রবল হল আদুরে আর ছিঁচকাঁদুনে স্বভাব। ভার্সিটিতে ভর্তি হতে এসে সেইরকম এক তুলকালাম বাঁধিয়ে দিয়েছিল অফিস রুমে। পেটমোটা রেজিস্ট্রি খাতা খুলে বসা রোগা কেরানি আনিকার নাম লিখেছিল আনিকা ফারহানা। ফাজলামি নাকি! সামাদ সাহেব রীতিমত ডাবল খাসি জবাই করে মেয়ের নাম রেখেছিলেন আনিকা ফারজানা, আর এই কেরানি সার্টিফিকেট দেখে দেখে লিখতে গিয়েও কীভাবে ‘বর্গীয় জ’ খেয়াল করলো না!

বিস্তারিত»

ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৮, ইসিসি (একটি স্বপ্ন)

নাহ, দুনিয়া জুড়ে প্রচুর গিয়াঞ্জাম। কালকে হঠাত সিসিবি এর এফবি পেজ এ একটা কমেন্ট দেখলাম। পুরানো দিনের কথা মনে করে আফসোস করা হইতেছে। আসলেই আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম। সারাদিন কমেন্ট র পোষ্টের বন্যা। এখন আর আগের সেই স্টার লেখকদের কাউকেই দেখি না। এমন কি আমাদের প্রিন্সিপাল স্যার ও অনেক বিজি। 🙁

কালকে কমেন্ট এ ফাইসা গেলাম। আবাহনীর আকাশ ( আবাহনী রে নিয়া আমিও খুব এ হতাশ এই সিজন এ) এর রিকোয়েস্ট একটা সেলোগ্রাফী হইলেও দেন।

বিস্তারিত»

মেমোরি কার্ড

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সবাই একাডেমির ওয়াশরুমকেই নিজেদের আড্ডাখানা মনে করতো। বোরিং মফিজ স্যারের ক্লাস কিংবা জহির স্যারের গাইড দেখে দেখে ম্যাথ করানোর টাইমটাতে ওয়াশরুমে আড্ডা কিংবা ফোনে গান শুনাটা সিনিয়র ক্যাডেটদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো। তাছাড়া ল্যাব পিরিয়ডে এবং প্রেপ টাইমেও ক্যাডেটদের বিনোদোন খুঁজে নেওয়ার একমাত্র স্থান ওই ওয়াশরুম। ফোনে গান শোনা কিংবা ফেসবুক গুতানোর জন্যে ওই জায়গাটা তুলনামূলকভাবে অনেক নিরাপদ। আমাদের একাডেমিতে সিনিয়র ব্লকে চার টা টয়লেটের মাঝে চার নাম্বার টয়লেটে কেউ কাজ সারতো না।

বিস্তারিত»