ক্যাডেট কলেজ ব্লগ http://www.cadetcollegeblog.com Thu, 02 Sep 2010 21:44:32 +0000 en hourly 1 আই হেইট লাভ স্টোরিজ…http://www.cadetcollegeblog.com/olosh-sele/27009 http://www.cadetcollegeblog.com/olosh-sele/27009#comments Thu, 02 Sep 2010 21:44:32 +0000 ইমরান (১৯৯৯-২০০৫) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=27009 না, ঠিক মুভির রিভিউ না এটা। নাম দেখে আবার না কেউ এটাকে মুভিটার রিভিউ ভেবে বসেন, তাই শুরুতেই বলে নিলাম। আসলে ছবিটার কাহিনীটা কেন যেন আমার কাছে আনেকটা বাস্তব বলে মনে হল। আমার এক বন্ধু কয়েকদিন আগে বলছিল, লাভ ইজ আ কমপ্লিট বুলশিট। কথাটার বিপক্ষে আমি সেদিন বেশ অনেকক্ষন অনেক কিছু বলেছিলাম। আজ মুভিটা দেখার সময় কেন যেন মনে হচ্ছিল সত্যিই, লাভ ইজ আ কমপ্লিট বুলশিট। কেন আমিও এটা মনে করলাম কয়েকটা ঘটনা এখানে বললে হয়তো অনেকেই বুঝবেন। তবে শুরুর আগে বলে নেই, নামগুলো কাল্পনিক।

আমার বেশ কাছের একজন মানুষ,নাম মুহিব। মুহিবের ফ্রেন্ড সার্কেলের একজন, সৌরভ। সৌরভের দীর্ঘ ছয় বছরের প্রেম। মেয়েটাও ওদের দুজনের ফ্রেন্ড সার্কেলের একজন। সে হিসেবে সাধারনত যা হয়, সবধরনের আড্ডা, দুষ্টামি সবকিছুতেই মেয়েটাও ওদের একজন হয়ে থাকে। কিন্তু তা হলেও সবাই জানে সৌরভ আর মেয়েটার ব্যাপারটা মোটামুটি ফাইনাল।ওরা শুধু না, দুই পরিবারও জানে ব্যাপারটা এবং তাদের মতামতও আছে এ ব্যাপারে। হয়তো আর বছর দু একের মধ্যে তারা পরিনয়সুত্ত্রে আবদ্ধ হত। এখন আসা যাক মুহিবের ব্যাপারে। মুহিব অন্যদের তুলনায় একটু চঞ্চল প্রকৃতির, আমুদে। সারাক্ষন জোকস, একে ওকে পচানোর মাধ্যমে সবাইকে আনন্দ দেবার জন্য তার জুড়ি নেই। আর সবার মত মেয়েটাও মুহিবের আড্ডাবাজি আর চঞ্চলতাটাকে উপভোগ করতো, হয়তোবা তা অন্যদের থেকে একটু বেশিই। যা হোক, প্রেমে ঝগড়াঝাটিটা স্বাভাবিক, তাই সৌরভ আর মেয়েটার মাঝেও ঝগড়া নিতান্ত কম হত না। ঐ সময়টাতে মেয়েটাকে হাসাত মুহিব, আড্ডা দিত।ব্যাপারটাকে কেউই দোষের কিছু দেখতো না। আমার মনে হয় বুদ্ধিমান ক্যাডেটজাতি এতক্ষনে ঘটনা বুঝে ফেলছেন। আপনারা যা বুঝছেন ঘটনা তাই ঘটছে। কিছুদিন পর মেয়েটা মুহিবের সাথে সিরিয়াস, আর সৌরভ পড়াশুনার নামে বিদেশ। বর্তমান আপডেট, মুহিব দুই বছর প্রেমের পর বুঝতে পারলো তার পরিবার এটা মেনে নিবে না কেননা মুহিবের পরিবার ওর ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাইকে ভালমত চেনে। এমনকি মেয়েটির আর সৌরভের ব্যাপারেও জানে। তারা চাচ্ছেন না, যে মেয়েটাকে তারা নিজেরা বয়ফ্রেন্ড নিয়ে এতদিন ঘুরতে দেখেছে সেই মেয়েটাই আবার তাদের বাড়ীর বউ হয়ে আসুক। ফলাফল আবার ব্রেক আপ! এখন আপনারেই বলেন, আসলে ভালবাসাটা কোথায়?

এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি। আমার ক্যাডেট কলেজের বাহিরের এক বন্ধু, ঢাকা ভার্সিটিতে পড়ে। ছুটি গেলে প্রায়ই আড্ডা দিতাম ওর সাথে। প্রায় প্রতিবারই সে আমাকে তার নতুন নতুন গার্লফ্রেন্ডদের ছবি দেখাত এবং তাদের নিয়ে বিভিন্ন রসাত্মক গল্প শোনাত। ফ্যাক্ট হল আপনারা আপনার বন্ধুদের মাঝেও এমন অনেক উধাহরন পাবেন। তাহলে কি সত্যি লাভ ইজ আ বুলশিট?

আরো কয়েকটা ঘটনা বলব ভাবছিলাম, কিন্তু অনেক ফালতু বকলাম মনে হচ্ছে।ধুর, ঘুমাইতে যাই।…… ওহ যাওয়ার আগে আমার অনেক পছন্দের একটা গান…..

[Songs.PK] I Hate Luv Storys – 06 – Bin Tere (Reprise)

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/olosh-sele/27009/feed 34
শুরু হচ্ছে ইউরো ২০১২ বাছাই পর্বhttp://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/27007 http://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/27007#comments Thu, 02 Sep 2010 19:19:07 +0000 রাকেশ (৯৪-০০) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=27007 ফুটবল নিয়ে আরো একটা পোস্ট লিখে ফেললাম, সম্ভবত ২০১২ এর আগে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল নিয়ে আমার লেখা শেষ পোস্ট এটা।

২০১২ তে কি? ইউরো, বিশ্বকাপের পর সবচেয়ে জমজমাট টুর্নামেন্ট। ব্রাজিল আর্জেন্টিনা বাদ দিলে সব জায়ান্টকেই পাওয়া যায় এখানে, আর আমার কাছে বিশ্বকাপের চেয়ে ইউরো বড় কারন এখানে যে ১৬ দল খেলে সবাই ক্লাস টিম। এশিয়া কিনবা নর্থ আমেরিকার বা অস্ট্রেলিয়া থেকে শুধু কোটা ফিল আপ করার জন্য কারো খেলা দেখা লাগে না।

যাই হোক, মতবিরোধ থাকতেই পারে, আসল কথায় ব্যাক করি। এবারের ইউরো যৌথ ভাবে আয়োজন করবে পোল্যান্ড আর ইউক্রেন, ২০১২ এর ৮ জুন থেকে খেলা শুরু। তবে বাছাইপর্ব শুরু হচ্ছে আজ থেকেই (যদি ভুল না করে থাকি)। স্বাগতিক দল দুটা নিয়েই যা প্রবলেম আমার। ইউক্রেন হয়ত কোয়ালিফাই করত ইউরোতে, কিন্তু মনে হয় না পোল্যান্ডের সেই যোগ্যতা আছে। স্বাগতিক হয়েই সরাসরি খেলতেছে তারা।

ফাইনালে কারা খেলবে তাদের সিলেকশনটা এবার একটু জটিল। স্বাগতিক ২টা দল তো সরাসরি খেলবেই, বাছাইপর্বে এবার গ্রুপ আছে মোট ৯টা। এই ৯ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সবাই চলে যাবে ইউরো ২০১২ তে, সাথে এই ৯ গ্রুপের মধ্যে বেস্ট রানার আপ টিম। এখান থেকে ১২ টিম পাওয়া গেল, বাকি ৪টা স্পটের জন্য বাকি ৮ গ্রুপের রানারআপ প্লে অফ খেলবে।

পোস্ট বড় হয়ে যাওয়ার ভয়ে আর পুরোটা লেখার আগেই ২০১২ চলে আসার ভয়ে টিম বাই টিম এনালাইসিস আর দিলাম না, ওগুলা কমেন্টে থাকবে।

গ্রুপ এ –
জার্মানী, তুরস্ক, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, কাজাখস্তান, আজারবাইজান।

বাজি তো জার্মানীর দিকে, বাছাই পর্বে খুব একটা ভুল করে না এরা। দ্বিতীয় হতে পারে তুরস্ক বা বেলজিয়াম থেকে যেকোন এক টিম। তুরস্ককে রাখতেছি কারন টিম একেবারে খারাপ না, আর তুরস্কে এওয়ে ম্যাচ খেলা যেকোন দলের জন্যই অনেক টাফ। তবে আমার প্রেফারেন্স থাকবে বেলজিয়ামের জন্য। কোম্পানি, ফন বাইটেন, আর্সেনালের ভার্মালেন, টিমি সিমন্স আর সবচেয়ে বড় আকর্ষন থাকবে এডেন হ্যাজার্ডের জন্য। বাচ্চা প্লেয়ার হ্যাজার্ড, তবে ইউটিউবে Eden Hazard লিখে সার্চ দেন তাহলেই বুঝবেন কি জিনিষ।

গ্রুপ বি-
রাশিয়া, স্লোভাকিয়া, আয়ারল্যান্ড, মেসিডোনিয়া, আর্মেনিয়া, এন্ডোরা।

ইউরো ২০০৮ এর পর রাশিয়া বিশ্বকাপে নাই, এটাই অনেক বড় অঘটন ছিল আমার জন্য। আশা করি বাছাই তে এমন কোন পেচগী লাগবে না, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পারবে। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত রাশিয়ার সব হোম ম্যাচ রাশিয়াই জিতবে। দ্বিতীয় কে, আয়ারল্যান্ড না স্লোভাকিয়া? স্লোভাকিয়া তো বিশ্বকাপের হিট দল, আয়ারল্যান্ডের অবশ্য হালকা পাতলা অভিজ্ঞতা আছে। রবি কিন অবসর নিবে না নাকি?

গ্রুপ সি –
এস্তোনিয়া, ইতালী, সার্বিয়া, নর্থান আয়ারল্যান্ড, স্লোভেনিয়া, ফারো আইল্যান্ড।

হোপফুলি ইতালী আরামে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে এখানে, নতুন কোচ প্রান্দেল্লী অনেক বেশী ওপেন লিপ্পির চেয়ে। কাসানো আর বালোতেল্লিকে একসাথে খেলতে দেখা যাবে, সামনে পাজ্জিনি (আআআআআহ!)। দ্বিতীর হওয়ার জন্যও সার্বিয়াকে কস্ট করতে হবে বলে মনে হয় না।

গ্রুপ ডি –
ফ্রান্স, রোমানিয়া, বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভেনিয়া, বেলারুস, আলবেনিয়া, লুক্সেমবার্গ।

এটাও একটা ইজি গ্রুপ, যা খেলা হবে ফ্রান্স আর রোমানিয়ার মধ্যেই। বিশ্বকাপের ২৩ প্লেয়ারকে কবে আবার জাতীয় দলে আনা হবে নিশ্চিত না, সেকারনে রোমানিয়ার চেয়ে আহামরি কোন শক্ত দল না ফ্রান্স। এনেলকা অনেক ম্যাচের জন্য সাসপেন্ড, তবে এনেলকা ছাড়াও আরো স্ট্রাইকার আছে লরা ব্লার হাতে। রোমানিয়ার ডিফেন্স আবার ভালো বেশ, সাথে সব বলকান দলের মতই ডেড বল স্পেশালিস্ট।

গ্রুপ ই –
হল্যান্ড, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী, মলদোভা, সান ম্যারিনো।

সুইডেনের বিশ্বকাপে যাওয়া উচিত ছিল, সামনের ইউরোতে দেখতে চাই। ইব্রা, উইলেমসন আর কার্লস্ট্রম আসলে বড় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা রাখে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হোয়ার মত টিম না সুইডেনের, ওই পজিশনটা হল্যান্ডই পাবে অঘটন না ঘটলে।

গ্রুপ এফ –
ক্রোয়াশিয়া, গ্রীস, ইসরায়েল, লাটভিয়া, জর্জিয়া, মাল্টা।

ফালতু গ্রুপ, ক্রোয়াশিয়া নিশ্চিতভাবেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে। গ্রীস আর জর্জিয়া দ্বিতীয় হওয়ার জন্য ফাইট দিবে, কিন্তু আসলে ইউরোর চুড়ান্ত পর্যায়ে খেলার জন্য কারোরই যোগ্যতা নাই।

গ্রুপ জি –
ইংল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ওয়েলস, মন্টেনেগ্রো।

ইংল্যান্ড, এনিওয়ান? মনেহয় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, ক্যাপেলো লাস্ট ম্যাজিক দেখাবে, এক বিশ্বকাপেই যা শিক্ষা পাওয়ার পেয়ে গেছে। আর কে, সুইজারল্যান্ড না বুলগেরিয়া? প্রার সমশক্তির টিম এরা, সুইজারল্যান্ডের আছে ফ্রেই, বার্নেট্টা, ইনলার আর ভোলানথেনের মত প্লেয়ার, আবার বুলগেরিয়ার আছে বার্বাটোভ, বজিনোভ, পেট্রোভ আর পেতোভের মত প্লেয়ার। দেখা যাক, আমার কাছে অবশ্য দুইটাই বোরিং টিম।

গ্রুপ এইচ –
পর্তুগাল, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সাইপ্রাস, আইসল্যান্ড।

সেই নরওয়ে আর নাই, তারপরও ক্যারু, ইভেরসেন, হেলস্টাড, গ্যামস্ট পেডারসন, আর্নে রিসে ভালোই ফাইট দিতে পারবে। ডেনমার্কেরও স্বর্নযুগ না এটা, ভালো প্লেয়ার কিছু আছে তাও, যেমন রোমেডাল, কালেনবার্গ, পোলসেন আর শক্ত ডীফেন্সে সিমন কার, কোলড্রাপ, এগার, আর জ্যাকোবসেন। পর্তুগাল হয়ত চ্যাম্পিয়ন হবে, কিন্তু একটা চমতকার গ্রুপ ফাইট দেখা যাবে এখানে।

গ্রুপ আই –
স্পেন, চেক, স্কটল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, লিচেস্টাইন।

স্পেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। আর স্কটল্যান্ড যতই ভালো টিম হোক, চেক রিপাবলিককে বিট করা টাফ হবে। চেকের আসলে বিশ্বকাপেই থাকা উচিত ছিল, কেন যে ঘুমায়ে গেছিলো কে জানে! পিটার চেক, আর্সেনালের রসিস্কি, পোলাক, প্লাসিল, হাবস্ম্যান, রোজেনাল, গ্রাইগেরা আর মিলান বারোস যে দলে থাকে তাদের আসলে উচিত পর্তুগালের সাথে তুলনা হওয়া।

যাই হোক, আমার লেখা শেষ। একটা বাংলাদেশ টাইমের ফিক্সচার দরকার, কারো কাছে থাকলে প্লিজ শেয়ার হিয়ার।

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/27007/feed 6
বিয়ের বয়স :)http://www.cadetcollegeblog.com/tanjeena-jahangir/27005 http://www.cadetcollegeblog.com/tanjeena-jahangir/27005#comments Thu, 02 Sep 2010 16:45:21 +0000 তানজিনা আঁধার (অতিথি) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=27005 সুপ্রিয় সিসিবিবাসী ভাই ও বোনেরা,

পত্রের শুরুতে আমার শত-কোটি সালাম ও দোয়া রইল। পর সমাচার এই যে, সুদীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদ-উল-ফিতরের বাঁকা চাঁদ যেমন আসি আসি করছে, ঠিক তেমনি আমাদের সিসিবি-র দুই অতি পরিচিত ও প্রিয় মুখে বিবাহ সংক্রান্ত সুখবরের নিমিত্তে হাসি ফুটতে যাচ্ছে।

জ্বী, ভাইসব, আপনাদের সকল অনুমান মিথ্যা প্রমাণ করে আমি এখন তাহাদের নাম ঘোষণা করিতে যাচ্ছি। তারা হলঃ আহমেদ টান্টু আর গুটুমুটু জরিনা।

বহুদিন ধরেই জরিনা আপার মনে বিয়ের ফুল ফোটানোর আগ্রহ ছিল যার প্রমাণ আমরা খোমাখাতায় নিয়মিত পেয়ে আসছি, কিন্তু আমাদের পিকনিক আহমেদের বিয়ের বয়স হয় নাই বলে ঘটনা আটকে ছিল। আজ রাত ১২টা বাজলেই টান্টুর বিয়ের বয়স হয়ে যাবে, কারণ তার স্নাতক ডিগ্রী অর্জন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর আমাদের টান্টু যেই ফুংসুক ওয়াংরু, চাকরী ও খুঁজবে না- ওরে চাকরী খুঁজবে। আশা করি পরবর্তী জন্মদিনের দাওয়াতের আগেই আমরা ওদের বিয়ের দাওয়াত পাচ্ছি :)

পত্রের শেষে তাহলে সমস্বরে বলি- “আগাম হেফি বাড্ডে, টান্টু, দোয়া করি শত-সহস্র আন্ডাবাচ্চা নিয়ে কাম্রুল ভাইয়ের সাথে তিন প্রহরের বিল দেখতে যাও!”

ইত্তি-
আপনাদের স্নেহধন্যা,
আঁধার

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি জীবনে কোনদিন জন্মদিনের পোস্ট লেখার স্বপ্নও দেখি নাই। সব ঐ জেরির দোষ। ওর অনুরোধেই আমারে এই ঢেঁকি গিলতে হয়েছে। সবাই মিলে ওরে পাঙ্গাইয়েন এই অখাদ্য লেখাটা পড়ার পরে :grrr:

অফটপিকঃ কইরে রকিব্যা, কই গেলি ব্যাটা চারাগাছ….রোজা-রমজানের দিনে যে রাত জেগে একটা পোস্ট দিলাম, এক কাপ চা ও না চাইতে দিলি না, ভাই :(

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/tanjeena-jahangir/27005/feed 126
প্রসংগ বারবার শপhttp://www.cadetcollegeblog.com/ghashphul/27001 http://www.cadetcollegeblog.com/ghashphul/27001#comments Thu, 02 Sep 2010 05:20:49 +0000 রুম্মান (১৯৯৩-৯৯) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=27001 অনেক দিন হলো এখানে লিখি না । লিখবো কি,ঠিকমতো তো ব্লগেই আসার সুযোগ পাই না । সাভারে জয়েন করার পরে আমার এই অবস্থা । এই কয়েকদিনে বেশ কয়েকটা ঘটনা ঘটলোঃ
১) এক্সিবিশনটা ভালই হইছে আলহামদুলিল্লাহ ।
২) আমি আরামের ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে সাভারে জয়েন করেছি এবং জয়েন করে চরম খাবি খাইতেছি ।
৩) এর মধ্যে আবার ছোট্ট একটা ঘটনাও ঘটে গেছে । আমি মেজর র‌্যাংক পড়ে ফেলছি । বুড়া হয়ে গেলাম ।

যাই হোক, আসল কথায় আসি। গতকাল হেয়ার কাট নিতে নিতে হঠাৎ কলেজের বারবার শপের কথা মনে পড়ে গেল । আমি নিশ্চিত, ক্লাশ সেভেন কিংবা এইটে আমার মতো সবারই বারবার শপ একটা বিরক্তিকর জায়গা । ৩০ জনের পিছনে লাইনে দাঁড়িয়ে যখন আমার টার্ণ আসবে আসবে করছে ঠিক সেই সময়ে ক্লাশ ১২ এর ৪/৫ জন এসে বসবে ।আমাদের কলেজে তখনকার সময়ে (৯৩-৯৯) ৩ জন বারবার ছিলেন:
১। দুলাল দা ( বয়স ৩৫-৪০ । সবচাইতে স্মার্ট কাট দেয়,সবচাইতে ইয়াং এজন্য আমাদের প্রয়োজনটা বোধহয় বুঝতো,আর একে টাকা দিলে চুল কম কাটতো )
২। বুড়া (এই লোকটার বয়স তখনই ৭০-৭৫ হবে । অফুরন্ত প্রাণশক্তি । কোন কথা না বলে একমনে চুল কাটতে থাকতেন । ক্যাডেট পেলে পুরাই “মুরগি ছিলা” করে দিতেন ; এজন্য কেউ তার কাছে চুল কাটতে চাইতো না )
৩। মিডল ম্যান ( এর নাম আমাদের কারোই জানা চিল না । চুপচাপ চুল কাটতেন )

দুলাল দা ছিলেন মূলত বারবার শপের হিরো । সবাই চাইতে দুলাল দার কাছে চুল কাটতে । এজন্য দুলাল দা যে চেয়ারে চুল কাটতেন ঐ চেয়ারের পিছনে বিরাট লাইন থাকতো বিরাট । আর বুড়ার চেয়ারে নিতান্ত ধ্রা খাওয়া ২/১ জন ছাড়া কেউই থাকতো না । বুড়া চুল কাটতে কাটতে যখন দেখতে পেত যে তার লাইনে আর কেউ নেই তখন দুলাল দার লাইনের সবচাইতে পেছনের জনের কলার ধরে এনে নিজের চেয়ারে বসিয়ে বলতেন “পাইছি এইবার এট্টারে,ঘেডিডা লামাইয়া হালা দেহি “।তারপর তার লাইনে না আসার অপরাধে এমন এক কাট দিতেন যে ঐ ক্যাডেট অনেকদিন মনে রাখতো তার কথা ।

দুলাল দা । দ্যা হিরো । তার কাছে চুল কাটার জন্য সেইরকম ভিড় । লাইন পেলে মনে হতো ‘আমি ইহাকে পাইলাম’ ! চেয়ারে বসার সময় আলতো করে পকেট হাত দিতে হতো পকেট থেকে “চাবি” বের করার উদ্দেশ্যে যখন অবশ্যম্ভাবীভাবে টাকাটা বের হয়ে যেতে হবে যাতে করে দুলাল দা দেখতে পান যে টাকা আনা হয়েছে । ঠিকঠাক মতো চুল কাটার করে ওটা তাকে হস্তান্তর করা হতো । কিন্তু মেহেদির মতো কয়েকজন আবার ছিল যে চুল কাটার পরে দুনিয়ার কাউকেই চিনিনা এরকম একটা ভাব করে টাকা না দিয়েই চলে আসতো । দুলাল দা তাকিয়ে তাকিয়ে তার চলে যাওয়া দেখতো । এই দুলাল দার একট ডায়লগ এখন ও আমরা বলি – “ওয়াসামবাপ (অসম্ভব), এই চুলা আমি কারছি?” শানে নুযুল হলো,দুলাল দা টাকা নিয়ে চুল এতটাই কম কেটেছেন যে মনে হচ্ছে চুলই কাটেনি । যথারীতি এ্যাডজুটেন্টের কাছে ধরা । তিনি ষ্টাফ ডেকে ধরিয়ে দিলেন তার কাছে । জিজ্ঞেস করলেন কে কেটেছে চুল ? উত্তরে যথারীতি দুলাল দার নাম । ডাকা হলো তাকে । দুলাল দা দেখে বললেন ওয়াসাম্বপ ……।

মিডল ম্যান অবশ্য ভদ্র গোছের মানুষ ছিলেন । কথা কম,কাজ বেশী নীতিতে বিশ্বাসী । ক্লাশ সেভেন এইটে লাইন ধরে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতাম । আর ক্লাশ টুয়েলভে আমরা থাকতাম ঘুমিয়ে । আর বারবাররাই ডাকতে যেতেন রুমে,চুল কি কাটছেন?

সেই দিন শেষ হতে না হতেই গিয়ে পড়লাম বি এম এ র বারবার দের হাতে । ওরে বাপ্রে বাপ !!! ঐ কথা আজকে আর না বলি । এই পর্যন্তই আজকে থাক ………………

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/ghashphul/27001/feed 40
খুশি খুশি পোস্ট – এসি মিলান ২০১০-১১http://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/26998 http://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/26998#comments Wed, 01 Sep 2010 04:51:45 +0000 রাকেশ (৯৪-০০) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26998 ইউরোপীয়ান ফুটবলের ট্রান্সফার সামার শেষ হচ্ছে আজ, ক্লাবগুলোর শেষ মুহুর্তের দৌড়াদৌড়ি দেখে বেশ মজাই লাগছে। কত প্ল্যান, শেষ বেলায় প্লেয়ার ধরার চেস্টা, না হলে হয়ত যা আছে তাই দিয়েই বছর শেষ করতে হবে।

অনেকখন ধরেই গোল ডট কমের লাইভ ট্রান্সভার নিউজ পেজ খুলে বসে আছি, দেখি না আর বড় কোন বেচাকেনা হয় কি না।

এই সামারে সব ক্লাবের প্লেয়ার কেনাবেচা দেখে আর আমার ক্লাব এসি মিলানের ঘুম দেখে মুডটাই অফ ছিল কয়দিন, গত ২-৩ দিন মিলান যা দেখালো আমি এবার ডিস্টিং ডিস্টিং করতে করতে উঠে গিয়েছি। সামনে ফিফা ১১ আর ফুটবল ম্যানেজার ১১ গেমদুইটা আসতেছে, আমি তো আজ রাত থেকেই প্ল্যান করা শুরু করলাম কি করব আর না করব।

যাই হোক, মনের খুশীতে লেখা পোস্ট, লাফাতে লাফাতে যা মনে হয় তাই লিখে গেলাম। এখানেই শেষ করে দিলে হয়, তবে এসি মিলান ২০১০-২০১১ কে সবার সাথে একটু পরিচয় করিয়ে দেয়ার সুযোগ মিস করা ঠিক না।

এটাকিং সাইডে মিলানকে এবার বলা হচ্ছে ইউরোপের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দল, একমাত্র বার্সেলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদই পারবে কাগজে কলমে পাল্লা দিতে। বরং মিলানের এই অ্যাটাক বেশী কমপ্লিট, স্কিল আছে, পেস আছে, ক্রিয়েটিভিটি আছে, আর কিছু সিউর সাকসেস প্রুভেন পারফর্মার আছে। সাধারনত ৪-৩-৩ এ খেলে মিলান, কিন্তু যখন দেখবেন এই ৩ টা স্ট্রাইকার পজিশনের জন্য আপনার হাতে আছে ইব্রাহিমোভিচ, রবিনহো, রোনাল্ডিনহো আর পাতো, মুখে হাসি না এসে পারে না।

পাতো আর রোনাল্ডিনহো আগে থেকেই আছে মিলানে, এই সিজনের শুরুতেই দেখিয়ে দিয়েছে ফর্ম নিয়ে টেনশন না করতে। রবিনহো আর ইব্রাহিমোভিচ নতুন অ্যাডিশন, বিশ্বকাপের খেলা রবিনহো মিলানে খেললেই কাজ হবে। আর ইব্রা ইজ ব্যাক টু হিজ সিটি এগেইন, খারাপ খেলার কারন তো দেখছি না কোন।

আমার ধারনা ইব্রা সামনে স্পট স্ট্রাইকার হিসেবে থাকবে, সাথে ডান দিকে পাতো আর বামে রোনাল্ডিনহো কিংবা রবিনহো নিচ থেকে বল নেয়া থেকে উইং সাপোর্ট আর সাথে নিজে গোল করা, সবই করতে পারবে। হান্টেলার আর বরিয়েল্লো আজ ক্লাব থেকে চলে গেলেও ব্যাকআপ হিসেবে পিপ্পো ইনজাঘি আছে, তরুন ওডামাডি আর ভার্ডিও একেবারে খারাপ না। আডিয়াহ এই সিজন লোনে খেলবে রেজিনাতে, নেকস্ট সিজনে আরেকটা এক্সপ্লোসিভ স্ট্রাইকার যোগ হবে তাই মিলানে।

মিডফিল্ডও একেবারে ফেলনা না, যদিও মেইন সমস্যা আছে প্লেয়ারদের বয়স দিয়ে যারা হয়ত সপ্তাহে ২টা ফুল ম্যাচ খেলার লোড নিতে পারবে না। প্লেমেকার হিসেবে পিরলো তো আছে, হোল্ডিং মিডে এবার মনেহয় ফ্ল্যামিনি প্রথম থেকেই স্টার্টিং ইলেভেনে থাকবে, মারাত্বক স্ট্যামিনা ফ্ল্যামিনির। অ্যামব্রোসিনি আর গাত্তুসোর বয়স আর স্ট্যামিনা নিয়ে প্রবলেম আছে, তবে মিলানের নতুন কোচের সিস্টেমটা ভালো লেগেছে আমার – অ্যামব্রোকে ৫০-৬০ মিনিট খেলিয়ে পরে ফ্রেস গাত্তুসোকে নামানো, কাজে লাগলেও লাগতে পারে। আর যারা আছে মিডফিল্ডে তারাও বেশ কাজের, যেমন, ঘানার ওয়ার্ল্ড কাপ হিরো কেভিন প্রিন্স বোয়েটাং (পেস আর স্ট্যামিনা), সিডর্ফ (এক্সপেরিএন্স আর সেন্ট্রাল মিড থেকে অ্যাটাকিং মিড সবজায়গাতেই খেলতে পারে), উইঙ্গার আবাতে, তরুন রডনি স্ট্র্যাসার আর সাথে মার্কেল আছে। প্রি সিজনে মার্কেল বেশ ঝলক দেখিয়েছে এর মধ্যেই, ২-১ সিজনের মধ্যেই নামকরা প্লেয়ার হতে পারবে।

ডিফেন্সের অবস্থাই সবচেয়ে করুন, আর একমাত্র এই জন্যই মিলানের খবর খারাপ হয়ে যেতে পারে। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে পার্টনার হিসেবে নেস্তা আর থিয়াগো সিলভা ওয়ার্ল্ড ক্লাস, কিন্তু নেস্তা প্রতি বছর অর্ধেক থাকে ইনজুরিতে আর তখন থিয়াগো সিলভা একা কাভার করতে পারে না। সেন্ট্রালে আরও আছে ইউএসএর ওনেইউ, এই যা ভরসা কারন বেশ ভালো খেলে। বনেরা এখনো তার পটেনশিয়াল ধরতে পারে নাই, আর বয়স্ক মারিও ইয়েপেস আহামরি কি করতে পারবে সন্দেহ আছে।

উইং ব্যাকের অবস্থা তো আরো খারাপ। ডানে জামব্রোত্তা আর বামে জাঙ্কুলোভস্কির পীক টাইম পার হয়ে গেছে অনেক আগেই, পেসও নাই আর, এখন এদেরকে খেলতে দেখলে অপোনেন্ট স্ট্রাইকাররা বেশ খুশিই হয়। এদের ব্যাকআপ হিসেবে এবার নেয়া হয়েছে পাপাস্তাথোপোলুসকে, এক ম্যাচ ভালো খেলার পর নেক্সট কবে আবার ভালো খেলবে বের করার জন্য গ্রহ-নক্ষত্র দেখানো লাগে। মাসিমো ওডো আছে, খেলতে দেখলেই কমেডী শুরু হয়ে যায় মাঠে। লুকা অ্যান্টোনিনিও আছে, প্রতিভা থাকলেও মিলানের মত ক্লাবে খেলার জন্য যে ম্যাচিওরিটি লাগে তা এখনো আসে নাই।

আগের দুই প্যারাতে খারাপ অবস্থা লেখার পর ভালো কিছু দিয়ে শেষ করি, সেটা হল গোলকীপিং। অ্যামেলিয়া আর আব্বিয়াতি দুজনেই বিশ্বমানের কীপার, প্রবলেম হবে বলে মনে হয় না। বিপদে পড়লেও ব্যাকআপে ফ্লাভিও রোমা আছে, সেও ভালো।

বেশ সময় লাগলো লেখাটা শেষ করতে। জায়ান্ট ক্লাবদের নিয়ে এক এক করে সিজন প্রিভিও লেখার ইচ্ছা আছে, দেখি স্ট্যামিনা থাকে কি না।

একটু অফটপিক নিয়ে কথা বলি, এর আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম আমি স্রেমাটিক এক্স ব্যান্ড আর তাদের নতুন এলবামের প্রমোশন নিয়ে, মডারেশনের ধাক্কায় বাদ পরেছে। সমস্যা নাই, কিন্তু আমি আসলে কনফিউজড হয়ে গেলাম ঠিক কোন কারনে বাদ গেলো। ঢাকা বেইজড আন্ডারগ্রাউন্ড মিউজিক নিয়ে লেখার ইচ্ছা ছিল, শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে গেলাম।

যাই হোক, ঐ লেখার আর একটা ব্যাকআপ কপি আছে আমার কাছে, এখানেই দিয়ে দিলাম। ক্লিক দিস লিঙ্ক।

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/rakeshsaha/26998/feed 28
বগা লেক (ফটোব্লগ)http://www.cadetcollegeblog.com/raji/26983 http://www.cadetcollegeblog.com/raji/26983#comments Tue, 31 Aug 2010 19:31:10 +0000 রাজীউর রহমান (১৯৯৯ - ২০০৫) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26983

আমাদের ইনটেকের সেরা সাতারু

প্রায় সারাদিনই বৃষ্টি হচ্ছিল বিধায় ঝিরিপথের বেশি ছবি তোলা যায় নি।

বগা লেক
আয়তন : ১৫ একর।
সমুদ্র প্বষ্ট হতে উচ্চতা : প্রায় ২৭০০ ফুট ।
উপজেলা সদর হতে দুরত্ব : প্রায় ১৫ কিলোমিটার ।

প্রায় ২হাজার বছর আগে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট পাহাড়চুড়ায় সচ্ছ জলের মনোরম সরোবর । এ লেক নিয়ে অনেক কিংবদন্তী প্রচলিত আছে। স্থানীয় অধিবাসীদের বিশ্বাস এ লেকের ভিতর ড্রাগন দেবতা বাস করে। গঠনশৈলি দেখে বিশেষজ্ঞগন মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ বলে ধারনা করেন। বছরে একবার (এপ্রিল-মে) এ লেকের পানি প্রাকৃতিকভাবে ঘোলাটে হয়ে যায় যা নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে বিভিন্ন কৌতুহল বিদ্যমান।

রুমা থেকে ২টি পথে বগা লেক যাওয়া যায়। চাদের গাড়ীতে করে বা ঝিরিপথে হেটে। রাস্তার বর্তমান যে অবস্থা তাতে চাদের গাড়ীতে করে গেলেও প্রায় ১ ঘন্টা হাটা লাগবে। বর্ষাকালে ঝিরিপথ মারাত্মক সুন্দর। বিভিন্ন স্থানে বাড়ী বানিয়ে বাকী জীবন পার করে দেওয়ার ইচ্ছা হবে। বৃষ্টিভেজা পাহাড়ে ওঠা প্রচন্ড ঝুকিপূর্ন এবং ঝিরিপথে এই লেকে গেলে আছাড় খাওয়া বাধ্যতামুলক। প্রচুর হাটার শারীরিক এবং মানসিক সামর্থ্য প্রয়োজন ।

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/raji/26983/feed 24
কোন বিষাদে মৌনি তুমি…..http://www.cadetcollegeblog.com/chinta-shilpy/26982 http://www.cadetcollegeblog.com/chinta-shilpy/26982#comments Tue, 31 Aug 2010 16:38:16 +0000 শাহরিয়ার (২০০৪-২০১০) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26982

কোন বিষাদে মৌনি তুমি একলা দাড়াও নদীর ধারে?
নৌকা চড়ো না,কার অপেক্ষায়?
এখন এমন ভুল প্রহরে দুঃখ ছড়াও আকাশ জুড়ে
পশ্চিমে লাল আবীর ফেলে একলা দাড়াও,একলা কেন?
কার চোখ থেকে ভীষন উদার চুলগুলোকে আগলে রাখো
ঝলমলে সাদা স্কার্ফের আড়ালে?
মৌনি তুমি কি রাত জেগেছিলে কোন ফাল্গুনে পূর্ণিমায়?
দেখেছো কখনো মেঘ ও রোদের গাঢ় অভিমানে
বিকেল হয়েছে?
তোমার হাতে ফুল তুলে দিলে অহঙ্কারী মেয়ের মতোন
অবহেলে কি ছুড়ে ফেলে দিলে গোলপুকুরের স্বচ্ছ জলে?
কিংবা রেখেছ হাতের মুঠোয় সারারাত ভরে?ভোরে জেগে তুমি
ঘ্রাণ নিয়েছিলে বাসি ফুলেদের?
সূর্য কখনো তোমার সাদা শেমিজ দেখেছে?
লোভীর মতন অন্ধ হয়েছে?
মৌনি তুমি শক্ত করোনা তোমার চোয়াল,রাগ করো না
রাস্তার পাশে বখাটে যুবক শিষ বাজালে রাগ করো না
বরং তোমার ভালোবাসাময় চোখ দিয়ে তাকে করুনা করো।
কেউ কখনো আঘাত দিলে সাজিয়ে রেখো যত্ন করে
বুকের মধ্যে মিউজিয়ামে।
মৌনি কেন আমায় ডাকোনি সেদিন বিকেলে
আমি সিগারেট ধরিয়েছি দেখে কেন এসে তুমি
ছুঁড়ে ফেললে না ঠোঁট থেকে কেড়ে?
আমাকে কি তুমি ভালোবাসো না?বুক ছুঁয়ে বলো-
সত্যি আমাকে ভালোবাসো না?

[একজন কবির সবগুলো কবিতাই হয়তো তার নিজের প্রিয় হয়।কিন্তু কিছু কবিতা তার নিজস্ব প্রিয়,একান্ত আপন।অন্যদের কেমন লাগবে জানি না,এই কবিতাটির প্রতি আমার বিশেষ পক্ষপাতিত্ব আছে,ব্যক্তিগত দুর্বলতা।এটি বোধ হয় আমার সবচেয়ে বেশী অনুভূতি নিয়ে লেখা কবিতা।ধন্যবাদ]

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/chinta-shilpy/26982/feed 4
স্বেচ্ছা মৃত্যু থেকে পালিয়ে …..http://www.cadetcollegeblog.com/alim1312/26981 http://www.cadetcollegeblog.com/alim1312/26981#comments Tue, 31 Aug 2010 15:41:08 +0000 আলীম (২০০১-২০০৭) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26981 দুটো লাইন লিখব,
একটা তোমাকে নিয়ে, আর একটা-
আমাকে নিয়ে ।

তিন নম্বর লাইন টা হবে ভালোবাসা।

‘জোয়ার-ভাটা, পূর্ণিমা- অমাবশ্যা
আর কখনো মরুভূমির শঠতা !’

কুয়াশা ভেজা ঝিরঝির বাতাসে
কোমল চাঁদের আলো
আর উঠোনের পূব কোণে লেবু তলার অন্ধকারে
মিটমিট জোনাক পোঁকার মৌণ ভালোবাসা..

মাঝে মাঝে নিঃসঙ্গ বাতাসে ঝড় তুলে
দুঃস্বপ্নে আসে মৃত্যুর পরোয়ানা-

আমাকে মরতে দিও না প্রিয়তমা।

…………………………..ডন আলীম/ আগষ্ট ৩১.২০১০।

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/alim1312/26981/feed 11
অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি – ১http://www.cadetcollegeblog.com/obaidullah/26980 http://www.cadetcollegeblog.com/obaidullah/26980#comments Tue, 31 Aug 2010 09:53:34 +0000 ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪) http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26980
জুম শটে এক রাশ ধূলা জমে উঠবে ফ্রেমে।
পরের ফ্রেমেই চলে আসবে – রাস্তায় ঝাড়ু দিচ্ছে সিটি কর্পোরেশনের এর ঝাড়ুদার।
জুম আউট করে খালি রাস্তা – আইল্যান্ড ছুয়ে ক্যামেরা ডান দিকে প্যান করে একটি বাড়ির গেটের সামনে এসে স্থির হবে।
গেটের বাম পাশে শ্বেত পাথরে লেখা – বাড়ী নং ২৬৯ / রোড নং ৪।
তারপর ধীরে শর্ট অ্যাঙ্গেলে পিছনের সাদা দেয়ালে বেয়ে দোতলার জানালা।
জানালার পর্দা হাওয়ায় উড়ে গেলে দেখা যাবে ভেতরে বিছানায় শুয়ে আছে কেউ। বেড সাইড টেবিলে রাখা একটে ল্যান্ড টেলিফোন। পাশে দুটি মোবাইল। এর মধ্যে একটি নকিয়া-৭০। ক্লোজ শটে ফ্রেমে এখন শুধু ঐ মোবাইলটি।
দু’সেকেন্ড গত হতেই মোবাইলটি বেজে উঠবে।
নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে বেশ কিছু ক্ষণ বাজার পরে ঘুমন্ত মানুষটি হাত বাড়িয়ে মোবাইলটি ধরে জড়ানো কন্ঠে বলবে – হ্যালো।
( ফ্রেম দুভাগ হয়ে বাম পাশে ভেসে উঠবে কলারের মুখ জ্যাকি। আর ডানে সদ্য জেগে ওঠা শুভ।)
- কিরে এখনও ঘুমাচ্ছিস নাকি ?

- হুম্মম। ক্যানো, এই সাড়ে সাত সকালে কোথায় আবার যুদ্ধ বাধলো রে?

- - না রে ব্যাটা। যুদ্ধ বাধবে ক্যান; ছুটির দিনে ভাবছিলাম কাছে ধারে কোথাও ফ্যামিলি নিয়ে একটা ট্রিপ মারার কথা। A family Day Out আর কি ।

- রোজার দিনে বাইরে যাব ! খাওয়া দাওয়া না হলে আউটিং জমে নাকি ?

- You have a point – তবে খাওয়া দাওয়ার বাড়তি ঝামেলা নাই ; আজ শনিবারে রাস্তায় জ্যামও কম থাকবে – তাই প্রায় বিনা প্রস্তুতিতেই একটা আউটিং এর একটা আটেম্পট নেয়া যেতে পারে।

- যাচ্ছি কোথায়?

- রাজেন্দ্রপুর।

- আর কার কার ঘুম ভাঙ্গিয়েছিস?

- আর এক জনের – মুন্না। ওর কে যেন পরিচিত আছে ঐ এলাকায়। তাই ইফতারের ব্যবস্থার দায়িত্ব ঐ ওস্তাদের।

- বেশ তো। তিন ফ্যামিলি। গাড়ি তোরটা আরা আমারটা।

- হুম্মম। গাড়ির চাকা ঘুরে যাবে ঠিক ন’টায়।

জ্যাকি’র অর্ধ ফ্রেম মিলিয়ে যেয়ে সিঙ্গেল ফ্রেমে শুভ থাকবে।

কাট – কাট করে তিনটি ফ্যামিলির ফ্রেম আসবে।

সুপার ইম্পোজ করে ফুটে উঠবে একটি দেয়াল ঘড়ি। – ন’টা বাজে।

ট্রাঞ্জিশন হয়ে ফ্রেমে আসবে চলমান গাড়ির চাকা।

এরিয়াল শটে ফ্রেমে আসবে এয়ারপোর্ট রোডে ছুটে চলা দুটি গাড়ি।
অডিওতে তখন বাজছে –
রুপম এর একটি মিষ্টি গান – ‘কতদূর আর যাওয়ার আছে – কত পথ রয়েছে বাকি ‘।

প্রথমটি সাদা ফিল্ডার ২০০৪। শুভ চালাচ্ছে। মুন্না’রাও এ গাড়িতে।

পরেরটি স্প্রিন্টার ভিন্টেজ ১৯৯৮। জ্যাকি আছে ড্রাইভিং সীটে।

ক্যামেরা ডানে মোচড় মেরে আকাশের দিকে ঘোরাতেই দেখা যাবে একটি এমিরেটস এয়ার ক্র্যাফট্‌ সদ্য টেক অফ করে তির্যক হয়ে উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে।

প্লেন মিলিয়ে যেতেই ক্যামেরা নীচু হয়ে ফ্রেম ফিরে আসবে রাস্তায়।

বেশ কটি চলমান গাড়ির ছাদ ছুয়ে ছুয়ে ফ্রেম দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকবে – রাস্তা – বাজার – মাঠ ক্ষেত – বাড়ি ঘর – রেল গেট – ট্রেন – রাস্তা – গাছপালা।
তারপর ক্যামেরা গাড়ির ভিতরে এসে একে একে সবাই কে দেখাবে। তারপর ব্যাক ভিউ মিররে ছুটে চলা…পথ ঘাট। চলমান রাস্তায় একটি মাইল ফলকে ফ্রেম স্থির হবে। রাজেন্দ্রপুর ০ কিমি

তারপর ফ্রেম ডিসল্ভ হয়ে সুপার ইম্পোজ হবে রিজোর্টের প্রবেশ দ্বার।

(এরপর একটি এস্টাব্লিশিং শট।)
লং শটে ফ্রেমে দেখানো হবে পুরো রিজোর্টটি কে। প্রথমে এক্সটেরিয়র – পরে ইন্টেরিয়র।

গাড়ি গুলো পার্কিং এ। তিনটি ফ্যামিলির সদস্যরা যে যার মত প্রকৃতির সাথে একাত্ম হতে ব্যস্ত।
ফ্রেমে আসবে তিনটি পরিবারে সদস্যদের আনন্দঘন মূহূর্ত। শহরের ব্যস্ততা আর কোলাহল ছেড়ে – জীবিকার খাঁচার সীমানা পেরিয়ে – এক দন্ড অকৃত্রিম বিনোদন – একান্ত অবসর।
ব্যাক গ্রাউন্ডে এখন শোনা যাবে Boney M এর -
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
what a world of fun for everyone, holi-holiday
Hooray! Hooray! It’s A Holi-Holiday
sing a summer song, skip along, holi-holiday
it’s a holi-holiday

চলবে…

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/obaidullah/26980/feed 14
“ক্যাডেট কলেজ ব্লগ” ফেসবুক এপ্লিকেশন (আপডেট)http://www.cadetcollegeblog.com/adjutant/26967 http://www.cadetcollegeblog.com/adjutant/26967#comments Mon, 30 Aug 2010 14:48:45 +0000 ব্লগ এডজুট্যান্ট http://www.cadetcollegeblog.com/?p=26967 ফেসবুক সম্প্রতি ইউজারদের প্রোফাইল থেকে সব থার্ড পার্টি এপ্লিকেশনের প্রোফাইল বক্স সরিয়ে ফেলার ঘোষণা দিয়েছে। সে প্রেক্ষিতে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর ফেসবুক এপ্লিকেশনটি আপডেট করা হলো। প্রোফাইল বক্স এর পরিবর্তে এখন থেকে “ক্যাডেট কলেজ ব্লগ” এপ্লিকেশনের ব্যবহারকারিরা এটিকে প্রোফাইল ট্যাব হিসেবে যোগ করতে পারবেন এবং সেখান থেকেই সরাসরি ব্লগ পোস্টগুলো পড়তে পারবেন। কিভাবে এটি করতে হবে তার নির্দেশনা নিচে বর্ণনা করা হলো।

ছবিগুলো বড় করে দেখতে ছবির ওপরে ক্লিক করুন

যারা এখনো এপ্লিকেশনটি প্রোফাইলে যোগ করেননি:

১। ক্যাডেট কলেজ ব্লগ ফেসবুক এপ্লিকেশনের অফিসিয়াল পেজটিতে যান। বামের ট্যাব থেকে Go to application এ ক্লিক করুন।

২। এপ্লিকেশনটি আপনার প্রোফাইলে যোগ করার জন্য এটি অনুমতি চাইবে। অনুমতি প্রদান করুন।

৩। এপ্লিকেশনটি যোগ হয়ে যাওয়ার পর আপনি এখন ফেসবুকে সিসিবি এপ্লিকেশনের হোমপেজটি দেখতে পাবেন।

সিসিবি ফেসবুক এপ্লিকেশন হোম পেজ

প্রোফাইল ট্যাব যোগ করা:

প্রথম পদ্ধতি:

সিসিবি ফেসবুক হোমপেজের উপরে ডানে কোণায় Add profile Tab এবং Invite friends নামে দুটো অপশন দেখতে পাবেন। Add Profile Tab এ ক্লিক করুন এবং ট্যাবটি যোগ করে নিন।

Add profile box অপশন

দ্বিতীয় পদ্ধতি:

লগইন করার পর ডানে কোনায় Account অপশন থেকে Application settings এ ক্লিক করুন। এরপর আপনি আপনার প্রোফাইলে ইন্সটলকৃত সবগুলো এপ্লিকেশনের লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখান থাকে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এপ্লিকেশনটি খুঁজে বের করুন এবং এর ডানের Edit settings এ ক্লিক করুন। profile ট্যাব থেকে add অপশনে ক্লিক করুন এবং ওকে করুন।

এবার আপনার প্রোফাইলে যান। দেখবেন CCB নামে ট্যাবটি ইতোমধ্যেই প্রোফাইলে যোগ হয়ে গেছে।

হোমপেজ এ বুকমার্ক করতে চাইলে:

এপ্লিকেশনের লিংকটি হোমপেজে বুকমার্ক করতে চাইলে পূর্বের মত করে Account > application settings > ক্যাডেট কলেজ ব্লগ Edit settings > Bookmark এ যান এবং চেকবক্সটি সিলেক্ট করে ওকে দিন।

তাহলেই নিচের ছবির মত এপ্লিকেশন লিংকটি ফেসবুক হোমপেজের সাইডবারে বুকমার্ক হয়ে যাবে।

পাশাপাশি, অন্যান্য সিসিবিয়ানদের এপ্লিকেশনটি এড করার জন্য ইনভাইট করুন। এপ্লিকেশন হোমপেজ থেকে Invite Friends এ ক্লিক করে যারা এখনো এপ্লিকেশনটি যোগ করেননি তাদের লিস্ট দেখতে পাবেন। সেখান থেকে সিলেক্ট করে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানান।

হ্যাপি ব্লগিং

]]>
http://www.cadetcollegeblog.com/adjutant/26967/feed 23