আচ্ছা আপনার কি একটু সময় হবে আমাকে দেবার? আমার কাছে একটা গল্প আছে আপনাকে বলার জন্য। গল্পটা আমি একটু খুলে বলতে চাই, “মন খুলে বলা” যাকে বলে। আর এই কাজটা তো এক তরফা জমে না, বুঝতেই পারছেন, তাই আপনাকেও “একটু মন খুলে” শুনতে হবে। তা না হলে তো আমি বলে ঠিক তৃপ্তি পাব না। আর একটা ছোট্ট শর্ত আছে আমার, গল্প শুনে আপনার মন একটু “ক্যামন ক্যামন” করলে আমাকে কিন্তু কিছু বলতে পারবেন না।
গল্পের নায়ক একটি ছোট বাচ্চা, ছেলে বা মেয়ে যে কেউ হতে পারে। তার বাবা-মা অথবা নিকট কেউ, অথবা প্রিয় কোন স্যার, গল্পের শুরুতেই তাকে একটি বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি হবার জন্য অনুপ্রানিত করবেন, এবং বাচ্চাটি, যেহেতু সে গল্পের নায়ক, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে সেই বোর্ডিং স্কুলের ভর্তি পরীক্ষায় টিকে যাবে। এরপর স্কুলের ফরমায়েশ মত এক গাদা জিনিস নিয়ে, একটা নিদির্ষ্ট দিনে, বিকালবেলা বাবা-মা সহ সেই স্কুলে ভর্তি হতে চলে আসবে। দুই তিন ঘন্টা পরেই সে অবশ্য বাবা-মা ছাড়া নিজেকে একদম একা অবস্থায় দেখতে পাবে, যদিও ততক্ষনে তার সংগে আঠার মত জুড়ে গেছে তার থেকে মাত্র একবছরের বড় একজন, একদম আপন বড় ভাইয়ের মত। কি আদরে কি শাসনে। আরও কিছুক্ষন পড়ে সে তারই মত বেশ কয়েকজনকে দেখতে পাবে, গুটি গুটি করে চলছে, চারপাশে ভয় আর বিস্ময় নিয়ে তাকাচ্ছে, এবং অজানা আশংকায় চোখ নামিয়েও নিচ্ছে। পরবর্তীতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গল্পের নায়ক বুঝতে পারবে, পৃথিবীর সেরা বন্ধু গুলোকে সে ইতিমধ্যেই চিনে ফেলেছে। এবং আরও বুঝবে, অসাধারন বন্ধু ভাগ্য নিয়েই সে এসেছে পৃথিবীতে, তাই সে ভর্তি হতে পেরেছে এই স্কুলে।
রাতের বেলা তাকে লাইন ধরে যেতে হবে খাবার জন্য, তার চেয়ে আরেকটু বড় একজন তাদের নিয়ে যাবে, নিয়ে যাবে খুব সুন্দর একটা খাবার ঘরে। এখানে সবাই তারা একসাথে খাবে। কাটা চামুচ দিয়ে খেতে হবে দেখে প্রথমে খুব টেনশন হবে তার। অল্পক্ষন পরেই তার টেনশন হয়তবা কেটেও যাবে, কারন তার একটু বড় ভাই, পরম মমতায় শিখিয়ে দেবে কিভাবে খেতে হয়। প্রথম প্রথম খেতে খুব কষ্ট হবে তার, এর পর ধীরে ধীরে একদিন সয়ে যাবে পুরো ব্যাপারটা। রাতে ঘুমানোর আগে বড় ভাইটি তাকে রাতের পোশাক পড়তে বলবে, আর চিঠি লিখতে বলবে বাসায়, গল্পের নায়ক যতই তাতে আপত্তি করুক না কেন। বড়রা মোটেই এটা কানে তুলবে না। বরং একটু বেশি আপত্তি করলে নায়ক তাদের কাছে তীব্র বকুনি খাবে, বুঝবে বাবা-মা আর শিক্ষক ছাড়াও বকা দেবার অনেকগুলো বড় ভাই সে অর্জন করেছে এবং কপাল যদি বেশি খারাপ হয় তার চেয়ে বেশি অন্য কিছুও ঝুটতে পারে। নিজের ইচ্ছেমত রুমের লাইট সে জ্বালিয়ে রাখতে পারবে না এবং একটা নিদির্ষ্ট সময় অবশ্যই তাকে বিছানায় শুতে হবে দেখে সে আরও অবাক হবে। বাবা-মাকে ছাড়া প্রথম একটি রাত সে পুরো অজানা পরিবেশে কাটাবে, রাতে বিছানায় শুয়ে প্রচন্ড কান্না পাবে তার, ইচ্ছে করবে এক ছুটে মায়ের কাছে চলে যেতে।
পরদিন সকালে বাশির প্রচন্ড শব্দে ঘুম ভাঙ্গবে তার, কেউ একজন ভয়ংকর তারস্বরে বাশি বাজাবে আর বলবে “ঘুমাচ্ছ, ঘুমাও, ঘুমাও” কিংবা ওই রকম কিছু একটা, আর কেউ একজন জানালায় শব্দ করবে অবিরাম। এই যন্ত্রনায় কি আর ঘুমানো যায়? ঘুম ঘুম চোখে বড়ভাইয়া যা বলবে তাই সে করবে, এরপর একদৌড়ে যাবে মাঠের দিকে, কারন সবাই তাই করছে। সে দেখবে যারা একটু দেরী করেছে তারা ব্যাঙের মত লাফাতে লাফাতে আর এরচেয়ে যারা বেশী দেরি করেছে তারা ডিগবাজি দিতে দিতে মাঠের দিকে আসছে। এগুলো দেখে হাসি পাবে তার, এবং হাসিটা উড়ে যাবে একটু পড়েই, যখন ও বুঝতে পারবে এটা হাসির ব্যাপার না আসলে, এটা এক ধরনের শাস্তি। আধা ঘন্টা দৌড় বা লেফট-রাইট করার পরে মুক্তি পাবে সে, এরপর গোসল করে একটু বসতে না বসতেই আবার বাশি শুনবে, এবং জানবে এটা নাকি নাস্তা খাওয়ার বাশি। আবার লাইন ধরে সেই খাবার ঘরে যাবে সে। কিছুদিনের মাঝেই বাশিতে বাশিতে তার জীবন বিষময় হয়ে যাবে, ঘুমে তো বটেই, স্বপ্নেও বাশি শুনবে সে।
গল্পের নায়ক নাস্তা খেয়ে এরপর যাবে ক্লাসে, দুটো দলে ভাগ হয়ে ক্লাস করবে তারা। ক্লাসে গিয়ে দেখবে তার জন্য আলাদা ডেক্স আর চেয়ার তৈরী আছে। আবিষ্কার করবে ক্লাসে স্যার আসলে দাড়াতে হয়না। তাদের মধ্য থেকেই অসিম ক্ষমতাবান একজনকে বের করা হবে, যে কিনা ক্লাসে স্যার না থাকলে বন্ধুদের উপর ছড়ি ঘুরানোর ক্ষমতা পাবে। এরপর একে একে আরও অনেক স্যার আসবেন, ম্যাডাম আসবেন, কেউ খুব রসিক, কেউবা গম্ভীর আর কেউ কেউ একদমই সাদামাটা। ক্লাসের মাঝে একটু বিরতি হবে একবার, অনেক দূর হেটে ওই সুন্দর ঘর থেকে দু্ধ খেয়ে আসতে হবে, সংগে বিস্কিট বা নুডুলস। যদিও এক রকম বিস্বাদের দুধ, সে এর আগে কখনও খায়নি এবং স্কুলের বাইরে অন্য কোথাও খাবেও না। এরপর তাকে আবার ক্লাসে যেতে হবে, লাইব্রেরী চিনে নিতে হবে, শিখতে হবে কিভাবে বই ইস্যু করতে হয়। ক্লাসের বই ইস্যু করে নিতে হবে, বাশ পাতার কাভার লাগানো খাতা নিতে হবে, এরপর লাইন ধরে যেতে হবে দুপুরের খাবারের জন্য। দুপুরে খাবার পর একটু ফ্রি টাইম থাকবে, ইচ্ছা করলে নায়ক এসময় ঘুমাতে পারে, অথবা হাউস লাইব্রেরীতে গিয়ে গল্পের বই ইস্যু করে নিতে পারে। হাউস লাইব্রেরীর আশ পাশে গেলে বড় ভাই তাকে নতুন বইয়ের লিষ্ট দিয়ে দেবে হয়ত, এবং বলবে ছুটিতে এগুলো কিনে লাইব্রেরীতে উপহার দিতে।
বিকালে আবার বাশি শুনে নায়ক ঘুম ঘুম চোখে ক্লাসে যাবে, যদিও এটা ক্লাস করার জন্য নয়, বরং ক্লাসে বসে পড়াশুনা করার জন্য। এরপর মাঠে গিয়ে খেলতে হবে তাকে, বড় আনন্দ পাবে সে ওই সময়টাতে। অতপর টি ব্রেকে চা আর প্যাটিস, পিয়াজু খেতে হবে, সাদা পাজামা, পাঞ্জাবী পরে মাগরিবের নামাজ পড়তে হবে। টাইয়ের নট বাধা শিখতে হবে, টাই পড়ে সন্ধ্যার পর আবার ক্লাসে যেতে হবে পড়াশুনা করতে। পড়তে হবে দশটা পর্যন্ত, মাঝখানে রাতের খাবার খেতে হবে। এরপর রাতে একটু টিভি দেখে ঘুম। আর এই ২৪ ঘন্টায় তার জীবনটা একদম বদলে যাবে।
নায়কের দিন গুলো এভাবে টুক টাক করে কেটে যাবে। এর মধ্যে সে হয়ত এক দুইবার অসুস্থ হবে, তার বড় ভাই তাকে নিয়ে যাবে হাসপাতালে, সে বুঝে যাবে মা-বাবা ছাড়া অসুস্থ হলে কেমন লাগে, কারন এই প্রথম সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, বয়স বারো, এবং মা-বাবা কেউ সেটা জানেন না। আর জেনেও বা লাভ কি, কারন তারা তো আসতে পারবেন না। নায়কের মন খারাপ হবে প্রথমে খুব, কিন্তু অল্প পরেই সে হয়ত ভুলে যাবে সব, কারন সে বেশ আরাম আর যত্নেই থাকবে ওই হাসপাতালে। তার সদ্য বন্ধুদের কেউ কেউ হয়ত তাকে দেখতে আসবে, কারন এর মধ্যেই তার “জানের জান” কিছু বন্ধু হয়ে গেছে।
নায়কের পরিচিত বাড়তে থাকবে আস্তে আস্তে। ওকে নাম ধরে ডাকা শুরু করবে প্রায় সবাই। এর মধ্যে কিছু লোক, খেলা এবং পিটি এর সময়টাতে তার পিছনে আঠার মত লেগে থাকবে। ওরা তাকে লেফট-রাইট করা শিখাবে। একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, ওখানে নায়ক এবং তার বন্ধুদের লেফট-রাইট করতে হবে সবার সামনে।
আরও অনেক কিছু শিখবে নায়ক এর মধ্যে। স্যারেরা হাউসে চেকিং এ আসলে কি করতে হবে, ক্লাসে কিভাবে ঘুমাতে হবে স্যারের চোখ ফাকি দিয়ে, ছবি দেখার সময় কিভাবে এক দৌড়ে ভাল জায়গা দখল নিতে হবে, ডিনারের মেনুতে চাপাতি থাকলে দিনটা কিভাবে কাটাতে হবে, আর স্পেশাল ডিনারের দিন চাপাতির মত কাটালে কি কি ক্ষতি হবে সব সে শিখে ফেলবে একটু একটু করে। মা-বাবার কথা ভেবে মন খারাপ, বয়ঃসন্ধির দুরন্ত পরিবর্তন, একা থাকার অনুভতি, আরও কতকিছু সে উপলদ্ধি করবে প্রথম বারের মত। আর সব কিছুতেই পরম কাছের লোক হিসাবে সে পাবে তার বন্ধুদের। এভাবে একটি বছর পার হয়ে যাবে চোখের পলকে।
এক বছর পরে তার ভুমিকার কিছুটা বদল হবে, তবে এখনও সে নায়কই থাকবে। নতুন আর একজন নায়ক আসবে, তার ভুমিকাটা হবে বড় ভাইয়ের, ঠিক একবছর আগে তার যেমন একজন নায়ক নায়ক বড় ভাই ছিল, সেই রকম। এবার সে শিখাবে কিভাবে টাইয়ের নট বাধতে হয়, কাটা চামুচ ধরতে হয়, কখন কোন পোশাক পড়তে হয়, কিভাবে বড়দের সংগে কথা বলতে হয়, স্যারদের সম্মান করতে হয় এই সব আর কি।
একটা করে বছর যায়, নায়ক একটু একটু করে আরও নায়ক হয়ে উঠে। জীবনের সবকিছুই সে শেখে এইখানে। সব। নখ কাটা থেকে দেশ চালানো, সব। প্রতিবাদী কন্ঠ, ডাব চুরি করা, ফোয়ারার মাছ চুরি করে রান্না, বেয়াদবী করতে পারা, বেয়াদবী করে মাফ চাইতে পারা, কাউকে মাফ করতে পারা, পড়াশুনা করে পত্রিকার শিরোনাম হওয়া, প্রাচীর আর কাটা তার টপকে বাইরে যাওয়া, কাউকে খুব ভালবাসতে পারা, কাউকে খুব ঘৃ্না করতে শেখা, আরও আরও নাম জানা অনেক কিছু শিখবে সে ছয় ছয়টি বছর ধরে। ছয় বছর পড়ে যখন সে স্কুল থেকে বের হবে, তখন সে নিজেকে বয়সের চেয়ে অনেক পরিনত হিসেবে দেখতে পাবে। নিজেকে ছাড়া আর কোন কিছুকে যে ভয় করে না।
পাঠক, আপনার কি নায়কের নামটা জানতে ইচ্ছে করছে?
তার আগে বলুন তো, আপনি কি ক্যাডেট? কি নাম আপনার?
আমার এই গল্পের নায়ক আপনি।
শেয়ার করুন


১২৯ টি মন্তব্য
কলেজে সিষ্টেমটা ভুলতে বসেছি, একটু রিভাইজ দিলাম আর কি।
[ জবাব দিন ]
সিসিবির সেরা গল্পগুলির একটা।
[ জবাব দিন ]
ওই মিয়া চাপা পিটানো বন্ধ করা যায় না
সিনিয়রের সংগে প্র্যাক্টিক্যাল জোক করার জন্য দুইটা ব্লগ বরাদ্দ করা হইল।
[ জবাব দিন ]
জোস
[ জবাব দিন ]
আরে রবিন, ইমো কই?
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এইবার ঠিক আছে, একদম রবিনের মত।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই
[ জবাব দিন ]
নায়ক বানাইছি জন্য খুশি হইছ মনে হয়। খুব ভাল লাগল।
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, নায়ক বানাইলেন-এইবার টেকা দিবেন না…!!!
[ জবাব দিন ]
ট্যাকা দিব কামরুল, আর কামরুলের প্রোডিউসার। আমি তো লেখক, কপিরাইট ইস্যু
[ জবাব দিন ]
বস নায়িকা ছাড়া আজকাল প্রোডিউসাররা টাকা দেয় না। এট্টা সুন্দন দেইখা নায়িকা আনেন গল্পতে। এক্কেরে ক্যাম্পাসের রানী শম্পার মতো।
[ জবাব দিন ]
মাস্ফুকে কইয়া দেখ, ধার দেয় নাকি ছবির লাইগা
[ জবাব দিন ]
আবার???
ও হ্যা আফামনিরে কৈয়া দেখছিলাম হ্যাতে নাকি আমারে ছাড়া অভিনয় কর্বে না
[ জবাব দিন ]
তোমারে নায়ক করতে আমার তো সমস্যা নাই, কিন্তু ডিরেক্টর প্রোডিউসার বলে একটা ব্যাপার আছে না।
[ জবাব দিন ]
ডিরেক্টর বলছে নায়িকার বড় ভাই হিসেবে মাস্ফু এক্কেরে পারফেক্ট।
[ জবাব দিন ]
নায়িকার বড় ভাই!?!?
[ জবাব দিন ]
বড় ভাই মানে ভার্সিটির বড় ভাই, পরে ভাইয়া থিকা সাইয়া-চাকভুম চাকভুম ঝিকঝিক পমপম
[ জবাব দিন ]
জীবনে প্রথম আমারে নায়ক বানায়ে কেউ কিছু লিখল।
চমৎকার উপস্থাপন আর … ধুর সব কিছুই চমৎকার হইছে … সব চমৎকারের জন্য
ফয়েজ ভাই কে
[ জবাব দিন ]
হি হি, আমারে স্যালুট দ্যায় পোলাটা।
দাও দাও,
খাড়াও, তোমারেও একটা দিয়া লই।
[ জবাব দিন ]
উ হা হা । জটিলস……

[ জবাব দিন ]
টিটু মিয়া, লাষ্ট কবে লিখছ মনে আছে?
আমার তো মনে নাই।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
টিটো, তোমার লেখা মিস করি
[ জবাব দিন ]
খুবই মানসিক অশান্তিতে আছি। তারপরও
বস আপনার এই কথার পর আর না লিখা থাকন যায় না। থ্যাংকস
[ জবাব দিন ]
খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে তুমি এই আশা করি।
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, নির্দ্বিধায় এই লেখাটা আমার প্রিয় পোস্ট হিসেবে যোগ করে নিলাম।
অসাধারণ!
[ জবাব দিন ]
আমার আবার লেখা, তার আবার প্রিয় পোষ্ট। তোমার তো মাথা চেক করানো দরকার।
দিয়া যাই।
যাইহোক, তোমারেও একটা
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই,সত্যি বিমুগ্ধ এত্তো সুন্দর গুছিয়ে লিখেন আপনি।
নায়ক হওয়ার আনন্দে কয়েক্টা
দিয়া লই
[ জবাব দিন ]
তুমি কে ভাইডি? সদস্য হও নাই ক্যালা?
[ জবাব দিন ]
ইডি দেন ভাই
[ জবাব দিন ]
চিনি না তো, ক্যামনে দেই?
[ জবাব দিন ]
আরে আপনারে ভাই বলছে তারমানে আপনে ইডি দিতেই পারেন।
৩টা ইডি লাগাইয়া দিলেই ধুমাধুম মেম্বার হইয়া যাবে।
অফ টপিকঃ আমারেও মনে হয় একবার কোথায় যেনো ভাই ডাকছিলো। আপনি না দিলে আমিই দিয়া দেই।
[ জবাব দিন ]
আপনি না দিলে কন ভাইলোক দের ডাক দেই
[ জবাব দিন ]
ছন্নছাড়া ছেলেটা কে? কেউ কি বলবে?
[ জবাব দিন ]
চমেতকার…নায়ক হইতে ভালাই লাগে।
লেখা জটিলসসস…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অসাধারন, অনবদ্য, জটিল
[ জবাব দিন ]
পুরা বাচ্চা পোলা এইটা। একদম ফ্রেশ।
[ জবাব দিন ]
মুসতাকীম পুরা বাচ্চা পোলা। একদম ফ্রেশ।
এইটা আজকের দিনের সেরা জোকস।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, লেখাটা চমতকার হইছে। ধন্যবাদ।
[ জবাব দিন ]
তোমাকেও ধন্যবাদ।
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, আপনার মত একজন লেখক আমার হাউসে ছিল; সত্যি গর্ব করার মত!!!
[ জবাব দিন ]
হাউস প্রীতি যায় নাই দেখি।
গ্রীন, গ্রীন, আপ আপ
তোমারেও
[ জবাব দিন ]
আমি লাল হাউসের মাগার তার পরেও এই অসাধারণ লিখাটার জন্য আমার মত কট্টর হাউসপ্রেমীর পক্ষ থিকা আপনের হাউসরে সেলাম
[ জবাব দিন ]
ওই তুমি না সিপি ছিলা, তোমার তো নিরপেক্ষ থাকার কথা।
[ জবাব দিন ]
ও হ্যা আমি তো আবার তিন হাউসেরই।”আমার চক্ষে হাউসে হাউসে কোন ভেদাভেদ নাই”…
অফ টপিক- রেড রেড আপ আপ!!পার্শিয়াল্টি কইরা হুনাইন হাউসরে কত যে হাউস ডিসিপ্লিন পাইতে সাহায্য করছি মামা
[ জবাব দিন ]
রেড তো রক্ত, খুনাখুনি রঙ, তুমি খুনাখুনি হাউসের পোলা
[ জবাব দিন ]
অনেকদিন অপেক্ষা করার পর লালের পাশাপাশি গ্রীন আপ হইলো
।
আনন্দই আনন্দ।
[ জবাব দিন ]
সায়েদ ভাই, সিসিবির থিম চেঞ্জের চিন্তা ভাবনা চলতাসে।
আমি খালি বাইছা বাইছা গ্রীনথিম দেখতেছি।
কাউরে কইয়েন না। পুরা সিসিবি গ্রীন কইরা ফালামু।
[ জবাব দিন ]
আছি আমি তোমার লগে….।
[ জবাব দিন ]
প্রাথমিক চেষ্টা হিসেবে আগে নিজের প্রোফাইল পিকচার গ্রীন কইরা দিলাম।
[ জবাব দিন ]
গ্রীন, গ্রীন আপ আপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ্পপ
[ জবাব দিন ]
গ্রীন, গ্রীন আপ আপ
[ জবাব দিন ]
গিরিনের বেল নাই।গিরিন হাউস এফেক্টে দেখেন না পিরথিবি কেমুন মাইঙ্কা চিপায় পড়ছে?হাউস হইলো লাল।রেড কি বাত হি কুছ অর হ্যায়
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
বেদনার রং কি নীল?
[ জবাব দিন ]
বেদনার রং যাই হোক সমস্যা নাই, হাউসের রং নীল না হইলেই হয়।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, আপনারে খুন করতে আমার ভাল লাগবে না…কিন্তু নীল রঙ নিয়া খ্রাপ কথা কইলে আমার কোন কিছু করার থাকবে না…
[ জবাব দিন ]
ইয়াহু…………
আক্রমন………………।
[ জবাব দিন ]
ইয়ালি…
রেহেম আআআলিইইইই…
হায় হায় মারপিট না কইরা ভুলে গান শুরু করছি…সরি!
ফয়েজ ভাই,
ইয়ালি ভিশিমাইক…
[ জবাব দিন ]
হ বুলু ফিল্ম দেইখা দেইখা নীলের পোরতি মায়া তো হইবোই
[ জবাব দিন ]
অর্ডার অর্ডার! সিনিয়রকে প্রাণের হুমকি দেবার অপরাধে ব্লগ দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় মো জুনায়েদ কবীরকে নতুন ৫ টি ব্লগ ইস্য করার নইর্দেশ দেয়া হল।অনাদায়ে আরো ২ টি।
[ জবাব দিন ]
জজরে খুন করলে শাস্তি কি???
[ জবাব দিন ]
জয়, নীল।
[ জবাব দিন ]
তোর ছবিতে তো লাল গেঞ্জি আর সবুজ পাহাড়।
ক্যাম্নে কী?
[ জবাব দিন ]
যা, আজকের মতো ছবি বদলাইয়া দিলাম
[ জবাব দিন ]
এমন ভাব নিতাছ তুমি খালি রেড ফিল্ম দেইখ্যা বেড়াও…

তাই যদি হবে- তোমার পমপম বিষয়ে এত জ্ঞান কেম্নে হইল?? বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে??
[ জবাব দিন ]
কবীর ভাইজান, আসেন সুমনের “বসে আঁকো” গানের কলি শুনি-
“এসব প্রশ্ন কখনো কোরনা,
বোবা-কালা হয়ে থাকো,
অন্য ছবি আঁকো”।
[ জবাব দিন ]
ওই এখানে এতো কথা কিসের? সবাই আমার পাশে লাইন ধইরা দাঁড়াও আর জোরে বলো…
গ্রীন গ্রীন …আপ আপ।
[ জবাব দিন ]
একদম মনের কথা,
[ জবাব দিন ]
জোরসে বল…
[ জবাব দিন ]
মাস্ফু, উত্তর দে।
[ জবাব দিন ]
জুনিয়রের কাছ থ্যাইকা চাপ দিয়া কথা আদায় করা ৯১ (ই) ধারা মোতাবেক শাস্তি যোগ্য অপরাধ।
[ জবাব দিন ]
থেঙ্কু ফয়েজ ভাই
আরেট্টু হৈলেই মাইঙ্কা চিপায় পইড়া গেশিলাম
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই,
হ্যাটস অফ !
লেখাটা চোখে জ্বালা ধারালো…
অনেক ভাল থাকুন সারা বেলা।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ।
কেমন আছ, লেখনা অনেকদিন।
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই,আমার জাস্ট ফ্রেন্ড বৃত্তান্ত সামাল দিতে দিতে একটু কেলান্ত তাই বড় কোন কমেন্ট করলাম না।জটিল হইছে বস!সরাসরি প্রিয়তে।আর এই লেখাটা সিসিবির ইবুকে যোগ করার জন্য আমার ভুট দিলাম।আপনেরে সেলাম!
[ জবাব দিন ]
ছবি যা একখান দিছে না, ফাটাফাটি।
ক্লান্ত তো হইবা, বুঝি না, বুঝি তো।
তোমারেও সেলাম।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আরে না, ইঙ্গিত না, সত্যি কথা কই
[ জবাব দিন ]
আমি কিছু শুনি নাই।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
হইছে, আফনেরে ইমো দিয়া হাসি দেখাইতে হইবোনা
[ জবাব দিন ]
সরাসরি প্রিয়তে না…গন্তব্য প্রিয়-ভায়া হৃদয়ের মণিকোঠা…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ভোটে দিলাম ৫,প্রীয়তে যোগ করলাম সাথে একটা
দিলাম ।ভাই খুব ভাল হইছে।মাস্রুফ ভাই এর মত তেল মারা কথা না
[ জবাব দিন ]
‘প্রীয়’তে ক্যাম্নে যোগ করে?
মাস্ফু কি তেলও মারে !!
[ জবাব দিন ]
ঠিক মাস্ফু তেলও মারে নাকি?
[ জবাব দিন ]
কি নিয়ে কথা হচ্ছে ??
মাস্ফু ‘কোথায়’ তেল মারে ??
[ জবাব দিন ]
রেলের চাক্কায়।
[ জবাব দিন ]
সবাই পোলাডারে পচায়, আমি ঠিক করছি পচামু না।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
খাড়ান আফনেগো ঘবর আছে।আমি কইলাম ব্লগ লিখা ফালামু ব্যাগডিরে লইয়া-আমার একজাম শ্যাষ হউক
[ জবাব দিন ]
ব্লগ লেইখা ফালাইস না, রাইখা দিস
[ জবাব দিন ]
রেলের চাক্কায় না,ইঞ্জিনে
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
বস্, কী লিখলেন এইটা !
ক্যামনে লিখলেন !
লেখাটা দুঃখের কোনো কাহিনি না, কিন্তু তারপরও চোখে পানি আসলো কেনো বুঝতে পারলামনা।
[ জবাব দিন ]
তোমারে নায়ক বানায় দিলাম,
তো এই জন্য এই অবস্থা
[ জবাব দিন ]
দারুন একটা লেখা। ফয়েজ ভাইয়ের লেখা বাছাই করতে ই-বুক সম্পাদকদের হিমশিম খেতে হবে মনে হচ্ছে… এতো এতো সুন্দর লেখা আপনার।
[ জবাব দিন ]
সহজ সমাধান তো আছে, কোন লেখা বাছাই না করা
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই,
।
আমার ভুল হয় নাই।
এতক্ষণ একটা অস্কার পাওয়া ক্লাসিক্যাল মুভিই দেখলাম।
আপনাকে
খুব ভালো লাগছে।
[ জবাব দিন ]
কই একটু ভুলভাল গুলা ধরায় দিবা, তা না খালি স্যালুট মারে
[ জবাব দিন ]
আহেম। বানান ভুল আছে কিছু……।। ধরায়া দিলাম বস।
[ জবাব দিন ]
থ্যাঙ্কু। বানান অনেক ভুল হচ্ছে চর্চা না থাকার কারনে।
আচ্ছা আহেম মানে কি?
[ জবাব দিন ]
বস্ এইটা ডিজুস যুগের ‘জাস্ট গলা খাকরি’
[ জবাব দিন ]
ক্যাম্নে কি
[ জবাব দিন ]
হ বস্, ক্যাম্নে যে কি
[ জবাব দিন ]
দারূণ!
[ জবাব দিন ]
অনেক দিন দেখি না ব্লগে, ব্যাস্ত নাকি খুব?
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অনেক দিন পরে কিছু পড়ে আনন্দে চোখ ভিজে গেলো বস। আমার পক্ষ থেকে আপনাকে নোবেল এর জন্য মনোনিত করলাম।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এত দিন পরেও পুরানো পোস্টে এত মন্তব্য পাওয়ার জন্য ফয়েজ ভাইয়ের কি জানি একটা চাই…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আবার লিখাটা পড়লাম, আবার বুকটা ভইরা গ্যালো।এই কে আছিস,রকিব,ফয়েজ ভাইকে এক কাপ চা দে তো…
[ জবাব দিন ]
ছোট ভাইয়াকে দেখা যাচ্ছেনা। নেন আমিই বানিয়ে নিয়ে আসলাম।

ভাইয়া, এত সুন্দর করে কিভাবে লিখেলেন?
ক্যাডেট না হয়েও চোখে পানি চলে আসলো।
[ জবাব দিন ]
মনটা ভইরা গেল… পুরান সব কিছহু মনে পড়ে গেল আমার…
[ জবাব দিন ]
অসাধারণ লেখা ভাইজান! থাম্বস আপ!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এইটা একটা এপিক…… ক্ল্যাসিক পোষ্ট। যতবার পড়ি মনে হয় কিছু বাকি রয়ে গেলো।
[ জবাব দিন ]
এইটা যেসময় পুষ্টানো হইছে ঐ সময় আমি ব্লগের বাইরে ছিলাম। রকিবের জন্য পড়তে পাড়লাম।
দারুণ পোস্ট। ফয়েজ ভাই তো পুরা নস্টালজিক বানায়া দিলেন।
[ জবাব দিন ]