৭।
‘৯১ ব্যাচের পতাকা মরতুজা ভাই এর হাতে দেখে আমরা কেউই খুব একটা অবাক হলাম না। সেই উনিশ শো নূহ নবীর আমল থেকেই মরতুজা ভাই সিসিবির সাথেই আছেন। একসময় ভাবীর বিরহে সিয়াটলে স্লিপলেস রাত কাটাতেন। আর এখন নবাগতা অতিথী গুটলু-পুটলু রাইহা কে নিয়ে তাদের সুখের সংসার সিয়াটলের অন্য অনেকেরই রাতের ঘুম ঈর্ষাজনিত কারনে কেড়ে নিয়েছে। তবুও এত কিছুর মাঝেও তিনি আছেন আমাদের সাথেই…
এমনিতেই প্রথমবারের মতন মরতুজা ভাইকে দেখে আমরা খুশিতে আত্মহারা, তার উপর তিনি এসেই যখন উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা উপহার স্বরুপ উইন্ডোজ সেভেন এর জেনুইন কপি দেবার ঘোষণা দিলেন…সবার খুশি যেন বাঁধ ভেঙ্গে উপচে পড়ল! অবশ্য বিল গেট্স ভাই এর বিশেষ পছন্দনীয় মরতুজা ভাই এর জন্য এটা খুবই সামান্য ব্যাপার…
ভাবীকে এবং পিচ্চিকে নিয়ে মরতুজা ভাই চলে যেতেই হঠাৎ আমাদের নাকে মিষ্টি একটি সুগন্ধ এল। কারন খুঁজে পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হল না…কারণ আর কিছুই না, এক পিক-আপ মিষ্টি নিয়ে মোসাদ্দেক ভাই এসেছেন!!! অনেকেরই হয়ত মনে আছে, গত রোজার মধ্যে মোসাদ্দেক ভাই এর পোষ্টে একটি বিশেষ মহল- যারা কিনা ব্লগের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চায়, মিষ্টি নিয়ে অনেক টানা-হ্যাঁচড়া করেছিল…এরপর থেকেই তিনি যে কোন গেট-টু-গ্যাদার এ সবাইকে মিষ্টি খাওয়ান! এ পর্যায়ে সেই বিশেষ কুচক্রী মহলকে উদ্দেশ্য করে মনে মনে আমি অনেক ‘ছিঃ’ ছুঁড়ে দিলাম…এই মিষ্টির…থুক্কু…মাটির মানুষকে নিয়ে ‘ওরা’ কিভাবে এমন করতে পারল???
‘৯১ এর সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য আশিক ভাইকে দেখা গেল মন খারাপ করে হল রুমের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। কারন জিজ্ঞাসা করতেই তিনি বললেন,
-ভাল কোন ইভেন্ট-এ এলেই মনটা কেমন জানি হয়ে যায়…কেননা একটু পর অনুষ্ঠান শেষে চলে যাবার পরই মনে হওয়া শুরু হবে ‘…আবার কবে যাব…???’
কথা সত্য!
কেন জানি মজার মুহূর্তগুলো খুব দ্রুত কেটে যায় বলে মনে হয়…! এসব নিয়ে আশিক ভাইকে ‘বস, এত চিন্তা করবেন না…মরতে তো একদিন হবেই’ টাইপ মারফতি কথা বলতে গিয়েও থেমে গেলাম, কেননা ‘৯০ এর মাহমুদ ভাই আসছেন…!!! ‘৯১ এর কেউ মনে হয় আর আসবেন না, আজীজ ভাই তো আমাদের ভুলেই গেছেন আর আফরোজা নূপুর আপাও আজকাল আর আসেন না…
‘৯০ মাহমুদ ভাই এর সামনে মারফতি কথা-বার্তা বলা খুব রিস্কি…ভুল-ভাল বললে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না…তাই, সবচেয়ে সহজ কিন্তু অনিবার্য কথাটাই আমরা ওনাকে জিজ্ঞাসা করলাম,
-বস, কেমন আছেন??? বিয়ে করছেন কবে??? 
-এই মুহূর্তে আমি বিয়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার নিয়ে চিন্তা করছি…যেমন ধর সুখ…সুখ কি…কেন মানুষ সুখী বা অসুখী হয়…কিভাবে একে পাওয়া যায়…আদৌ পাওয়া যায় কিনা…এসব নিয়ে…
-বস, সুখের মাজেজা আপনি তখনই বুঝবেন যখন আপনি দুঃখে থাকবেন। আর এটা কে না জানে-চিরস্থায়ীভাবে দুঃখী হবার জন্য বিয়ে করার চেয়ে এত সহজ উপায় আর নেই…!!!!
-বিয়ে নিয়ে তোমার চিন্তা-ধারা একটু অন্যরকম মনে হচ্ছে। বিয়ের মূল কথা হচ্ছে রি-প্রডাকশন সিস্টেমকে চালু রাখা…কেতাবি ভাষায় একে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে-‘সামাজিক বা ধর্মীয় রীতি অনুসারে পরিবার গঠন করা।’ আবার পরিবার হচ্ছে সভ্যতার ইতিহাসের প্রাচীণতম প্রতিষ্ঠান, প্রখ্যাত সামাজিক বিজ্ঞানী অগাষ্ট কোঁৎ বলেছেন…
-ইয়ে, মাহমুদ ভাই…এদিকে সামি ভাই কিন্তু আমাদেরকে অন্য কিছু বলেছিলেন…কি সব বিয়ের ফুল…প্রজাপতি…ইত্যাদি ইত্যাদি…
এ পর্যায়ে মাহমুদ ভাই হালকা লজ্জা পেতেই আমাদের বুঝতে আর বাকি রইল না- সিসিবি ব্যাচেলর সঙ্ঘ অচিরেই তাদের সভাপতিকে হারাতে যাচ্ছে…!!!!
বর্তমান সহ-সভাপতি কাইয়ূম ভাই আশু পদোন্নতির সম্ভাবনা দেখতে পেয়ে যারপরনাই খুশি হয়ে গেলেন। তিনি মাহমুদ ভাই এর সাথে কথা বলতে বলতে হল রুমের দিকে চলে গেলেন। খুব সম্ভবতঃ আন-অফিসিয়ালি সভাপতির দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্বন্ধে আগাম ধারনা লাভের উদ্দেশ্যে…
মাহমুদ ভাই চলে যেতেই অসীম ভাই আমাদের চুপিচুপি কিছু তথ্য দিলেন, সব শুনে মাস্ফুর সেই অতি পরিচিত ‘খাপো খাপো’ শুরু হয়ে গেল…ও ঘোষণা দিল আজ থেকে নাকি খাওয়া কমিয়ে দেবে…সকালে ১০ টার জায়গায় ৯ টা ব্রেড, ৮ টার বদলে ৬ টা ডিম, দুপুরে সাড়ে ৬ প্লেটের বদলে ৫ প্লেট ভাত এবং রাতে ১৫ টা রুটির বদলে মাত্র ১৩ টা খাবে…!!! এত ডায়েটিং কারণ হিসেবে যা বলল তাতে অনেকেই হয়ত বিয়ে করার ইচ্ছে বাদ দিতে বা ওকে দাওয়াত করতে ভুলে যাবার ভান করতে পারেন – তাই কারনটা আর বললাম না…
সামি ভাইকে ভাবীসহ আসতে দেখে কিছুটা অবাক হলাম, ওনার তো নিজেরই আসার কথা ছিল না…এতবড় একটা ঘটনা কিভাবে সম্ভব করলেন জানতে চাইতেই বললেন,
-তোমাদের ভাবীকে বলে রেখেছিলাম, ভালোয় ভালোয় যেতে না দিলে দড়ি ছিঁড়ে চলে যাব কিন্তু…তারপরও রাজি না হওয়ায় শেষ মুহূর্তে এমন জোরে টান দিয়েছি যে…
-যে??
-দেখতেই পাচ্ছ, বান্দা এখানে একেবারে খুঁটিসহ হাজির!!
ভাবিকে দেখে এবং ওনার সাথে কথা বলে অবশ্য এমন কিছু মনে হল না, তবুও কিছু বললাম না। তারা যে প্রোগ্রামে এসেছেন এটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট!
৮।
‘৮৯ এর বর্তমানে ব্লগে সক্রিয় আছেন দু’জন- এহসান ভাই এবং রেশাদ ভাই। আনন্দের খবর হচ্ছে তারা দুজনেই আজ এসেছেন। প্রথমেই আসলেন ব্লগের গেমস প্রিফেক্ট এহসান ভাই। ফাঁকিবাজি করে ইদানিং ব্লগ না লিখলেও এসেম্বলীতে ঠিকই এসেছেন দেখে খুব ভাল লাগল। কাইয়ূম ভাইকে দেখেই উনি বলে উঠলেন,
-কাইয়ূম সাহেব, কি খবর আপনার???
এহসান ভাই মাঝে মাঝেই এমন করে সবাইকে ডাকেন…কি কারনে কে জানে? কোন এক ফাঁকে ওনার কাছে এই ব্যাপারটি জেনে নিতে হবে। কিন্তু কিছু বলার আগেই দেখি উনি জুনিয়র গেমস প্রিফেক্ট আহসান আকাশ (‘৯৬) এবং অন্যান্যদের সাথে খেলাধূলা বিষয়ক আলাপ শুরু করে দিলেন। আমি আর ওদিকে না গিয়ে রেশাদ ভাই এর দিকে এগিয়ে গেলাম। রেশাদ ভাই এর কপালের কাছে ব্যান্ডেজ মতন দেখে কিছুটা অবাক হলাম। তবে আঘাতের জায়গাটা দেখে কেমন সন্দেহ লাগল। পিকনিকের সময় এই আঘাতটাই ছিল না??
-বস, ব্যাথা পাইলেন কেম্নে? সিসিবি পিকনিকের আগে এইখানেই না…???
-ইয়ে…এইটা আসলে পিকনিকেরটাই…এখনো খুলি নাই…শুনলাম, পুরনোদের মধ্যে যারা এখনো সিসিবিতে লেখা দেয় নাই তাদের নামে নাকি নোটিশ বের হইছে…তাই…যদি এক্সকিউজ পাওয়া যায় আর কি!!
-রেশাদ ভাই, আর কত ফাঁকিবাজি করবেন??? পাব্লিকের মুখ তো আর আটকাতে পারবেন না…
দিচ্ছি…দেবো…এইসব ভুং-ভাং বুঝিয়ে রেশাদ ভাই ভেতরে চলে গেলেন। আমি বেশি কিছু আর বলতে গেলাম না। তারচেয়ে বরং ‘৮৮ ব্যাচের আসা দেখতে লাগলাম…হাজার হোক দাদাদের ব্যাচ!!
আহসান ভাই ঢুকেই আহমদ ভাইকে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন,
-তুই আইসিসিএলএম এর ‘আমায় এত রাতে ক্যানে ডাক দিলি’ গাওয়া পিয়াল না???
-দোস্ত, তুমি এত দিনে আমারে চিনলা???
এরপর বাংলা সিনেমার মতন দুইজন ‘বন্ধু’ বলে চিৎকার দিয়ে একে অন্যের দিকে দৌড় শুরু করলেন। প্রায় ১০ মিনিট পরও দেখি দুইজন দৌড়াচ্ছেন, কিন্তু এগোচ্ছেন না!! দুইজনেই স্লো মোশনে যাচ্ছেন যে!! হঠাৎ করে ওবায়দুল্লাহ্ ভাই বলে ঊঠলেন,
-কাট্…কাট্…তোদের অভিনয় হচ্ছে না! দাঁড়া, আগে ভালো করে তোদের সিকোয়েন্সটা বুঝিয়ে দেই…দৃশ্য ১-এ তোরা কিছুক্ষণ একে অন্যের দিকে তাকিয়ে চেনার চেষ্টা করবি…এই সময় ক্যামেরা তোদের মুখের উপর জুম করে আসবে…দৃশ্য ২- এ আহসান পিয়ালকে আগের ডায়লগটা দিবি…এরপর…
আমি আর এসব না শুনে দাদার (জুলহাস) দিকে এগিয়ে গেলাম,
-কিরে ব্যাটা, তোদের সবাই নাটক শুরু করে দিল, তুই কিছু বলিস না কেন?
-আমি কি বলব? আমি তো কখনোই কিছু বলতে পারি না…!!
-আচ্ছা, বাদ দে। ভাবী আর মাহিন এল না যে…
-আর বলিস না, মাহিনের পরীক্ষা…ওর মায়ের এমফিল এর ক্লাস…তাই…
-এসব আমারে বুঝিয়ে লাভ নাই…বোমাপু আর দি-কে কিন্তু তুমি বুঝাবা…আমি বাপু পারব না…
মোস্তফা ভাইকে দেখলাম ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই’ লেখা একটা টি-শার্ট পড়ে এসেছেন। এই লোকটা নিজের হাজার ব্যস্ততা স্বত্ত্বেও যেভাবে এই ইস্যুতে কাজ করছেন, তা সত্যিই প্রসংশনীয়! মনে মনে ওনাকে একটা স্যালুট দিলাম। এবং সাথে একই কারনে রায়হান রশীদ ভাই (‘৮৬) ও ফয়েজ ভাই (‘৮৭) -কেও…
আগে থেকেই জানতাম সেলিনা আপা আসবেন না। এসেম্বলীতে আসবেন কি, উনি তো এখন সিসিবিতেই আসেন না…মাঝে মাঝে কমেন্ট করেন, তাও লগ ইন না করেই…কিছুই বলব না…বলে লাভ কি?
ভাবনার মধ্যে ডুবে গিয়ে কিছুটা মনে হয় আনমনা হয়ে গিয়েছিলাম, হঠাৎ সিংহের গর্জন শুনে সম্বিৎ ফিরে পেলাম। কিন্তু এখানে সিংহ আসবে কোত্থেকে?
হুড়মুড় করে সবাই মেইন গেটের কাছে গিয়েই টের পেলাম ঘটনা কি। ফয়েজ ভাই এসেছেন!! উচ্চকন্ঠে কাকে জানি ডেকেছিলেন, আমরা দূর থেকে মনে করেছিলাম সিংহের গর্জন! এতদিনে ফয়েজ ভাই এর দেখা পেলাম! সামনে এগিয়ে হাই-হ্যালো বলতে যাব, কিন্তু উনি ওসবের ধার না ধেরে বলে উঠলেন,
-জুনায়েদ এটা একটু ধর তো…
যেটা ধরতে বললেন সেটা অনেকটা রান্নার কাজে ব্যবহৃত পাটা’র মতন দেখতে…ঐ যে, যেটায় মসলা বা এই জাতীয় জিনিস বাঁটা হয়…’পাথরের’ তৈরি…খুব ভারি…ফয়েজ ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম,
-বস, এইটা কি?
-এইটা আমার খেরোখাতা! কোথাও গেলে সাথে নিয়েই ঘুরি…
এত দিনে একটা বিরাট রহস্যের কিনারা হল! এই কারনেই ফয়েজ ভাই এর খেরোখাতা ‘রক্’ করে!!!
‘৮৬ ব্যাচের শফি ভাই কামরুল ভাইকে ম্যাসেজ পাঠিয়েছেন। উনি নাকি সিসিবিকে এতটাই ভুলে গেছেন যে, ওয়েব এড্রেসটাও মনে করতে পারছেন না…লোকমুখে শুনেছেন সিসিবির এসেম্বলীর কথা, কিন্তু ব্যস্ততার কারনে আসতে পারছেন না!!! আমরা কেউ কিচ্ছু বললাম না…কিই বা বলার আছে??
শফি ভাই না এলেও রায়হান রশীদ ভাই কিন্তু ঠিকই এসেছেন। তবে উনি এসেই ফয়েজ ভাই, মোস্তফা ভাই, জিহাদ, মুহাম্মদ…দের সাথে ডব্লিউসিএসএফ (war crimes strategy forum, http://www.wcsf.info) নিয়ে কথা শুরু করলেন।
‘৮৫ এর একমাত্র সক্রিয় সদস্য শান্তাপা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে আসবেন না বলে জানিয়েছেন। আমরা অবশ্য ওনার কথার মাঝে বিড়বিড় করে বলা ‘আমি তো ব্লগের তেমন কেউ না’ টাইপ কি সব ভুজুং ভাজুং শুনলাম!! কষ্ট পেলেও ওনাকে জানতে দিলাম না। কি লাভ? তবে, তিনি কথা দিয়েছেন এসেম্বলী নিয়ে লেখা সব ব্লগ প্রিন্ট করে এবং ভিডিও কপি করে বাসায় নিয়ে খুব মনযোগ সহকারে দেখবেন।
আর কেউ আসবে না হয়ত’ ভাবতেই দেখি নুপূরদা (‘৮৪) একটা টাওয়েল দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে আসছেন। এসেই একটা হাসি দিয়ে বললেন,
-এলার্ম টের পাই নি…পরে ঘুম থেকে ঊঠে কোনমতে স্নানপর্ব টা সেরেই ছুট দিয়েছি…
কাইয়ূম ভাই চট করে বলে বসলেন,
-বস, নিজের স্নানপর্ব তো রোজই সারেন…কিন্তু ব্লগে স্নানপর্ব এর পরের পার্ট কবে দিচ্ছেন??
‘৮৩ এর ইউসুফ ভাই অর্থাৎ আমাদের এডজুটেন্ট স্যার অনেক দিন ধরেই ছুটিতে আছেন। কবে যে ওনার ছুটি শেষ হবে, কে জানে? অন্ততঃ এসেম্বলীর আগে যে উনি আসছেন না, তা মোটামুটি নিশ্চিৎ!
তবে, গুজব শোনা গেছে উনি নাকি পুরো অনুষ্ঠান টিভিতে দেখছেন…কেউ কোন বেতাল করলেই…প্রয়োজনে ফোনে বা ভিডিও কনফারেন্সিং করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন! ডিজিটাল বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!!!
আমরা যখন মোটামুটি নিশ্চিৎ হলাম আর কেউ আসছেন না, সবাই গিয়ে হল রুমে উপস্থিত হলাম। এরপর কেউ আসলে সে বা তারা সরাসরি হল রুমে চলে যাবে।
ওহ হো, আসল কথাই তো বলা হয় নি! পুরো এসেম্বলী পরিচালনা করবেন কামরুল ভাই এবং কাইয়ূম ভাই। তারা দুজনই স্টেজে উঠে গেলেন। কাইয়ূম ভাই উপস্থিত সবাইকে জানালেন প্রিন্সিপ্যাল স্যার কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্যান্য বিশেষ অতিথীদের নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হবেন।
আমরা সবাই অধীর আগ্রহে তাঁদের আগমনের অপেক্ষা করতে থাকলাম…



৮৪ টি মন্তব্য
মা , মা দেখে যাও, আমি ফার্ষ্ট হয়েছি
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
দাদা পরের পর্ব কালকেই দিয়া দিবি
[ জবাব দিন ]
পরের পর্ব কিছুদিন আটকায়া রাখুম ভাবতেছি…
[ জবাব দিন ]
এম্নিতে বিশাল মাইর জমসে,
তা আরো দেরী করলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বোনা
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
কপাল বাড়ি দিয়া কি হইবো বল?
কয়দিনের দুইন্না?? বাইঁচ্যা কি করবি??? মরতে তো একদিন হইবোই …
[ জবাব দিন ]
ইয়ে, মানে, দ্বিতীয় প্যারাতে ‘মরতুজা’ এর বদলে মনে হয় ‘মরতুজা ভাই’ হবে
[ জবাব দিন ]
ঠিক করে দিয়েছি…থ্যাংকু…
[ জবাব দিন ]
ছিহ জুনাদা, আবার থ্যাঙ্কু কেন, আমরা আমরা-ই তো
[ জবাব দিন ]
এত ফাস্ট হইলে সেই ফাস্টের কুনু দাম নাই
পারলে লাস্ট হয়া দেখাও
[ জবাব দিন ]
ভাইয়া চক্ষু মেলিয়া চাইয়া দেহেন,
ইদানিং ফাষ্টো হওয়া ছাইড়া দিসিলাম, ছুডু ভাই-বোনদের কথা চিন্তা কইরা
লাষ্ট’ই কিন্তু হচ্ছি।
তা ভাইয়া লাষ্ট হইয়া দেখালে কি গিফট দিবেন??
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
“মা , মা দেখে যাও, আমি ফার্ষ্ট হয়েছি :)”
এই কমেন্টের থেকে জবাব দিলাম, কিন্তু এত পরে সিরিয়াল পেলাম কেনু,কেনু,কেনু……………!!!!!!!!!
[ জবাব দিন ]
জুনাদা রক্করে
[ জবাব দিন ]
আর কেউ আসবে না? সিসিবি তে কি ৮৩ ব্যাচের উপরে সানা ভাই ছাড়া আর কেউ নাই?
জুনা ভাই আপনি জিনিস একখান…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আহেম, লেখা ভাল হইছে, পাঁচ তারার উপযুক্ত (আমি কিন্তু তৈল মর্দন করিতেছি না
)
[ জবাব দিন ]
আপনার নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি অনেক ভাল লাগল মরতুজা ভাই…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জুনা ভাই ড়কায়
[ জবাব দিন ]
তরে কইছে…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মাস্ফ্যু,
[ জবাব দিন ]
আইচ্ছা এইডা কিডা?? আমাগো মাহবুবা নাকি? জুনাদা দেখি এরে আপু কইয়া ডাকল…
[ জবাব দিন ]
ছোট বোনকে আপু বলা যায় না?
এইডা কিডা তা মেহেদী হাসান (‘৯৬) রে জিগা…
[ জবাব দিন ]
ইয়ে, জুনাদা, এইগুলা কি বলেন
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জুনাদা,আমারে আর আপনেরে আঁধার্ভাবী উনাদের বুয়েটের অনুষ্ঠানে খাইতে বুলাইছে।অতি সত্বর যোগাযোগ করেন
[ জবাব দিন ]
গেট টুগেদার হচ্ছেনা, সকলে নাকি খুব ব্যাস্ত
[ জবাব দিন ]
খুব ভালো হইছে, পাঁচতারা। (আরো তারা দিতে চাইছিলাম। কিন্তু আমারে মনে হইলো পচানি দিছে, তাই তারা কমায়া দিলাম
)
[ জবাব দিন ]
বস, ফুকোর কসম-আপনারে পঁচাই নাই…
[ জবাব দিন ]
প্রত্যেক নতুন পর্ব আগের পর্বের চেয়ে মজার । ফয়েজ ভাইয়ের রক টা মনে হয় তোর কাছেও আছে ।
[ জবাব দিন ]
ইয়ে মানে ফয়েজ ভাইয়ের সিংহের ডাকটাও…নাহ কিছু না,এমনিতেই কালার হয়া আছি এর বেশি কিছু কইলে খবরাছে…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
বস, আপনে এত ড়কান ক্যাম্নে…???
[ জবাব দিন ]
আমি তো এম্নি এম্নি…
[ জবাব দিন ]
এই পর্বটা আরও দারুণ হয়েছে!
তুই একটা মাল্লেখক।
[ জবাব দিন ]
ঐ
কঠিন হইছে
[ জবাব দিন ]
“তুই একটা মাল্লেখক। :D”
সহমত
[ জবাব দিন ]
চামে বড় ভাইকে তুই-তোকারি করলি নাকি ডার্কনেসাপু??
[ জবাব দিন ]
আমি তুইতোকারি করি নাই জুনাদা
, আমি এই উপাধি ডাইরেক্টলি দিতে ভয় পাচ্ছিলাম, তাই চামে বড়ভাই-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দিলাম
[ জবাব দিন ]
আল্লাগো,আমিই দেখি ভাবীরে দুস্তো ভাইবা তুই তোকারি করছি-ভাবিজান মাপ কৈরা দেন
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
জুনা ভাই আপ্নের এসেম্বলিও ড়ক করে !!!!
পাঁচ তারা
[ জবাব দিন ]
বিলাস বহুল…
[ জবাব দিন ]
তানভীরের ভাষায়(ঈষৎ পরিবর্তিত ও বর্ধিত)
এই পর্বটা আরও দারুণ হইছে!
তুই আসলেই একটা মাল্লেখক।
[ জবাব দিন ]
টিটো আর তানভীরের ভাষায়(ঈষৎ পরিবর্তিত ও বর্ধিত)
এই পর্বটা আরও দারুণ হইছে!
তুই আসলেই একটা মাল্লেখক।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
হেইও
অফটপিকঃ মেলা হোম ওয়ার্ক করছো দেখা যায়।
[ জবাব দিন ]
হ, খুবি পরিশ্রমী লেখা।জুনাদা রকায়…
[ জবাব দিন ]
দিলাম একটা ঠেলা…………।
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই শুধু আপনিই বুঝলেন…
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ ভাই, এইটা কিন্তু একটা ব্লগ ইয়ে মানে………..
[ জবাব দিন ]
হাসতেই আছি

মোসাদ্দেক ভাই, ফয়েজ ভাই আর মাহমুদ ভাই এর কথা গুলা পইড়া আবারো হাসতাছি … খ্যাক খ্যাক খ্যাক
[ জবাব দিন ]
প্যাক প্যাক প্যাক…
[ জবাব দিন ]
জুনা ভাই আপ্নের এসেম্বলিও ড়ক করে !!!!
[ জবাব দিন ]
কপিরাইটঃ আমিন (‘৯৬)…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ভাইজান শরীরটা বালা??
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
হা হা হা।
জুনা ভাই মাল্লেখক। কি আর কইতাম। পরের পর্বের জন্যে ঠেলা। এক পর্ব দেখি আরেকটারে ছাড়ায় যাইতাসে খালি
[ জবাব দিন ]
কথা সত্য…
পর্বগুলো গ্রাজুয়ালি আকারে বড় হচ্ছে…
[ জবাব দিন ]
জুনায়েদ তুই হইলি সেই যারে বলে গিয়া মাল্লেখক (কপিরাইট : ব্লগ্লায়ন
)
[ জবাব দিন ]
জুনায়েদ তুই হইলি সেই যারে বলে গিয়া মাল্লেখক (কপিরাইট : ব্লগ্লায়ন
)
[ জবাব দিন ]
আমি তো জানি উনি মালসিংহ
ব্লগ্লায়ন হৈলেন কবে??
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এই আঁধার ভাইটা আবার কেডায়?
পুরান অভ্যাস বদলায় নাকি এখনতোরি
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ভুলি নাইরে পাগলা….প্রতিদিন একবারের জন্য হলেও আাসি।
তুই আর মাষ্ফ্যু যাই লিখিস গোগ্রাসে গিলি
[ জবাব দিন ]
কিডা আজীইইইইইইইইইইইইইইজ ভাই নিকিইইইইইইই,কিরাম আস্যাআআআআআআআএন?ভাবীর সাথে আপনার ফটুটা বিদাআতি হয়নাই ,অনেক সুন্দর হইছেএএএএএএ…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আসলেও বয়স হয়ে যাচ্ছে নইলে এই আবজাব লাইনটা লিখলাম কেন। আমি কিন্তু বগ্লের কেউ – এক্কেবারে কেউকাটা। ছোটভাইদের কষ্ট দেওয়ার জন্য দুঃখিত।
[ জবাব দিন ]
জুনায়েদ একদিন দেখা হবে নিশ্চয়ই, আর সেইদিন তোমারে আমি মিষ্টি খাওয়াবোনে।
[ জবাব দিন ]
এইটার আরো দুই চাইর পর্ব হইতে পারতো
[ জবাব দিন ]
এইটার আরো দু এক পর্ব চলতে পারে জুনাদা
[ জবাব দিন ]