দেহগত কামনা বা যৌনতার প্রথম উদ্ভব হয় মনে। তারপর তা দেহে সঞ্চারিত হয়। যৌন সংসর্গের সিঙ্ঘভাগই মানসিক, ক্ষুদ্র অংশ দৈহিক। শতকরা আশি এবং শতকরা কুড়ি ভাগ। মন যখন বিকল বা বিক্ষিপ্ত থাকে তখন যৌনতার উদ্ভব হয় না…
এ যুগে রোমান্টিক প্রেমের ভাটা পড়েছে এবং সামান্য বাল্যপ্রেমকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা এযুগে ভাবাই যায় না। বরং নর ও নারী উভয়পক্ষই অনেক বেশী বাস্তববোধসম্পন্ন, আবেগবর্জিত এবং সম্পর্কটাও অনেক চাঁচাছোলা। আশ্চর্যের বিষয়, মানুষের আদিমযুগেও তাই ছিল। গুহামানব বা মানবীরা পরস্পর প্রেমাসক্ত হ’ত বলে মনে হয় না, কিন্তু প্রয়োজনবোধেই জুটি বাঁধত। অনেকটা সেই গুহামানবের যুগের সম্পর্কই যেন ফিরে আসছে। তখন বিবাহপ্রথা ছিল না, পুরুষ বহুনারী গমন করত, নারীরও বহুপুরুষ গমনে বাঁধা ছিল না। বিংশ শতকের শেষে এসে আমরা অনেকটা সেই যুগের প্রত্যাবর্তনের আভাস পাচ্ছি।
জন্মান্তর / শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
শেয়ার করুন


১৯ টি মন্তব্য
শীর্ষেন্দু

[ জবাব দিন ]
মাহ্ফুজ ভাই, অনেক দিন পর…

আপনের কবিতা কই???
বসন্ত আসল, ভালবাসা দিবস চলে যাচ্ছে…কবিতা দেন নাই…কেম্নে কি?
[ জবাব দিন ]
নিজের কথা দাও। ওইটাই পড়তে চাই।

[ জবাব দিন ]
সহমত
[ জবাব দিন ]
মাহ্ফুজ ভাই, বিয়ার পর প্রথম বসন্ত, ভালবাসা দিবস…নিশ্চয়ই অনেক কথা জমে গেছে…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আপনের্কিহৈছে?
[ জবাব দিন ]
@ মাহফুজ,

ঠিক ঠিক…একদম ই ঠিক কথা……।।
[ জবাব দিন ]
সিনিয়ররে নাম ধইরা ডাকার অপরাধে তাড়াতাড়ি দশটা ফ্রন্টরোল লাগাও তো শাওন
[ জবাব দিন ]
হ লাগান, আমরা চোখ বন করলাম
[ জবাব দিন ]
এটা আমদের মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ই প্রকাশ। এদেশে এখনো অনেক পরিবার আছে যারা মূল্যবোধ হারায়নি। মাঝে মাঝে একটা কথা শুনি মধ্যবিত্ত সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে। কিন্তু এই মধ্যবিত্ত সেন্টমেন্ট ই কিন্তু আমদের ঐতিয্য এখনো ধরে রেখেছে।
[ জবাব দিন ]
তাই যা চলে গেছে তা নিয়ে না ভেবে আমরা আমদের ভবিষ্যত প্রজন্ম অর্থাৎ আমদের সন্তান্দের এমন ভাবে গড়ে তুলি যারা মধ্যবিত্ত সেন্টিমেন্ট কে লালন করবে। এতটা কঠিন না এটা করা। আমরা আমাদের সন্তান্দের ক্লাশ টুয়েল্ভ পর্যন্ত গাইড করবো মধ্যবিত্ত সেন্টিমেন্ট দিয়ে তাহলে তাদের পা পিছলানোর সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে বলে আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি।
[ জবাব দিন ]
এডিসন ভাই,
আপনার সাথে আমার বয়সের ব্যবধান অনেক। তারপরও আপনার এই কথার সাথে আমি সম্পূর্ন ভাবে একমত।
[ জবাব দিন ]
মাহফুজ,
থ্যাঙ্কস এই কোটাশন্টা দেবার জন্য। এখন আসো দেখি এদের “আইডেনটিটি পলিটিকস”।
যৌনতায় মন ও দেহ যথাক্রমে “শতকরা আশি এবং শতকরা কুড়ি ভাগ”, এই তথ্য কত্থেকে?
“মন যখন বিকল বা বিক্ষিপ্ত থাকে তখন যৌনতার উদ্ভব হয় না”-এটা বৌ-স্বামীর বৈধ যৌনতার বেলায় প্রজোয্য হতে পারে, কিন্তু সব যৌনতাই ত আর এরকম বৈধতার সীমানায় নয়।
“তখন বিবাহপ্রথা ছিল না, পুরুষ বহুনারী গমন করত, নারীরও বহুপুরুষ গমনে বাঁধা ছিল না।”-
কি সুন্দর করে বলছে তখন ছিলো, তাদের সময় ছিলো না (নতুনরা আবার নিয়ে আসছে)। এমন ভাব, এখন তারা সব ধোযা তুলসীপাতা, বৌ ছাড়া আর কোন মেয়ে চোখেই দেখেনি!
এটা আসলে টিপিক্যাল মধ্যবিত্তের নিজেদের ‘শুদ্ধতা’ প্রমাণের জন্য ‘স্বপ্নে-প্রাপ্ত’ তথ্যের অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাখ্যা।
[ জবাব দিন ]
মাইচ্ছে আমারে,
মাহমুদ তুমি দেখি শীর্ষেন্দুকে নাংগু বাবা করে ফেলছ।
[ জবাব দিন ]
দোস্ত, নতুন বিয়ে উপলক্ষে তোর কাছ থেকে তো একটা টাটকা ভ্যালেন্টাইন পয়েম এক্সপেক্ট করেছিলাম, আর তুই দিলি টুকলিফাইং
শীর্ষেন্দুর সাথে সম্পূর্ণ একমত হতে পারলাম না। যাই হোক, এটা নিয়ে এখানে কথা বলার প্রয়োজন নেই।
তোর নেক্স কবিতা ছাড় দেখি
[ জবাব দিন ]
কারে কমু, মাহফুজরে, নাকি শীর্ষেন্দুরে।
তার চেয়ে অফ যাই।
[ জবাব দিন ]
সাব্বির, আমার তোমার সাথে সবাই একমত হলে (১০০ ভাগ কাজে না হতে পারলেও যদি অনুভূতিতেও)পরিবর্তন হতে শুধু সময়ের ব্যাপার
[ জবাব দিন ]
হুম, আসলে চাম্রার্নেশাই সবচেয়ে বড়।
[ জবাব দিন ]