random header image

দ্য রেসলার: নিরাপদ নীড়ের খোঁজে

প্রথমেই বলে নিই, “দ্য রেসলার” এর মত স্পোর্টস মুভি আগেও বেশ কয়েকটি দেখেছি। কিন্তু এই প্রথম জীবনে দেখা স্পোর্টস মুভিগুলোর ড়্যাংকিং করলাম। আমার করা ড়্যাংকিংটা এরকম:
১. রেইজিং বুল (মার্টিন স্করসেজি, ১৯৮০)
২. দ্য রেসলার (ড্যারেন আরনফ্‌স্কি, ২০০৮)
৩. মিলিয়ন ডলার বেবি (ক্লিন্ট ইস্টউড, ২০০৪)
৪. রিমেম্বার দ্য টাইটান্‌স (বোজ ইয়াকিন, ২০০০)
৫. দ্য হারিকেইন (নরম্যান জিউইসন, ১৯৯৯)

এর মধ্যে একমাত্র রেইজিং বুলকেই বোধহয় মাস্টারপিস বলা যায়। এটি ক্লাসিকের মর্যাদাও পেয়েছে। কারণ খুব স্বাভাবিক, পৃথিবী যতদিন টিকে থাকবে ততদিনই মানুষ রেইজিং বুল দেখে বিস্মিত হবে। এর পর আসে দ্য রেসলার আর মিলিয়ন ডলার বেবি। এ দুটি মাস্টারপিস না হলেও মাস্টারপিসের খুব কাছাকাছি। যে সিনেমা দেখে পরিচালকের (সব পারিচালক না) সর্বোচ্চ উৎকর্ষের পরিচয় পাওয়া যায় তাকেই যদি মাস্টারপিস বলা হয়, তাহলে এতে কোন সন্দেহ নেই যে, দ্য রেসলার মাস্টারপিসের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। “পাই” এবং “রিকুইম ফর আ ড্রিম” করার পর পরিচালক ড্যারেন আরনফ্‌স্কির এই প্রচেষ্টা তাকে খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। ৩৯ বছর বয়সী একজন পরিচালকের পক্ষে এটা এক বিশাল প্রাপ্তি। সেরা পরিচালক হিসেবে অস্কার মনোনয়ন না পেলে আমি বলব, বয়স এবং অভিজ্ঞতা কম বলেই তাকে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়া হয়নি।

এবার সিনেমার কথায় আসা যাক। প্রথাগত রিভিউ লিখতে চাচ্ছি না। সিনেমা দেখে কেন মুগ্ধ হয়েছি এবং কোন কোন বিষয়গুলো বেশি টেনেছে সেগুলোই লিখব। সবশেষে কয়েকটি নেতিবাচক দিকও তুলে ধরার চেষ্টা করব, যদি আদৌ থাকে আর কি।

যে কারণে মুগ্ধ হয়েছি

প্রথম কারণ সিনেমার থিম। অনেক সিনেমাই প্রথমবার দেখে থিম না বোঝার কারণে হজম করতে পারিনি। থিম বোঝার পর যখন আবার দেখেছি তখন খুব ভাল লেগেছে। এর সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হতে পারে কোয়েন ভ্রাতৃদ্বয়ের “নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন” এবং ডেভিড লিঞ্চের “মুলহল্যান্ড ড্রাইভ”। কিন্তু দ্য রেসলার সেদিক থেকে ভিন্ন। সিনেমা দেখে থিম খুব ভালভাবেই বোঝা যায়। এমনকি সিনেমার কথোপকথনের মাধ্যমেই এখানে থিম বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অর্ধেক দেখার পর যখন থিম বুঝতে পারলাম, তখন অদ্ভুত লাগছিল। একটিমাত্র থিমকে কেন্দ্র করে সবকিছু আবর্তিত হতে দেখে আরও ভাল লেগেছে। কথা না বাড়িয়ে সিনেমার থিম সম্পর্কে বলা যাক:

প্রত্যেক ব্যক্তিই পৃথিবীতে একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল খুঁজে বেড়ায়। এখানে নিরাপত্তা বলতে কেবল সামাজিক বা দৈহিক নিরাপত্তা বোঝায় না, মানসিক নিরাপত্তাও এর অন্তর্ভুক্ত। বার্ট্রান্ড রাসেল তার “সুখের সন্ধানে” বইয়ে নিরাপত্তার অভাবে কিভাবে সুখ নষ্ট হয় তার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। দ্য রেসলার দেখতে গিয়ে বারবার সেকথা মনে হয়েছে। এই সিনেমাতে দেখা যায়, এক বর্ষীয়ান রেসলার অবসর নেয়ার পর একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল খুঁজে বেড়াচ্ছে। রেসলিং করার সময় তার নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল রেসলিং স্টেজ। সেই স্টেজে একটি পাতানো খেলা খেলে সে জীবিকা নির্বাহ করত। তবে জীবিকাটাই তার জন্য মুখ্য ছিল না। তার নিরাপত্তার একমাত্র উৎস ছিল রেসলিং। তাই নিরাপত্তার জন্য সে পরিবারের দ্বারস্থ হয়নি, যার ফলে তার মেয়েকে বাবার আদর ছাড়াই মানুষ হতে হয়েছে। নিজস্ব নিরাপত্তার তাগিদে সে তার মেয়েকে নিরাপত্তাহীন করেছে।

নিরাপদ নীড়ের সন্ধানে

অসুস্থতার কারণে যখন তার রেসলিং জীবনের অবসান ঘটল, তখন সেই নিরাপত্তা টুটে গেল। সিনেমাটিতে মূলত এক রেসলারের হারানো নিরাপত্তা ফিরে পাওয়ার গল্প ফুটে উঠেছে। সে অনেকের দ্বারস্থ হয়েছে: প্রথমে এক স্ট্রিপ ড্যান্সার যাকে সে ভালবেসেছিল, এরপর তার মেয়ে। সে চেয়েছিল, তার মেয়ে যেন অন্তত তাকে ঘৃণা না করে। একসময় সে পাড়ার ছোট্ট ছেলেগুলোরও দ্বারস্থ হয়, নিরাপত্তার আশায়। নিরাপত্তাহীনতা যে মানুষকে কতটা অসহায় করে তুলতে পারে, সিনেমার একটি দৃশ্যে তা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে: রেসলার দরজায় দাড়িয়ে একটি ছেলেকে ডাকে, ঘরে এসে তারে সাথে ভিডিও গেম খেলার জন্য। এই ডাকেই অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছে। মেশিনে তার সাথে রেসলিং গেম খেলতে খেলতে ছেলেটি যখন তাকে “কল অফ ডিউটি ৪” এর কাহিনী শোনায় তখন সেই অসহায়ত্ব আরও প্রকট হয়ে উঠে।

আমি ভেবে দেখার চেষ্টা করেছি: পরিবারে স্থান না পেলে, প্রিয়জন বা প্রিয়বস্তুটি দূরে সরে গেলে বা নিজেদের আড্ডাস্থলটি হারিয়ে গেলে, আমাদের কেমন লাগে। মাঝেমাঝে এটা ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে। আমার মনে হয়, পৃথিবীর সিংহভাগ আত্মহত্যার কারণও এই নিরাপত্তাহীনতা। মাঝেমাঝে সবার জীবনেই এমন মুহূর্ত আসে, যখন মনে হয়, একটু কিছু হলেই মন ভেঙে পড়বে। মনকে তখন বাতাসের তোড়ে উড়তে থাকা ঝরাপাতার মত মনে হয়, একমাত্র ঝড়ই তার দিক ঠিক করে দিতে পারে, অন্য কেউ না। এই ঝড় এবং ঝরাপাতার গল্প দেখতে তাই খুব ভাল লেগেছে। গল্পের পরিণতি কি হয়েছে সেটা নাহয় সিনেমাতেই দেখে নেবেন। তবে আমি বলে দিচ্ছি: শেষটায় গিয়ে রেসলার এক চূড়ান্ত নিরাপত্তার সন্ধান পেয়েছে। শেষের অংশটা তাই চমৎকার লেগেছে। শেষদিকে রেসলার বলে:

The only place I get hurt is out there. The world don’t give a shit about me.
Hey, you here them? this is where I belong.

শেষের লাইনটি রেসলারের জন্য উত্তর হলেও আমার জন্য প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। সিনেমাটা দেখার পর বেশ কিছুক্ষণ নিজেকে প্রশ্ন করেছি, “Where do I belong?”

মুগ্ধ হওয়ার দ্বিতীয় কারণ, রেসলারের চরিত্রে মিকি রুকের অভিনয়। মিকি রুককে আগে চিনতাম না। যতদূর জানি, মিকি রুকের করা অধিকাংশ সিনেমাই নিম্ন মানের। কিন্তু শেষ বয়সে এসে নিজেকে প্রমাণ করেছে সে। সেরা অভিনেতা হিসেবে অস্কার পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।

তৃতীয় কারণ, অবশ্যই ড্যারেন আরনফ্‌স্কির পরিচালনা আর আবহ সুর। এক কথায় অসাধারণ। ড্যারেন আরনফ্‌স্কির ভক্ত হয়ে যাচ্ছি।

যে কারণে মুগ্ধতা কমেছে

কোন কিছুই খুঁজে পাচ্ছি না। সিনেমাটা দেখার পর, আশাকরি অন্যরা মুগ্ধতা কমার কিছু কারণ যোগ করবেন। সেদিকেই চেয়ে রইলাম।


আমার রেটিং: এর মধ্যে ৪.৫

৩ votes, average: ৫.০০ out of ৫৩ votes, average: ৫.০০ out of ৫৩ votes, average: ৫.০০ out of ৫৩ votes, average: ৫.০০ out of ৫৩ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

১৮ টি মন্তব্য

  1.    জানুয়ারি ১৪, ২০০৯ at ১১:২৩ অপরাহ্ন |

    ১ম :D

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১১:০৬ পুর্বাহ্ন |

    দ্বিতীয় :P

    [ জবাব দিন ]

  2. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
       জানুয়ারি ১৪, ২০০৯ at ১১:৪৯ অপরাহ্ন |

    কস্কি??? কাল্কেই দেখুম।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১১:০৬ পুর্বাহ্ন |

    হ্যা, দেখে ফেল

    [ জবাব দিন ]

  3. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
       জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    প্রথাগত রিভিউ লিখতে চাচ্ছি না।

    প্রথাগত না হওয়াটাই বেশি ভালো লাগছে :) :)

    “Where do I belong?”

    সত্যিই তো…….Where do I belong?
    পুরাটাই পছন্দ হইছে :clap: :clap: । প্রথম সুযোগেই মুভিটা দেখব।

    অনেক সিনেমাই প্রথমবার দেখে থিম না বোঝার কারণে হজম করতে পারিনি। থিম বোঝার পর যখন আবার দেখেছি তখন খুব ভাল লেগেছে। এর সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হতে পারে কোয়েন ভ্রাতৃদ্বয়ের “নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন” এবং…….

    আমার জন্য এই মুভিটার ব্যাপারে (মন্তব্য আকারেই) খানিকটা লিখবা? আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে (অমনোযোগীতা একটা সম্ভাব্য কারণ হতে পারে)। বিশেষ করে থিমটা জানতে ইচ্ছা করছে।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১১:১৯ পুর্বাহ্ন |

    Where do I belong? – এটা আসলেই মাঝেমাঝে ভাইটাল প্রশ্ন হয়ে দেখা দেয়।

    নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেনের মূল থিম ছিল:

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষ জীবনযুদ্ধে একটু একটু করে পিছিয়ে পড়তে থাকে। পুরো সিনেমাতে শেরিফের পর্যায়ক্রমিক পরাজয় দেখানো হয়। কখনই তরুণ ভিলেনের সাথে সে পেরে উঠে না। দুই তরুণের যুদ্ধে জড়িয়ে পরে শেরিফ, কিন্তু অনেক পরে সে বুঝতে পারে জীবনের বোঝা আর বইতে পারছে না। সিনেমার শেষ কথাগুলোর মাধ্যমে এটাই প্রকট করে দেখানো হয়েছে: শেষে শেরিফ তার স্ত্রীকে গতকাল দেখা স্বপ্নের কথা বলে। সে তার বাবাকে স্বপ্ন দেখেছে। স্বপ্নে তার বাবা তার চেয়ে ছোট ছিল। তরুণ বাবা তাকে পিছনে ফেলে অনেক সামনে চলে যায়। সে জানে, তার বাবা সামনে গিয়ে তার জন্য আলো জ্বেলে অপেক্ষা করবে, কিন্তু সেই আলোর সন্ধানে তার যাত্রা ছিল পুরোপুরি অনিশ্চিত।

    সিনেমার আরেকটা থিম ছিল, প্রকৃত ভালোর সাথে প্রকৃত খারাপের কখনও সাক্ষাৎ না হওয়া। এখানে শেরিফের সাথে কখনও ভিলেনের দেখা হয় না।
    আরেকটা থিম ছিল, মানুষকে যমদূতের সাথে মিলিয়ে দেখা। এখানে ভিলেনকে মৃত্যুদূত হিসেবে দেখানো হয়েছে। অনেক আগে ইংমার বার্গম্যানের একটা সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল: দ্য সেভেন্‌থ সিল। এই সিনেমায় মৃত্যুকে একটি চরিত্র হিসেবে দেখানো হয়েছিল। আমার প্রোফাইল পিকচার কিন্তু সেই মানুষরুপী মৃত্যুদূতেরই। কোয়েন ভ্রাতৃদ্বয় তাদের এই সিনেমার ভিলেন চরিত্রটি দ্য সেভেন্‌থ সিলের মৃত্যু চরিত্রের আদলেই তৈরী করেছেন।
    সিনেমায় চান্স তথা কাকতালের প্রয়োগও খুব বেশী ছিল। এমনকি জীবনযুদ্ধে ভিলেনের প্রথম পিছিয়ে পড়াটা ঘটেছে কাকতালীয়ভাবেই। যৌবনের উছিলায় সে সেই গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে নিজেকে রক্ষা করেছে। কিন্তু বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে, জীবনযুদ্ধে আরেকটি লোকের পিছিয়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

    বিস্তারিত এইখানে দেখতে পারেন:
    - নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন – সচলায়তন

    [ জবাব দিন ]

    শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১:৪৩ অপরাহ্ন |

    আমি জানি, Courtroom is where I belong. কি মজা! আমি জানি :)

    [ জবাব দিন ]

  4. এহসান (৮৯-৯৫)
       জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ৫:১৯ পুর্বাহ্ন |

    খেলাধুলা বিষয়ক সিনেমা হিসাবে আমার Cool Runnings দারুন লেগেছিলো যদিও IMDB রেটিং ৭ এর নিচে কিন্তু আমার খুবই ভাল লেগেছে।

    গোল্ডেন গ্লোব জিতার পর তো এখন চারদিকে মিকি রুরক, কেইট উইন্সলেট আর ড্যানী বয়েল। কেইট উইন্সলেট আর ড্যানী বয়েল ব্রিটিশ হবের কারনে পেপারে কাভারেজ এখন বেশী।

    রেসলার এখনো দেখি নাই কিন্তু দেখবো। মিকি রুরক এর দুইটা সিনেমা আগে দেখেছিলাম মনে আছে, Sincity আর Nine and half weeks. কিন্তু মনে আছে শুধু Nine and half weeks। আসলে Nine and half weeks মনে আছে for obvious reason :P

    সত্যি বলতে শুধু ওই জন্যই Nine and half weeks দেখেছিলাম। :shy: তাই কিম বেসিংগারের কথাই মনে আছে। :) মিকি রুরকের কথা মনে নাই।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১১:২২ পুর্বাহ্ন |

    কুল রানিংস এর নাম শুনেছি। কিন্তু দেখা হয় নাই। সুযোগ পেলে দেখে ফেলব।
    গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডটা আসলেই সুবিধা মনে হয় নাই। এবার বোধহয় অস্কারের সাথে এর অনেক পার্থক্য থাকবে। অবশ্য মিকি রুককে গোল্ডেন গ্লোব দিয়ে ভাল করেছে।

    আসলে Nine and half weeks মনে আছে for obvious reason

    :D :D :D

    [ জবাব দিন ]

        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ১২:২৬ অপরাহ্ন |

    Nine and half weeks এর কয়েকটা পার্ট ছিলো না? তাইলে আমারো মনে আছে। মাসাআল্লাহ। খুব সুন্দর ছবি ছিলো। :wink:

    মুহাম্মদের রেঙ্কিং-এর ৫টা ছবি-ই দেখা।

    রেইজিং বুল আমিও অনেক উপরে রাখবো কারন এর মেকিং দারুন। মার্টিন স্করসেজিকে নিয়ে নতুন কিছু বলার নাই। যতই দেখি ততোই মুগ্ধ হই।

    তবে দ্য রেসলার আর মিলিয়ন ডলার বেবি, ভালো লাগার কথা বললে দুইটাই আমার কাছে প্যারালাল। :D নির্মাতা ড্যারেন আরনফ্‌স্কির খুব বেশি ছবি দেখি নাই যতটা দেখেছি ক্লিন্ট ইস্টউডের। আমার ধারনা মিলিয়ন ডলার বেবিতে ক্লিন্ট ইস্টউড খুব ভালো করেছেন সব কিছু মিলিয়ে। :D

    তবে একদিক দিয়ে রেসলার মিলিয়ন ডলার বেবিকে ছাড়িয়ে গেছে অনেকদুর, Mickey Rourke’র অভিনয়। :-o তাকে আমি চিনতাম বাজারে সিনেমার অভিনেতা হিসেবে। কিন্তু রেসলারে Mickey Rourke’র অভিনয় সীমানা ছাড়ানো। :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ৫:৩০ অপরাহ্ন |

    ড্যারেন আরনফ্‌স্কির আর একটা সিনেমাই দেখেছি: পাই। রিকুইম ফর আ ড্রিম এর অনেক নাম শুনেছি, কিন্তু দেখা হয়নি। অনেকেই এর ভূয়সী প্রশংসা করেছে। এই ডিরেক্টরের ভবিষ্যৎ অতি উজ্জ্বল।

    মিকি রুক বোধহয় অস্কারটা পেয়েই গেল।

    [ জবাব দিন ]

  5. শওকত (৭৯-৮৫)
       জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ২:৫৭ অপরাহ্ন |

    রেজিং বুল ছবির জন্য সেরা পরিচালকের অস্কার পায় নাই স্করসিজ। বলা হয় এই পাপ মোচন করতেই অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছবি ডিপারটেড থেকে অস্কার দেওয়া হয়।
    মিকি রুকি মোটামুটি নাইন অ্যান্ড হাফ উইক, ওয়াইল্ড অর্কিড টাইপ এক্স রেটেড ছবিতেই বেশি দেখা যেত। রেশলারটা দেখার ইচ্ছা আছে।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ৫:৩০ অপরাহ্ন |

    হ্যা, রেইজিং বুল বা ট্যাক্সি ড্রাইভার এর জন্য অবশ্যই অস্কার দেয়া উচিত ছিল। কি আর করা..
    রেসলার দেখার পর বইলেন কেমন লাগল

    [ জবাব দিন ]

  6. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
       জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ৭:১৮ অপরাহ্ন |

    রেটিং এ দেখি পাশের বাড়ির ‘লগান’ এর নাম নাই… :-B
    অবশ্য আমার ওটার চেয়ে অস্ট্রেলিয়া Vs সাউথ আফ্রিকার ৪৩৪ চেজ করে জেতাটা বেশি ভাল লাগছিল… :dreamy:

    :khekz: :khekz: :khekz:

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        জানুয়ারি ১৫, ২০০৯ at ৮:৫০ অপরাহ্ন |

    অস্ট্রেলিয়া Vs সাউথ আফ্রিকার ৪৩৪ চেজ করে জেতা মুভির ডিরেক্টর কেডা আছিল..
    আপনে না তো আবার? :))

    [ জবাব দিন ]

  7. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
       জানুয়ারি ১৬, ২০০৯ at ১২:০৪ পুর্বাহ্ন |

    যথারীতি ভালো এবং তথ্যবহুল রিভিউ :clap: :clap:
    এই একটু আগে এইচ বি ও তে সিনেমাটার উপর একটা ফিলার দেখাচ্ছিলো।
    মিকি রুকিরে মূল সিনেমায় আর তার সাক্ষাৎকারের সাথে মিলানো যাচ্ছিলোনা :D
    তবে মাস্ট সি মনে হচ্ছে :clap:

    [ জবাব দিন ]

  8. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
       জানুয়ারি ১৯, ২০০৯ at ১:৪৮ পুর্বাহ্ন |

    খুবি সুন্দর রিভিউ লিখছস। এই জন্য তো ব্যাঞ্চাই। :grr: :grr:

    যাই হোক মাত্র মুভিটা দেখে সারলাম। অদ্ভুত ভালো লাগছে। অনেকদিন পর একটা সিনামায় বেশ আবেশিত হলাম যে- মুভিটা শেষ হবার পরও চুপ করে হাবিজাবি যে লেখা আসে শেষের দিকে সেদিকে তাকিয়ে ছিলাম।

    [ জবাব দিন ]

  9. তৌফিক (৯৬-০২)
       জানুয়ারি ২০, ২০০৯ at ১:৫৫ অপরাহ্ন |

    রেসলার কে তালিকায় যোগ করলাম।

    কিনে আনা ১০০ ব্ল্যাংক ডিভিডি শেষ হওয়ার পথে। ছবি নামানো হয়। রাইট করে সযতনে রেখে দেওয়াও হয়। মাগার দেখা হয় না। ~x( ~x( ~x(

    রেইজিং বুল অসাধারণ একটা ছবি। রবার্ট ডি নিরো আমার প্রিয় অভিনেতা মনে হয় এই ছবি দেখার পর থেকেই। স্করসিসের ছবি অবশ্যই ভালো লাগে, কিন্তু আমার প্রিয় পরিচালক টনি স্কট। আমি জানি, সে মেধায় আর সৃষ্টিশীলতায় স্করসিসের থেকে কম, তারপরও এর ছবিগুলা আমি খুব আগ্রহ নিয়া দেখি। দেখতে ভালোও লাগে।

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard