random header image

ভুল অ্যালগরিদমে আত্মগ্রাসী যৌনতা

ডেভিড ক্রোনেনবার্গ এর ক্র্যাশ (১৯৯৬) [পল হ্যাগিস এর ক্র্যাশ (২০০৪) নয়] আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে অস্বস্তিকর সিনেমাগুলোর একটি। অস্বস্তিকর শব্দটি নেতিবাচক অর্থে ব্যবহার করিনি। আসলে পুরো সিনেমায় যদি বিপরীত ও সমকামী সংগম, গাড়ি দুর্ঘটনা, শুষ্ক ক্ষত, ভগ্ন হাড় আর নাইহিলিস্ট প্রতিবেশ ছাড়া আর কিছু না থাকে তবে স্বস্তি পাওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না। কিন্তু অস্বস্তি জাগানিয়া সিনেমাটি নিঃসন্দেহে নব্বইয়ের দশকের সবচেয়ে সাহসী, মানবিক, উদ্ভাবনী সিনেমাগুলোর একটি। এটা এতোই আউট অফ ট্র্যাক এবং শান্তিতে শায়িত এই বাঙালির পক্ষে ব্যাখ্যা করা এতোই কষ্টকর যে মৌলিক রিভিউ লেখার দুঃসাহস আমি করছি না। সমঝদারির নিদর্শনস্বরূপ একালের পণ্ডিত চলচ্চিত্র সমঝদার রজার ইবার্ট এর রিভিউটার ভাবানুবাদ করছি। ইবার্টের সব না হলেও অধিকাংশ রিভিউ পড়েই আমি মুগ্ধ হই। তার কোন কোন রিভিউ ভাল না লাগার একটা বড় কারণ হতে পারে দর্শকদের প্রতি বড্ড বেশি দায়বদ্ধতা, এতো দায়বদ্ধতা ভাল লাগে না, নিজের যা ইচ্ছা তাই লেখার মধ্যে যে মজাটা আছে দায়বদ্ধতা সেটার ক্ষতি করে; অবশ্য এটাও সত্য যে দায়বদ্ধতা সকল ধরণের শিল্প সমালোচনা বা সমঝদারিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

ইবার্টের করা ক্র্যাশ এর রিভিউ আমার মতে ইতিহাসের সবচেয়ে যথার্থ চলচ্চিত্র সমালোচনাগুলোর একটি। এর একটি বঙ্গানুবাদ থাকা উচিত বলে মনে হল। কথা না বাড়িয়ে বরং শুরু করি:

3

ক্র্যাশ (১৯৯৬)
রজার ইবার্ট, ২১ মার্চ ১৯৯৭

বুঝতে পারছি যে কাজটা করা উচিত না, কিন্তু কমন সেন্স এবং প্রতিরোধের সব বাঁধ ভেঙে গেছে; যতোটা বুঝতে পারছি করা উচিত না ঠিক ততোটাই বুঝতে পারছি যে কাজটি আমি করবোই- এমন অনুভূতির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই পরিচিতিটাই ডেভিড ক্রোনেনবার্গ এর ক্র্যাশ বোঝায় কাজে দেবে, এই সিনেমা বুঝতে হলে কল্পনার ডানায় ভর করে হলেও একবার সেই ক্রান্তিকালীন অনুভূতিটা ছুঁয়ে দেখতে হবে।

এমন আত্মগ্রাসী অনুভূতির সাথে সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠতা যৌনাকাঙ্ক্ষার। অবশ্য লুটেরা, জুয়ারী, মাদকাসক্ত বা পেশাদার কসরতবাজ- যারা ঝুঁকির মাঝে আনন্দ পায়- তাদের জন্যও এ ধরণের অভিজ্ঞতা লাভের দুয়ার প্রশস্ত। ক্র্যাশ এর সবগুলো চরিত্রই এমন এক আত্মগ্রাসী ক্রান্তিকালীন অবস্থার মধ্যে দিনাতিপাত করে, তারা যৌনক্ষুধা এবং গাড়ি দুর্ঘটনার মাঝে এক ধরণের সংযোগ খুঁজে পেয়েছে। এই সংযোগ-বিমূঢ়তা তাদেরকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে নিরন্তর, তারা একান্তই অসহায়।

অবশ্যই গাড়ি দুর্ঘটনার সাথে যৌনক্ষুধার এমন কোন মেলবন্ধন নেই। নিছক যৌন তাড়নায় সামনের লেন লক্ষ করে ঘণ্টায় ৬০ মাইল বেগে গাড়ি চালিয়ে নিজেকে ধ্বংস করে ফেলার তাগিদ কারও মধ্যে আছে বলে জানা নেই। এমন কোন ব্যক্তির সন্ধান কেউ দিতে পারবেন বলেও মনে হয় না। চরম স্যাডোম্যাসোকিস্ট দের মধ্যেও কিছু নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আছে। প্রচণ্ড বেগে গাড়ি চালিয়ে নিজেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়াটা কারও কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে এবং এই অন্তিম পরিণতির মধ্যে আত্মহত্যার বদলে মহান আত্মতৃপ্তির অনুভূতি লাভ করতে পারে, এমনটা ভাবাই যায় না।

ক্র্যাশ এর চরিত্রগুলো অন্ধ যৌন ফেটিশিজম (অজৈব বস্তুর প্রতি যৌন আকর্ষণ) এ আক্রান্ত, যদি এটাকে একটা রোগ ধরা হয়। তবে এটা এমন এক প্রকার ফেটিশিজম যা বাস্তবে কারও মধ্যে নেই। ক্রোনেনবার্গ এমন এক সিনেমা বানিয়েছেন যেটা গড়ন এবং কাঠামোর দিক দিয়ে পর্নোগ্রাফিক হলেও ফলাফলের দিক দিয়ে একেবারেই নয়। ক্র্যাশ থেকে গাড়ি, দগদগে শুষ্ক ক্ষত, ক্রাচ, আঘাতের চিহ্ন এবং চর্মরোগগুলো উঠিয়ে সেখানে গতানুগতিক যৌন ভিডিওচিত্রের উপাদান যোগ করে দিলেই একটা পর্নো মুভি দাঁড়িয়ে যাবে। কিন্তু এই অস্বস্তিকর উপাদানগুলো যোগ করার মাধ্যমে ক্র্যাশ তার সকল পর্নোগ্রাফিক বৈশিষ্ট্য হারিয়েছে, হয়ে উঠেছে মানব মনের এক সার্থক চিত্রায়ন। আমরা কত সহজেই উত্তেজক জিনিস বা বিষয়গুলোর দাসে পরিণত হই, সেগুলো অধিকারের জন্য নিজের সাত খুন মাফ করে দেই, অন্যের ক্ষতি করে হলেও তা অধিগ্রহণ করি, আর দিন শেষে নিজেকে প্রবোধ দেই।

কলেজের প্রেসিডেন্ট নিজের যৌনক্ষুধা চরিতার্থ করার জন্য শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে, সিনেমার নায়ক বা টিভি পরিবেশক অমুক দিন অমুক রাস্তায় এক বেশ্যার কণ্ঠলগ্ন হয়েছে- এমন খবর প্রায়শঃই শোনা যায়। শুনে আমরা ভাবি- কি দরকার ছিল ভাই, নিজের খ্যাতিটাকে ক্ষণিকের উত্তেজনায় এভাবে ধ্বংস করার কি প্রয়োজন ছিল, কি ভাবছিলে তোমরা কাজটা করার সময়? উত্তর হচ্ছে, তারা ভাবছিলো:
ক) আমি এটা করতে চাই
খ) এটা করে আমার পার পাওয়ার সুযোগ আছে
ক্র্যাশ মানুষের এই গহীন অনুভূতিটা বুঝতে পেরেছে। সিনেমার একটি চরিত্রকে এমন অনুভূতি সম্পর্কে বলতে শোনা যায়, “a benevolent psychopathology that beckons toward us”। এটা মানুষের যৌন তাড়না বিষয়ক এক অদ্ভুত এবং অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন সিনেমা। তুলনা করার জন্য এ ধরণের সিনেমার মধ্যে এখন কেবল “Belle de Jour,” “Peeping Tom” এবং “Damage” এর নামই মনে আসছে। কাঠামোর দিক দিয়ে পর্নোগ্রাফিক হলেও এই পুরো সিনেমার মধ্যে এমন কোন মুহূর্ত নেই যা দর্শকদের যৌনক্ষুধা উস্কে দিতে পারে। এসব উপাদান সযত্নে কর্তনের মাধ্যমে ক্রোনেনবার্গ তার বিষয়বস্তুর মধ্যে এক ধরণের বরফ শীতল বিমূর্ত পবিত্রতা নিয়ে এসেছে।

সিনেমার প্রথম দৃশ্যে দেখা যায় একটি মেয়ে তার উন্মুক্ত বক্ষ চেপে ধরছে একটি এরোপ্লেনের চকচকে ধাতব পৃষ্ঠে। এরপর সে রঙিন ধাতব পৃষ্ঠটি চাটতে থাকে, একই সময় তার যৌনসঙ্গীর জিভও ঘুরে ফিরতে থাকে তার চর্মজুড়ে। মেয়েটির নাম ক্যাথেরিন ব্যালার্ড (ডেবোরাহ কারা আংগার)। কিছুক্ষণ পর তাকে বাসায় দেখা যায়, তার স্বামী জেমস (জেমস স্পেডার) ফিরে আসে। দুজনে দুজনার ঐদিনের কৃতকর্ম মিলিয়ে দেখে, বুঝতে পারে কিভাবে দুজনেই পাবলিক প্লেসে সেক্স করে এসেছে, দুজনেই ধরা পরার ঝুঁকি থেকে তৃপ্তি লাভ করেছে। তাদের কথা বলার ভঙ্গিটা খুব লক্ষ করার মত: শীতল এবং একেবারেই আন্তরিক নয়। এর মানে কিন্তু এই না যে তারা একে অপরকে ভালোবাসে না, বরং উল্টোটাই সত্যি। তাদের মন এবং স্বাদে কতো মিল এটা ভেবেই তারা বিস্মিত হয়, এই বিমূঢ়তাই তাদের মাঝে অদ্ভুত শীতলতা এনে দেয় যাকে নির্লিপ্ততা ভেবে ভ্রম হয়।

এর পরপরই জেমস দুর্ঘটনায় পরে, আরেকটি প্রাইভেট কারের সাথে মুখোমুখি তীব্র সংঘর্ষ। উল্টো দিক থেকে আসা গাড়ির সামনের সিটে একটি লোক একটি নারী ছিল, সংঘর্ষের পর লোকটি ছিটকে জেমসের গাড়িতে এসে পড়ে, তৎক্ষণাৎ মৃত্যু হয়। বেঁচে থাকে অপর গাড়ির মেয়েটি, নাম হেলেন (হলি হান্টার)। ভয়ানক আহত জেমস এক দৃষ্টিতে হেলেনের দিকে চেয়ে থাকে। একই হাসপাতালের একই ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় তাদেরকে, কেইন, ব্রেইস এবং টেনে টেনে আনা আইভি ব্যাগ হাতে দুজনের আবারও দেখা হয় হাসপাতালের ওয়ার্ডে। ছাড়া পাওয়ার পর দুজনেই একই দিনে একই সময়ে নিজেদের বিধ্বস্ত গাড়ি দুটো দেখতে কার পাউন্ডে যায়। দেখা হওয়ার পর জেমস বলে, “Can I give you a lift?”, “I somehow find myself driving again”। এবার হেলেনকে নিয়ে আবারও প্রায় মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে বেঁচে যায় জেমস, এরপর তারা এয়ারপোর্টের গ্যারেজে গাড়ি থামিয়ে অন্তরঙ্গ সংগমে মিলিত হয়।

কি ঘটলো এতোক্ষণ? এখান থেকে সংঘর্ষ এবং হতাহত উঠিয়ে নিয়ে তার বদলে সাধারণ প্রেমের সিনেমার উপাদান জুড়ে দিলেই কাহিনীর অগ্রগতি বুঝতে আর কোন বাঁধা থাকে না। প্রথম সংঘর্ষ উঠিয়ে সেখানে এক পার্টিতে হঠাৎ দুজনের চোখাচোখি বসানো যাক, স্বামীটিকে মৃত্যুর বদলে বোকা এবং গোঁয়াড়ের মত কোন কাজ করতে দেয়া হোক, ভাগ্যের জোড়ে পরে তাদের আবারও দেখা হোক, দুজনে একসাথে কিছু করতে গিয়ে ভয়ংকর কোন পরিস্থিতি থেকে বেঁচে যাক, তাদের মধ্যে হঠাৎ যৌন আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠুক- এমন সরলরৈখিক প্রেমকাহিনী বুঝতে কারোই অসুবিধা হওয়ার কথা না, বরং এতোকিছুর শেষে দর্শকদের মুখিয়ে থাকার কথা একটি অন্তরঙ্গ যৌনদৃশ্যের জন্য। ক্র্যাশ এ কিন্তু দর্শকদের এমন প্রতিক্রিয়া হয় না, ঘটনাগুলো যে আমাদের অস্বস্তিতে ফেলছে তাও না, বরং বলা যায় সিনেমার পাত্র-পাত্রীর যৌন আবেগে জ্বলে ওঠাই আমাদের যৌনাবেগের লাল বাতি জ্বালিয়ে দেয়।

এরপর আরও চরিত্র আসে। ভন মূলত আলোকচিত্রশিল্পী যে কিনা ইতিহাসের বিখ্যাত সব সেলিব্রিটি গাড়ি দুর্ঘটনা পুনরায় মঞ্চায়িত করে, মঞ্চায়ন বললে ভুল হবে, অতীত দুর্ঘটনাগুলোর অনুকরণে নতুন দুর্ঘটনা ঘটায়। এই লাইভ ক্র্যাশ দেখতেও অনেকে জড়ো হয়। যেমন জেমস ডিন দুর্ঘটনা আবার ঘটায় ভন। তার ছোট্ট কিন্তু একাগ্র দর্শকদের উদ্দেশ্যে মঞ্চায়নের আগে সে বলে, “Notice that we use no seat belts, padded suits or roll bars,” “We rely only on the skill of our drivers.” ভন থাকে গ্যাব্রিয়েলার (রোজানা আর্কুয়েট) সাথে যে কিনা ব্রেইস ছাড়া হাটতে পারে না, পুরো পা-ই ভাঙাভাঙা। জেমস ডিনের দুর্ঘটনা মঞ্চায়ন করার সময় যে গাড়ি চালায় (পিটার ম্যাকনিল) তার সাথে ভন নিয়মিত কাজ করে, ভনের নিজের গাড়িটি হচ্ছে লিংকন কন্টিনেন্টাল। গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় ঠিক এমন একটি গাড়িতেই যাচ্ছিলেন জন এফ কেনেডি।

অল্পদিনের মাঝেই ভন এর রাজ্যে আগমন ঘটে জেমস, ক্যাথেরিন ও হেলেন এর। তারা কিন্তু নিছক দৈবের বশে একত্রিত হয় নি। একই ধরণের স্বাদ এবং ফেটিশ লালন করার কারণেই তাদের সাক্ষাৎ ঘটেছে। এই তিন জন এবং ভন সহ মোট চার জনের মধ্যে সম্ভাব্য প্রায় সকল উপায়ে এবং বিন্যাসে সেক্স হয়, বিষমকামী, সমকামী কোনকিছুই বাদ যায় না। তবে কার সাথে কার সংগম ঘটছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে কোন পরিবেশে ঘটছে সেটা। সংগমাহত চরিত্রগুলোকে সেড়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট সময়ও দেয় না ক্রোনেনবার্গ, বুঝিয়ে দেয় তারা সবাই আসলে যৌনক্ষুধা ও বিহ্বলতায় অচেতন। এই আত্মগ্রাসী পথে তারা চলতেই থাকে, কারণ থেমে পড়ার কোন ইচ্ছা নেই, কোথায় যাচ্ছে জানে না, কিন্তু যেতে হবে সেটা জানে। তাদেরকে বুঝতে হলে আমাদের তাদের টার্ন অন গুলো কেটে ফেলে সেখানে নিজেদের টার্ন অনগুলো স্থাপন করতে হবে, কারণ স্বতঃই টার্নড অন হওয়ার কোন উপায় নেই এখানে।

১৯৯৬ সালের মে মাসে যখন কান চলচ্চিত্র উৎসবে ক্র্যাশ প্রদর্শিত হয় তখন অনেকেই থিয়েটার ছেড়ে পালিয়েছিল। কেনাডা এবং ইউরোপে বিপুল বিতর্কের সাথেই চলেছে সিনেমাটি, এগুলোর ইতি ও নেতিবাচক উভয় দিকই ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে ফাইন লাইন স্টুডিও এটা বণ্টন করছে যদিও স্টুডিওর মালিক টেড টার্নার নিজেই সিনেমাটা ঘৃণা করে। সুতরাং সন্দেহ নেই যে অনেক দর্শককেই এটি অস্বস্তি ও বিরক্তির চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে দেবে।

একে বলা যায় কম্পিউটার এর হাতে নির্মিত একটি পর্নো মুভি। ব্যাপারটা যেন এমন- কম্পিউটার যৌনতা বিষয়ে গিগাবাইট গিগাবইট তথ্য ডাউনলোড করেছে, গাড়ির সাথে আমাদের ভালোবাসার বিষয়টা আবিষ্কার করেছে, এবং এই দুই তাড়নাকে ভুল অ্যালগরিদমে জুড়ে দিয়েছে। এর ফলে বেরিয়ে এসেছে প্রচণ্ড চ্যালেঞ্জিং, সাহসী এবং মৌলিক একটি শিল্পকর্ম- হয়ে উঠেছে পর্নোগ্রাফি কৌশলের একটি সুচতুর ব্যবচ্ছেদ। আমি ছবিটির প্রশংসা করেছি যদিও বলতে পারবো না যে এটা আমার ভাল লেগেছে। সিনেমার দৈর্ঘ্যটা বড্ড বেশি। সিনেমা শেষে আমার মনে হচ্ছিল- বিখ্যাত কোন পরিচালক যদি আমার ফেটিশগুলো নিয়ে করা কোন সিনেমায় এমন ভালোবাসা ও মনোযোগ বিস্তার করতো!

ক্যাথেরিন ব্যালার্ড ও জেমস, অদূরে টরন্টো শহরের অস্থির ট্রাফিক

ক্যাথেরিন ব্যালার্ড ও জেমস, অদূরে টরন্টো শহরের অস্থির ট্রাফিক

সূত্র: Crash – Roger Ebert

১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৩৮ টি মন্তব্য

  1. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       মার্চ ৭, ২০১০ at ১০:৩৯ অপরাহ্ন |

  2. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       মার্চ ৭, ২০১০ at ১০:৪৮ অপরাহ্ন |

    ঠিক ই কইছস :|
    সিনেমাটা না দেখে রিভিউ পড়লে মাথার উপর দিয়াই যাবে ~x(
    যেমনটা আমার গেল :(

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৭, ২০১০ at ১০:৫৯ অপরাহ্ন |

    ঐ লাইনটা আবার কাইটা দিলাম মাত্রই। ভাবলাম, এই সিনেমা অধিকাংশই দেখবে না, প্রথমেই যদি বলে দেই সিনেমা না দেইখা পইড়েন না তাইলে সবাই বিগড়ায়া যাইতে পারে, আমার রিভিউ আগাগোড়া অপঠিতই থেকে যেতে পারে। এর জন্যই উঠায়া দিলাম…
    এই রিভিউ মাথার উপর দিয়া যাওয়া পুরা জায়েয আছে :D

    জবাব দিন

  3. হায়দার (৯৮ - ০৪)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১২:৪৫ পুর্বাহ্ন |

    ভাই, আমার কাছে খুবই কঠিন লাগছে।সিনেমা টা নিশ্চয়ই এতো দুর্বোধ্য নয় ?

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ১২:৫৯ পুর্বাহ্ন |

    আসলেই দুর্বোধ্য লাগছে? আমি অক্ষম তাইলে…
    নাহ, সিনেমা দেখতে পারেন চাইলে, নিশ্চয়ই দুর্বোধ্য লাগবে না।

    জবাব দিন

  4. আছিব (২০০০-২০০৬)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১২:৪৯ পুর্বাহ্ন |

    ভাই,আপনি বস. :clap: …..রিভিউ এর বঙ্গানুবাদ টা অছাম হইছে….. :shy: .মুভিটা দেখতে মন চায় :dreamy:
    আর ভাই…আপনার অন্যান্য কয়েকটা ব্লগ পড়ে যা বুঝলাম…...সিসিবি ধন্য আপনাকে পেয়ে…এত্ত ক্যামনে পারেন ভাই!!! :boss: :boss:

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ১:৫৩ পুর্বাহ্ন |

    থ্যাঙ্কিউ, মুভি দেখ ভাল কথা, তয় ভাল না লাগলে কিন্তু আমার দোষ নাই…:D
    পরে আবার কি কইলা এইসব, তোমার কমেন্ট দেখেই তো আমার ধন্য হবার দশা…

    জবাব দিন

  5. আন্দালিব (৯৬-০২)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১২:৫৩ পুর্বাহ্ন |

    দেখা ছবির রিভিউ পড়া অনেক মজার। আজকে টের পেলাম! ইবার্টের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ মুহাম্মদ। তবে পড়তে পড়তে ভাবলাম, এটা তো তোমার ভাষ্য না, সেইসাথে কৌতূহল হলো তোমার ভাষ্যটা জানার।

    আমার নিজের চিন্তায় যেটা এসেছিলো, সেটা হলো মুভিটা সফট পর্ন হতে হতে হয় নাই ভনের অভিনয়ের কারণে। জেমস স্পেডস সবসময়েই এ ধরনের চরিত্রে ভালো অভিনয় করেন (হোয়াইট ক্যাসেল এখনও মনে পড়ে!), কারা আংগারের আর কোনো ছবি দেখেছি বলে মনে পড়ে না, দেখলেও ভুলে গেছি। অবাক হয়েছিলাম হলি হান্টারকে দেখে, তার চরিত্রের মুখের অভিব্যক্তির সাথে পিয়ানো’র চরিত্রের মুখের অভিব্যক্তির কোথায় যেনো মিল ছিলো।

    মাঝে অনেকদিন তোমার লেখা পড়ি না- ভাবছিলাম কবে নতুন পোস্ট পাবো। খুব ভালো লাগলো আজকে এটা পড়ে! :thumbup:

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ২:১১ পুর্বাহ্ন |

    নিজের মতামত আসলে গুছায় উঠতে পারি নাই, মানে ব্লগ লেখার মত কোন মত ঠিকই করতে পারি নাই। তাই ভাবলাম ইবার্ট মাইরা দেই, ইবার্টের রিভিউ পড়ে ভাল্লাগছিলো তো খুব…

    পুরা মিলে গেল- হলি হান্টারকে দেখে আমিও ভীষণ অবাক হইছি। জেমস স্পেডস তো এ ধরণের অভিনয়ে অতি বস। আমি সেক্স লাইস অ্যান্ড ভিডিওটেপ দেখে মুগ্ধ হইছিলাম।

    জবাব দিন

  6. মেহবুবা (৯৯-০৫)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১:০২ পুর্বাহ্ন |

    Damage দেখেছি।কেমন লেগেছে সেটা এখানে বলতে চাচ্ছিনা।
    রিভিউ অল্পটা পরেই সিনেমাটা ডাউনলোড দিয়েছি।
    বাকিটা দেখেই বলি :D

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ২:৩০ পুর্বাহ্ন |

    ড্যামেজ টা দেখা হয় নাই, দেখতে হবে। ফ্রেঞ্চ পরিচালক তো, সিনেমা বস এতে সন্দেহ নাই।
    বাকি মতামতের অপেক্ষায় থাকলাম :D

    জবাব দিন

    আসিফ (২০০১-'০৭)
        মে ১৯, ২০১১ at ২:৫৪ অপরাহ্ন |

    (সম্পাদিত)

    জবাব দিন

    আসিফ (২০০১-'০৭)
        মে ১৯, ২০১১ at ৫:৪২ অপরাহ্ন |

    (সম্পাদিত)

    জবাব দিন

    আসিফ (২০০১-'০৭)
        মে ১৯, ২০১১ at ৫:৪৪ অপরাহ্ন |

    ড্যামেজ’ এর অ্যাকটিন দারুন, মুভিতে প্যাশন এবং কমপ্যাশন এর কাজও ডিরেক্টর দারুন দেখিয়েছেন, কিন্তু হয়তবা নিজের ছেলের বাগদত্তার সাথে এই সম্পর্ক মেনে নিতে আমার কসট হয়েছে, যেমন হয়ছিল’ ক্লোজ মাই আইজ’ মুভিটি দেখার সময়, আপন ভাই- বোনের মধ্যেকার Incest Relationship। হয়ত এই কারনেই মুভিটা ইনজয় করতে পারি নাই যদিও বাস্তবে হয়ত এসব অহরহ ঘটে থাকে, কিন্তু :thumbdown: :thumbdown: :thumbdown: :thumbdown: :thumbdown:

    জবাব দিন

  7. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১:১৪ পুর্বাহ্ন |

    কেন জানি মনে হচ্ছে অনুবাদটা বেশি আক্ষরিক হয়ে গেছে… :-B
    আরেকটু ভাবানুবাদ হলে ভাল হত… :dreamy:

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ২:৩৩ পুর্বাহ্ন |

    :D
    অনুবাদ করলেই খালি চিপায় পড়তে হয়, জিনিসটা এতো কুঠিন কেন? :((

    জবাব দিন

    জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ৩:১২ পুর্বাহ্ন |

    হইছে, আর অচো’গিরি করতে হবে না… :P
    তোর মতন ধারে কাছে করতে পারলেও আমি ভাবের চোটে এই পোষ্ট দুইদিন পর রি-পোষ্ট করতাম… :D

    পাঠক হবার এই এক সুবিধা, রেডিমেড পাই বলে সমালোচনা করা খুব সহজ… :D
    আমি একটু হলেও তোর দুঃখ কিছুটা বুঝতে পারছি… B-)

    দুইদিন আগে বাপের একটা কাজ করে দিয়েছিলাম…
    একটা বঙ্গানুবাদ!!!
    টপিক ছিল- Role of gender in development

    আমি টপিকই অনুবাদ করতে পারি নাই… :no:
    পরে দিলাম- উন্নয়নে জেন্ডারের ভূমিকা!!! B-)
    শুরুতেই এই অবস্থা!

    ভিতরে আরো কাহিনী ছিল!
    এক জায়গায় কয়েকটা সংজ্ঞা দেয়া ছিল। এরমধ্যে ছিল Sex এবং Gender

    Sex এর ব্যাখ্যা অনেক হাবি-জাবি করে দিয়ে শেষে লেখা ছিল এটি বায়োলজিক্যাল একটি ব্যাপার।
    আবার Gender এর ক্ষেত্রে লেখা ছিল এটি একটি সামাজিক ব্যাপার।

    মোটকথা আমার ঘাম হ্যাড বিন ছুট্‌ড… :(

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ১১:১৮ পুর্বাহ্ন |

    আপনার কমেন্ট পড়ে আমার আচো’গিরি হ্যাস বিন ছুট্‌ড :D

    জবাব দিন

  8. কামরুল হাসান (৯৪-০০)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১২:০৮ অপরাহ্ন |

    সিনেমাটা দেখি নাই। আপাতত দেখার সম্ভাবনাও নাই কারণ মেলা থেকে কেনা বইগুলো পড়া শেষ হচ্ছে না। সিনেমা দেখছি মাঝে মাঝে, তবে সেগুলো নাচ-গান-ফাইট অলা। :D

    ক্র্যাশ দেখার মত মনযোগ এই মুহূর্তে আসবে না। তবুও রিভিউটা পড়ে রাখলাম। পরে যখন সিনেমাটা দেখা হবে তখন আমি খুঁজে এই পোস্টে এসে মতামত জানিয়ে যাব।

    ডেভিড ক্রোনেনবার্গের একটা মজার সাক্ষাৎকার আছে ক্যামেরার পেছনের সারথি’ বইতে। সময় পেলে নিয়ে পড়িস। ভালো লাগবে।

    আপাতত, তুই লিখেছিস বলেই আমি খুশি।

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৮, ২০১০ at ১১:৪৬ অপরাহ্ন |

    অনেক থ্যাংক কামরুল ভাই কমেন্টের জন্য। দিমু নে আপনারে মুভিটা, আমার কাছে এখনও আছে। এখন বই পড়েন, বইয়ের উপ্রে কিছু নাই…

    জবাব দিন

  9. আশহাব (২০০২-০৮)
       মার্চ ৮, ২০১০ at ১১:৫৫ অপরাহ্ন |

    এখনও দেখি নাই :( তবে খুব তাড়াতাড়ি দেখবো :D রিভিয়ু এর জন্য ধন্যবাদ ভাই :thumbup:

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৯, ২০১০ at ১০:৩০ পুর্বাহ্ন |

    ওয়েলকাম :)

    জবাব দিন

  10. সাইফ শহীদ (১৯৬১-১৯৬৫)
       মার্চ ৯, ২০১০ at ৪:৫৮ পুর্বাহ্ন |

    ধন্যবাদ তোমার এই লেখার জন্যে। কিন্তু “ভুল অ্যালগরিদ” বলা হচ্ছে কেন ? মানুষের চরিত্র যে কত বিচিত্র হতে পারে তা আমরা যতই জানছি ততই অবাক হচ্ছি ।

    তোমার ছবি বা ‘অভাতারের’ বদলে এই ‘ভয়ংকর প্রতিকী’ কি বিশেষ কিছুর ইঙ্গিত বহন করছে ?

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৯, ২০১০ at ১০:৩৯ পুর্বাহ্ন |

    রজার ইবার্ট যে সেন্সে বলেছেন সেটা এরকম হতে পারে:
    - পর্নো মুভি হতে হতেও না হওয়ার কারণ হল এই ভুল অ্যালগরিদম। কম্পিউটার (তথাকথিত) নিজেই যদি সবকিছু সঠিক অ্যালগরিদমে সাজাতো তবে হয়তো পর্নো মুভি হওয়াতে কোন বাঁধা ছিল না। কিন্তু পর্নো স্টাইলে করা হয় নি। আয়রনিক বিষয়টা হতে পারে: এখানে কম্পিউটার হচ্ছে ক্রোনেনবার্গ নিজেই আর ভুল অ্যালগরিদমটা হচ্ছে ইচ্ছাকৃত। :P

    ভাইয়া, ভয়ংকর ছবিটা আসলে পিংক ফ্লয়েডের “দ্য ওয়াল” অ্যালবাম থেকে করা সিনেমা “পিংক ফ্লয়েড দ্য ওয়াল” (১৯৮২) এর একটি এনিমেশন শট থেকে নেয়া। প্রতীকী অর্থ একটা আছে: আধুনিক পুঁজিবাদী যান্ত্রিক সভ্যতার চাপে পিষ্ট মানুষের আর্তনাদ। (উল্লেখ্য, যে গানের সময় শটটা দেখানো হয় সেটার নাম “Goodbye blue sky”) পৃথিবীর সব অন্ধকার এড়িয়ে চলা নয় বরং আর্তনাদের সাথে মোকাবেলা করতে হবে, এই চিন্তাভাবনা থেকেই বোধহয় অ্যাভাটরে এটা দিয়েছিলাম। :)

    জবাব দিন

  11. মেহবুবা (৯৯-০৫)
       মার্চ ৯, ২০১০ at ১১:৫০ পুর্বাহ্ন |

    দেখা শেষ।জটিল মুভি।ইনফেক্ট হিউম্যান নেচারের এই দিকটা একদম ই অজানা ছিল।অভিনয় অসাধারন বলবো না ডিরেক্টসন অসাধারন বুঝতে পারছিনা।
    ‘ললিতা’ মুভিটা ও ডিফ্রেন্ট।দেখতে পার।
    পর্ন র কথা মনে আসেনি মুভিটা দেখার সময়।যদিও এখন মনে হচ্ছে :D

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৯, ২০১০ at ১২:৩০ অপরাহ্ন |

    সবই অসাধারণ মনে হয়। অন্তত জেমস, ভন আর হেলেন এর অভিনয়। আর ডেভিড ক্রোনেনবার্গ তো আমার প্রিয় ডিরেক্টরদের একজন। ওর “eXistenZ”, “A History of Violence” আর “Eastern Promises” এই তিনটা সিনেমাও অসাধারণ লাগছিল।
    লোলিতা কোনটার কথা বলতেছো- পুরানটা নাকি নতুনটা? আমি পুরানটা দেখছি, ১৯৬২ সালের, স্ট্যানলি কুবরিকের করা, অতিরিক্ত বস লাগছিলো। নতুনটা দেখা হয় নাই।

    জবাব দিন

  12. মেহবুবা (৯৯-০৫)
       মার্চ ৯, ২০১০ at ১২:৫১ অপরাহ্ন |

    হ্যা পুরানটা।১৯৬২…

    জবাব দিন

  13. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
       মার্চ ৯, ২০১০ at ২:৩৮ অপরাহ্ন |

    আজকেই দেখুম আত্মগ্রাসী যৌনতা :D

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৯, ২০১০ at ৩:৩৩ অপরাহ্ন |

    দেইখা প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হইলেও মতামত জানাইস কিন্তু মন্তব্যে… এই মন্তব্যের জবাবে…

    জবাব দিন

  14. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       মার্চ ৯, ২০১০ at ৪:১৬ অপরাহ্ন |

    অস্কার নিয়া লেখা দে জলদি :thumbup:

    জবাব দিন

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        মার্চ ৯, ২০১০ at ৭:৫৮ অপরাহ্ন |

    অস্কারের কোন সিনেমাই দেখি নাই। সুতরাং এই বছর আর দেয়া হইতেছে না। :P

    জবাব দিন

  15. আসিফ খান (১৯৯৪-২০০০)
       ডিসেম্বর ২৮, ২০১০ at ১০:১৭ অপরাহ্ন |

    “ক্র্যাশ” দেখার ইচ্ছে পোষণ করছি।।তবে মেহবুবা আপু আমি “ললিতা” দেখেছি।।
    masturbation with objects is a derived form of fetishism….most importantly fetishism does exist in different forms……..most interesting thing is objectification is a vital core of all our passions..all the persons or events of our life is some way objectified by our minds in our memory and perception.চোখ বন্ধ করে যেকোন মানুষ বা ঘটনার কথা ভাবুন,দেখবেন তাদের সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন না কোন বস্তু যেমন- চিঠি,কোন গিফট সামগ্রীর ছবি ভেসে উঠবে। মানুষ তার জীবনের প্রথম ধাপগুলোতে কাউকে স্মরণ রাখতে তার একটি বস্তুগত অবয়ব তৈরী করে নেয়।

    যাই হোক, আমি নিশ্চিত রজার এই বিষয়গুলো অনেক ভালো জানে এবং তা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।।।মুভিটা দেখলে আরো ভালো বলতে পারবো হয়তো।
    ভাইয়াকে অসংখ্য ধন্যবাদ।তবে এই বিষয়টি সম্বন্ধে যারা আরো ভালো করে বুঝতে চান। তারা সাইকোলজির অন্ততঃ Fetishism,Objectification during earlier development of human psychology & Fixation বিষয় গুলি পড়ে নিতে পারেন।

    জবাব দিন

  16. আসিফ খান (১৯৯৪-২০০০)
       ডিসেম্বর ২৮, ২০১০ at ১০:২০ অপরাহ্ন |

  17. মনজুর (৮৯-৯৫)
       জানুয়ারি ১, ২০১১ at ৯:৩৮ অপরাহ্ন |

    ক্র্যাশ দেখতে হবে মনে হচ্ছে.. :(
    জটিল একটা রিভিউ এর সহজ বঙ্গানুবাদের জন্য ধন্যবাদ। :clap: :clap:

    জবাব দিন

  18. রাকেশ (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ২, ২০১১ at ১২:১৯ অপরাহ্ন |

    এই ক্র্যাশ দেখি নাই, তাই রিভিউ পড়লাম না।

    তবে ২০০৪ এর ক্র্যাশ দেখেছি, অস্কার পাইছিল বোধহয় এটা। অনেকদিন আমার প্রিয় মুভির তালিকায় ছিল।

    জবাব দিন

  19. আসিফ (২০০১-'০৭)
       মে ১৮, ২০১১ at ৩:০৫ পুর্বাহ্ন |

    মুহাম্মদ ভাই, ডেভিড ক্রনেনবারগ এর মুভিকে ক্রিটিসাইজ করার মত অ্যাবিলিটি মনে হয় আমার নাই, আমি এই ডিরেক্টর এর প্রায় সব মুভি দেখছি, যেগুলা দেখার মত, ফেমাস বা নটরিয়াস যাই বলেন না কেন। স্কানারস, মিস্টার বাটারফ্লাই, ডেড রিঙ্গারস, দা ফ্লাই, নেকেড লাঞ্চ, ভিডিওড্রম, স্পাইডার, এক্সিস্টেন্স, ক্রাশ থেকে শুরু করে হালের আ হিস্ট্রি অফ ভাইওলেন্স বা ইস্টার্ন প্রমিসেস… যাই বলেন না কেন । পিটার গ্রিনয়ে এবং ডেভিড লিঞ্চ এর এক আশ্চর্য কম্বিনেশন মনে হয় আমার অদ্ভুত বাট অসাধারন ক্রিয়েটিভ এই ডিরেক্টর কে। তার প্রতিটা মুভির মধ্যেই কিছু কথা লুকিয়ে থাকে, যেমন কিছু ক্রিটিক ধারনা করে, দা ফ্লাই মুভিতা ইন্তারপ্রিটেসন হচ্ছে এইডস” নিয়ে, আমিও ডাউট করি না, অর পক্ষে আসলেই সব ই সম্ভব। আপনার রিপ্লাই এর অপেক্ষায় থাকলাম ;) ;) ;) ;) ;) ;) ;) ;) ;)

    জবাব দিন

  20. আসিফ (২০০১-'০৭)
       মে ১৯, ২০১১ at ২:৪০ অপরাহ্ন |

    আর জেমস স্পেডার এই ধরনের অভিনয় মনে হয় আস্লেই প্সাধারন করে। প্রথম দেখেছিলাম” হোয়াইট ক্যাসল” মুভিতে…। সুসান সারান্ডন এর সাথে পাল্লা দিয়ে দুর্দান্ত অভিনয়, এরপর ম্যাগি গিলেনহাল এর সাথে কিছুটা ‘সিনিকাল ফ্যান্টাসি’ নিয়ে ‘ দ্যা সেক্রেটারি’…কিন্তু সব কিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল “সেক্স, লাইজ অ্যান্ড ভিডিওটেপ’ এ তার অসামান্য পারফরমেন্স ! এখনও আমার চোখে লেগে আছে……। হলি হান্টার কে আমি যেন এখান তার অন্য চরিত্রগুলার সাথে মেলাতেই পারি না,তার অভিনিত ‘দা পিয়ানো’ আমার খুবি পছন্দের একটা মুভি। একটি চরিত্রের সারথক রুপায়ন বলতে যা বোঝায়, হলি হান্টার’ ছিল ঠিক তাই।কিন্তু ডেবরা কারা আঙ্গার ‘ এর সাথে এই চরিত্র হয়ত খুব ই ভাল যায়। বলতে গেলে এই মুভির মধ্য দিয়েই তার হলিউড ক্যারিয়ার শুরু। মাইকেল ডগ্লাসের বিপরীতে ‘ডেভিড ফিঞ্চার’ এর থ্রিলার ঘরানার দুর্দান্ত মুভি’ দ্যা গেম’ তাকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়। আমার কাছে মনে হয়, এটি হলিউডের সবচেয়ে ক্রিয়েটিভ এবং রাফ অ্যান্ড টাফ থ্রিলার গুলর মধ্যে একটা। ত যাই হক, এরপরও মেল গিবসন এর বিপরীতে “পে ব্যাক’ বা অন্য মুভিগুলোতেও তাকে কিছুটা ‘Femme Fatale’(যদিও পুরোপুরি হয়ত নয়) রোলেই দেখা গেছে।
    তাই আমার কাছে মনে হয়েছে, এটি যে ঘরানার মুভি, ত্তাতে এর চেয়ে ভাল কাস্টিং হয়ত সম্ভব ছিল না, আর্ট আর ভাল্গারিজম এর মধ্যে সুস্পষ্ট ব্যাবধান গড়ে দিতে এর চেয়ে ভাল উপকরন আর কি হতে পারে?? :ahem: :ahem: :ahem: :ahem: কিছুটা Odd

    and Bizarre মনে হলেও মুভিটা ওভাররল আমার মনে দারুন দাগ কেটেছিল , (সম্পাদিত)

    জবাব দিন

  21. শিশির (১৯৯৬-২০০২)
       সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১১ at ৩:৪৯ অপরাহ্ন |

    আমরা কত সহজেই উত্তেজক জিনিস বা বিষয়গুলোর দাসে পরিণত হই, সেগুলো অধিকারের জন্য নিজের সাত খুন মাফ করে দেই, অন্যের ক্ষতি করে হলেও তা অধিগ্রহণ করি, আর দিন শেষে নিজেকে প্রবোধ দেই।

    নির্মম সত্য।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard