random header image

মহাজাগতিক ইতিহাসের ভাষা

ফাইনাল ইয়ারের থিসিস প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে আমার আর কিছু লেখা হচ্ছে না। কিন্তু সিসিবি-তে তো কোন না কোন উপায়ে সক্রিয় থাকা দরকার। তাই আবারও পুরনো ব্লগার হওয়ার নির্মম সুযোগের সদ্ব্যবহার করলাম। পূর্বে প্রকাশিত একটা লেখা দিয়ে দিলাম। আর প্রজেক্টের কারণেই এই বিষয়টা নিয়ে আবার ভাবতে হচ্ছে। বিশেষভাবে এটা পছন্দ করার কারণ এটাই।

এই লেখার ধরণটা আগেই বলে নেই। বিশ্বতত্ত্বের (Cosmology) কোন কিছু না জানলেও এটা বোঝা সম্ভব বলে আমার মনে হয়। আমি সেভাবেই লিখেছিলাম। যারা CMBR সম্পর্কে জানেন তাদের কাছে এটার তাই তেমন গুরুত্ব নেই। এখানে বিজ্ঞানের বেশ জটিল কিছু জিনিসকে খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এর ফলে মাঝেমধ্যে কোথাও বিকৃতি এসেছে কি-না কে জানে। আগে হলে আমি এটাকে পপ আর্টিকেলই (popular scientific article) বলতাম। কিন্তু জ্ঞানের জনপ্রিয়করণ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়ে যাওয়াতে পপ না বলে “সহজপাঠ” বলছি। আর আবারও সবাইকে হুশিয়ার করে দিচ্ছি: there is no royal road to knowledge. ডিটেল জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই জেনারেল রিলেটিভিটি শিখে তারপর মহাবিশ্বের ইতিহাস নিয়ে ভাবতে হবে। এই ভাবনা অবশ্য প্রচণ্ড রকমের নিরস। যেখানে প্রাণই নেই সেখানে রস থাকবে কি করে!!! রসিক হওয়ার জন্য একটা প্রাণকে কত বিলিয়ন বছর ধরে বিবর্তিত হতে হয় সেটা জানেন তো?!


এতোদিন ধরে ইতিহাস বলতে আমরা কেবল মানব সভ্যতার ইতিহাসকে বুঝতাম। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবকিছুর মত ইতিহাস সম্বন্ধনীয় এই ধারণাতেও পরিবর্তন এসেছে। ডারউইন যখন প্রাকৃতিক নির্বাচনের ধারণা দিলেন তখন পৃথিবীর জীবকূলের ইতিহাস রচনার চেষ্টা শুরু করলেন অনেকে। এই চেষ্টায় অবশ্য বিজ্ঞানীরাই অংশ নিয়েছিলেন। আধুনিক বিজ্ঞানের যাত্রা শুরুর পর থেকেই ইতিহাস এক ধাপ এক ধাপ করে এগোচ্ছে। আর এই ইতিহাস রচনা করছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিহাস একেবারে চরম পর্যায়ে পৌঁছায় মহা বিস্ফোরণের ধারণা প্রদানের মাধ্যমে। কারণ এই ধারণার মাধ্যমে মহাবিশ্বের ইতিহাস রচনায় ব্রতী হই আমরা। এ ধরণের ইতিহাসের একটা নতুন নাম দেয়া যেতে পারে। বিজ্ঞানের মাধ্যমে ইতিহাস রচনা করা হচ্ছে বলে একে বৈজ্ঞানিক ইতিহাস বলা যেতে পারে। বিজ্ঞানের সাথে দর্শনের মিশেলে যেমন বৈজ্ঞানিক দর্শনের সৃষ্টি হয়, এটাও অনেকটা সেরকম। কিন্তু আবার ভেবে দেখলাম জীবকূলের ইতিহাস বা এ ধরণের ইতিহাসকে বৈজ্ঞানিক ইতিহাস বললেও মহাবিশ্বের ইতিহাসকে বোধহয় মহাজাগতিক ইতিহাস বলা অধিক যুক্তিসঙ্গত হবে। মহাজাগতিক ইতিহাস রচনার এই প্রচেষ্টায় মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন হল একটা চমৎকার সংকেতের সন্ধান লাভ। সেই সংকেতের নাম “মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণ” ইংরেজিতে যাকে বলা হয় “Cosmic microwave background radiation” বা CMBR।

এই রেডিও টেলিস্কোপ দিয়েই পেনজিয়াস ও উইলসন ১৯৬৫ সালে CMBR আবিষ্কার করেছিলেন

এই রেডিও টেলিস্কোপ দিয়েই পেনজিয়াস ও উইলসন ১৯৬৫ সালে CMBR আবিষ্কার করেছিলেন

মানবজাতির ইতিহাস মানুষকেই লিখতে হয়েছে। আর মহাজাগতিক ইতিহাস নিয়ে ভাবতে গিয়ে এই মাত্র একটা নতুন চিন্তা মাথায় আসলো। যার ইতিহাস তাকেই রচনা করতে হয়। এই সূত্র মেনে মহাবিশ্ব নিজেই তার ইতিহাস রচনা করে গেছে। মানুষের সাধ্য নেই সে ইতিহাস রচনা করবার। সে কেবল রচিত ইতিহাসের ভাষা বোঝার চেষ্টা করতে পারে। এই প্রচেষ্টায় অনেকদূর এগিয়ে গেছি আমরা। পটভূমি বিকিরণকে সেই মহাজাগতিক ইতিহাসের ভাষার বর্ণমালা হিসেবে আখ্যায়িত করা যেতে পারে। প্রাচীন মিশরীয় লিপি লেখা হয়েছিল হায়ারোগ্লিফিক বর্ণে। বর্ণ পেয়ে যাবার পর লেখার মর্মার্থ উদ্ধার করতে আমাদের খুব বেশি সময় লাগেনি। পটভূমি বিকিরণ যেহেতু পাওয়া গেছে, মহাবিশ্বের ইতিহাস জানতেও তাই বেশি দেরী হবে না। অচিরেই হয়তো বিজ্ঞানীরা সুনিশ্চিত তথ্যে ভরা বিশাল ভলিউমের ইতিহাস গ্রন্থ লিখে ফেলবেন। আমাদের জানা দরকার, এই পটভূমি বিকিরণটা কি এবং কি কারণে একে ইতিহাস লিখনের চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অধিকাংশ বিজ্ঞানীই এ ব্যাপারে একমত যে, একটি মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং তখন থেকেই ইতিহাসের শুরু। তবে প্রাক্‌ইতিহাস তো থেকেই যায়। তাই মহা বিস্ফোরণের আগের যুগটাকে (যুগ বলা কি ঠিক হচ্ছে?) বলা হয় অগাস্টাইনীয় যুগ। এই নামটা অবশ্য জর্জ গামফের প্রস্তাব করা। খ্রিস্টান যাজক সেন্ট অগাস্টাইন মহা বিস্ফোরণের আগের যুগটাকে কেবল ঈশ্বরের জন্য নির্দিষ্ট বলে উল্লেখ করেছিলেন। সে কথা চিন্তা করেই গামফ এমন নামের প্রস্তাব করেন। অবশ্য এ নিয়ে কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণার পরিবেশ এখনও সৃষ্টি হয়নি। তাই ইতিহাসের শুরুটা মহা বিস্ফোরণের পর থেকেই। বিস্ফোরণের সময় কি হয়েছিল তাও আমরা ভাবতে পারি না, কারণ স্থান-কালেরই সৃষ্টি হয়েছে মহাবিস্ফোরণের ১০ই-৪৩ (১০ টু দ্য পাওয়ার -৪৩) সেকেন্ড পর। এরপর থেকে মহাবিশ্বের ইতিহাসকে বিভিন্ন যুগে ভাগ করা হয়েছে। সভ্যতার ইতিহাসে যেমন, গ্রিক যুগ, রোমান যুগ, মুসলিম যুগ, মধ্যযুগ তেমনই মহাবিশ্বের ইতিহাসে রয়েছে বিভিন্ন ইপক। মহা বিস্ফোরণের পরের ১০ই-৪৩ সেকেন্ড পর্যন্ত যুগটা হল প্লাংক ইপক। এর পর থেকে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন ইপক, হেড্রন ইপক, লেপ্টন ইপক, ফোটন ইপক ইত্যাদি বিভিন্ন যুগকে সংজ্ঞায়িত করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে ফোটন ইপকটা নিয়ে বলবো এখানে। কারণ এই যুগেই পটভূমি বিকিরণের সৃষ্টি হয়।

ভৌত বিশ্বতত্ত্বে ফোটন ইপক বলতে এমন একটা যুগকে বোঝানো হয় যখন মহাবিশ্বে ফোটন বিশেষ প্রভাব বিস্তার করেছিল, অর্থাৎ মহাবিশ্বের মোট শক্তির অধিকাংশই সরবরাহ করেছিল ফোটন। মহা বিস্ফোরণের মাত্র তিন সেকেন্ড পরই এই যুগের শুরু। প্রথম কয়েক মিনিটে নিউক্লীয় সংশ্লেষণ নামে একটা বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরমাণুর কেন্দ্রিন (নিউক্লিয়াস) গঠিত হয়। এরপর দীর্ঘকাল মহাবিশ্বের উপাদান ছিল কেবল পরমাণু কেন্দ্রিন, ইলেকট্রন ও ফোটন। এ সময় মহাবিশ্বের ঘনত্ব ও তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি। এই ফোটন যুগের আরেকটা বড় বৈশিষ্ট্য ছিল অনচ্ছতা। ইংরেজিতে একে অপাসিটি বলে যার একটি প্রতিশব্দ হতে পারে অসচ্ছ। তাপমাত্রা অনেক বেশি হওয়ায় নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন একত্রিত হতে পারছিল না আর ফোটনগুলো মুক্ত ইলেকট্রন থেকে অবিরাম প্রতিফলিত হচ্ছিলো। এই অবিরাম বিচ্ছুরণই ছিল অনচ্ছতার কারণ। পরাক্রমশালী রোমান যুগের যেমন পতন ঘটেছিলো, তেমনই অবসান ঘটে এই ফোটন যুগের। কিভাবে অবসানটা ঘটেছিল সেটিই আমাদের আলোচনার মূল বিষয়।

উত্তপ্ত-ঘন মহাবিশ্বে বিভিন্ন ধরণের কণার পাশাপাশি ছিল প্রতিকণা। ইলেকট্রন এক ধরণের কণা, এমনকি পরমাণু কেন্দ্রিনও বিভিন্ন কণা দিয়ে গঠিত। প্রতিটি কণার বিপরীতে যে প্রতিকণা ছিল সেগুলো বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যায় না। ধারণা করা হয় তাপ ও শক্তি অনেক বেশী হলে কণা-প্রতিকণা জোড়ায় জোড়ায় তৈরী হয়। আদি মহাবিশ্বে যে পরিমাণ তাপ ও শক্তি ছিল তার কারণেই কণা-প্রতিকণা জোড় অবিরাম সৃষ্টি হচ্ছিলো। অবশ্য সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে আবার সেগুলোর পূর্ণবিলয় ঘটছিলো যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এনিহিলেশন বলা হয়। এক কথায়, একেবারে প্রাথমিক মহাবিশ্বে কণা-প্রতিকণা জোড়া অবিরাম সৃষ্টি ও পূর্ণবিলয়প্রাপ্ত হচ্ছিল। পূর্ণবিলয়ের কারণে বিশুদ্ধ শক্তির সৃষ্টি হয়। বিশুদ্ধ শক্তি মানেই ফোটন যে ফোটন নিয়ে আমরা এতোক্ষণ আলোচনা করছিলাম। প্রথম যুগে সৃষ্টি আর পূর্ণবিলয়ের চরম লীলা যখন চলছিলো তখন প্রতিটি পূর্ণবিলয়ের কারণেই ফোটন সৃষ্টি হচ্ছিলো। কিন্তু এই অবস্থা চিরস্থায়ী ছিল না। মহাবিশ্ব ক্রমান্বয়ে প্রসারিত ও শীতল হতে থাকে। এর ফলে অনেকগুলো কণা-প্রতিকণা জোড়ই শেষবারের মত ধ্বংস হয়, কিন্তু তা থেকে নতুন জোড় সৃষ্টি হচ্ছিলো না। তখনই ফোটন যুগের বিদায় ঘন্টা বাজতে শুরু করে।

মহা বিস্ফোরণের ৩৮০,০০০ বছর পরে তাপমাত্রা ও ঘনত্ব এতোটা কমে যায় যে, তার মাধ্যমে নতুন কণা-প্রতিকণা জোড় সৃষ্টি হওয়া সম্ভব ছিল না। শক্তি বলতে তো ফোটনকেই বোঝায়। প্রতিটি বিলয়ের মাধ্যমে যেমন ফোটন সৃষ্টি হয় তেমনই পুনরায় কণা-প্রতিকণা জোড় সৃষ্টির সময় ফোটন শোষিত হয়। কোন এক অজ্ঞাত কারণে সেই বিশ্বে প্রতিকণার তুলনায় কণার পরিমাণ এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ বেশি ছিল। অর্থাৎ প্রতিকণার সংখ্যা এক বিলিয়ন হলে কণার সংখ্যা ছিল এক বিলিয়ন এক টি। ধরি, এক বিলিয়ন প্রতিকণা এক বিলিয়ন কণার সাথে মিলে বিলয়প্রাপ্ত হল এবং প্রতিটি বিলয়ের জন্য একটি করে মোট এক বিলিয়ন ফোটন উৎপন্ন হল। তাহলে বাকি থাকল, একটি কণা এবং এক বিলিয়ন ফোটন। ধরে নেয়ার দরকার নেই। তখন এ ধরণের একটি ঘটনাই ঘটেছিল। ফলে প্রতিটি কণার পাশাপাশি ফোটনের পরিমাণ ছিল এক বিলিয়ন। সব প্রতিকণা শেষ হয়ে যাওয়ায় পূর্ণবিলয়ের আর কোন অবকাশ ছিল না এবং সেই অবস্থাই হয়ে গেল চিরস্থায়ী। মহাবিশ্ব এখনও সেই অবস্থায় আছে। এভাবেই ফোটন যুগের অবসান ঘটেছিল।

এর পর প্রায় সব ইলেকট্রন কেন্দ্রিনের সাথে মিলে পরমাণু তৈরী করে। আগেই বলেছিলাম মুক্ত ইলেকট্রন থেকে ফোটনের প্রতিফলনের কারণেই অনচ্ছতার সৃষ্টি হয়। কিন্তু মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায় অনচ্ছতাও থাকলো না। মহাবিশ্ব হয়ে গেল একেবারে স্বচ্ছ। এই অবাধ স্বচ্ছতা পেয়ে ফোটনগুলো পুরো মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়লো। প্রথম দিকে ফোটনের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩০০০ ডিগ্রি কেলভিন। সেই ফোটনগুলো এখনও টিকে আছে। সব দিক থেকে এক রকম থাকলেও মহাবিশ্বের প্রসারণের কারণে তাদের তাপমাত্রা কমে গেছে। বর্তমানে এই তাপমাত্রার পরিমাণ প্রায় ২.৭ ডিগ্রি কেলভিন। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১.৯ মিলিমিটার যা অণুতরঙ্গ তথা মাইক্রোওয়েভ হিসেবে চিহ্নিত হয়। বুঝতেই পারছেন এই ফোটনগুলোর বর্তমান নাম কি? হাঁ, মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণ। পটভূমি বলা হচ্ছে কারণ সব দিকে সমানভাবে এগুলো বিস্তৃত এবং সকল দিক থেকে একই হারে এই তরঙ্গ পাওয়া যায়। এই হল সারকথা।

এতোক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন কেন মহাবিশ্বের ইতিহাসের ভাষার বর্ণমালা হয়ে উঠেছে পটভূমি বিকিরণ। কারণটা খুবই সোজা, এরা সেই সময় থেকে কোনভাবেই বিবর্তিত হয়নি। তাই এগুলো পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সেই আদি উত্তপ্ত-ঘন অবস্থার ধারণা লাভ সম্ভব। সেই সাথে এদের তাপমাত্রার পরিবর্তন লক্ষ্য করে মহাবিশ্বের প্রসারণের বিভিন্ন পর্যায় সম্বন্ধেও ধারণা লাভ করা সম্ভব। ইতোমধ্যে পটভূমি বিকিরণ আমাদের তিনটি বিষয়ে একেবারে পরিষ্কার করে দিয়েছে: প্রথমত, মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল, দ্বিতীয়ত, আদি মহাবিশ্ব ছিল অতি উত্তপ্ত-ঘন ও তাতে তাপীয় সাম্যাবস্থা বিরাজ করছিল এবং তৃতীয়ত কণা-প্রতিকণার পূর্ণবিলয়ের শেষে এক পর্যায়ে পরমাণুর সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৬৫ সালে আরনো অ্যালান পেনজিয়াস ও রবার্ট উড্রো উইলসন এই পটভূমি বিকিরণ আবিষ্কার করেন। এর আগে জর্জ গামফ এ বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। সেই হিসেবে বলা যায় ১৯৬৫ সাল থেকে মানুষ মহাজাগতিক ইতিহাসের স্বাদ পেতে শুরু করেছে। এডওয়ার্ড গিবনের “ডিক্লাইন অ্যান্ড ফল অফ দ্য রোমান এম্পায়ার” আর বেশিদিন বোধহয় ইতিহাসের সেরা গ্রন্থের মর্যাদায় থাকতে পারলো না। অচিরেই মহাজাগতিক ইতিহাসের আদ্যোপান্ত জেনে ফেলবো আমরা। সেই দিনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

(অত্যন্ত কষ্ট করে এ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ)


আগ্রহীরা আর একটু স্পষ্টভাবে জানার জন্য এই লিংক দুটোতে যেতে পারেন:
- http://www.astro.ubc.ca/people/scott/faq_basic.html
- http://www.astro.ubc.ca/people/scott/cmb_intro.html

৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫৫ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৩৩ টি মন্তব্য

  1. সাজিদ (২০০২-২০০৮)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৩:৪২ পুর্বাহ্ন |

    ১ম???

    [ জবাব দিন ]

    সাজিদ (২০০২-২০০৮)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৩:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    অনেকদিন পর ১ম :awesome: :awesome: :tuski: :tuski: :guitar: :guitar:

    লেখা ভাল হইসিল (যেহেতু পুরান) :thumbup: :thumbup:

    অত্যন্ত কষ্ট করে এ পর্যন্ত পড়ার জন্য ধন্যবাদ

    আপনাকেও ধন্যবাদ, অনেক কিছু শিখলাম….

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৪:২৯ পুর্বাহ্ন |

    আবারও থ্যাঙ্কিউ

    [ জবাব দিন ]

  2. জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৩:৫৫ পুর্বাহ্ন |

    বেশ তথ্যবহুল, চালিয়ে যাও। আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দাও তো, তোমার পোস্ট পড়েই এটা ভাবলাম, “যেহেতু মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল, থার্মোডায়নামিকলি এটাতো ওপেন সিস্টেমই হবার কথা, তাই নয় কি? নাকি ক্লোজড সিস্টেম?”

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৪:২১ পুর্বাহ্ন |

    আইনস্টাইনের ফিল্ড ইকুয়েশনের সাথে কসমোলজিক্যাল প্রিন্সপল মেলানোর মাধ্যমেই ফ্রিদমান ইকুয়েশন এসেছে। কসমোলজিক্যাল প্রিন্সিপল মানে মহাবিশ্বের homogeneity ও isotropy. এর মাধ্যমে আমরা যে ফ্রিদমান মডেল পেয়েছি সে অনুসারে মহাবিশ্ব তিন ধরণেরই হতে পারে:
    - infinite flat space-time with Euclidean spatial geometry
    - closed spacetime with spherical spatial geomtetry
    - open spacetime with hyperbolic spatial geometry

    তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র থেকেই equation of state এসেছে। relativistic ও non-relativistic matter এর জন্য equation of state এর ভিন্ন ভিন্ন রূপ আছে। এই সমীকরণ দিয়ে ফ্রিদমান ইকুয়েশন রিরাইট করলে critical density নামক একটা টার্ম আসে। মহাবিশ্বের ঘনত্ব d আর ক্রিটিক্যাল ঘনত্ব d’ হলে:
    d d=d' - Just open (hyperbolic)
    d>d’ – Open (infinite)

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৪:২২ পুর্বাহ্ন |

    প্রথমটা আসেনি:
    d

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৪:২৫ পুর্বাহ্ন |

    উল্টা হয়েছে
    d যদি d’ এর চেয়ে বড় হয় তবে closed universe
    d=d’ – Just open (hyperbolic)
    d যদি d’ এর চেয়ে ছোট হয় তবে Open (infinite)

    [ জবাব দিন ]

      Anonymous
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৬:৫৫ পুর্বাহ্ন |

    open or close or oscillating actually depends on the mass of the universe….oscillating hobar kono karon dekhi na….the system is most likely open….

    [ জবাব দিন ]

    জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৩:৩২ অপরাহ্ন |

    হুম, আমারও মনে হয় ওপেন সিস্টেমই হবার কথা, কিন্তু তারপরও একটা ইস্যু থেকে যায়, ভর-শক্তির কঞ্জার্ভেইশন? যাই হোক, মুহাম্মদ তুমি তো বোধহয় আপেক্ষিকতা তত্ব ভালই বোঝ, নামিয়ে ফেল না একটা পোস্ট ডিফারেন্সিয়াল জিওমেট্রি নিয়ে, এটা আমার খুবই ভালো লাগে, কিন্তু কিছু বুঝি না এই যা সমস্যা, তুমি তো জটিল জটিল জিনিষও বেশ আকর্ষণীয়ভাবে লিখতে জান।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৭:৫৩ অপরাহ্ন |

    না অর্ণব ভাই। খুব ভাল বুঝি না। আমি সম্প্রতি পড়ছি। পড়ে সবকিছু বুঝলে তারপর অবশ্যই লিখব। আমাদের ব্যাচের হোসেন এ সম্পর্কে খুব ভাল জানে। হোসেনকে অনুরোধ করব লিখতে।

    [ জবাব দিন ]

  3. রকিব (০১-০৭)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৫:৩৭ পুর্বাহ্ন |

    এতদিনে মনের মত জিনিস পাইছি। cosmology আর relative physics – এই দুটো বিষইয় খুব বেশি টানে। ইচ্ছা ছিল- বিশুদ্ধ পদার্থবিজ্ঞান পড়ার, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারিনি। পুরোটা পড়তে পারিনি, কারণ আরেকটু সময় নিয়ে এবং দিয়ে পড়তে চাচ্ছি। যতটুকু পড়লাম, লেখাটা আমাকে টানছে। মুহাম্মদ ভাইকে, আবারো ধন্যবাদ।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ১১:২৬ পুর্বাহ্ন |

    আয় হায় চা বানানি বাদ দিয়া ফিজিক্স পড়লে আমাগো কি হইব? :(

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৭:৩৬ অপরাহ্ন |

    বিশ্বতত্ত্ব ও আপেক্ষিকতা নিয়ে তোমার আগ্রহের কথা শুনে ভাল লাগল। পড়তে থাক। পদার্থবিজ্ঞানের এই বিষয়গুলো যত পরিষ্কার হয় তত বেশী মজা লাগে।

    [ জবাব দিন ]

  4. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৬:১১ অপরাহ্ন |

    থিসিস প্রজেক্ট শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছি। আরো লিখ। কিছু কিছু বুঝছি। আরো দুয়েকবার পড়লে বিষয়টা হয়তো পরিস্কার হবে। :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ৭:৩৪ অপরাহ্ন |

    হাতে আরও ৫ মাস সময় আছে। কাজ করছি। আপনার উৎসাহ পেয়ে খুব ভাল লাগল।

    [ জবাব দিন ]

  5. রেশাদ (৮৯-৯৫)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ১০:০১ অপরাহ্ন |

    কয়েকটা প্রশ্নঃ
    ১. ফোটনের তাপমাত্রা কেন কমলো?
    ২. তাপমাত্রা কমলে তরংগ দৈর্ঘ্য কেন কমে? (কোনো অনুপাত আছে?) প্রথমে কত ছিল?
    ৩. তাপমাত্রা কমে ০ কেলভিন হতে পারে কিনা? (তাত্তিক ভাবে) যদি হয় তাহলে তরংগ দৈর্ঘ্য কি হবে?

    আমি কিছুই জানিনা এটা মনে হয় প্রশ্ন পড়েই বোঝা যায়… তুমি যেহেতু ব্যস্ত যে কেউ উত্তর দিলেই চলবে।

    চমৎকার লিখেছো।

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৭:৫২ অপরাহ্ন |

    ১. এখানে তাপমাত্রা আসলে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয় না। তাপমাত্রার মাধ্যমে CMB তে উপস্থিত শক্তির পরিমাণটা বোঝায়। ভিনের সূত্রের মাধ্যমে তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং তাপমাত্রার মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সূত্রমতে,
    নিসৃত সর্বোচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক
    সিএমবি যখন নিসৃত হয় তখন তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছিল অনেক কম, তাপমাত্রা ছিল ৩০০০ কেলভিন। কিন্তু মহাবিশ্ব প্রসারিত হওয়ায় এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল সরণ বা রেডশিফ্ট ঘটেছে। লাল সরণ ঘটা মানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পাওয়া। মহাবিশ্বের স্কেল হিসাব করলে দেখা যায় এই রেডশিফ্টের কারণে ১১০০ ভাগ হয়ে গেছে তাপমাত্রা। নেমে এসেছে ৩ কেলভিনেরও কমে।
    তাপমাত্রার সাথে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সম্পর্কে একটা লোহাকে উত্তপ্ত করতে থাকলেই টের পাওয়া যায়। তাপ দিতে থাকলে প্রথমে লাল আলো দেখা যায়। কারণ তাপমাত্রা কম বিধায় তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশী, আর তাই লাল আলো। এরপর ধীরে ধীরে হলুদ, কমলা ও নীলাভ সাদার দিকে যেতে থাকে। কারণ তাপমাত্রা বাড়তে থাকে আর তরঙ্গদৈর্ঘ্যও কমতে থাকে।

    ২. প্রথমে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বর্তমানের তুলনায় অনেক কম ছিল। লাল সরণের কারণে সেটা বেড়েছে। ৩০০০ কেলভিনে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কত ছিল সেটা স্কেল ফ্যাক্টরের (R) অংক কষে বের করা সম্ভব।

    ৩. তাপমাত্রা কমে ০ হতে পারে কিনা সেটা মহাবিশ্বের মডেলের উপর নির্ভর করে। ওপেন তথা আজীবন প্রসারিত হতে থাকবে এমন মহাবিশ্বে একসময় তাপীয় মৃত্যু ঘটার কথা। এ ধরণের তাপীয় মৃত্যু ঘটলেই কেবল তাপমাত্র কমে ০ হতে পারে। আর ০ তাপমাত্রায় আসলে কোন CMB-ই থাকার কথা না। তাত্ত্বিক হিসাবে তো তরঙ্গদৈর্ঘ্য অসীম হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা জানি, ০ তাপমাত্রার কোন বস্তু থেকে তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ বেরোয় না। শূন্যের উপরে অবস্থিত সকল বস্তুই তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গ নিঃসরণ করে।

    [ জবাব দিন ]

  6. কামরুল হাসান (৯৪-০০)
       এপ্রিল ১০, ২০০৯ at ১০:১৪ অপরাহ্ন |

    বরাবরের মতো সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল। :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    রেজওয়ান (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ১:০৯ অপরাহ্ন |

    :goragori: =)) :khekz:

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৮:০০ অপরাহ্ন |

    :-?

    [ জবাব দিন ]

    শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
        এপ্রিল ১২, ২০০৯ at ৮:৪৩ পুর্বাহ্ন |

    রেজওয়ানের সাথে সম্পুর্ন একমত। :D :grr:

    [ জবাব দিন ]

  7. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ১১:৩০ পুর্বাহ্ন |

    তোমার ভূমিকা পরে খুব মজা পেয়েছি মুহাম্মদ। খুব মজা করে লিখেছ।

    যেখানে প্রাণই নেই সেখানে রস থাকবে কি করে!!! রসিক হওয়ার জন্য একটা প্রাণকে কত বিলিয়ন বছর ধরে বিবর্তিত হতে হয় সেটা জানেন তো?!

    :khekz: :khekz:

    বাকীটা পড়ব কিনা বুঝতেছি না। ভারী জিনিস ডরাই, বুঝ তো, আগে আওয়াজ দাও তারপর পড়ব। :D

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৭:৫৯ অপরাহ্ন |

    আওয়াজ দিলাম। পইড়া ফেলেন। যতটুক বুঝবেন ঐটুকুই তো লাভ, হারানোর কিছু নেই। :D

    [ জবাব দিন ]

    ফয়েজ (৮৭-৯৩)
        এপ্রিল ১২, ২০০৯ at ১২:৩৫ অপরাহ্ন |

    পড়লাম।

    তোমার প্রজেক্ট কতদূর? ডাটা রীড করতে পারছো?

    [ জবাব দিন ]

    জিহাদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১২, ২০০৯ at ১:৩৮ অপরাহ্ন |

    রীড করতে পারলে তো ভালোই। না পারলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে একটা চশমা নিয়ে আসলেই আশা করি হয়ে যাবে :-B

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১৫, ২০০৯ at ১:৫৬ অপরাহ্ন |

    ফয়েজ ভাই। রিড ফিড বাদ দিছি। সেই অ্যান্টেনা দিয়া খুব বেশী হলে একটা প্রোটোটাইপ বানানো যেত। তাই আরও হাই স্কেলে কাজ শুরু করছি। আশা করা যাচ্ছে ইন্ডিয়ার GMRT নামক রেডিও দুরবিন থেকে ডেটা পাওয়া যাবে। আমাদের লক্ষ্য Cosmic Reionization era নামে পরিচিত মহাবিশ্বের একটা যুগের চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করা। ২১ সেমি ওয়েভলেনথের রেডিয়েশন নিয়ে কাজ করছি।

    [ জবাব দিন ]

    ফয়েজ (৮৭-৯৩)
        এপ্রিল ১৫, ২০০৯ at ২:০২ অপরাহ্ন |

    :thumbup: :thumbup:

    প্রথম কামটা ভাল করছ।

    বাকী গুলা কেমন করছ বুঝি নাই, আমার দৌড় শ্যাষ। :D

    [ জবাব দিন ]

  8. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ১:১১ অপরাহ্ন |

    খুব ভাল হইছে :-?
    মানবিকের কেউ কি আছেন ? :-/
    থাকলে হাত তুলেন :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    আহসান আকাশ (৯৬-০২)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৭:৫৫ অপরাহ্ন |

    :thumbup: :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

    মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ৭:৫৯ অপরাহ্ন |

    :)

    [ জবাব দিন ]

    মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
        এপ্রিল ১১, ২০০৯ at ১০:৪৮ অপরাহ্ন |

    মানবিকের কেউ কি আছেন ?

    আছি। কিন্তু হাত তোলার সাহসে কুলাইতাছে না :( পড়তে ভালো লাগলেও অনেক কিছুই যে মাথার উপ্রে দিয়া গেল ~x(

    ব্যাপার না, আবার……আরেকদিন……তখন দেইখ্যা নিমু :grr:

    [ জবাব দিন ]

    শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
        এপ্রিল ১২, ২০০৯ at ৮:৪৫ পুর্বাহ্ন |

    :thumbup: :thumbup: :thumbup:

    [ জবাব দিন ]

  9. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
       এপ্রিল ৩০, ২০০৯ at ১০:৪৮ পুর্বাহ্ন |

    CMBR আইডিয়াটা আরও পরিষ্কার হলো … জটিল লেখা মুহাম্মদ।

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard