random header image

নিলয়ের তুরুপের তাস

২৬শে জ়ানুয়ারি, ২০০৩
টপ……………টপ……………টপ। গ্লুকোজমিশ্রিত স্যালাইন পড়ছে। মনে হচ্ছিল বালুঘড়ির মতন স্যালাইন এর ফোঁটাগুলো যেন সময় হিসাব করে চলছে। হাসপাতালের ফিনাইলের গন্ধটা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছিল একটু পরই তার ডাক আসবে অপারেশনের জন্য। নীচ তলায় বাবা-মা অপেক্ষা করছেন, আর আজই নিজের অপারেশনের জন্য চিন্তাগ্রস্ত মায়ের চোখে প্রথম পানি দেখে নিলয় কেমন যেন হয়ে গিয়েছিল। অপারেশনের জন্য এই প্রথম নিলয়কে হাস্পাতালের বেডে শুতে হয়েছে। জ়ীবনে এটাই তার প্রথম বলে একটু ভয় কাজ করছে কিন্তু তা ছাপিয়ে উঠছে তার ডান হাতে লেগে থাকা জ়নসন এ্যান্ড জনসনের লোশন এর গন্ধ শুঁকবার মতন হাস্যকর কিন্তু তার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুবাস নেবার আনন্দ। সেই গন্ধ শুঁকবার সময়ও ফুরিয়ে আসছে, আর অল্প কিছুক্ষণ। অপারেশনের পরে প্রায় ১মাস সে আর গন্ধ নিতে পারবে না কোন কিছুর, আর এই লোশনের গন্ধও মিলিয়ে যাবে। ফিনাইলের গন্ধ এঁড়িয়ে, তাই সেই সস্তা লোশনের গন্ধ নেবার জ়ন্য ডান হাতটাকে নাকের সামনেই ধরে রেখেছে সে। আর পারবে না সে এই গন্ধ নিতে, বাস্তবের সেইই মানুষটার এটাই যেন শেষ স্মৃতি। এরপর থেকে তার স্পর্শের আর কোন স্মৃতি থাকবে না। কল্পনাতেই কেবল তা সম্ভব।

নিলয়ের আজ DNSঅপারেশন। নাকের হাড্ডি বাঁকা হবার কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হলে যারা আর্মিতে যেতে চায়, তাদের জন্য এই অপারেশন করালে ভাল। তবে নিলয়ের ক্ষেত্রে এটা তেমন গুরুতর কিছু না এবং আর্মিতে যাবার ইচ্ছাও তার একদমই নেই। এরপরেও সে এই অপারেশন করাচ্ছে। এক্ অজানা আনন্দের জন্য নিজের শরীরটাকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করতে তার মোটেও খারাপ লাগছে না। “কিছু পেতে হলে তো কিছু হারাতেই হয়”- সে হারাতে রাজী।

১৬ই জানুয়ারি,২০০৩
সদ্য ৭দিনের শিক্ষা সফর শেষ করে আসা নিলয়ের ব্যাচ এখনো কক্সবাজার থেকে আনা বার্মীজ আচার, বাহারী চাকু অথবা বাদামগুলোর বন্টনকাজ়ও শেষ করতে পারেনি। আচার খেতে দেখলে জুনিয়রতো অবশ্যই এমনকি সিনিয়র দ্বাদশ শ্রেণীর ক্যাডেটরাও জিভের পানি সংবরণ করতে একটু সময় নেয় বলে, একাদশ মানের ক্যাডেটরা চুকা লাগলেও আচার চিবায়। একাদ্বশ মানেই কলেজ়ের প্রাণ, হাত পকেটে নাহয় পেছনে রেখে হাটাঁর এক দূর্দম দামাল দাম্ভিকতা এবং সবকিছুতেই স্বাধীনতা আর স্বাতন্তার্তের স্বরব প্রকাশ। কিন্তু নিলয়ের এসব ছাপিয়ে উঠছে একটাই চিন্তা, কিভাবে তার অপারেশনের জ়ন্য মঞ্জুর হওয়া ছুটিটা আর মাত্র ১দিন বাড়ানো যায়। মাত্র ১টা দিন!!!

নিলয় শিক্ষা সফরের প্রথম দিনেই বাসায় ফোন করে জেনে গেছে যে, নীলারা কানাডাতে ফিরে যাচ্ছে ২৪শে জানুয়ারি, আর ওর ছুটি শুরুই হবে ঐদিন। তাই ১টা দিন আগে তাকে যেতেই হবে, নীলাকে দেখার জন্যই তো এই অপারেশনের অজুহাত। নাক কেঁটে যাত্রা ভঙ্গ করতে না পারলেও, নাক কাঁটবার নাম করে হলেও ছুটির ব্যবস্থা করে নীলাকে তার দেখতে যেতেই হবে। কারণ নিলয় জানে না, আরও কতদিন অপেক্ষার পরে নীলার সাথে তার আবার দেখা হবে। এই নীলাকেই তাই আরো একবার প্রাণভরে দেখবার জন্য, আর একবার কিছুক্ষণ কথা বলবার জন্য নিলয় এই DNSঅপারেশনের নামে নীলার সাথে দেখা করবার নীল নকশা করেছে।

ও হ্যাঁ, নীলা কে? নীলা এমন কোন অসাধারণ মেয়ে না। বরং অতিসাধারণ হবার কারণেই মনে হয়, এই নামটি নিলয়কে প্রথম ডায়েরী লিখিয়েছে, নিলয়ের অনেক প্রিয় কুছ কুছ হ্যোতা হ্যায় গানে নিজেকে শাহরুখ আর রাণীকে নীলা ভাবিয়েছে, রাত জ়েগে পড়বার প্ররণা দিয়েছে, মাঝে মাঝে স্বপ্নে দেখে স্বপ্নটা ভুলে যাবার আগেই কয়েকবার রিভিশন করিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই নামটির জন্যই নিলয় তার ডায়েরীটাও ইংরেজ়ীতে লিখতে নিজেকে নিজে বাধ্য করেছে। কারণ, কোনদিন যদি নীলাকে ডায়েরীটা পড়াবার সুযোগ হয়, নিলয়ের ভালবাসার কাহিনী জানাতে হয়,তখন নীলা কিভাবে পড়বে?ও তো ভালো বাংলা জানে না। তাই ইংরেজ়ীতে লিখা ছাড়া সে আর কিই করতে পারে? আর সবশেষে এই নাক অপারেশনের মিশনে দাঁড় করিয়েছে নীলার প্রেম। তবে নিলয়ের এই পাগলামী শুরু হয় আরো ১বছর আগেই, নীলাকে পাবার প্রবল ইচ্ছাই তাকে এ্যালার্ম ঘড়ির বদলে ১লিটার পানির বোতল শেষ করে দেহ-ঘড়ির ডাকে ভোরে ঘুম থেকে ডেকে তুলে পড়ার টেবিলে বসিয়েছিল।

এস.এস.সি তে গোল্ডেন এ-প্লাস পাওয়া নিলয় জানলেও নীলা আজও জানে না, নীলাকে পাবার এই প্রবল ইচ্ছা এবং চেষ্টা নিলয়কে কি দিয়েছে। নীলার লীলা তাই স্বার্থপরের মতন নিলয়ের মনের অনেকখানি জায়গাই শুধু নেয়নি, বরং দিয়েছে অনেক বেশী। আপাততঃ নীলার ব্যাপার এটুকুই থাক। এদিকে নিলয়ের ছুটির কি হল, সেই ব্যাপারে আসি।

উপরওয়ালার দয়ার নমুনা দেখে নিলয় নিজেই অবাক। যমদূতের অপর নাম-এ্যাডজুডেন্ট আযমের কাছ থেকে ১দিন আগেই ছুটি নেবার অনুমতি পেয়ে গেছে সে। অবশ্য এজন্য তাকে মিথ্যে বলতে হয়নি, সামান্য ঘুরিয়ে সত্য কথাটা বলার কারণেই মনে হয় সৃষ্টিকর্তার স্মিত হাসিটায় আযমের সম্মতি অর্জন করতে পেরেছিল নিলয়। খুশিতে ১০০রাকাত নফল নামাজ় আদায়ের নিয়তও করে ফেলল। কিন্তু, একই সাথে বিধাতা তার রাস্তা এত সহজ় করে দেওয়া নিয়ে সে দ্বিধাগ্রস্ত। আনন্দে তাল গাছে উঠে, সুপারি গাছ আবিষ্কার করার অভিজ্ঞতা নিলয়ের কম নেই কিনা, তাই হবে হয়তো।

২৪শে জানুয়ারি,২০০৩
পদার্থ, রসায়ন আর ম্যাথের ধামড়া বইয়ে বোঝাই স্যুটকেস নিয়ে নিলয় এখন রেলস্টেশনের ভূগোল বুঝতে ব্যাস্ত। ওর দ্বিধা এখনও কাটেনি। একবার বাসায় ফোন করে নীলাদের খবর না নেওয়া পর্যন্ত মনে শান্তি নেই। ফোনের দোকান খুঁজে বের করার জন্যই এই ভূগোলপ্রীতি। কলেজ় ছুটি হলে সবচেয়ে বেশি ভীড় থাকে যেই বইয়ের দোকানে, যেখানে সাহিত্যরসের আস্বাদ গ্রহণ করেনি এমন অনেক সাহিত্যিকের সমাগোমে সরগরোম হয়ে উঠে; ঠিক তার পাশেই ফোনের দোকানটা চোখে পড়ল। নাহঃ, নিজের বাসায় ফোন করা যাবে না, অন্য কিছু ভাবতে পারে। নীলাদের ফ্যামিলির সাথে নিলয়ের ফ্যামিলির বেশ ভাল সম্পর্ক হলেও নিলয়ের খালামণির সরাসরি আত্নীয় হয় নীলারা। তাই অন্য উপায় বের করতে হবে। উমম………উমম………আইডিয়ায়ায়ায়া!!!নিজের কন্ঠের কারিশ্মা ব্যবহার করার এটাই মোক্ষম সময়।নিলয় বেশ ভালো ভয়েস চেঞ্জ করতে পারে। বন্ধুমহলে এজন্য তার বেশ কদরও আছে। আর তাই, ডেস্টিনেশন নাম্বারঃ ছোট খালামণীর বাসা (ভুলেও ভুল করে নিলয়কে চেনার চান্স নেই)। নিলয় তার কন্ঠ বেশ ভারী করে জিজ্ঞাসা করলো, “স্লামালাইকুম, আমি রিহাম বলছিলাম। মুহাইমিন(নীলার বাবা) সাহেব কি আছেন? উনি কি কানাডাতে চলে গিয়েছেন?” অপরপ্রান্ত থেকে, “ওয়ালাইকুম আস্সালাম, জ্যী উনি তো আজ়ই রাতের ফ্লাইটে চলে গেছেন।” রাত ১২তার পরেই যে ২৪তারিখ শুরু হয়ে যায় ব্যাপারটা মাথাতেই আসেনি।

আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মতন মনে হলেও আকাশ ভেঙে পড়েনি, হাতের সেল ফোনটা পড়ে গেল। দুই জিনিয়াসের জোক্সের মতন নিজের মনে মনে নিজেই একবার নিজেকে বলে ফেলল, “আমি তো হেইডাই সন্দেহ করছিলাম, এত মাগনা তো আমার কিসসু হয় না।” পুরোটা ট্রেনযাত্রার ৮টা ঘন্টা ধরে প্লেনের শব্দ শুনলেই ছুটে চলা ট্রেনের জানালা দিয়ে বাহিরের প্লেনটাকে খুঁজে আর ভাবে, “আমি পারলাম না কেন, কেন পারলাম না আমি???”

২৪শে জানুয়ারি,২০০৩
বিকালঃ ৫টা

নিলয়ের মা এমদাদের বড়ভাই ইমরানকে একটা স্যুটকেস দিয়ে বললেন, “যাতো, এটা তোর মুহাইমিন চাচীকে দিয়ে আয়।” বাসায় ফিরে এখনও কাপড়টাও বদলায়নি নিলয়, মনে হচ্ছিল যেন ক্রিকেট বিশ্বকাপের খেলায় হঠাৎ কোন কারণে দেশে প্রত্যাবর্তিত খেলোয়াড়। কিন্তু, মায়ের এই কথা শুনে, নিলয় এক্কেবারে উন্মাদ, যেন বিশ্বকাপটা ওরই হাতে এখন। “আম্মুউউউউউউউ, মুহাইমিন চাচারা এখনো যায়নি?”ছেলের মড়া ধড়ে সাড়া দেখে মা অবাক হয়ে বললেন, “নাতো। তোর চাচা একা গ্যেসে, উনার অফিস আছে। ভাবীরা পরশু যাবে। ২৬তারিখ।” সে ফোন করে মুহাইমিন চাচার জাবার কথা শুনেছিল ঠিক,ই, কিন্তু তা কেবল উঁনি একাই, তাঁর ফ্যামিলি না।

২৫শে জানুয়ারি,২০০৩
ইতিমধ্যে, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে এ্যাডমিট হয়ে গিয়েছে নিলয়। কিন্তু সেদিকে তার কোন খেয়ালই নেই। অপারেশনটা এখন তার কাছে আশীর্বাদের মতন মনে হচ্ছে। বিকালেই পালিয়ে চলে গেছে নীলার ফুপুর বাসায়। সবাইতো অবাক! কিন্তু ও এমন একটা ভাব করলো যেন, ও এমন কাজ করতে অভ্যস্ত, আর এখানে এসেছে তাও তেমন কোন বড় ব্যাপার না। নীলা তার ব্যাগ গুছানোতে ব্যস্ত ছিল। দীর্ঘ দেড় মাসের আনন্দটা হঠাৎ শেষ হয়ে যাওয়াতে নীলার মনটাও ভালো ছিল না। নিলয়কে দেখে নীলার সব আনন্দ যেন একসাথে, একদিনে, এক মুহূর্তে এসে সিডর এর ধাক্কা দিল। দৌড়ে নিলয়ের কাছে গিয়ে গল্প শুরু করে দিল।নিলয় আড্ডা দিতে এক নাম্বার। দুনিয়ার গল্প সে জানে। নীলা জানে নিলয় তাকে পছন্দ করে, কিন্তু তার মাত্রা সম্পর্কে কোন ধারণা নীলার নেই। এদিকে একগুঁয়ে নিলয় যতদিন্ না নিজেকে নীলার যোগ্য করে তুলতে পারবে ততদিন সে তার মনের কথা স্বীকার করতে নারাজ। সবসময়ের মতন হাসিখুসি নিলয় হাসতে পারছে না। আর তো মাত্র কিচ্ছুক্ষণ, এরপরে? মেয়েটাও ছেলেটার এই নীরবতার মানে বুঝেছিল মনে হয়। নাহলে নীলা নিলয়কে জিজ্ঞেস করত না, “নিলয়ভাই, উইল ইউ মিস মি?” নিলয় তখন সমস্ত শক্তি দিয়ে মুখে ঠিকই হাশি এনেছিল, পারেনি শুধু সেই হাসির অর্থটা ধরে রাখতে। তার চোখের দু’পাশ দিয়ে কয়েক ফোঁটা পানি ঝরে গেল। দৃশ্যটার অর্থ বুঝে ফেলার ভয়ে নিলয় সাথে সাথেই, হাশিটাকে প্রাণ দেবার জন্য বলল, “আমি একটু বেশি ইমোশোনাল, আবার আমার রিকভারিও বেশ তাড়াতাড়ি। সো ডোন্ট গেট মেসসড। ওকে??”

বাসার সামনে সবাই শেষ বিদায় নিচ্ছে। নিলয়ের বাবা-মাও ছেলের উপস্থিতির কারণটা পরিষ্কার ধরতে পারছেন,না। নিলয়ের সেদিকে কোন ভ্রূক্ষেপ নেই।সে তার পকেট থেকে নীলার জন্য শেষ উপহারটা বের করল। একটা ক্রিস্টালের ঘোড়া। পকেটে রেখে নীলাদের লাগেজ় গাড়ীতে উঠাবার সময় ঘোড়াটা যে কখন ভেঙ্গে তার উরু কেঁটে রক্ত বের করে ফেলেছিল সেটাও সে লক্ষ্য করেনি। তখন রাতের রাস্তায় রোডলাইটগুলো আলো ছড়িয়ে নিলয়ের হাতের ভাঙ্গা ঘোড়াটাকে আলোকচ্ছটায় যেন জীবিত করে তুলেছিল। নিলয় নীলাদের আগেই রিক্সায় চলে যাবে হাসপাতালে, নীলার ফ্লাইট রাত ১২টা ২০মিঃ(২৬শে জ়ানুয়ারি) । সে কেন যেন আর নিজেকে সাম্লাতে পারছে না। “ঠিক আছে নীলা, ভালো থেক। অনেক অনেক ভালো থেক”- নিলয়ের স্বাভাবিক হাশিটাকে আবারো কান্না ছাপিয়ে ফেলতে চাইছে। গলার স্বরটাও ভারী হয়ে যাচ্ছে। নীলা তার নীল চূড়ীপরা ডানহাতটা নিলয়ের সামনে করমর্দনের জন্য বাড়িয়ে দিল। অপ্রস্তুত নিলয় হাত ধরতে না চাইলেও নীলার কথা ভেবে হাতটা ধরলো। “বি হ্যাপী এ্যান্ড লিভ লাইফ টু ইটস ফুলেস্ট”- নীলার চোখেও একরকম বিষন্নতা। নিলয় সবার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল। একবারও পিছন ফিরে তাকায়নি সে, খুব ইচ্ছা হচ্ছিল তাকাবার। রিক্সায় নিজের হাতটা নাকের কাছে আনতেই সেই গন্ধটা পেল।সেই জ়নসন এ্যান্ড জনসনের লোশন এর গন্ধ। যতবার সে ডানহাতটার গন্ধ নেয় ততবারই যেন নীলার স্পর্শ পায়। “এইতো নীলা, এইযে! এই যে গন্ধ!”

২৬শে জ়ানুয়ারি, ২০০৩
সকালঃ ৮টা ২৫মিঃ
টেবিলে বালিশছাড়া শুয়ে আছে নিলয়। একটা ইঞ্জেকশন পুশ করা হল নিলয়ের গলায়। নিলয় ডাক্তারকে বলল “আঙ্কেল খুব জলতেছে গলায়।” ততক্ষণে সে বুঝে গেছে আর একটু বাকি জ্ঞান হারাবার। আল্লাহর কাছে একবুক কৃ্তজ্ঞতা স্বীকার করে আর একবার ডানহাতটা নাকের কাছে আনলো নিলয়।

৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

২৬ টি মন্তব্য

  1. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৫:৩০ অপরাহ্ন |

    :boss: :boss: :boss:

    অসাধারন তোমার বর্ননা। অসাধারন।

    সত্য কাহিনী হলেও সবাই এভাবে বর্ননা করতে পারে না।

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:২৭ পুর্বাহ্ন |

    ভাইয়া ঘটনাটার ১টা ইভেন্ট ও বানানো নয়। তাই লেখাটা পড়ে নিজেই কোন প্রাণ পাইনি। আপনাকে ধন্যবাদ। :D

    জবাব দিন

  2. শহীদ (১৯৯৪-২০০০)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৫:৪৪ অপরাহ্ন |

    নেট প্রব্লেমের জন্য ১ম হইতার্লাম্না :((

    দোস্ত, সুন্দর লেখা। চালায়া যাও

    জবাব দিন

    টিটো রহমান (৯৪-০০)
        জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৫:৫৪ অপরাহ্ন |

    শহীদ (১৯৯৪-২০০০)……..দোস্ত, সুন্দর লেখা। চালায়া যাও

    জবাব দিন

        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৩:২৯ পুর্বাহ্ন |

    শহীদ (১৯৯৪-২০০০)……..দোস্ত, সুন্দর লেখা। চালায়া যাও

    এই হইলো ৯৪ ব্যাচ। ;) ;)
    সিনিয়র জুনিয়র, দলমত নির্বিশেষে সবাইকেই বন্ধু ভাবে।
    শহীদ , গ্রেট ম্যান। :thumbup:

    জবাব দিন

    কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৩:৩৫ পুর্বাহ্ন |

    :khekz: :khekz: :khekz:
    লাবলু ভাই বা আলীমুজ্জামান ভাইরে ডায়লগটা দেয়নাই ভাগ্যিস :khekz: :gulli2:

    জবাব দিন

    সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৩:৩৭ পুর্বাহ্ন |

    :)) :)) :)) :)) :P :P :P :P

    জবাব দিন

  3. এহসান (৮৯-৯৫)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৫:৪৭ অপরাহ্ন |

    ভালো লেগেছে গল্পটা। আরো বড় হবে? অনুগ্রহ করে সিরিজ করে ফেলো। :)

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:৩০ পুর্বাহ্ন |

    জবাব দিন

  4. হাসনাইন (৯৯-০৫)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৫:৫৫ অপরাহ্ন |

    ভাই গল্পটা কি একখনো চলছে, শেষে চলবে কিংবা দৌড়াবে লিখলেন না কেন? x-(
    ভাল লাগছে খুব। :hatsoff: :hatsoff:
    নীলা……………. :dreamy:

    জবাব দিন

  5. রহমান (৯২-৯৮)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ৮:০৫ অপরাহ্ন |

    ভালো লেগেছে গল্পটা।
    অনুগ্রহ করে সিরিজ করে ফেলো।

    একমত :thumbup:

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:৩২ পুর্বাহ্ন |

    জবাব দিন

  6. রকিব (০১-০৭)
       জানুয়ারি ১, ২০০৯ at ১০:৪৬ অপরাহ্ন |

    :clap: :clap: ভাই জটিল, দারুণ, অসাধারণ, এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মতো একখান গপ্পো। সিরিজ করলে খুশীঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈইই হমু :-B

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:৩৫ পুর্বাহ্ন |

    সিরিজ করতে প্রব্লেম নাই, কিন্তু মিথ্যা বলে আনন্দ দিয়ে মজা পাবনা, এই টপিকটায়। অবশ্য আমার এন্ডিংটা ঠিক হয়নি।সবাই মনে করছে এটা To Be Continued…এইজন্য :frontroll: :frontroll: :frontroll:

    জবাব দিন

  7. তৌফিক (৯৬-০২)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:৪৪ পুর্বাহ্ন |

    রেটিং করার জন্য লগাইতে হইল। পাঁচাইলাম। :D

    সাবাস নাসির। খুব ভালো লাগছে।

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১:২১ পুর্বাহ্ন |

    :salute: তৌফিক ভাই।পাঁচাইয়া যে পচান নাই তাই আমি প্রচন্ড পরিমাণ আনন্দিত। :D

    জবাব দিন

  8.    জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১২:৫৪ পুর্বাহ্ন |

    সিসিবিতে শক্তিশালী লেখকদের সংখ্যা বাড়ছে ক্রমশ। :D
    নাসির, এক কথায় দারুন। :hatsoff:
    মাত্র দুইটা লেখাতেই তোমার কাছে প্রত্যাশা বেড়ে যাচ্ছে। :thumbup:

    জবাব দিন

    নাসির (৯৮-০৪)
        জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১:১৮ পুর্বাহ্ন |

    ভাই আপনাদের মতন গুণী মানুষদের দেখেই লিখার ইচ্ছা হয়েছিল।
    সিসিবি তে লগ ইন না করে পড়েছি অনেক, কিন্তু অবাক হবার মতন লিখার মান দেখে কমেন্টটাও করতে সাহস করিনি। আমি এখনো তার কাবিল না, তাই। আপনাদের কাছেই প্রত্যাশা আমার, আমার লিখা আপনাদের পড়াতে পেরেছি, তাই আমার জন্য অনেক বেশি।
    লিখাটা পড়বার জন্য আপনাকে সহ সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। :salute: :salute:

    জবাব দিন

  9. জাবীর রিজভী (৯৯-০৫)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ১:০৭ পুর্বাহ্ন |

    খুব খুব খুব সুন্দর…… আমি তো ফিদা হইয়া গেছি……. :dreamy: …নিজের সাথে গল্পটার কোথায় যেন মিল খুজে পাচ্ছি….তবু আজো..

    কেন মনকে বোঝাতে পারি না…যে যায় ফিরে আসে না……

    অনেক দিন পর মনে হয় অতীতে ফিরে গেলাম…..সরি…

    আমি একটু বেশি ইমোশোনাল, আবার আমার রিকভারিও বেশ তাড়াতাড়ি। সো ডোন্ট গেট মেসসড। ওকে??

    জবাব দিন

  10. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৩:০৩ পুর্বাহ্ন |

    চমৎকার, আগের নস্টালমুজিব লেখাটা দিয়েই টের পাওয়া গেছে নাসিরের লেখনীর ধার। তার যথাযথ ধারাবাহিকতা এই লেখাটিতেও। :clap: :clap:

    জবাব দিন

  11. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৩:৪০ পুর্বাহ্ন |

    আচ্ছা, এই ইন্টারনেটের যুগে নিলয় আর নিলা দুজনেই কি সিসিবি’র এই গল্প পড়তে পারে না? অনুভব করতে পারে না??????
    তাদের দেখা হবে, অবশ্যই দেখা হবে।

    অনন্যসাধারণ ব্রাদার :boss: :boss:

    জবাব দিন

  12. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৭:০৫ অপরাহ্ন |

    নাসির ভাই কিদিলেন্রে :x :x :x

    জবাব দিন

  13. আহ্সান (৮৮-৯৪)
       জানুয়ারি ২, ২০০৯ at ৯:৫৫ অপরাহ্ন |

    নাসির,
    অসাধারণ তোমার লেখনী।
    সত্যিই একটানে পড়ে ফেলেছি।
    আমি মনে প্রাণে দোয়া করছি যেন নীলা আর নিলয়ের অচীরেই দেখা হয়ে যায়।

    আচ্ছে, দেখা না হলেও, নীলা আর নিলয়ের মাঝে কি কোন যোগাযোগ নেই? এই ডিজিটাল যুগে কি এটা সম্ভবপর না? প্লিজ আপডেট দিও।

    জবাব দিন

  14. নাসির (৯৮-০৪)
       জানুয়ারি ৩, ২০০৯ at ৫:৫৬ পুর্বাহ্ন |

    সবাইকে আবারও ধন্যবাদ।

    জবাব দিন

  15. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)
       জানুয়ারি ৫, ২০০৯ at ২:০৬ পুর্বাহ্ন |

    ভাই নিলয় হতে খুব কষ্ট, তাই না? :(

    জবাব দিন

  16. নাসির (৯৮-০৪)
       জানুয়ারি ৫, ২০০৯ at ৬:৫৭ পুর্বাহ্ন |

    কি জানি? নিলইয়ের কষ্ট মনে হয় অই বেক্কলেই বুঝতেছে। আমি খালি একটু গিয়ার বাড়াইয়া দিছি, এই আর কি। ;)

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard