মেয়ে তোমার মাথার ঠিক ওপরে
ভেসে আছে এক খণ্ড মেঘ;
রোদ্দুরে বিচলিত হওয়া কি
তোমাকে মানায়?
প্রতিদিন বৃষ্টিহীন আমি
ভেতরে ভেতরে
কী ভীষণ তৃষ্ণা পুষে রেখে
তোমার সংগে নিপুণ হাসি,
বিনয়ের ভান করি
ঈর্ষায় জ্বলে গিয়ে
লোলুপ দেখি তোমার মেঘ।
জানোনা মেয়ে,
তুমি অভিমান করলেই
বৃষ্টির ছাঁট এসে
চশমার কাঁচ ঝাপসা করে দিয়ে
শহরটা হয়ে যাবে
ভেজা ভেজা মাঠ,
সেই মাঠে দুরন্ত শিশুদের
ফুটবল খেলা পেরিয়ে
শেষ প্রান্তে বসে থাকা
তোমার কাছে পৌঁছে
অনন্তকাল ধরে বসে থাকা
একটা এক্কেবারে নতুন রিকশায়
তোমাকে যখন হাত ধরে
ওঠাতে যাবো, তখন তুমি
খিলখিল করে হেসে ফেলে
ফের চকচকে রোদ্দুর আর
হট্টগোলের শহর ফিরিয়ে দেবে
পুরো চশমা জুড়ে।
মেয়ে তুমি কী উদাসীন,
কিছু যায় আসেনা তোমার
মেঘের টুকরো থেকে
ঝরলো কি ঝরলো কিনা
স্বপ্নের দুটো একটা কণা ….
ফুচকা বানানো লাটে ওঠে,
কানে আসে
আর সব আপুদের গঞ্জনা।
আমারো ভাল্লাগেনা,
শুধু ইচ্ছে করে
সবকিছুকে গুডবাই দিয়ে
তোমার মেঘের থেকে
একটু একটু জল ভরে নিয়ে
আজীবন তোমাকেই
ফুচকা দিয়ে যাই…..



৪৫ টি মন্তব্য
[ জবাব দিন ]
দিহান এইখানেও ফেল!!

নুপুর : কবিতা নাকি কবিতার গল্প? চমকটা অসাধারণ।
[ জবাব দিন ]
সানা ভাই,
ভালো আছেন? অনেকদিন পর এলাম।
খুব একটা সময় পাচ্ছিনা আজকাল।
লেখাটা ভালো লাগলো বলে খুব
আনন্দ হচ্ছে।
[ জবাব দিন ]
এইখানে ও ২য়, লাবলু ভাইয়া, ফর্মে ফিরে এসেছে।
[ জবাব দিন ]
এই মেয়েটা খুব শাশ্বত। কবিতা পড়তে পড়তে সবার মনেই নিজস্ব মূর্তি ভেসে উঠবে। আপনি যেভাবে “নিরপেক্ষ” থাকলেন, কবিতাটিকে ব্যক্তিগত করলেন না, সেটা আসলেই চমৎকার নূপুর ভাই।
[ জবাব দিন ]
হেই আন্দালিব!
আমি তো অতশত ভাবিনি হে।
ওয়াও!
[ জবাব দিন ]
শেষ পর্যন্ত ফুচকাওলা হয়ে ফিরে এলেন !
পাখির নীড়ের মতো দু’টি চোখ তুলে সিসিবি আপনাকে জিজ্ঞেস করছে- এতোদিন কোথায় ছিলেন ?
[ জবাব দিন ]
আবার আসিলাম ফিরে সিসিবির ভীড়ে
হয়তো ক্যাডেট নয়, ফিচেল ফুচকাঅলার বেশে।
ভালো আছো?
আমি আসলে মহা মহা ব্যস্ত..
আর ক’দিন।
তার পরেই আবার ঝাঁপাইয়া পরুম সিসিবিতে।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
গ্রীষ্ম নিদ্রা কাটিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসার জন্য পাঁচ তাঁরা দিয়ে গেলাম।
[ জবাব দিন ]
থ্যাংকু থ্যাংকু থ্যাংকু।
[ জবাব দিন ]
অনেকদিন পরে ভাইয়া।
কবিতা সেরম।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ তপু।
তোমার খবর কি?
শরীর কেমন?
[ জবাব দিন ]
সপ্তম….
নূপুর ভাই স্বাগতম…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
নূপুর ভাই,
কত্তদিন পর!!
আঁরারে ভুলি গিয়্যুইন ফাঁনলার
[ জবাব দিন ]
কাইয়ুম ভাইয়া,
চাঁটগাইয়া কই শিখলেন?
[ জবাব দিন ]
কাইয়ূম,
ন ভুলি রে অ ভাই!
তোঁয়ারারে ভুলনর উপায় আছে না?
এক্কানা “গেয়া”(ঝামেলা)-র মধ্যে আছি।
গম আছ না?
[ জবাব দিন ]
চমৎকার লাগলো নূপুর ভাই। পাঁচ তারা।
শেষ পর্যন্ত ফিরে এলেন তাই ধন্যবাদ। আর ডুব দিয়েন না ভাই।
[ জবাব দিন ]
ভাইস্যা উঠতেসি শিগগিরি!
আরেকটু সময় দাও।
[ জবাব দিন ]
আরে নূপুর ভাই দেখি… কত্তোদিন পর… কবিতা পুরা সিরাম হইছে
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ ভাই।
অনেকদিন পর এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।
[ জবাব দিন ]
অনেকদিন পর ফিরে এলেন, মেয়ের গল্পটা তো ভালোই । আরো গল্প শুনতে মন চায় ।
[ জবাব দিন ]
গল্প বানাবার চেষ্টায় আছি।
তোমার খবর কি হে!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অসাধারণ নূপুর ভাই।


যাক, এতদিন পর আমাদের মনে পড়ল!
আপনার কবিতা খুব মিস করছিলাম ভাইয়া।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
নূপুর ভাই, অনেকদিন পর …
[ জবাব দিন ]
হুমম্…
কি অবস্থা?
[ জবাব দিন ]
স্বাগতম আপনাকে।
অনেকদিন পর এলাম তো,
তাই চেনা নেই।
এবার আপনার লেখাগুলো পড়বো।
[ জবাব দিন ]
হ্যা অনেকদিন পর ভাইয়া,
আমার লেখাগুলো মানে? আমিতো একটা পোষ্ট করেছি মাত্র।
[ জবাব দিন ]
সেটা এখনি বুঝতে পারলাম কেবল।
আপনার প্রোফাইল দেখতে গিয়ে
খেয়াল করা হয়নি তখন।
তবে ওই একটি লেখাই দুর্দান্ত হয়েছে।
আরো লিখুন প্লিজ।
[ জবাব দিন ]
বহুদিন মিস করতেছিলাম আপনার কবিতা, যথারীতি সেইরকম।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ক্যাডা ????!!! নুপুর ভাই নাকি ?????
[ জবাব দিন ]
হ।
ভালা?
[ জবাব দিন ]
ভাই।
আবার কত্তদিন পর ফিরলেন!
আপনাকে কতটা মিস করছি তা আমার এই কিছুদিনের মাঝে লেখাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন।
স্বাগতম!
[ জবাব দিন ]
পড়তে হয় তাইলে ধীরে ধীরে তোমার লেখাগুলো!
[ জবাব দিন ]
Keda nupur vai naki?
fuska khapo
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আহ, কত্তগুলো স্নান পর্ব এখনো বাকী রয়ে গেছে আমাদের..।..।..।..।…..।..।…
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এ্যাই ছেলে,
ডাক্তার দেখিয়েছিলে?
[ জবাব দিন ]
অনেকদিন আপনারে মনে মনে খুঁজতেছি। আরও অনেক কবিতা শোনান।
[ জবাব দিন ]
তোমার “আবুল হাসান” পোষ্ট টা পড়েই তো এটা লিখলাম,
কিছু একটা লিখবো এই তাড়নায়।
তা নইলে যা যাচ্ছে আমার আজকাল।
অভিমন্যুর অবস্থা।
কবিতা য্যান কই পলাইসে, বুঝলা?
ধরতে পারতেসিনা।
[ জবাব দিন ]