প্রিয় আরিশার আম্মু

প্রিয় আরিশার আম্মু,

গত দশ বছর ধরে আমাকে সহ্য করে যাচ্ছ, করে যাও। সামনে আরো অনেক অনেক ঝামেলা আছে তোমার কপালে। আমার অনিচ্ছাতেও যে তোমার সাথে আমি ঝামেলা করেই যাব এটা নিশ্চিত থাক; এটা কোন ওয়ার্নিং নয়, এটা একটা একান্ত প্রমিস, হুইচ ইজ নেভার এভার মেন্ট টু বি ব্রোকেন, টিল মাই লাস্ট ব্রেথ।

জানি, তুমি এখন আর আশা কর না, তারপরেও যদি ভুলেও ভেবে থাক যে,

বিস্তারিত»

~ অযুত নিযুত জীবনের অপার আনন্দ – জীবনানন্দ ~

[ প্রিয় কবির ১১৮তম জন্ম দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি ]

কুসুমকুমারী দাশ যখন লিখেছিলেন – “আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে / কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে ?” তখন নিশ্চিত তাঁর জানা ছিল না আপন গর্ভে তিনি কত বড় মাপের একজন মানুষকে, বাংলা ভাষার একজন প্রধান কবিকে ধারণ করবার মহিমা অর্জন করবেন।

পিতামহ সর্বানন্দ দাশগুপ্ত (১৮৩৮-৮৫) বিক্রমপুর থেকে বরিশাল গিয়ে আবাস গড়েন।

বিস্তারিত»

বাংলা নামের নদী

ফেব্রুয়ারি এলেই আমাদের দেশের গণমাধ্যমে অনেকের মধ্যে কিছু বিদেশিদের দেখা যায়। এরা খুব ভালো বাংলা জানেন, অনর্গল বাংলায় কথা বলেন, ক্যামেরার সামনে বাংলা গান শোনান, বাংলা ভাষা নিয়ে তাদের গবেষণার কথা শোনান আর আমাদের বাংলা নিয়ে বাঙালিদের উপদেশ দেন। আমরা নাকি আজকাল ঠিক মতো বাংলা বলি না, উচ্চারণ করতে পারি না ইত্যাদি। এদেরকে আমার বাঙালির চেয়েও বেশি বাঙালি মনে হয়। আমাদের দেশেও কিছু মানুষ আছেন না,

বিস্তারিত»

অক্ষর

অক্ষরগুলো ফিকে হওয়া থেকে
বাঁচাতে পারেনি কোন হিমাগার,
সময়ের ট্রানজিসনে কালো থেকে ধূসর-
ধূসর থেকে ধূসরতর।
মাঝের সময়ে হারিয়েছে তুলি
অক্ষর জমাট বাঁধতে না পারলেও
জমাট বেঁধেছে রঙ
ইচ্ছেও হারিয়ে ফেলেছে রঙ তুলির কবি।

নিজের অজান্তে যে অক্ষর লেখা হয়েছিল
ফিকে হচ্ছিল একেবারে প্রত্যক্ষে।
ফিকে হতে হতে আজ অপরিচিত প্রায় সে অক্ষর;
সে অক্ষর –

বিস্তারিত»

আজ এটুকুই ফাল্গুন থাক

    অনেকদিন পর কিছু লিখছি সিসিবিতে। বসন্তই যখন, একটা কবিতা লেখাই যায়।

    আজ এটুকুই ফাল্গুন থাক
    আসছে বছর নাহয় বাকীটুকু নিও
    নিয়তির নিয়তে গড়া গতবছরের স্মৃতি
    অতীত ভেবে না হয়ে ভুলেই যেও।

    সেদিনও ছিল না তেমন একটা ফুল
    গাছে গাছে
    কিংবা কোকিলের কুহু ডাক
    যা ছিল তা কেবল তোমার
    ওই খোপাতেই
    আর, ওই মিষ্টি হাসিতে।

বিস্তারিত»

~ কফিপেয়ালায় পরিত্যাক্ত স্মৃতি ~

চুম্বনে নি:শেষিত কফিকাপ
জানুদেশে ফেনার চাদর গায়
ফ্যাকাশে টেবিলে উৎকীর্ণ
প্লেসম্যাট জুড়ে শুয়ে আছে –
ক্লান্ত, শ্রান্ত, অবসাদ প্লাবিত;
পাকা শিল্পীর তুলিতে আঁকা
জলজ্যান্ত স্টিললাইফ
তেলরঙ মাতানো ক্যানভাস;
চিনি দুধের ব্যবহৃত
ছেঁড়াখোঁড়া শ্যাশে,
সাবাড় করা কুকির গুঁড়ো আভাস
এইসব দৃশ্যপটে সেজে,
এলায়ে আছে সে আজো
নাজুক মনের নকশাকাটা আঙ্গিনায়;
গ্লোরিয়া জিনসের ওয়েটার,

বিস্তারিত»

আয়নায় অবয়ব

দেখুন! দেখুন! ঘুরে ফিরে সামনে কিম্বা বাঁয়ে
এরকম আর পাবেন না, পুরা মার্কেট আউট।
সত্যি বলছি, এই কীরা কাটলাম জিহ্বা দিয়ে
হাজারো হোক আপনিতো খদ্দের,
ব্যবসার লক্ষ্মী।।

ভাই এটা ইতালির মাল
যেন তেন না, এরকম আয়না আপনি কোথাও
দেখবেন না। কি যে বলেন, কাঁচ আর পারাও
বাইরের, জহুরীর চোখ ছাড়া চেনে ক’জন?

আর ফ্রেম দেখেছেন?

বিস্তারিত»

অপেক্ষা

শোভন চেয়ার আন্তঃনগর
রেলগাড়ী ঝকর ঝকর
গাছপালা ঘর জীব জানোয়ার
দোলায় দোলে জানালার ধার
জোরছে তাদের কেউ ছুটে যায়
কেউবা যেন কেবল ঝিমায়।

মাঠের পর রাস্তার ধার
নারকেল সার বাঁশের ঝাড়
তার ছায়াতে বাবা ঘুমায়
দিন গোনে মা অপেক্ষায়।
বিষ্যদ বার শুককর বার
শনিবার আর কত বার?

শোভন চেয়ার আন্তঃনগর
রেলগাড়ী ঝকর ঝকর
ভরদুপুরে জানালার কাঁচ
নোনা কুয়াশা খচখচখচ।

বিস্তারিত»

সিন্দুরমতি দিঘী

‘‘আমি কার কাছে গিয়া জিগামু সে দুঃখ দ্যায় ক্যান,
ক্যান এত তপ্ত কথা কয়, ক্যান পাশ ফিরা শোয়,
ঘরের বিছান নিয়া ক্যান অন্য ধানখ্যাত রোয়?

বিস্তারিত»

তিনটে অণু কবিতা

চোখের সমুদ্র

তুমি একদিন সমুদ্র দেখতে চেয়েছিলে।
আমি বলেছিলাম, সে তো আমার চোখেই আছে।
তুমি বলেছিলে….
তোমার চোখ তো শুকনো, জল কই?
আমি বলেছিলাম….
চোখের সমুদ্র মনের দুরবীন দিয়ে দেখতে হয়!

ঢাকা
১৩ জানুয়ারী ২০১৭

কবি ও কবিতা

সে বলেছিল, সে কবি হতে চায়।
তুমি বলেছিলে, অন্তরে তুমি চাও
তার কবিতা হতে,

বিস্তারিত»

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনার কথা

প্রেম, প্রকৃতি আর প্রার্থনা- আমার চিরদিনের প্রিয় বিষয়, ছোটবেলা থেকেই। প্রশ্ন আসতে পারে, ছোটবেলায় আবার প্রেমের কী বুঝতাম? তখন প্রেম বলতে বুঝতাম স্নেহ, আদর, ভালবাসা। মা যখন শীত আসার আগেই উলের বল আর উল বুননের কাঁটা যোগাড় করে রাখতেন, আর তাঁর স্বল্প অবসরে দিনের পর দিন ধরে উল বুনে আমাদের জন্য সোয়েটার, মাফলার ইত্যাদি বানিয়ে দিতেন, বুঝতাম সেটা ভালবাসা। গোসলের পর মাথা না আঁচড়িয়ে থাকতাম।

বিস্তারিত»

আসুন একটু ‘বাংলামি’ করি

সেদিন কিছু পত্রিকা ঘাঁটতে-ঘাঁটতে একটি শব্দ খুব ভালো লেগে গেলো। কে যেন ‘বাংলামি’ বলে একটি শব্দ ব্যবহার করেছে। অন্যরকম। সাধারণত ব্যবহার হয় না। অভিধানে আছে কিনা তাও জানি না। তবে শব্দটি পড়ে শীতের সকালে চাপা রোদের আলোয় নরম ঘাসের ওপর শিশির দেখার মতো আনন্দ পেলাম।

অনেকে শব্দটিকে ‘বাংলামো’ বলেন। ‘বাংলামি’ শব্দটি কয়েকবার বলতে শুনলেও এই প্রথম দেখলাম কাউকে লেখায় ব্যবহার করতে। মাথায় ভূত চাপলো।

বিস্তারিত»

তাজহাট জমিদার বাড়ি – রংপুর

দিল্লীর ময়ূর সিংহাসন তখন মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের (১৬৫৮-১৭০৭ খ্রী) অধীন। তার শাসনামলে শিখ সম্প্রদায়ের তীর্থভূমি পাঞ্জাব শহরে মোঘলদের সাথে শিখদের সংঘাত বেঁধে যায়। তুমুল লড়াই হয়, শহর পরিনত হয় ধ্বংসস্তুপে, অধিকার রক্ষায় আত্মবির্সজন দেয় অগনিত শিখ। বাংলায় তখন মুর্শিদকুলি খাঁ (১৭০৭-২৭ খ্রীঃ) দাপটের সাথে মোঘল প্রতিনিধিত্ব করছে। এমনই এক উত্তাল সময়ে নিজ ভূমি পাঞ্জাব শহর ত্যাগ করে মান্না লাল রায় ও রতন লাল রায় নিজেদেরকে ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় বাংলায় আগমন করে।

বিস্তারিত»

লো-লিবিডো : একটি উপেক্ষিত ডিসফাংশানালিটি – দ্বিতীয় পর্ব

লো-লিবিডো : একটি উপেক্ষিত ডিসফাংশানালিটি – প্রথম পর্ব
তিন
পুরুষদের লো-লিবিডোর পিছনে প্রথম যে কারনটা কাজ করে, তা হলো ইরেকটাইল ডিসফাংশান (ইডি)।
শারীরিকভাবে তেমন কোনো অসুস্থ্যতা না থাকার পরেও বয়সভেদে ৭% থেকে ২৫% পুরুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
আবার চল্লিশোর্ধদের মধ্যে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হৃদযন্ত্রের সমস্যা ইত্যাদি কারনে ৪০% বা তারও অধিক পুরুষেরা সার্বক্ষনিক না হলেও সময় সময় এই সমস্যায় ভোগেন।

বিস্তারিত»

লো-লিবিডো : একটি উপেক্ষিত ডিসফাংশানালিটি – প্রথম পর্ব

এক
লো-লিবিডো অর্থাৎ যৌনাকাঙ্ক্ষা হারিয়ে ফেলা বা আশংকাজনক ভাবে কমে যাওয়াটা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে একটি সেক্সুয়াল ডিসফাংশান।
পুরুষদের জন্য সমস্যাটার হার নারীদের চেয়ে কম এবং তা সম্ভবত এই কারনে যে পৌরুষ ও যৌনক্ষমতাকে প্রায়ই ইকুয়েট করা হয়। পৌরুষ জাগিয়ে রাখার চেষ্টা লো-লিবিডো থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটা মটিভেশন হিসাবে কাজ করে।
নারীদের মধ্যে এই হারটা হয়তো এই কারনে বেশি যে নারীদের জন্য সতীসাধ্বী হওয়াটাকে বা অযৌন জীবনযাপন করাটাকে সামাজিকভাবে প্রসংশনীয় গন্য করা হয়।

বিস্তারিত»