যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – ষষ্ঠ পর্ব

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – প্রথম পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – দ্বিতীয় পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – তৃতীয় পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – চতুর্থ পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – পঞ্চম পর্ব

ষোল
এই পর্বে টাইমিং ও ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ে বলবো।

বিস্তারিত»

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – পঞ্চম পর্ব

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – প্রথম পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – দ্বিতীয় পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – তৃতীয় পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – চতুর্থ পর্ব

তেরো
আমাদের সংস্কৃতিতেই শুধু না, শিল্প-সাহিত্যেও স্বমেহন বিষয়টা অতি উপেক্ষিত, বর্জনিয়।
তসলিমা নাসরিনের এই দুইটা কবিতায় ছাড়া আর কোথাও স্বমেহনকে স্বাভাবিক একসেপ্টেবল একটা ব্যাপার হিসাবে বর্নিত হতে দেখেছি বলে মনেপড়ে না।

বিস্তারিত»

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – চতুর্থ পর্ব

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – প্রথম পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – দ্বিতীয় পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – তৃতীয় পর্ব

দশ
এই পর্বটা পূর্ববর্তি পর্বের একটা এক্সটেনশন।
গত পর্বে নারী-পুরুষের এসেক্সুয়ালিটির পার্থক্য নিয়ে বলেছিলাম।
আজ সেটার কিছু ব্যাখ্যাও দিতে চাচ্ছি।
পুরুষের যৌনতা খুবই সীমিত এবং তা মুলতঃ লিঙ্গ কেন্দ্রিক।

বিস্তারিত»

কেউ কেউ রয়ে যায়

রেলগাড়ির ভেতরে বসে সাঁই-সাঁই করে পার হয়ে যাওয়া স্টেশনগুলোর নামফলক পড়া আমার একটি নেশার মতো। সব পড়া যায় না, অনেকটি যায়। কিছু ফলক এতই পুরনো যে, পড়তে কষ্ট হয়। দিনের বেলা খুব একটা আনন্দদায়ক না হলেও, রাতের ট্রেনে যাওয়ার সময় ফলক চেনার পাশাপাশি স্টেশনের প্ল্যাটফর্মগুলোও দেখতে ভীষণ ইচ্ছে করে। অপেক্ষাকৃত নিশ্চুপ শহরের স্টেশন আমায় আরও বেশি টানে। স্বল্প-রাতে নিবুনিবু হলদে আলোয় দোকানিরা তাদের শেষ ক্রেতার কাছে সদাই বিক্রি করছে।

বিস্তারিত»

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – তৃতীয় পর্ব

যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – প্রথম পর্ব
যৌনতা সম্পর্কিত নানা ভুল ধারনা – দ্বিতীয় পর্ব

সাত
আজ আলোপ করবো, নারীর যৌনতায় অংশগ্রহন সম্পর্কিত ভুল ধারণা বা ভুল ব্যাখ্যা নিয়ে।
অল স্ট্যাগ হ্যাং আউট গুলোতে যেসব গাইজ-টক হয়, সেখানে নারী সম্পর্কিত নানা আলাপ সালাপ হয়ই।
প্রায়ই এসব আলাপে দেখা যায়, এমন কোনো কোনো নারীর বিষয় উঠে আসে,

বিস্তারিত»

হাইটেক ফ্লার্টিং-এর হালচাল

এক
কর্পোরেট নামের এই শর্টফিল্মটা দেখতে দেখতে হাইটেক ফ্লার্টিং নিয়ে ভাবছিলাম।
এটা কারা করে?
কেন করে??
কিভাবে করে???

শুরুটা হয়েছিল মোবাইল টেকনোলজির সহজপ্রাপ্যতার সময় থেকে।
পদ্ধতি ছিল, র‍্যানডম কল করে বিপরীত লিঙ্গিয় একজনকে পাওয়া।
২৫টা কল করে এরকম ৮-১০ জনকে পাওয়া যেত।
এরপর তাঁদের কে আড্ডা দেবার অনুরোধ। প্রথম প্রথম যা খুবই নির্দোষ আড্ডায় সীমাবদ্ধ থাকতো ৎ।

বিস্তারিত»

সৈয়দ হককে মনে পড়ে

খবরটি শুনেই মনে হয়েছিল একসাথে হাজার তারার আগুন বুকের ভেতর ছুরি হয়ে বিঁধেছে। নিজেকে আকাশের মতো একা মনে হলো, মানুষ জন্মের আগে পৃথিবী যেমন একা ছিল, তেমনই একা মনে হয়েছিল। তিনি চলে গেছেন এ বাস্তবতাটি মেনে নেয়া আমার জন্য কঠিন ছিল। জানি না কেন। আমরা সবাই জানতাম তিনি চলে যাচ্ছেন; ডাক্তাররা তাই-ই বলেছিলেন। বললেই বা কী! ওনাকে কীভাবে যেতে দেই? এমন মানুষকে যেতে দেয়া যায় না।

বিস্তারিত»

অসুখের ছবি-

এবারে একেবারে জমকালো ঠাণ্ডা পড়েছে মেলবোর্নে।
এইটুকু লিখে মনে হলো, প্রতি বছরই কি এরকমই লিখি? নাকি এবারের ঠাণ্ডা আসলেই অনেক বেশি?
প্রতি বছরই মনে মনে প্রস্তুত থাকি, বছরে এক সপ্তাহ সর্দি-কাশি লাগিয়ে বসে থাকবো বাসায়। রুটিনের মত করেই। এবং ব্যস, ওই একবারই। তারপরেই আবার পুরো বছরের জন্যে মুক্তি।
কিন্তু এবারের ঠাণ্ডা আমাকে ভালোই বাগে পেয়েছে। মাসখানেক আগে সোনামুখ করে সপ্তাহখানেক সর্দি জ্বরে ভুগলাম,

বিস্তারিত»

রোহিঙ্গা ভাবনা

একটি অবুঝ শিশু
বর্মী বর্বরতার শিকার হয়ে গৃহত্যাগী
দীর্ঘ পথ হাঁটা ক্লিষ্ট, ক্লান্ত তার শরণার্থী মায়ের
পায়ের পাতার উপর মাথা রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।
খোলা আকাশের নীচে পাতা বিছানো কোন তরুতলের মাটি তার শয্যা।
মাটিতে বসে তার শীর্ণদেহী, স্নেহময়ী মা
পরম মমতায় আরেকটি শিশুকে বুকে নিয়ে আনমনে স্তন্যদান করছে।
সহায় সম্বলহীন, উৎকন্ঠিত,

বিস্তারিত»

লিয়েরি কনস্ট্যানটাইনঃ দাসের নাতি থেকে ব্যারন হয়েছিলেন যিনি!

[ব্যারন লিয়েরি নিকোলাস কনস্ট্যানটাইন ছিলেন বিধ্বংসী বোলার, বিদ্যুৎগতি সম্পন্ন ফিল্ডার এবং মারকুটে ও নির্দয় ব্যাটসম্যান! তাঁর টেস্ট পরিসংখ্যান তেমন সমৃদ্ধ নয় (১৯ গড়ে ৬৩৫ রান এবং ৩০ গড়ে ৫৮ উইকেট) যতখানি তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার (২৪ গড়ে ৪৪৭৫ রান এবং ২০ গড়ে ৪৩৯ উইকেট)। কিন্তু তাঁর অর্জন এবং অবদান শুধুমাত্র সবুজ মাঠের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি ছিল!

বিস্তারিত»

মুক্তচিন্তা, চিন্তার মুক্তি নাকি মুক্তমন?

আমার বন্ধুদের ভাইবারে একটি গ্রুপ আছে। চব্বিশ ঘণ্টা আড্ডা চলে সেখানে। রাতে ঘুমানোর সময় নোটিফিকেশন বন্ধ করে করে রাখতে হয়। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বন্ধুরা। দেশে আমরা যখন ঘুমাচ্ছি, আমেরিকা-কানাডার বন্ধুরা তখন অফিসে যাচ্ছে; অথবা কেবল ঘুম থেকে উঠেছে। বেশিরভাগই ঠাট্টা-মশকরা ও কৌতুক লিখে পাঠায় সবাই। অনেক গুরুগম্ভীর জ্ঞানের আলোচনাও চলে হরদম। অনেকে আবার সে নিজে কত জানে তাও জাহির করতে চায়।
মাঝে-মাঝেই কেউ-কেউ ধর্ম নিয়ে কথা বলে বসে।

বিস্তারিত»

~ কথার ভাঁজে উপহার অপেক্ষমান সেই ছুরি ~

[ অল্প কবিতা অল্প গল্প ~ একটি ‘অকল্প’ ]

অনেক দিন কথা হয় না।
আট দিন এগারো ঘন্টা। একে কি অনেক বলে !
সব খবর ভালো তো ?
যেমন হয় আর কি।
অভিমান নাকি রাগ !
বলেছি !
রাগ তো বিশ্বের সুলভতম বিষয়টি বৈ অন্য কিছু নয়।
সেজন্যেই তো ওসব করা ছেড়েছি।
মন অবশ্য মানুষের সব দিন এক রকম থাকেনা।

বিস্তারিত»

জিদান – কিং অফ লিজেন্ডস

আচ্ছা সর্বকালের সেরা ফুটবলার কে? সবাই মারামারি শুরু করে দিবেন কে বড় তা নিয়ে। পেলে নাকি ম্যারাডোনা? কিন্তু যারা অন্ধ নয়, যাদের চোখ খোলা, তারা এই দুইজনের সাথে আরেকটা নাম নিশ্চিন্তেই যোগ করবেন- জিনেদান জিদান। বিংশ শতাব্দীর অবিসংবাদিত ফুটবল যুবরাজ।

আলজেরিয়ান দরিদ্র পরিবারে জন্মানো জিদান এর ক্যারিয়ার এর মূল পর্বটা শুরু যখন তার উপর চোখ পড়ে এ এস ক্যানসের ভ্যারার্ডের।

১৯৯২-৯৩ মৌসুমে জিদান যখন Bordeaux ক্লাবে,

বিস্তারিত»

আনবিয়ারেবল মিনিংলেসনেস অফ বিয়িং

দীর্ঘ ছুটিতে কোথাও যাইনি আমি। কোন রেস্টোরেন্টে, শপিংমলে, বইয়ের দোকানে, পার্কে, বন্ধু-বান্ধবের চৌকোনা ঘরে, কোন সভায়-আড্ডায়–কোথাও না। কোন প্রেমিকের মুঠোয় যাইনি, রিকসায় ঘেঁষিনি। নদী-সমুদ্র,পাহাড়-জঙ্গল কোথাও নিজের শ্বাসমূল খুঁজিনি। তেড়িয়া অভিযাত্রীর ঘাড়ে শুয়ে থাকা ক্যামেরার চোখে আমাজনের দুর্গম নাড়ী-নক্ষত্রে ঘুরেছি (ইউটিউবে)। এই দীর্ঘ আলস্যমোড়ানো ছুটিতে আমার হাত-পায়ের আড়মোড়া ভাঙাতে বুয়া চিকুনগুনিয়ায় নিরুদ্দেশ হল। আমরা–আমি আর আমার ঘরের দেয়াল আঁকড়ে থাকা দশাসই টিকটিকি তবু স্থানচ্যুত হলাম না।

বিস্তারিত»

বিবিধ উপলব্ধি – দ্বিতীয় পর্ব

বিবিধ উপলব্ধি – প্রথম পর্ব

ছয়
একাধিক অসফল বিবাহের ট্রমা কাটিয়ে নতুন সম্পর্কের প্রচেষ্টায় থাকা এক নারী সম্পর্কে জনৈক ভদ্রমহিলার কটুক্তিতে আহত হয়ে ফেসবুকে পাবলিক স্ট্যাটাস দিয়েছেন একজন প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা ধারণকারিণী।
স্ট্যাটাসদাত্রীর মূল চাওয়া হলো, ভালবাসা খুজে ফেরা নারীর প্রতি যেন সহানুভুতি দেখায় অন্যেরা।
এই চাওয়াটা অমায়িক কিন্তু তা পুরন করতে গিয়ে তিনি কটূক্তিকারী ভদ্রমহিলাকে যেসব প্রশ্নবানে জর্জরিত করেছেন,

বিস্তারিত»