স্বগতোক্তি

আসসালাতু খায়রুম মিনান্নাউম
রাতের আঁধার চিরে দৃপ্ত ঘোষনা
কথা গুলো এখনো কানে ভাসে
“বেটা ওঠ, বেলা দশটা বাজে“
মুচকি হাসি চলে আসে
জানি, কেন এমন বলতে।
আমি কি কম চালাক ছিলাম?
দরোজা একটু ফাঁক করে
নিশ্চিন্তে লম্বা ঘুম দিতাম।
এভাবে তোমাকে ঠকাতে গিয়ে
নিজেকেই ঠকিয়েছি বারবার।
এখন বড্ড কষ্ট লাগে
বাবা হবার আগে কেন
বাবাকে বোঝা যায় না?

বিস্তারিত»

রোমাঞ্চের তীব্রতা

খুব সম্ভবত ঘটনাটা ১৯৯০-এর। আমরা তখন সবেমাত্র ক্লাস নাইনে উঠেছি। ক্যাডেট কলেজের জুনিয়র গ্রুপের মধ্যে সিনিয়র ক্লাস। একদিকে হালকা মাত্রার সিনিয়রিটির ভাব, অন্যদিকে আবার জুনিয়রের সামনেই মাঝে-মধ্যে প্রিফেক্ট, স্টাফ বা টিচারদের দ্বারা পানিশমেন্ট। এক আজব সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা তখন। প্রথম বয়োসন্ধির নাকের নিচে হালকা গোঁফের রেখা। এরই মধ্যে আবার দুয়েকজন এই হালকা গোঁফে লুকিয়ে রেজার চালিয়ে ফেলেছে। তাই নিয়ে আবার একেকদিন একেকজনকে নিয়ে চলে হাসাহাসি।

বিস্তারিত»

দাগ

১।
লোকটা মুচী না হয়ে, কোনো মাসাজ পার্লারেও কাজ করতে পারতেন! এমন সুনিপুণ হাতে জুতার উপর ব্রাশ ঘষছেন যে, আরামে জুতা যখন তখনই ঘুমিয়ে যেতে পারে। মুচী জনার্দন হলের কাছের ক্যাম্পাসের এ পাশটায় বেশ পরিচিত মুখ। তার হাতে পালিশ করা জুতা পরে, কত পদযুগলের মালিক আজ সমাজে উঁচু পদে অসিন হয়েছেন!
আজও যেমন একজনের ইন্টার্ভিউ। তার কাছেই জুতা পালিশ করাচ্ছে।
জনার্দনের বুট পালিশের সুগন্ধে একটা মাছি সেই তখন থেকেই পেরেক ঠোকার হাতুড়িটার উপর বসার চেষ্টা করছে।

বিস্তারিত»

লুকোচুরি

টিল্লো–ও, ধাপ্পু, টুকি টুকি
ছোটরা খেলে লুকোচুরি
খুজে পায় বা নাই পায়
খেলাতেই মজা ভারি।
বড়রাও খেলে লুকোচুরি
লুকায় লুকায় চুরি চুরি
কি লুকায় খুজে দেখি
কে বা আছে এত সাহসী!

একান্ত সেই গোপন কোটরে
লুকিয়ে রাখি কত কী যে!
না পাওয়ার দুঃখ রোগ
টাকা কড়ি গোপন ভোগ
লুকিয়ে রাখি চোখের জল
আর লুকাই বুকের অনল।

বিস্তারিত»

থেমিস কি অন্ধ?

 

 

 

 

 

 

থেমিস কি অন্ধ না কি তার চোখ বাঁধা?
সে দেবী না মানবী এ এক দুর্বোধ্য ধাঁধাঁ!

তার দাঁড়িপাল্লায় পূণ্যের শূণ্যতা
থাকে নিরাপদ উচ্চতায়
সুবিচার প্রার্থী বিপদে থাকে
নাঙ্গা তলোয়ারের ঘায়!

তার   জালে চুনোপুঁটি আটকা পড়ে
আর রাঘববোয়াল দাপিয়ে বেড়ায়
থেমিস কি অন্ধ? 

বিস্তারিত»

বাবা

রাতে একদমই ঘুম হয়নি। আইহাম এর জ্বর। এক পাশে আইহাম এবং অন্য পাশে আইমান কে নিয়ে শুয়েছিলাম। ওদের মা গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণে গাজীপুরের কোন এক জঙ্গলে। জ্বরের কারণে ছেলেটি সারা রাত খুব কষ্ট পেয়েছে। রাত ৩টার দিকে শরীর স্পঞ্জ করতে হয়েছে। সকালে ফজরের নামাজ শেষে কপালে হাত দিয়ে দেখলাম জ্বর কিছুটা কমেছে। পাশের রুমে রিয়া আপু। ২দিন ধরে চিকনগুনিয়ায় ভুগছে। কাল রাতেও শরীরের ব্যথায় চীতকার করে কাঁদছিল।

বিস্তারিত»

‘আপনার সন্তানকে ক্যাডেটে দেবেননা’ শীর্ষক ব্লগের প্রতিক্রিয়া

১।

এবার বিশ্বকাপে জার্মানি প্রথম রাউন্ডেই বাদ পড়ায় আমরা বেশিরভাগই উল্লসিত হয়েছি। আর্জেন্টিনা (’৯০ ও ২০১৪ ফাইনালে পরাজয়) বা ব্রাজিলের (২০১৪ সালের কুখ্যাত ১-৭ পরাজয়) সমর্থকের তাও কিছুটা কারণ আছে, অন্যান্য দেশের সমর্থকদের উল্লসিত হবার কারণ কী? পরবর্তী রাউন্ডে সহজ প্রতিপক্ষ পাবে এই ভেবে? হ্যাঁ, এটি একটি যুক্তি। কিন্তু যুক্তিটি তেমন জোরালো নয়।

মূল কারণ হচ্ছে Schadenfreude, পরিহাসের মত শোনালেও শব্দটি জার্মান।

বিস্তারিত»

পৃথিবীর সেরা শার্ট!

বাবা যখন বাক্স থেকে বের করলেন সেই মুহূর্তেই আমি আর আমার ছোট ভাই ঠিক করেছিলাম-একবার পড়তে পারলে হয়, এই জিনিস আর গা থেকে খুলছি না!

বাবা যখন বাক্স থেকে বের করলেন সেই মুহূর্তেই আমি আর আমার ভাই ঠিক করেছিলাম-একবার পড়তে পারলে হয়, এই জিনিস আর গা থেকে খুলছি না!

অবশ্য, বাক্সটা যেদিন আমাদের সুইজারল্যান্ডের বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছল সেদিন কিছু বুঝতে পারি নি।

বিস্তারিত»

খেলায় খেলায় পাওয়া পরিচয়ঃ

এবারে, অর্থাৎ বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৮ আমি পূর্ণ মনযোগ নিয়ে দেখছিনা। এর প্রথম কারণ বৈরী সময়, বেশী রাত জাগা স্বাস্থ্যের অনুকূল নয়। আর দ্বিতীয় কারণ আমি অন্যবিধ কাজে অর্থাৎ কিছুটা লেখালেখিতে ব্যস্ত। রাত দশটায় শুরু হওয়া খেলাগুলো এখনো দেখি, তবে বরাবরের মত টিভি’র সামনে বসে থেকে খেলা না দেখলেও মাঝে মাঝে লেখা থেকে উঠি আর দেখি। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার উন্মত্ত সমর্থকদের বাড়াবাড়ি দেখেও যারপরনাই বিস্মিত হই ।

বিস্তারিত»

সহমর্মিতা, শিষ্টাচার এবং ভব্যতার নান্দনিক দৃষ্টান্তঃ

গতরাতে ইংল্যান্ড আর কলাম্বিয়ার খেলাটা টান টান উত্তেজনা নিয়ে ১-১ গোলে শেষ হলো। ঘরোয়া আলোচনায় কেউ কেউ রেফারীর বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের পক্ষে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনছিলেন। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের পক্ষে দেয়া ঐ পেনাল্টি কিকের বৈধতা নিয়ে। আবার কেউ কেউ কলাম্বিয়ার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে অত্যধিক ফাউল করে খেলার অভিযোগ আনছিলেন। এসব আলোচনা সমালোচনার মাঝেই পেনাল্টি শুট আউট শুরু হলো। প্রথম মিসটা অবশ্য একজন ইংলিশ খেলোয়াড়ই করলেন। তারপরে একই অকাজ করলেন কলাম্বিয়ার দু’জন খেলোয়াড়।

বিস্তারিত»

আত্মকথনঃ শখের তোলা আশি টাকা

লেখাটা গত রাতে লিখেছি; রাত বারটার পরে এখানে পোস্ট করা হলো।

১. শুরুতেই সঙ্গীত শিল্পী/বোদ্ধা এবং শচিন-ভক্তদের কাছে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

২. বেশ খানিকটা ধৃষ্টতা হয়ে গেল। একালে শচিন দেব বর্মনের যে কয়জন ভক্ত বর্তমান, আমার জানামতে তাদের মধ্যে আমার বাবা (বাপিমনি) এক নম্বরে, আর দ্বিতীয়টা মনে হয় আমি। ভাগ্যিস বাপিমনি ফেসবুকে নেই; থাকলে আমার “গর্দান চলে যেত”

বিস্তারিত»

ছায়া কিংবা ছবিঃ ছয়

পরীক্ষার হল একমাত্র জায়গা যেখানে একটি ছেলে একটি মেয়েকে নির্ভয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারে, “তোমারটা একটু দেখি, দেখাবা?”
গল্পটার শুরু এখানেই।
মেয়েটি’র খুব রাগ হয়েছিল। ছেলেরা এত্ত খারাপ!

অনেক অনেক দিনের পরে মেয়েটি একদিন বলেছিল, “দেখবা?”
চাঁদ তখন ভীষণ ছুটছে মনকে নিয়ে যেন ডুরি ছেঁড়া ঘুড়ি।
পূর্ণিমার আলো-আঁধারিতে মেয়েটি কী এক হাসি হেসেছিল,
সেই থেকে ছেলেটি অন্ধ-কালা-বোবা!

কোন এক ভরা পূর্ণিমাতে দূরের এক সাঁওতাল পল্লীতে কালো এক ছোঁড়ার কাঁকাল ধ’রে মাতাল এক ছুঁড়ির নাচার বড় ইচ্ছে জমা হয়েছিল অনেক অনেক দিন ধ’রে,

বিস্তারিত»

ব্রাজিল প্রি-ম্যাচ প্রিভিউঃ ব্রাজিল বনাম মেক্সিকোঃ রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮:

ব্রাজিল প্রি-ম্যাচ প্রিভিউঃ ব্রাজিল বনাম মেক্সিকোঃ রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮:
==================================================================

রাউন্ড অফ সিক্সটিন (নক-আউট) পর্বে আজ বাংলাদেশ সময় ০২ জুলাই ২০১৮ (সোমবার), রাত ৮টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল বনাম মেক্সিকো।

ব্রাজিলের যেরকম আক্রমণ ভাগ তাতে খুব সম্ভবত ৪-১-২-৩ এই খেলা শুরু করবে। তার মানে দাড়াচ্ছে বাম দিক থেকে শুরু করলে

৪-
(মার্সেলো- থিয়েগো সিলভা- মার্কুইনহোস- দানিলো)-
১ –

বিস্তারিত»

ভালবাসার উহ্য ভাষাঃ

“আজ সকালে Delights & Shadows কবিতার জন্য ২০০৪ সালে পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত ৭৯ বছর বয়স্ক আমেরিকান কবি Ted Kooser এর Porch Swing in September কবিতাটি পড়ছিলাম। কবিতাটি পড়ে কবি সম্বন্ধে জানতে তার ‘সংক্ষিপ্ত পরিচিতি’ তে গেলাম। সেখানে এক জায়গায় তার পরিবার সম্বন্ধে লেখা আছেঃ

He lives near the town of Garland, Nebraska, with his wife, Kathleen Rutledge, and their dogs, Alice and Howard. He also has a son,

বিস্তারিত»

নেইমার এর ফলস ডাইভ বা অতি ডাইভ আর ম্যানেজার তিতের মেনে নেয়া – ব্রাজিল প্রিভিউ বিফোর রাউন্ড অফ সিক্সটিন (রাশিয়া বিশ্বকাপ ২০১৮)

এই বিশ্বকাপে ব্রাজিল এর নম্বর টেন নেইমার এর ফলস ডাইভ বা অতি ডাইভের এর অতি প্রবণতা আজকাল অনেকেরই বিরক্তির কারণ হচ্ছে (এমনকি বেশির ভাগ সময় সামান্য ট্যাকেলও তিনি নিজের ভারসাম্যও রক্ষা করতে পারছেন না)। দলের ম্যানেজমেন্ট থেকেও এ ব্যাপারে তেমন কোন নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেনা। এবং নেইমার ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার ইংগিত দিলেও অতি ডাইভ দেয়াটা মাঝেই মাঝেই প্রয়োগ করছেন। অনেক সমালোচনাও হচ্ছে (আমি নিজেও বিরক্ত,

বিস্তারিত»