মহেশ্বরপাশা জোড়বাংলা মন্দির – দৌলতপুর

বহু দিন ধরে’ বহু ক্রোশ দূরে

বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে

দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা

দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া

একটি ধানের শিষের উপরে

একটি শিশির বিন্দু।।

       ৭ই পৌষ ১৩৩৬

       শান্তিনিকেতন          শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সত্যজিৎ রায়’র খাতায় লিখে দেওয়া বিশ্বকবির এই কালজয়ী বাণী সবার মতো আমিও পড়েছি বহুবার,

বিস্তারিত»

মরিচীকা সুখ।

ম‌রিচীকা সুখ
‌মো ও খা ও।

কা‌রো কা‌রো ম‌নে এত সুখ, সুখ ফে‌রি ক‌রে
বচ‌নে‌ে সুখ বস‌নে সুখ মু‌খে‌তে সু‌খের খই উড়ে
আস‌নে সুখ বাস‌নে সুখ, সু‌খেই নিদ্রা হ‌রে
সুখী ভে‌বে সুখ খু‌জে বসত সু‌খের অন্ধকা‌রে ।

‌বৈশা‌খে না‌মে নাই প‌থে বজ্র‌নিনাদ শুন‌তে পা‌বে
আষা‌ঢ়ে ভিজে নাই দিন প‌ঙ্কে কদম পিছ‌লে যা‌বে,
হাত দি‌য়ে খায়‌নি‌ খাবার সোনর চামচ ছিল মু‌খে
মা‌য়ের বু‌কে‌তে হয়‌নি‌তো ঘুম এখনো নির্ঘুম চো‌খে।

বিস্তারিত»

বই নিয়ে আলোচনাঃ “সুপ্ত স্মৃতি”

বই পরিচিতিঃ

বই এর নামঃ ‘সুপ্ত স্মৃতি’
বই এর ধরণঃ আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা
লেখকের নামঃ অধ্যাপক গোলাম রহমান খান
প্রকাশকের নামঃ শ্রাবন প্রকাশনী
১৩২, আজিজ সুপার মার্কেট (২য় তলা),
শাহবাগ, ঢাকা-১০০০
প্রচ্ছদঃ দিদারুল দিপু
উৎসর্গঃ “আকরামের জাগ্রত স্মৃতির উদ্দেশ্যে”
গ্রন্থস্বত্বঃ ডাঃ সেলিনা খান
প্রথম প্রকাশঃ জুন ১৯৯৩, দ্বিতীয় মুদ্রণ সেপ্টেম্বর ২০১৪
পৃষ্ঠা-১০৪,

বিস্তারিত»

গ্রামীনফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আমি গত প্রায় দুই দশক ধরে গ্রামীন ফোনের মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করি। গ্রাহক সেবা বা মানজনিত সমস্যা, কলরেট বা ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য ইত্যাদি সত্ত্বেও অন্য নেটওয়ার্কে যাই নি শুধুমাত্র পুরনো নম্বরটি অনেকের কাছে আছে দেখে। কেননা, এটা এখন আমার পরিচয়ের অংশ হয়ে গেছে। (পরিতাপের বিষয় গ্রামীন কর্তৃপক্ষ একবারও সামান্য সৌজন্য কল করে ধন্যবাদ পর্যন্ত দেয় নি! এত পুরনো গ্রাহক হবার কারণে এতটুকু তো আশা করতেই পারি!)

যা হোক,

বিস্তারিত»

কোটা বন্ধ!

দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীগন আন্দোলন করিয়া সরকারী চাকুরি হইতে সর্বপ্রকার কোটা প্রথাকে উচ্ছেদ করিয়াছেন জানিতে পারিয়া অতিশয় আহ্লাদিত হইলাম। এতদিনে সরকারি চাকুরিতে কেবলই মুক্তিযোদ্ধা অথবা তাহাদের সন্তানাদি অথবা নারীকুলের একচ্ছত্র আধিপত্য বিরাজ করিত। এক্ষনে সেই উপদ্রব বিদূরিত হইলো।
দিব্যচক্ষে বেশ দেখিতে পাইতেছি – সরকারী দপ্তরসমূহ মেধাবীতে সয়লাব হইয়া গিয়াছে। নিত্যকার দাপ্তরিক কর্মকান্ডে তাহারা ক্রমাগত মেধার স্বাক্ষর রাখিয়া সরকারী বিভাগসমুহকে শণৈ শণৈ উন্নতির চরম শিখরে লইয়া যাইতেছেন।

বিস্তারিত»

দেখা

নীল সাগরের তল দেখিনি
দেখেছি তোমার নীল দু’চোখ
দেখেছি কত গভীর সে তা
সেথা ডুবেই না হয় মরণ হোক।

দেখেছি গোলাপ পাঁপড়ি আমি
দিন শেষে সেও হয় মলিন
রাঙা তোমার ঠোঁটের হাসি
বুকে আমার বাজায় বীণ।

শান্ত দিঘীর জল দেখেছি
কি মায়াময় রুপ যে তার
দৃষ্টি তোমার ততই গভীর
শিহরণে মন জাগে আমার।

বিস্তারিত»

ক্লান্তি

জেগে থাকার আছে
এক বিস্ময়কর ক্লান্তি

তবুও মানুষ জেগে থাকে
তার যাপিত জীবনের সমস্ত স্মৃতি নিয়ে
সেই কবে, পেয়ারা গাছে পাখির বাসা
পেঁপের ডাটিতে বানানো
সাবানের বুদ্বুদ,
সময়ের মতই যা গেছে উড়ে,
প্যারেড মাঠের কোনায়, কুমকুমদের বাড়ি ছুঁয়ে

এই তো কবে যেন, তোমার ঠোঁটে
আঁকতেই চুমু , গলে গেলো উত্তর মেরু
বিস্ফোরিত হোল ক্র্যাকাটাও
তোমাদের সেই বিখ্যাত চিলে কোঠায়

এই তো সেদিন
জয়নাল,

বিস্তারিত»

আশা মনে নিরাশা

মনটা আর মন নেই
চাওয়া পাওয়ার হিসেবক্লিষ্ট
রোগাক্রান্ত মন আজ
স্বপ্নভারে ন্যুহ্য
কি চাও তুমি মন? জানো কি তা?

পূর্ণিমারচাঁদ দেখতে সাধ হয়
হাসিতে জলতরঙ্গ
দৃষ্টিতে রঙধনু
কিংবা শব্দ সুরের মুর্ছনা….
বড্ড বেশী চাওয়া গো তোমার…..।

নিজ ভুবনের রাণী হয়ে
সে করছে রাজত্ব
আর আমি…..?
তার স্বপ্নে বিভোর হয়ে
না পাওয়ার অপূর্ণতায় ডুবে
একদিন না হয় শেষই হবো…..।

বিস্তারিত»

সময়ের সংলাপ

বাবলু তুমি দৌড়ে চলো, দৌড় ছাড়া আর চলবে না,
থামাথামি তো চলবে না, জোর কদমেও চলবে না।
সময় তোমার বড্ডো কম, এ ছাড়া আর গতি নেই,
পিঠের বোঝা ভারী হলেও চলতে হবে তা নিয়েই!

বাবলু তোমার মনটা খারাপ? দিশেহারা বড্ডো তুমি?
বুকটা তোমার হয়ে আছে মরু সাহারার বিরাণ ভূমি?
দিনভর তুমি কিসব লিখো, কার কাছে কি বলবে বলে,

বিস্তারিত»

মরিচীকা

মরিচীকা
মো ও খা ও।
উড়তে উড়তে উড়ে গেছি বহুদূর
সুদুর নীলিমা জুড়ে দিকহীন রোদ্দুর
প্রান্তর পাড় হয়ে খেয়া দাঁড় ফেলে
কালা পানি সাতারে ঢেঁকুর গিলে।
ঐযে আকাশ সেত কিছু নয়, শুন্য
চাঁদ যে কত সুন্দর খানা খন্দ পূণর্
বাতাস বাতাস নয় সে তোলে ঝড়
প্রেম কি সে প্রেম প্রবাহ প্রলয়ঙ্কর।

আছারিল জননী জঠর পিয়াতক
মাতোয়ার মহুয়া রসে ঢেউ পাঁক,

বিস্তারিত»

ছায়া কিংবা ছবিঃ দুই

কৈশোরে বিভূতিভূষণ’র লেখা ‘পথের পাঁচালী’ পড়ে মন আটকে গিয়েছিল অপু’র চরিত্রে, কাহিনী’র বিন্যাসে, আর জীবনবোধ বিশ্লেষণে। অনেক পরে টেলিভিশনের পর্দায় সত্যজিৎ রায়ের হাতে গড়া সেই উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ন দেখেছিলাম।

পার্থক্যটা পরে বলছি।
বাংলা’র শিক্ষক শিখিয়েছিলেন – ‘অপু আমাদের সমষ্টিগত কৈশোর – ব্যাখ্যা কর। – এটি ছিল পরীক্ষার সবচেয়ে ওপেন কোশ্চেন!
সেই উপন্যাস আমার এখনো সেরা পড়ার তালিকায় – সবার ওপরেই আছে!

কাছে এসে,

বিস্তারিত»

শ্রীমঙ্গল ভ্রমণ, সাথে আরোও অনেক কিছু

কয়েক দিন আগে শ্রীমঙ্গল ঘুরতে গিয়েছিলাম। এর সাথে মৌলভীবাজার এর বেশ কয়েকটি ট্যুরিস্ট স্পটে ঘুরার সুযোগ হয়েছে। আজকে আমি সেই সব যায়গার যাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবো।

যদি কেউ দু’দিনের একটি শর্ট ট্যুর দিতে চান, এবং আপনি ইতিমধ্যে সিলেট এবং এর আশেপাশেও ভ্রমণ করে ফেলেছেন; চিন্তা করবেন না, আপনার মতো ভ্রমণকারীদের জন্য আরো অনেক ঘুরবার  জায়গা অপেক্ষা করছে।

ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

তার আগে আমি নিচে আমার ঘুরতে যাওয়া যায়গা গুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা

১।

বিস্তারিত»

ইথার সুন্দরী

ইথার সুন্দরী,
গত রাতের স্বপ্নগুলি ছিল অনেকটা স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার মতো। বেশ অনেক গুলি ছোট ছোট স্বপ্ন দেখলাম। আশ্চর্য হলাম এটা ভেবে যে কোনো স্বপ্নেই আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম না। আমার এই জীবনের পাওয়া না-পাওয়া আর চাওয়া না-চাওয়া মানুষগুলিকে ঘিরে ছিল আমার এই সিরিজ স্বপ্ন। প্রথম যে স্বপ্নটা দেখলাম তা ছিল আমার জীবনের প্রথম ভালবাসার মানবীকে নিয়ে, যাকে কখোনোই জানানো হয়নি আমার মনের কথা। দৃশ্যটা ছিল এমন যে,

বিস্তারিত»

মরিচীকা

মরিচীকা
মো ও খা ও।

উড়তে উড়তে উড়ে গেছি বহুদূর
সুদুর নীলিমা জুড়ে দিকহীন রোদ্দুর
প্রান্তর পাড় হয়ে  দাঁড় ফেলে
কালা পানি সাতারে ঢেঁকুর গিলে।
ঐযে আকাশ সেত কিছু নয়, শুন্য
চাঁদ যে কত সুন্দর খানা খন্দ পূর্ণ
বাতাস বাতাস নয় সে তোলে ঝড়
প্রেম কি সে প্রেম প্রবাহ প্রলয়ঙ্কর।

আছারিল জননী জঠর পিয়াতক
মাতোয়ার মহুয়া রসে ঢেউ পাঁক,

বিস্তারিত»

একটি ক্যাডেটীয় প্রেমকাহিনী

রংপুর ক্যাডেট কলেজের কলেজ বাসটা জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে যখন পার্ক করলো ক্যাডেটরা তখন ক্লাস শেষে ফলইন করে আছে লাঞ্চে যাবার জন্য।পার্কিং এ যাবার সময়ই ক্ষণিকের জন্য চোখে চোখ পড়লো নীল হাউজের জেপির সাথে( ফার্স্ট স্পেলের জেপিশীপ চলছিল)। সি সি আর এর ইলেভেন এর এক্সকারশন!
ঐ দিন থেকেই কবিরের মনে লাল-নীল প্রজাপতি উড়া শুরু করলো।সেই যে শুরু,এরপর আর ওকে পায় কে! কক্সবাজার,ইনানী কি টেকনাফ-সবখানে সে তার জেপি কেই দেখে।ক্লাস ইলেভেনের এক্সকারশন শেষ হয়।কবিরের মনের নীল হাউজের জেপি ভূত হয়ে চেপে বসে।লাজুক স্বভাবের কবির একে ওকে বলে খোঁজ করার চেস্টা করে।কিন্তু পেতে পেতে অপেক্ষা করতে হয় পরের ছুটি পর্যন্ত।অবশেষে খুঁজে পায় এনাকে!ক্লাসমেট ওরা।তাই অবশ্যই প্রথমে ফ্রেন্ডশীপ করতে হবে।এখন কবির দ্বারস্ত হয় ব্যাচের লাভগুরু আসিফের কাছে!

বিস্তারিত»