হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা

তাড়াতাড়ি সবাই এইডা শুনেন।

২.৬ মেগা। ডাউনলোড করে নিতে হবে…

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

চীনদেশী পণ্য- কিনে হও ধন্য

সে অনেকদিন আগের কথা। বঙ্গদেশে তখন নতুন নতুন মোবাইল এসেছে। বাপ চাচারা ফিলিপ্স ডিগার মতো বিশাল বিশাল সেট নিয়ে ভাঁজ নেন…পকেট থেকে মাঝে মাঝে যন্ত্রখান বের করে তার দিকে আবেগঘন চোখে তাকান আর মনে মনে উচ্চারণ করেন, “আমি পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম…”

সেদিন গিয়াছে। বড় বড় সেটগুলো ছোট হতে হতে কখনও লিপ্সটিকের সমান হয়ছে। আআআবার বড় হয়েছে। সাথে যুক্ত হয়েছে ক্যামেরা, গান শোনার ব্যবস্থা,

বিস্তারিত»

ট্রেডিশন কন্ট্রাডিকশন।

কলেজের নতুন এডজুটেন্ট এসেছে, আমরাও ক্লাস ১২ এ নতুন উঠলাম মাত্র। এডজুটেন্ট স্যার যাই ধরেন আমরা ট্রেডিশন এর দোহাই দিয়ে পার পেয়ে যাই। পি.টি গ্রাউন্ডে লেট হ্ল; “স্যার এটা আমাদের কলেজের ট্রেডিশন”, সবার যেন উত্তর মুখস্থ ছিল। কলেজে ক্লাস ৭-এ এই “ট্রেডিশন”-এর খপ্পরে পড়ে নিজের “কনডিশন” খারাপ হয়ে গিয়েছিল।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

সিনিয়র রঙ্গ

(গৌরচন্দ্রিকাঃ পুলাপান সব কি মইরা গেসস নাকি? পরার চাপ থিকা রিলিফ পাইতে সাইট এ আইসা দেখি কুনু লিখা নাই।আছাড় মারতে ইচ্ছা করসে সব কয়টারে(সিনিয়র ভাইরা বাদে)। আমার ফেসবুক এর সাইট থিকা কিসু লিখা তুইলা দিতাসি মনের দুঃখে-তরা ত কেউ লিখস না-বিয়াদব পুলাপান তুম্রা ব্লগ না লিখা কি গানা বাজনা কইরতিসাআআআআও?(ইলিয়াস স্যার এর ভাষায়) থাউক আর কথা না বারায়া লিখা দেইঃ)

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

দুই লাইন

আমার কেমিস্ট্রি ভিতী কলেজ বিখ্যাত। এক কেমিস্ট্রি পরীক্ষার আগে অনেক রাত পর্যন্ত পড়ে ঘুমিয়েছি, ভোরে তাসনীম ডাক দিল, স্যাম উঠ, দেখ সকালটা কত সুন্দর।

আমি নাকি বলছি, কার্বন ঢেলে দে পানি হয়ে যাবে।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

তপু কথন…

রাশেদ ভাই

নির্ঘুম রাত আজ
মনে পড়ে সেই সাজ
আমাদের গড়া তাজ
ফেলে রাখা শত কাজ
তবু তোমারি খোঁজে এই আমি দিশেহারা……

ক্লাস সেভেনে যখন ঢুকি তখন উনি জুনিয়ার প্রিফেক্ট…টাক মাথা অতিব ভদ্রলোক…

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

যার নাম ক্যাডেট

সাপের খোলস বদলের মত,
ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত স্কুলটির সাথে-
ভরদুপুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতারের
স্বাধীন জীবনটিরও অকাল প্রয়াণ।
অতঃপর অনুপ্রবেশ- ক্যাডেট কলেজ নামক একটি মিক্‌চার মেশিনে
পরবর্তী ছয় ছয়টি বছর কিছু অবাধ্য চোখের পানি,
ড্রিল গ্রাউন্ড নামক খোয়া
এবং সকালের পিটি নামক বালি্র সাথে
কাস্টমস এন্ড এটিকেট্‌স উইথ ম্যানারিজম,

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

খেলবনা…আড়ি…

মিড শেষ। এই শেষের চিন্তা করে গত কয়েকদিন কত প্ল্যান করেছি ইয়েত্তা নাই। সিরিয়াল জমা পড়ে অনেকগুলা। 4400, Private Practice… কিন্তু পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে আর কিছু করতে ইচ্ছা হয় না। সারাদিন নেটে পইড়া থাকি…ব্লগ পড়ি, কমেন্ট দেই। বেশীর ভাগ পোলাপাইন বাসায় চলে গেছে। আমার সেই বাসাতেও যেতে ইচ্ছা করেনা। কেমন যেন একটা কুয়াশা জমে আছে মাথায়…

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

এসে পড়লাম

কলেজের গ্রুপ মেইলে এই সাইটের খোঁজ পেলাম। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ ব্লগের উদ্যোক্তাদের । বাংলাদেশে উৎপন্ন যাবতীয় ক্যাডেট এখানে একত্রিত (হা…হা…) ! ধন্যবাদ জিহাদকেও (আমাকে ইনভাইট করার জন্য)। নিঃসন্দেহে এ-জন্য ক্যাডেট জাতি তাদের ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।

যাই হোক, এসে তো টাসকি খায়া গেসি। কি মনোরম চিল্লা-পাল্লা হচ্ছে। মনে হচ্ছে তালুকদার স্যার এইমাত্র ক্লাসের ব্রেক দিয়ে একটু সিগারেট টানতে গেছেন।

বিস্তারিত»

সিমেট্রিক

ক্লাস ইলেভেনর প্রথম পরীক্ষা। ক্লাসে মোটামুটি সবাই ফেল করসে। ভিপি ম্যাডাম ছয় জেপিকে ডেকে পাঠালেন। অনেক্ষন চেচামেচি করে ঝাড়ি দেয়ার পর কি যেন একটা সন্দেহ হলো উনার।

-তোমাদের কি অবস্থা? তোমরা পাশ তো?

এ ওর মুখ চাওয়াচাওয়ি করলো।

-কি?? (আবার চিৎকার)

তিনজন তিনজন করে সমান দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেলো জেপিরা, প্রতি হাউস থেকে একজন করে পাশ,

বিস্তারিত»

সাদ্দাম

আমি লকারের সামনে দাঁড়িয়ে রেডি হচ্ছি টি-ব্রেকে যাওয়ার জন্য। ছেলেটা পা টিপে টিপে আমার রুমে ঢুকে লকারের সামনে এসে দাঁড়াল। সদ্য ইন্টার হাউস কম্পিটিশনে পাওয়া মেডেলটা ধরে নাড়াচাড়া করছিল। ছেলেটার মনের কথা বুঝতে পেরে কথা ঘুরাই, “কিরে

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

খাতা পর্ব

খাতা নিয়ে কিছু কথা…আর কিছু মনে পড়ছে না, অন্যান্য কলেজ গুলো এটাকে টেনে নিয়ে যাবে আশা করি।

সাধারণ জ্ঞান একটা পরীক্ষা হত, ফর্ম ক্লাসে। নম্বর যোগ হত না। সুতরাং এইখানে ক্যাডেটদের অপিরিসীম জ্ঞানের সুবিশাল ভান্ডারের খোজ পাওয়ার পরম সৌভাগ্য লাভ করতেন শিক্ষকেরা।

*পৃথিবীর দ্রুততম মানবী কে?

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

ট্রেন্ড

গার্লস ক্যাডেট কলেজে পানিশমেন্ট বয়েজদের চেয়ে তুলনায় অনেক কম। স্যার ম্যাডামরা মনে হয় মনে করতেন একটু মাইর খাইলেই মেয়েরা কেন্দে দিবে…আমাদের ফ্রন্টরোল ট্রন্টরোল কিচ্ছু নাই, ছিলো যা তা হলো ডিপি, ইডি… যেইটা বয়েজদের কাছে ডালভাত। তবে আমাদের একটা ডিপি খাওয়া মানে একদম মার্কামারা হয়ে যাওয়া, (এবং ক্যাডেটদের কাছে হিরোইন :D হয়ে যাওয়া)।

এহেন বোরিং অবস্থায় আমরা নিজেরাই কিছু জিনিসপাতি খুজে নিতাম আনন্দের জন্য।

বিস্তারিত»