একটি ক্ষণস্থায়ী পোস্ট

এই দুর্দান্ত ব্লগটা শুরু করেছিলো সম্ভবত মুহাম্মদ, রায়হান আর জিহাদ। এই তিনজনের আইডিয়া এবং শ্রমকে অভিনন্দিত না করলে অকৃতজ্ঞতা হবে। তোমাদের জন্যে তিন উচ্ছাস!

ক্যাডেটদের জন্যে একদম আলাদা একটা ব্লগ- ব্যাপারটা বেশ আনন্দের। এখানে যারা লিখে, তাদের তুলনায় আমি বেশ বুড়ো-গোত্রীয় মানুষ, স্মৃতিচারণেও বেশ দুর্বল, তাই এখানে ভাল করে তেমন কিছু লেখা হয়ে উঠে না। তবে প্রায় রোজই এসে পড়ি-কে কি লিখলো- বেশ মন দিয়ে।

বিস্তারিত»

প্র্যাকটিক্যাল ল্যাব

দুদিন ধরে এখানে লেখা হচ্ছে না আমার(রায়হান আমার পেরেন্টসের ফোন নং খুঁজছে। বাসায় বলে দিবে আমি নাকি কিছু করিনা সারাদিন ব্লগিং ছাড়া এই ভয়ে)। আজ একটু তাড়াতাড়ি ঘুমাব বলে ৩টার দিকে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু ঘুম আসার আগেই খুব ভাল একটা টপিক মাথায় চলে আসল। সেটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে মনে হলে এটা তাড়াতাড়ি না লিখলে আমার ঘুম আসবেনা। তাই উঠে আসলাম। ক্যাডেট কলেজের প্র্যাকটিক্যাল গুলা নিয়ে এই কাহিনী।

বিস্তারিত»

জীবনের প্রথম অবস্ট্যাক্‌ল

কলেজে সর্বসাকুল্যে পাঁচবার অবস্ট্যাক্‌ল কোর্স করতে হয়েছে। কোন অবস্ট্যাক্‌লে যে কি কাহিনী ঘটিয়েছিলাম কিচ্ছু মনে নেই। কাহিনী অনেকই মনে আছে কিন্তু কোনটা কোন বছরের তা বের করাটা সহজ না। ক্লাস টুয়েলভের টাও তেমন মনে পড়ছে না। কিন্তু স্পষ্ট মনে আছে ক্লাস এইটে করা জীবনের প্রথম অবস্ট্যাক্‌লের কথা। কারণ তো বোঝাই যাচ্ছে, ব্যতিক্রমী কিছু ঘটেছিল। সে কাহিনীটাই বলতে চাচ্ছি এবার।

জীবনের সবচেয়ে জটিল রোগগুলো হয়েছিল ক্যাডেট কলেজে থাকতেই।

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ…এবং… শুধুই ধন্যবাদ

কয়েকদিন ধরেই ভাবছি কিছু একটা লিখবো।কিছু একটা লিখবো।কিন্তু হয়ে উঠছিলোনা নানা কারণে।কারণগুলোর মধ্যে ব্যস্ততা যেমন আছে, আছে অলসতাও।
ইদানীং আমাদের ব্লগটা সেইরকম জমজমাট হয়ে উঠেছে।দেখে মনে হচ্ছে বৃহস্পতিবারের আড্ডাটা এখন সপ্তাহের সবগুলো দিন জুড়েই আসর জমিয়ে রাখছে।পুরোনো বন্ধুগুলোর পাশাপাশি আরো নতুন অনেক মুখ এসে জড়ো হয়েছে,হচ্ছে।দেখে ভাল লাগে।একটু তৃপ্তিও লাগে।এমন কিছু একটা করার পেছনে নিজের একটু আধটু ভূমিকার কথা ভেবে বোধহয় একটু গর্বও লাগে।আজ আর কলেজের কথা নয়।বরং ভার্চুয়াল জীবনে নতুন কলেজ খোলার অভিজ্ঞতার কথাই বলি…

বিস্তারিত»

মজনু

আমরা যখন ক্লাস ১০এ তখন সব কলেজে নতুন টিচার নেয়া হয়..সেই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লায় আসলো দুই piece… ফিজিক্স এর একজন স্যার আর কেমিস্ট্রির একজন ম্যাডাম……..’চুল তার কবে কার অন্ধকার বিদিশার অমনিশা’র মত হাটু লম্বা চুল ছিল ম্যাডাম এর…যখন চুল ছেড়ে রাখত তখন পেছন থেকে আসলেই খুব সুন্দর লাগত।ক্যাডেটদের ব্যাচেলর জীবনের দুর্দশা কাটানোর জন্যই যেন উপকরণ হয়ে তার আগমণ….

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

পলেন

আমাদের ব্যাচকে কেউ খুব একটা ঘাটায় না। আমরা খুবই ইনডিসিপ্লিনড্‌। ইচ্ছা হলো নামলাম, না ইচ্ছা হলো নামলাম না, তবে অবশ্যই ডিএম-এনডিএম দেখে। ও নামে নাই, সেকেন্ড হাই টেবিলে বারোটা চেয়ার, এক জন না নামলেই ফার্স্ট হাই টেবিল থেকে স্যার ধরে ফেলবে। আমরা ওর চেয়ারটা উল্টায় রাখলাম, যেন স্যার না দেখে। হাউসে ফিরে কমন রুমের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি, নিচ থেকে খুব চিল্লাচিল্লির শব্দ। আমি আপন মনেই হাসলাম,

বিস্তারিত»

ডোমেইন এর নাম দিন…

এতোদিনে সবার জানা হয়ে গেছে যে আমরা ডোমেইন কেনার ধান্ধায় নামছি। এই ধান্ধাবাজীর প্রথম বাধা অর্থাৎ টাকা পয়সা তপু ভাইয়ের কল্যানে সমাধান হয়ে গেছে। দ্বিতীয় যেটা তা হলো কি নাম হবে আমাদের সেই সপ্নের ঠিকানার…1. cadetcollege.com এই নামটা খুব ভাল হয়, কিন্তু একটাই অসুবিধা… ব্লগের সাথে যায়না ঠিক মতো।2. cadetsblog.com এইটাও ভাল…

সবার প্রস্তাব নীচে পেশ করুন…

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

english

কলেজের সব সিনিয়রই কম বেশি english মারত।প্রিফেক্টরা এটা আরো বেশি করত..

তো তিতাস হাউজের হাউজ প্রিফেক্ট রিয়াদ ভাই লাইটস অফ এর পর রাউন্ডে বের হইছে..ক্লাস  ১০এর ব্লক এ এসে সারওয়ার ভাইয়ের সাথে দেখা…তেলে বেগুনে জ্বলে বলে উঠলেন-‘who was you?’

সারওয়ার ভাইও সেরকম ভাবে বললেন ‘I were Sarwar…’

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

পেরেক

JCC এর রেজাউল করিম স্যারকে (পৌরনীতি) আসলে সবারই চেনার কথা। কুমিল্লায় এনজয়মেন্ট এর নতুন উপকরণ হিসেবে যোগদান করলেন ২০০০ সালে। উনার নিক নেম ছিল পেরেক (JCC থেকেই দেয়া)…..
উনার কথার বেশিরভাগ জুড়ে থাকত উনি কবে কাকে পিটিয়েছেন এবং সেই পিটান খেয়ে কত জন জীবনে কত বড় হয়েছে। স্যার তার কথার মধ্যে মানে মানে করতেন। এক বার আমাদের আজিজুল স্টপওয়াচ দিয়ে মেপে দেখলো ৩৫ মানেs per minute…

বিস্তারিত»

পলেন, ভাল থাকিস দোস্ত

ম্যাবসে ওর সাথে আমার প্রথম দেখা। দেখা মানে শুধুই দেখা। কথা বার্তা হয়নি। মেয়েদের সাথে কথা বলার চেয়ে তাদের টিজ করার প্রতিই আমার অত্যাধিক আগ্রহ ছিল তখন। পলেন সেবারই প্রথম ম্যাবসে আসে। তার সুন্দর মুখশ্রীটা সবসময় কেমন যেন বিষন্নতার আড়ালে ঢাকা থাকত। ক্লাস টেন এ পড়ি তখন আমরা। গার্লফ্রেন্ড বাছাইয়ের উপযুক্ত সময়। পলেনকে পাওয়া মাত্রই ঝাঁপিয়ে পড়ল অনেকে। সখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হলেও আমাদের কলেজের প্রতিনিধিত্ব করল দর্পন চাকু।

বিস্তারিত»

মজার ঘটনা (আইসিসি পার্ট)

এখানে কিছু আইসিসিতে ঘটা কিংবা শোনা মজার ঘটনা লিখি।
ICCFM(Inter Cadet College Football Meet). ফৌজদারহাটে হচ্ছে ২০০১ সালে। আমাদের কলেজ টিমে আমার সাথে আমার ছোটভাই রায়হান (কনক) ও আছে। ঐ পিচ্চি শরীর নিয়ে ও কেমনে জানি বলটা নিজের পায়ে রাখতে জানে এইটা স্যার থেকে শুরু করে আমাদের কোচের ও খুব চিন্তা। ওর থেকে বড় বড় ডিফেন্ডার এর পাল্লায় পড়ে ও পড়ে যাচ্ছে ,

বিস্তারিত»

হালিমা ম্যাডাম ও আলিমুজ্জামান স্যার

সবাই আমাদের ব্লগ পড়ে হয়ত ভাবছে আমরা স্যার-ম্যাডাম দের দেখতেই পারিনা। কলেজে এমন কিছু স্যার-ম্যাডাম পেয়েছি যা পেয়ে আমি গর্ব করি। এদের একজন হালিমা ম্যাডাম। ওনার আলাদা কোন টিজ নেম ছিলনা। ওনার টিজ নেম একটাই ছিল হালি মা। কোথা থেকে যেন শুনেছিলাম ওনার ৪ কন্যা ।৪ কন্যার মা হিসেবেই হালি মা নাম এর উৎপত্তি। তারা সবাই নাকি গার্লস ক্যাডেটে পড়ে। ওনারা যদি এই লিখা পড়ে তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

বিস্তারিত»

সিংহ মামা

ইন্টার পরীক্ষার আর বেশি বাকি নাই। আমরা তখন সারাদিন ব্লকে থাকি। কোথাও যাইনা। সারাদিন নাইটড্রেস পড়ে ঘুরে বেড়াই ঘুম ঘুম চোখে। সবাই ভাবে দিন রাত পড়তে পড়তে আমাদের ঘুমেরও সময় নাই। ঘুম ঠিকই হয়না তবে শুধু যে পড়ি তা না। অনেকে পড়েনা ঠিকই কিন্তু ঘুমায় না। candidate ঘুমাইলে প্রেস্টিজ থাকে না। আমার আবার একটা নির্দিষ্ট রুটিন আছে। সব কিছু ভাগ করে রাখি। রাতের বেলা লাইটস অফ এর পর পড়তে বসি।

বিস্তারিত»

কালো দিন

এই ব্লগে যারা লিখছে তাদের পরিচয় পাওয়ার জন্য আমাদের কথায় গেলাম। গিয়ে দেখি আমিই এই ব্লগের সিনিয়র মোস্ট রাইটার। বেশির ভাগই ৯৯ ব্যাচ। এরপর রাতে শুয়ে ভাবছি ৯৯ ব্যাচ কোনটা আমাদের কলেজের। সাথে সাথে আমার সেই দুঃস্বপ্নের দিনের কথাটা মনে পড়ে গেল। এতদিন যা লিখেছি সবই মজার কাহিনী। আজ তাই সেই দিনের কাহিনী লিখার চেষ্টা করি। আমি কোনদিন কাউকে এই কাহিনী ভালো করে বলতে পারিনি।

বিস্তারিত»

সংলাপS (এফসিসি)

একঃইন্টার হাউস ফুটবল কম্পিটিশন চলছে। ফজলুল হক বনাম শহীদুল্লাহ হাউস। ফজলুল হক হাউসের ক্যাপ্টেন কাম জেপি সাদেক ভাই। রেফারী স্বয়ং এডজুডেন্ট। খেলার মাঝখানে হঠাৎ সাদেক ভাইকে ডাক দিলেন এডজুডেন্ট। বললেন।
– সাদেক। tell your boys to speak english।
সাদেক ভাই সুবোধ ক্যাডেটের মত উল্টা ঘুরে সবার দিকে তাকিয়ে বললেন।
– বয়েজ। সবাই ইংরেজীতে কথা বল্‌।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»