সাদ্দাম

আমি লকারের সামনে দাঁড়িয়ে রেডি হচ্ছি টি-ব্রেকে যাওয়ার জন্য। ছেলেটা পা টিপে টিপে আমার রুমে ঢুকে লকারের সামনে এসে দাঁড়াল। সদ্য ইন্টার হাউস কম্পিটিশনে পাওয়া মেডেলটা ধরে নাড়াচাড়া করছিল। ছেলেটার মনের কথা বুঝতে পেরে কথা ঘুরাই, “কিরে

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

খাতা পর্ব

খাতা নিয়ে কিছু কথা…আর কিছু মনে পড়ছে না, অন্যান্য কলেজ গুলো এটাকে টেনে নিয়ে যাবে আশা করি।

সাধারণ জ্ঞান একটা পরীক্ষা হত, ফর্ম ক্লাসে। নম্বর যোগ হত না। সুতরাং এইখানে ক্যাডেটদের অপিরিসীম জ্ঞানের সুবিশাল ভান্ডারের খোজ পাওয়ার পরম সৌভাগ্য লাভ করতেন শিক্ষকেরা।

*পৃথিবীর দ্রুততম মানবী কে?

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

ট্রেন্ড

গার্লস ক্যাডেট কলেজে পানিশমেন্ট বয়েজদের চেয়ে তুলনায় অনেক কম। স্যার ম্যাডামরা মনে হয় মনে করতেন একটু মাইর খাইলেই মেয়েরা কেন্দে দিবে…আমাদের ফ্রন্টরোল ট্রন্টরোল কিচ্ছু নাই, ছিলো যা তা হলো ডিপি, ইডি… যেইটা বয়েজদের কাছে ডালভাত। তবে আমাদের একটা ডিপি খাওয়া মানে একদম মার্কামারা হয়ে যাওয়া, (এবং ক্যাডেটদের কাছে হিরোইন :D হয়ে যাওয়া)।

এহেন বোরিং অবস্থায় আমরা নিজেরাই কিছু জিনিসপাতি খুজে নিতাম আনন্দের জন্য।

বিস্তারিত»

কিছু কথা….আজো মনে পড়ে..

ক্লাস নাইনের কথা।ইন্টার হাউস বাস্কেট নিয়ে খুব উত্তেজনা…নুতন নতুন ল্যাপ করা শিখেছি..মজাই আলাদা।
দেখতে দেখতে কম্পিটিশন চলে এলো।তিতুমিরের সাথে শাহজালালের খেলা।তো খেলার মাঝখানে আমি একটা ল্যাপ নিয়ে শাহাজালালের জোন ভেঙ্গে ঢুকবো…নতুন নতুন ল্যাপ তো প্রবল বেগে এসে কোনো দিকে না তাকিয়ে ল্যাপ করলাম ঠিক আমাদের এক ফ্রেন্ডের গায়ের উপর।এবং আমার হাটু গিয়ে লাগলো ঠিক ওর মিডল স্ট্যাম্পে…!!!তারপর শুধু দেখলাম ও গ্রাউন্ডে পরে গেলো আর মুখ দিয়ে শুধু পানি পরছে….সাথে সাথে আমাদের ওই প্রায়প্রয়াত বন্ধুটাকে হাসপাতালে নেওয়া হলো।আমার ত তখন মনের অবস্থা বারটা।

বিস্তারিত»

বয়স: এক যুগ

[লেখাটি একক এর রিইউনিয়ন ২০০৮ এর স্যুভেনিরে প্রকাশিত। কুমিল্লা ছাড়া অন্যদের জন্য তুলে দিলাম]কোথায় যেন পড়েছিলাম, দিন যত যায়, স্মৃতি তত মলিন হতে থাকে। যেই পন্ডিত একথা লিখেছিলেন তিনি হয়ত তার জন্মে কোন ক্যাডেট দেখেননি। তা না হলে ক্যাডেটদের জন্য এর থেকে বড় ভুল উক্তি বোধকরি আর দ্বিতীয়টি হয় না। ক্যাডেট কলেজের সাথে সম্পর্কের এক যুগ হয়ে গেল। তার অর্ধেকটা স্মৃতি যোজনের, আর বাকী অর্ধেক রোমহন্থনের।

বিস্তারিত»

অফিসে বসে ব্লগিং: ফাঁকিবাজির প্রথম পাঠ

( এই পোস্ট মূলত শাহেদ-এর জন্যে লেখা। কিন্তু আর কোন অফিস-ফাঁকিবাজও ইহা পড়ে উপকৃত হন, আমার তাতে আপত্তি নাই। আপনাকে ঋণী করিতে পারিয়া আমি উল্লসিত)

শাহেদ, কাহিনি সিম্পল।

ধরে নিলাম তোর অফিসের কম্পুটারের অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি। এখন তুই যদি বাংলা ঠিক মতো না দেখছ, তাহলে এই লিংকে চলে যা-
http://www.omicronlab.com/tools/icomplex-lite.html

এখান থেকে আই-কমপ্লেক্স নামিয়ে ইন্সটল করে ফেল।

বিস্তারিত»

“কিপ ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পেইন”

মুহাম্মদের আগের পোস্টটি পড়ছিলাম যেটি উইকিপিডিয়ার ক্যাডেট কলেজের ইতিহাস বিষয়ক একটি ফিচার নিয়ে লেখা । সেটি পড়তে গিয়েই স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম দিকের “কিপ ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পেইন” এর কথা মনে পড়ে গেলো । আমরা অনেকেই হয়তো এটার কথা জানিনা। তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম। বিশাল এই আর্টিকেলটি লিখেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ১৩ তম ব্যাচের খাদেম ভাই। আমাদের এই ব্লগটি যেহেতু বাংলায় তাই আর্টিকেলটা বাংলায় অনুবাদ করে দেয়া উচিত ছিল।

বিস্তারিত»

হাবিজাবি

ব্লগের মরা অবস্থা দেখে মাঠে নামসি। কিন্তু লিখতে তো পারিনা, ভালো পড়তে পারি। আচ্ছা কয়েকটা ঘটনা লিখি।

১। একজন ক্লাসে ঘুমাচ্ছিল, সে চশমা পড়ে। হঠাৎ স্যার (কেমিস্ট্রির অত্যন্ত বিখ্যাত এবং আমাদের অত্যন্ত পছন্দের স্যার), পড়া বন্ধ করে ওর দিকে এক দৃষ্টিতে খানিক্ষন তাকায় থাকলেন, তাও ওর ঘুম ভাংলো না। উনি আস্তে আস্তে আগায় যাচ্ছেন,

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ (উইকিপিডিয়া থেকে)

ক্যাডেট কলেজ সামরিক বাহিনী পরিচালিত বিশেষ ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধারণার সৃষ্টি হয় সামরিক বাহিনীতে যোগ্য কর্মকর্তা তৈরীর চেতনা থেকে। বিসমার্ক প্রথম জার্মানিতে ক্যাডেট কলেজ ধারণার প্রবর্তন করেন। পরবর্তীতে নেপোলিয়ান ফ্রান্সে এই ব্যাবস্থা চালু করেন এবং সবশেষে পাকিস্তান ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এই শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। ইংল্যান্ডের উন্নতমানের পাবলিক স্কুলের সাথে এর আদর্শগত সামঞ্জস্য রয়েছে। ক্যাডেট কলেজ মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক সমন্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্তমানে মূলত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট

মূল লেখকঃ মাসরুফ অনুলিখনঃ তপু
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ তাদের জন্য যারা তাদের জীবনের অর্ধ যুগ কাটিয়েছে ক্যাডেট কলেজ নামক একটি জায়গায় এবং সেই ৬ বছর প্রতিনিয়ত ক্যাডেট কলেজকে গালিগালাজ করেও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ক্যাডেট হিসেবে গর্ব করে এবং বাকিদেরকে নিজেদের থেকে অন্তত ৬ বছর পিছিয়ে আছে বলে মনে করে।
আপনি হয়ত দু-এক বছর আগেই এক্স ক্যাডেট হয়েছেন কিংবা এক প্রবীণ এক্স ক্যাডেত যার সন্তান ও এখন একজন ক্যাডেট কিংবা আপনি চান তাকে সেখানে দিতে।

বিস্তারিত»

একটা বড়সড় সাইজের ছোট্ট খবর

কিছুদিন আগে একটা ছোটখাট বড় খবর পেয়েছিলাম কনফুসিয়াস ভাইয়ার কাছ থেকে। আজ আমি একটা বড়সড় সাইজের ছোট্ট খবর দেই। আমাদের নিজেদের বাড়ি হয়ে গেছে। একেবারে নিজেদের বাড়ি। দখিনা জানালা খোলামেলা বিশাল জায়গা নিয়ে বাড়ি। কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সেখানে উঠে যাব।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট বেলা-২

আগের পর্ব

শুরু হল সেই ছেলেটির ক্যাডেট জয়ের মিশন
কদিন আগেও যে ছেলেটা দস্যি ছিল ভীষণ
কোন কালেই বইয়ের সাথে যার ছিলনা খোঁজ
সেই ই কীনা নিয়ম করে পড়তে বসে রোজ
দিনের পড়া যত্ন করে সেই দিনেতেই শেখে
সবাই অবাক ছেলের এমন বদলে যাওয়া দেখে।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

যে পথে হয়নি যাওয়া

[ডিসক্লেমারঃ রবার্ট ফ্রস্ট এর the road not taken এর অনুবাদ করার চেষ্টা। সবাই অফ টপিক কিছু দিচ্ছে আর আজ সারাদিনে আমার কিছু লেখা হয়নি তাই এইটা। কবিতা পড়ার পর এত ভাল লাগল তাই অনুবাদ করার চেষ্টা করেছি। করার পর আমার কাছে ভাল লেগেছে ভাবলাম এখানে দিয়ে দেই। ভাল না লাগলে সরিয়ে দিব। ]

দুটো পথ আলাদা হয়ে গেল বনের ধারে এসে
থমকে দাড়ালাম আমি,

বিস্তারিত»

কখন বুঝবেন?

কখন বুঝবেন আপনি একজন ক্যাডেটঃ

১) যখন কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আপনার চোখ আশে পাশের রাস্তায় চিরুনি অভিযান চালাবে(আপনি যদি ক্যাডেট হোন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন)।
২) যখন ছুটীতে বাঁশির শব্দ শুনে চমকে উঠবেন, হয়ত বাসা থেকে বেরও হয়ে যাবেন এই ভেবে ফল-ইনের বাঁশি পড়েছে। (আমি এখনও চমকাই)
৩) যখন বাসায় গিয়ে দেখবেন মা গত তিন মাসের যত খাবার দাবার ছিল সব রেখে দিয়েছে আপনার জন্য।(আমি বাসায় গিয়ে সবার আগে ফ্রিজ খুলে চেক করতাম কি কি মেন্যু আছে স্টকে)

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

অপ্রাসঙ্গিক: একটি ভ্রমন কাহিনী

টিএসসি তে বসে আছি। আমি, মিম (সিসিসি) আর জ্যোতি (সেমিক্যাডেট)। মিম, জ্যোতির পরীক্ষা শেষ [মিম আর জ্যোতি আই.ইউ.টি তে পড়ে]। অনেকক্ষন আড্ডা দেবার পর বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে এলাম। রাতে থাকার কথা ওখানে। ৩০৬ নং রুমে ঢুকে দেখি মর্তুজা যথারীতি ফিফা খেলতে বসেছে। একটু পর ডিনার করতে বের হলাম। দেখি মিম তার জিনিস গুছিয়ে নিয়ে বের হচ্ছে। জিজ্ঞেস করতেই বলল এমনি। এমনি এমনি যে কেউ রাতের খাবার খেতে চাংখারপুল যাবার সময় “ক্রনিকেলস অব নার্নিয়া” মুভির ডিভিডি নিয়ে বের হয় না সেটা বুঝতে বুয়েটে পরা লাগেনা।

বিস্তারিত»