সিসিবি সমাবেশ…

আগস্ট মাসে তপু ভাইয়ের বাংলাদেশ আগমন উপলক্ষে একটা সিসিবি সমাবেশ করার চিন্তা ভাবনা করা হয়েছিল বেশ কিছুদিন আগে। তারপর এর সাথে যুক্ত হয় সমাবেশে জাফর ইকবাল স্যারকে আমন্ত্রণ করার ব্যাপারটা। আগস্ট মাস প্রায় এসে পড়েছে। এসে পড়েছে তপু ভাইয়ের ঢাকা আগমনেরও সময়। আমরা জানতে পারলাম আমাদের আরও কিছু প্রবাসী সদস্য এই সময় ঢাকা থাকবেন…

সমাবেশ হবে এইটা নিশ্চিত।

বিস্তারিত»

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ – ৭

[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
গত পর্ব
১৬
ফর্মে চরম চিল্লাচিল্লি হচ্ছে। দুই দিকে দুই বিষয় নিয়ে চরম ফাটাফাটি অবস্থা। সামনের দিকে সবাই ফুটবল নিয়ে আছে। বিশ্বকাপ চলছে তাই এটা স্বাভাবিক।

বিস্তারিত»

Sick Report

Dear All

* Due to some electrical renovation taking place at the premise where CCB is hosted, the server may be down and http://www.cadetcollegeblog.com may be unavailable for certain period during coming 2/3 weekends. We’re extremely sorry for your inconvenience. As soon as the interruption is over the site will be available to you. The downtime may be for 2/3 hours each day.

বিস্তারিত»

সেই মোল্লা স্যার

কয়েকদিন আগে গ্রুপ মেইলে মোল্লা স্যারের সেল নম্বর পেয়ে স্যারকে ফোন দিলাম। আমরা যখন ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হই তখন স্যার ছিলেন প্রভাষক, আমরা ক্লাস সেভেনে থাকতেই হলেন সহকারী অধ্যাপক এবং তারও পরে সহযোগী অধ্যাপক। স্যার যখন এসোসিয়েট প্রফেসর এবং শের-ই-বাংলা হাউজের হাউজ মাস্টার তখনই আমরা কলেজ ছেড়ে চলে আসি। পরে জানলাম শেষমেষ উনি বরিশালের ভাইস প্রিন্সিপাল হয়ে রিটায়ার করেন। স্যার এখন একটা কিন্ডার গার্টেন স্কুল দিয়েছেন বাড়ির পাশে।

বিস্তারিত»

“আমার নাম নুরুজ্জামান মোল্লা……”

মোল্লা স্যারের মত অতীত ইতিহাস বরিশাল ক্যাডেট কলেজের আর কোন শিক্ষক সম্পর্কে জানা যায় না। স্যার যখন আশির দশকের শুরুর দিকে আমাদের কলেজে পোস্টিং এসে অন প্যারেড হলেন ঠিক সেই দিন থেকে তাকে নিয়ে কাব্য গাঁথা রচনার শুরু। ক্লাসে এসে যেই তিনি বললেন, “আমার নাম নুরুজ্জামান মোল্লা…..” ঠিক সাথে সাথেই পিছন থেকে এক ক্যাডেট গলা চিকন করে বলে উঠল,“…..আমি একটা কবিতা বলব”। ব্যস আর যায় কোথায়?

বিস্তারিত»

কান্না কিভাবে ঠেকাই ????????????

:salute: আগেই বলে রাখি আমি এই ব্লগের জুনিয়র মোস্ট মেম্বার। মাত্র ১৫ তারিখে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাস থেকে আমি বের হই এবং এখন আমি একজন এক্স ক্যাডেট। লিখতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি পাসিং আউট এর পর থেকে আজ নয়টা পর্যন্ত কলেজের জন্য একটুও কাদিনি। কিন্তু এই ব্লগকে ধন্যবাদ it made me cry for my college. আমাদের এই ব্লগের সদস্য আরো বাড়ানো দরকার। তাহলে আমরা আরো ভালোভাবে উপলব্দি করতে পারবো আমরা ক্যাডেট কলেজ থেকে কখনোই বিচ্ছিন্ন ছিলাম না।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট ডায়েরী ( ১৯৯৬ )—- ২

পূর্ব পাতা
মার্চঃ ২৪
ওফফ আজ ক্যাডেট কলেজের ভাইভা পরীক্ষা ছিল। একটা অবশ্য মজা হয় ক্যাডেট কলেজের এই পরীক্ষাগুলার দিন। বেশ পিকনিক পিকনিক ভাব হয়। আমার পরীক্ষা ছিল শহীদ রমিজউদ্দীন স্কুলে। ক্যান্টনমেন্ট এর স্কুল গুলা কেমন যেন। কখনো আমি এর আগে ক্যান্টনমেন্ট এ যাইনাই ক্যাডেট কলেজের পরীক্ষা দেওয়ার আগে। আজ অবশ্য আমার বেশ টেনশন হচ্ছিল। কারণ আব্বুর সামনে ভাইভা প্র্যাকটিস করা ছাড়া আমি আসলে আর কিছুই করিনাই।

বিস্তারিত»

ঘটনা, নাকি দূর্ঘটনা

১.
ছোটবেলায় অন্যান্য সব পিচচি পোলাদের মত আমারও কিউরিসিটির সীমা-পরিসীমা ছিল না। বাপের পোষ্টিং তখন রাজশাহীতে। প্রতিদিন গোয়ালা এসে দুধ দিয়ে যায়, কিন্তু এই দুধ কোথায় থেকে আসে তা জানার আসীম আগ্রহ আমার। মাকে জিজ্ঞেস করলে বলে, গরু দুধ দেয়। তাও আমার প্রশ্ন গরু দুধ কোথায় থেকে দেয়, এবার মা বলে পেট থেকে দেয়। কিন্তু তাও পরিষ্কার হয় না আমার কাছে ব্যাপারটা। আমরা থাকতাম নিচতলাতে।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি ভেজা রাতের কথা

(কেউ দেখি নতুন লেখা দেয়না। এই চামে আমি পুরান একটা লেখা ছাইড়া দিলাম। ক্লাস নাইন বা টেন এ লেখা। ঠিক মনে নাই। )

সেদিন বৃষ্টি ভেজা রাত ছিলো,
হিম হিম হিম শীতল বাতাস
সারা গায়ে কাঁপন তুলে
আলতো ছোঁয়ায় ডাকছিলো।

আধখানা চাঁদ ধীরে ধীরে
আদর মাখা রাত্রি ছিড়ে
চুপটি করে হাসছিলো;
রাতের আঁধার গলে গলে
জানলা ছেড়ে যাবার ছলে
দৃষ্টিসীমার দুয়ার থেকে
পেছন ফিরে চাচ্ছিলো;

বিস্তারিত»

এই দূর পরবাসে ……

খুব মন খারাপ। বিছানায় পড়ে থাকা আমার মত নিঃসঙ্গ সেল ফোন টায় সেই প্রিয় নাম্বার টা ডায়াল করলাম। হয়তো শুনতে পাব প্রিয় একটি কন্ঠস্বর। রিং হচ্ছে কিন্তু কেউ ফোন ধরছে না। অনেকক্ষন রিং হল। একবার মনে হল ফোন না ধরলেই ভাল। হয়তো কোন খারাপ খবর শুনে মনটা আরও খারাপ হবে। কারন আজকাল দেশ থেকে শুধু খারাপ খবর আসে। তেলের দাম আরও বাড়ছে, এখন প্রতিদিন ৮ ঘন্টা লোডশেডীং হয়,

বিস্তারিত»

বস্ত্রহরণের গল্প

(আমার আমেরিকা-প্রবাসী বন্ধু শাহেদ। গত লেখায় সে মন্তব্য করেছিলো, আমার “ভালো” লেখা পড়তে পড়তে সে খুব “বোর” হয়ে গেছে, তাই এই “খারাপ লেখা”টি ওর-জন্যে উত্সর্গ করলাম।)

ক্যাডেটে ভর্তির লিখিত পরীক্ষায় অপ্রত্যাশিতভাবে চান্স পেয়ে যাই আমি। এরপর শুরু হয় ভাইভার প্রস্তুতি, সাথে থাকে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার সময় দু’পায়ের মাঝে একটা বালিশ। ‘সাবধান’ পজিশনে আমার দুই হাঁটুতে গ্যাপ হতোনা, সেজন্যে এই বাড়তি কসরত। O:-)
ওদিকে মিরপুর ক্যাডেট কোচিংয়ে যেতাম ভাইভার প্র্যাক্টিস ক্লাস করতে।

বিস্তারিত»

আমার প্রথম পোস্ট

ক্যাডেট কলেজ ব্লগে সবার পোস্ট পড়তে অনেক ভাল লাগে। আমি মাসখানেক আগে এই ব্লগে জয়েন করেছি। লিখার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু লিখার কোন টপিক পাচ্ছিলাম না। তাই আজকে আপনাদের, তোমাদের ও তোদের সবার জন্য ২ টা ভিডিও দিলাম। আমাদের রংপুর ক্যাডেট কলেজের ১৯তম ইনটেকের (১৯৯৩-১৯৯৯) ১৪ বছর এবং ১৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে ভিডিও ২ তা বানানো হয়েছিল। আমাদের ইনটেক হয়েছিল ২০ মে ১৯৯৩। তাই ভিডিও ২টা যথাক্রমে ২০ মে ২০০৭ এবং ২০ মে ২০০৮ এ রিলিজ করা হয়।

বিস্তারিত»

সদস্য ডিরেক্টরী প্রসঙ্গে

“ক্যাডেট কলেজ ব্লগ” এর সম্মানিত সদস্যগণ এবং এর পাঠকদের সুবিধার্থে ব্লগের বর্তমান সদস্যদের নিয়ে একটি ডিরেক্টরী তৈরী করা হয়েছে যা আলাদা পৃষ্ঠা হিসেবে ইতোমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে “সদস্য ডিরেক্টরী” নামে।

দেখা গেছে ব্লগের নতুন এবং পুরোনো অনেক সদস্যই নিজ নিজ প্রোফাইলের তথ্যগুলো সঠিক ভাবে পূরণ করেননি কিংবা এখনও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে।

এজন্য ব্লগের সকল সদস্যকে নিজ নিজ প্রোফাইল তথ্যগুলো সঠিকভাবে বাংলায় লিপিবদ্ধ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।

বিস্তারিত»

কোথায় পাবো তাদের-৫

।১।

আমদের সময়ে কোরান তেলওয়াত প্রতিযোগিতা বলে একটা জিনিস ছিল। এর দায়িত্বে থাকতেন ইসলামিয়াতের আব্দুর রব স্যার। কলেজে যতো প্রতিযোগিতা ছিল এর মধ্যে এটাই সবচেয়ে বোরিং টাইপ। এমনিতেই মসজিদ খুব গুরুগম্ভীর জায়গা। খুব বেশি ফাজলামি দুষ্টামি করার সুযোগ নাই। তার উপর কোরান তেলাওয়াত। কয়েক ঘন্টা চুপ চাপ বসে থাকা ছাড়া আর কিছুই করার নাই।
সেবারও একই ঘটনা। একজন একজন করে তেলাওয়াত করছে আর বাকিরা সবাই ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সেটা শুনে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

বিদ্যুৎ চলে যাবার কূফল

আমাদের কলেজে তখন সবেমাত্র জেনারেটর লাগানো হয়েছে। নাইট প্রেপের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে ১-২ মিনিট পর জেনারেটর চালু করা হতো। একদিন প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টি হচ্ছিল। স্বাভাবিকভাবেই কিছুক্ষণের মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে গেল। আমাদের তখন কেবলমাত্র বদঅভ্যাস হয়েছে যে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া মাত্র এলোপাথাড়ি এ ওকে চড় থাপ্পর দেয়া (হারিকেনের যুগে এই সুযোগটা ছিলনা যা আমরা খুব মিস্ করেছি)। সেদিনও যথারীতি বিদ্যুৎ চলে যাবার সাথে সাথেই কে কতটুকু সময়ের সদ্ব্যবহার করতে পারে সেই প্রতিযোগিতায় নেমে গেল।

বিস্তারিত»