টক-মিষ্টি-ঝাল (ছোটবেলা)

বাসার গলির মুখে রিকসা এসে থামলো। আমি নিশি আপুর পাশে যেয়ে বসলাম। শোন, আজকে স্কুল থেকে ফেরার সময় হেঁটে আসবো… ঠিকাছে? আমি বলি এতো দূর হাটঁতে পারবোনা…আরে পারবি। দুইজন গল্প করতে করতে ঠিক চলে আসবো।

মুখে গাইগুই করলেও আনন্দে আমার বুকটা ভরে উঠলো। আমি আপুর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। আপু তখন কথা বলছেন আর মিটিমিটি হাসছেন। ওনার হাসিটা এত্তো সুন্দর। হাসলে চিবুকটা ভেতরের দিকে ডেবে যায়।

বিস্তারিত»

মন কি যে চায় বলো…………

১। কিছু মনোজাগতিক ব্যাপার আছে যার কোন ব্যাখ্যা মনোবিজ্ঞানেও নেই।এরকম কিছু ঘটনা প্রতিটি মানুষের জীবনেই কম বেশী ঘটে থাকে। যারা এই ঘটনাগুলোকে সহজভাবে নেন না, আমার ধারণা তাদের পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশ ঘটে নাই। যে সময়টাতে মায়ের আচলের নিরাপদ ছায়ায়, বাবার কড়া শাসন, বড়ো ভাই বোনদের স্নেহ ভালবাসায় বড়ো হওয়ার কথা, সে সময়টা আমরা পার করেছি ক্যাডেট কলেজ়ের কঠিন অনুশাসনের মধ্যে। এই সময়টাতে সুন্দরী , অপেক্ষাকৃত কম বয়সী ম্যাডামদের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি ক্যাডেটদের মনে প্রেম জাগাবে এইটাই খুব স্বাভাবিক।

বিস্তারিত»

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ -৫০ বছর

এই লেখাটা সবাই পড়তে পারেন। শাকুর মজিদ ভাই এর , সমকাল পেপারে।
এখানে

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

কোথায় পাবো তাদের – ৩

১.

বহুদিন পর আমাদের কলেজে একজন ম্যাডাম আসলেন। তাও আবার রীতিমতো অবিবাহিতা।
শোয়েব আখতারের বলে টেনডুলকার ছক্কা মারলে ভারতের সাপোর্টাররা যেরকম খুশি হয় আমরা সবাই ওরকম খুশি হয়ে উঠলাম। মনের ঘরে চান্দের আলো চুইয়া চুইয়া পড়তে শুরু করল। আমরা যারা মকরা পার্টি ছিলাম, সেভ না করার জন্য ডেইলি জোড়ায় জোড়ায় ই.ডি. খাইতাম তারাও সকাল বিকাল সেভ করতে করতে গাল সবুজ করে ফেললাম কখন ম্যাডামের সাথে দেখা হয়ে যায় এই আশায়।

বিস্তারিত»

অনেক পুরোনো একটা প্রেমে পড়ার গল্প

ভালবাসা নিয়ে ছোট বয়সে একটা ছোটগল্প লিখেছিলাম। কালের অতলে হারাবার আগেই, তোমাদের জন্য –

বেশ কয়েকদিন ধরে ভালবাসা নিয়ে ভাবছি, কিন্তু কোন মানে খুঁজে পাচ্ছিনা । আমাদের কলেজে বৃষ্টি পড়ে। বৃষ্টি রহমান সুন্দরী এবং কিছুটা রহস্যময়ী।
ওর সাথে এতদিন মিশেও ওর মনের কোন কিনারা পাইনা, কোথায় যেন ওকে বুঝতে পারিনা।যদিও সবার সাথে ওর ব্যবহার খুব সাবলীল। সবার!!
সবার মানে আমি, নাফিস আর বাকিরা গুরুত্বহীন।

বিস্তারিত»

ভুল করে মেজর থেকে সৈনিক মো আলী স্টাফ

মো আলী স্টাফ ছিলেন মেঘনা হাউসের হাউস স্টাফ।তার অদ্ভুত শারীরিক গড়ন আর কালো মোচ যে কাউকে সার্কাস এর জকিদের কথা মনে করিয়ে দিবে।কি এক অজানা কারনে তিনি সব সময় হীনমন্যতায় ভুগতেন।একদিন পিটি টাইম এ আমাকে হাটতে দেখে তিনি দৌড়ে আস্লেন………।।
কি বেপার আপনি হাটছেন কেন

,আমি বললাম, পিটি এক্সকিউজ,ডাক্তার এর চিট আছে।

তিনি বলেন,দেখি কি সমস্যা,আপনার কি ডিজিজ দেখি?

আমার মেজাজ গেল গরম হয়ে।

বিস্তারিত»

আইনের লোক এনামুল স্টাফ ও একটি বাংলা সিনেমা

আমরা তখন ক্লাস নাইন এ পড়ি। আমাদের বন্ধু জিনিয়াস জিন্নাত প্রতি সপ্তাহে এক একটি নতুন ঘটনার জ়ন্ম দিত,বড়ো ভাইদের সাথে ছিল ওর অদ্ভুত রকমের সখ্যতা। ওকে জ়িনিয়াস বলার কারণ অন্য আর একদিন লিখব। ক্লাস নাইন মানে বিশাল ব্যাপার,শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের এক অদ্ভুত অধ্যায়ের সূচনা। আর ক্যাডেট হলে তো কথাই নেই। নিজেকে তখন JASON BOURNE এর মত মনে হতে থাকে। হাটা চলা,কথা বলা, রিএক্ট করা সব কিছুতেই এক একজ়ন অন্যজনের চেয়ে আলাদা।

বিস্তারিত»

আমি শিহরিত!!!

ব্লগ এ এটাই আমার প্রথম লেখা এবং বাংলাতেও এই প্রথম আমি কিছু লিখছি…..
টাইপ করতে একটু কষ্ট হলেও হেব্বী মজা পাচ্ছি…..
সত্যিই বিজ্ঞান কত এগিয়ে গেছে….!!!
লিখছি ইংলিশ এ অথচ দেখাচ্ছে বাংলা অক্ষর…..
আজিব…!!!
পুরো বিদেশী ব্যাপার স্যাপার……

যাহোক, আজ আর কথা বেশি বাড়াবো না…..
সবাইকে ধন্যবাদ ।

কবীর
খ-১৭৭৪
৩২ তম ইনটেক(‘৯৫-২০০১)
ঝ.ক.ক

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

প্রিয় সমাচার

পূর্ব প্রতিজ্ঞাস্বরুপ আজ ক্যাডেট কলেজে আমার প্রিয় ১টি প্রসঙ্গ নিয়ে হাজির হলাম। আর এই লেখাটি উত্সর্গ করছি নওরীন আপুকে।

বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝরঃ

রুটিনবদ্ধ ক্যাডেট জীবনে সামান্য কিছু ছুটির আকাঙ্ক্ষায় প্রাণটা হয়ে থাকতো ব্যকুল। বাঁশির তালে তালে প্রতিটি মুহূর্ত যেন একটা পিছুটান হয়ে রইতো। আর সেই অসহ্য ক্লান্তিতেও যখন কেউ দরদভরে এগিয়ে আসেনি, ঠিক তখনি প্রকৃতির দয়া হয়ে ঝরে পড়তো এক পশলা বৃষ্টি।

বিস্তারিত»

হে আল্লাহ,আমাদের সুফিকে তুমি দেখে রেখো……

“আমরা গাজীপুর পৌঁছাই ১১টার কিছু আগে। জহিরকে রাখা হয়েছিলো বাসায় ঢোকার আগের খোলা জায়গাটাতে। কেউ একজন এসে কাফনের কাপড়টা সরিয়ে ওর মুখটা দেখালো। চোখের কাছটায় সুরমা দেয়াতে কিছুটা নীলচে হয়ে আছে মনে হলো। এছাড়া অন্যকোনো অস্বাভাবিকতা নেই। প্রথম দেখাতে কোনো অনুভূতিই হলোনা। কিভাবে হবে? আমাদের সুফির লাশ কাফনে মুড়ে খাটিয়াতে শুয়ে আছে আর আমরা ভীড় করে দেখছি, এটা কোনো কথা নাকি?তাই ওই সময়ে ভাবলেশহীন মুখে আমরা দেখে বাড়ির বাইরে এসে দাড়িয়ে থাকলাম।

বিস্তারিত»

আঈক ম্যান ও গ্রামের ছেলের গল্প

সি.এইচ.এম ছিলেন আয়ুব স্টাফ। তাকে সবাই আঈক ম্যান বলে ডাকতো। কারণ যেকোনো কথা বলার আগে তিনি আইক বলতেন। যেমন, আইক তুমি এইদিকে আসো, আঈক সাবধান, আইক ডানে ঘুর।
গেমস টাইম এ একদিন প্যারেড মার্চ করার সময় এডজুট্যান্ট কে রিপোর্ট দেয়ার জন্য যেই উলটা ঘুরলেন, একটা পটকা ফাটার শব্দ শোনা গেল। সামনে দাঁড়ানো সব প্রিফেক্ট আর স্টাফরা হাসছে, আমরা বুঝতে পারিনি প্রথমে।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট বেলা -৪ (ক্লাস এইট পর্ব)

প্রথম পর্ব থেকে…

বছর শেষে নতুন বছর আসলো তাকে হাই দিলাম
ক্লাস এইটের হাতটা ধরে সেভেনকে গুডবাই দিলাম।
ঘাম ঝরানো একটা বছর ক্যামনে যে শেষটায় এলো
গান্ধা থেকে ক্যাডেট হবার প্রাণান্ত চেষ্টায় গেলো।
এইটে এসেও হয়না তো শেষ ক্লাস সেভেনের সীনগুলো
চলছে টু বি কন্টিনিউড ঘাম ঝরানো দিনগুলো।
অষ্ট প্রহর কষ্ট করে বেগার খাটি কামলাতে
অলস সময় ব্যস্ত কাটে সব সিনিয়র সামলাতে।

বিস্তারিত»

অনেক আগে তোদের মতই ছিলাম …

অনেক আগে তোদের মতই ছিলাম … আবার আস্তে আস্তে তোদের মতই হব । কি বলিস তোরা ?

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

কিছু ঘটনা

এমজিসিসি এর কাহিনি পড়ে আমারও কিছু ঘটনা মনে পরে গেলো।
তখন আমরা ক্লাস XII এ মাত্র উঠেছি। ICCFM এর জন্য ৭দিন অতিরিক্ত ছুটি পেলাম। তো ময়মনসিংহে আমরা বিভিন্ন কলেজের প্রায় ৭-৮ জন ছিলাম। আমরা আবার আড্ডা দেয়ার জন্য একত্রিত হতাম এমজিসিসি তে। কারন এমসিসি এর তানভির এর বাসা ছিল সেখানে। আবার প্রিঞ্ছিপাল এর ছেলে আমাদের ফ্রেন্ড হওয়াতে আমাদের কেউ কিছু বলতনা।
ঘটনা-১; আমরা ১দিন সন্ধ্যার পর বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।

বিস্তারিত»

জলপাই রঙের গল্প

১.

গেমস টাইমের মার্চ-আপ। সি.এইচ.এম ফরিদ স্টাফ এডজুট্যান্টের কাছে স্টেটমেন্ট জমা দিচ্ছেন। এমন সময় আনোয়ার স্টাফ চিৎকার দিলেন…
‘জসিম ডন্ট মুব .. ডন্ট মুব’
আমরা একে অন্যের মুখ চাওয়া চাওয়ি শুরু করলাম। পুরা কলেজে জসিম নামে কোন ক্যাডেট নাই। আনোয়ার স্টাফ কাকে বলছেন। এরমধ্যেই আবার চিৎকার……
‘জসিম নড়তাছে কেন? জসিম ফল-আউট, ফল-আউট বলছি’
আমরা এদিক ওইদিক তাকাইতে লাগলাম কে ফল-আউট হয় দেখার জন্য।

বিস্তারিত»