বর্ন টু বি আ ক্যাডেট

এইতো কয়েকদিন আগের কথা। সেমিস্টার ব্রেকের ছুটিতে বাসায় গিয়েছি। আই ইউ টিতে থাকলে ভোর চারটা বাজিয়ে শুতে গেলেও বলার কেউ নেই। কিন্তু বাসায় গেলে বারোটা বাজার আগেই লক্ষী ছেলের মত বিছানায় যাই। এরকমই এক রাতে বারোটার পর হঠাৎ নকিয়া ১১০০ এর চিল্লাচিল্লিতে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। এক রাশ বিরক্তি নিয়ে চোখটা কোনমতে খুলে বোঝার চেষ্টা করছি এত রাতে কার আবার আমার কথা মনে পড়লো। কিন্তু মোবাইল স্ক্রীণে নামটা দেখেই সব বিরক্তি চলে গেল।

বিস্তারিত»

একটা প্র্যাক্টিক্যাল জোকস

আমার খালু কুমিল্লা থাকেন।উনার বাসা ভাড়া নিতে এক ভদ্রলোক আসছেন।ভদ্রলোক বলতেসেন “ভাই আমার একবারে ছোট ফ্যামিলি।আমি ,আমার বড়ভাইয়ের বউ আমার ভাই দেশের বাইরে থাকে আর আমার ওয়াইফ।আর আমার একটা বেবী( baby)আছে।তখন আমার খালু বলতেছে…”ভাই আমার তো গ্যারেজ নাই……………….!!!!”

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

দিবাস্বপ্নঃ আমি, ফুয়াদ, সামিয়া

এইমাত্র জেগে উঠেছি, একটি স্বপ্ন অসমাপ্ত রেখে। দিবাস্বপ্ন ছিলো সেটা, অতএব বেশ একটা সত্যতার দাবি রাখেনা, তথাপি স্বপ্নের একটা মধুর সমাপ্তি না হলে অতৃপ্তিটা রয়েই যায়। তাও যদি হয় প্রিয় কিছু মানুষকে নিয়ে, তবে তো আফসোসের অন্তই থাকেনা।
হ্যাঁ, আজ আমার স্বপ্নে এসেছিলো এই ব্লগের দু’টি প্রিয় মুখ। ফুয়াদ আর সামিয়া।

ওরা এসেছে আমাদের বাসায় বেড়াতে! আমি সারাদিন আজ বাইরে ছিলাম, ইজি কাজে বিজি।

বিস্তারিত»

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে…

{কয়েকদিন আগে আমাদের কলেজের একজন অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছিল। তার পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়ে সে আমাদের intake yahoo group এ একটি mail করে, তা বঙ্গানুবাদ করে এইখানে পোস্ট করলাম}

সোমবারে বাসে আমার পাশের এক লোক অতি কৌশলে আমাকে একটা ডাব কিনাইসে, ডাব বিক্রেতাও এর সাথে জড়িত। আমি বুঝতে পারছিলাম যে আমি বোকামি করে ডাবটা কিনতেছি, কিন্তু আমার মাথায় ছিল না যে এইটা আজ্ঞান পার্টি হতে পারে।

বিস্তারিত»

কোথায় পাবো তাদের‌ -২

১.

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ইসহাক আলী সরকার স্যার কে আমরা ডাকতাম ‘সেক্স আলী সরকার’ । সোমবার ফোর্থ পিরিয়ডে স্যারের ক্লাস ছিল। সেদিন আমদের স্পেশাল প্রিপারেশণ থাকতো। আমরা অনেকে ডাবল আন্ডারঅয়ার পরে ক্লাসে যেতাম। যারা আন্ডারঅয়ার পরতো না তাদেরও এটলিস্ট একটা আন্ডারঅয়ার পরতে হতো। কারণ রাষ্ট্রবিজ্ঞানের যেকোনও বিষয়কে স্যার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেক্সের দিয়ে নিয়ে যেতেন এবং তারপর এতো গভীর ভাবে ওইটা নিয়ে আলোচনা করতেন যে আমাদের প্যান্টের জিপারের জায়গায় তাঁবু হয়ে যেতো।

বিস্তারিত»

‘এক্স’ ও ‘ওয়াই’ কেমন বন্ধু???

ক্যাটাগরী-১ : প্রচলিত বন্ধুত্ব:

—————-

দুই বন্ধু ‘এক্স’ ও ‘ওয়াই’।তারা একদিন বনে বেড়াতে গেল।হঠাৎ ‘ওয়াই’ দেখল একটি ভালুক আসছে।বাচার জন্য সে ‘এক্স’ কে না জানিয়েই দৌড় শুরু করল।’এক্স’ যখন ভালুকটাকে দেখল তখন অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে।অগ্যতা সে মরার ভান করে পড়ে থাকল কারন ভালুক নাকি মরা মানুষ খায়না।যাক,ভালুক এসে ‘এক্স’ কে শুকে-টুকে চলে যাওয়ার পর ‘ওয়াই’ এসে জিজ্ঞেস করল,ভালুক তোকে কি বলে গেছে??’এক্স’ বলল,ভালুক তাকে বলে গেছে,যে বন্ধুর বিপদের সময় পালিয়ে যায় সে প্রকৃত বন্ধু নয়।

বিস্তারিত»

ফুয়াদের ‘বন্য’ থেকে

(লেখাটি রাশেদ উদ্দীন আহমেদ তপু ভাইকে উৎসর্গ করা হলো।

সংগীত জগত সম্পর্কে আমার জ্ঞান অতি অল্প, অতএব আশা করবো ভুল তথ্য থাকলে সবাই হাসিমুখে ধরিয়ে দেবেন।)

আশেপাশে ফুয়াদের হিপহপ গানগুলো শুনতে পাই। কী ব্রিলিয়ান্ট এই ছেলেটা! কবি সুকুমার রায় হয়তো কখনোই ভাবেননি, একদিন তাঁর “বাবুরাম সাপুড়ে” সুরের মাল্য পরবে, তাও আবার নানারকম ব্যাকগ্রাউন্ডের সংমিশ্রণে হবে ধন্য! এই অসাধ্য সাধন করেছেন ফুয়াদের মতো সংগীতজ্ঞ।

বিস্তারিত»

ট্রেন

হাতের ঘড়িটার দিকে বারবার তাকাচ্ছে লোকটা। লোক না বলে যুবক বলাই ভাল। দশ বছর আগে আমি-ত এমনই ছিলাম, চোখে কিসের যেন তাড়না, ছটফটে, এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারি না। কিসের এত তাড়া তার? জেএমবি নয় ত? যে সময় চলছে, সেদিন সন্ধ্যায় শোরগোল শুনে বের হয়ে দেখি পাড়ার সবাই মহা উল্লাসে মধ্যবয়সী এক লোককে বেদম মারছে। পাশে দাঁড়ানো পোকায় খাওয়া দাঁত বের করে হাসতে থাকা বাসার দারোয়ানকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপার কি।

বিস্তারিত»

ভালবাসার এক যুগ

৪ঠা জুন, ১৯৯৬। দেশের এপ্রান্ত ওপ্রান্তে ১০টা কলেজে সেদিন প্রায় ৪৫০ জন ছেলের নতুন ঠিকানা হয়েছিল ক্যাডেট কলেজে। সেদিন সবাই ভাবতাম কেন আমি ক্লাস সেভেনে আর কবে ক্লাস ১২ এ উঠব। সময়ের সাথে কবেই যে আমরা কলেজের ৬ বছর কাটিয়ে আবার কলেজের বাইরে ৬টা বছর ও কাটিয়ে দিলাম ঠিক বুঝলাম না। যখন বুঝলাম তখন দেখি সেদিন কলেজে যেসব পিচ্চি পিচ্চি ক্লাস ৭ রেখে এসেছিলাম তারাও এখন বলে ভাইয়া আমরাও কলেজ থেকে বের হয়ে গেছি।

বিস্তারিত»

তেসরা জুন

আজ থেকে অনেক বছর আগে একটা মেয়ে চুপচাপ প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢুকেই কেঁদে দিয়েছিলো, পেছন ফিরে বাবা-মাকে শেষ বারের মত দেখতে দেখতে,

তার কয়েক বছর পরে কোন এক রাতে দারুণ বিষ্টি হচ্ছিল, সে রাতে মেয়েটা তার ডায়রীর পাতায় একা একাই শুভেচ্ছা জানিয়েছিল চারপাশের খুব প্রিয় কিছু মানুষকে,

তার পর আরও অনেক সেই রকম রাত গিয়েছে,

তারপর একদিন প্রিন্সিপাল রুমের সামনের করিডোরে গম্ভীর মুখে মেয়েটা দাঁড়িয়ে ছিল আর কয়েক জনার মাথায় মাথা ঠেকিয়ে,

বিস্তারিত»

ফিরে দেখা -২৯ জুন ১৯৯৭

[অনেকদিন ধরেই আমাদের সিসিবি ডাউন হয়ে আছে। কিন্তু আজ যে আমার একটা লেখা খুব দরকার। সবার সাথে আজ এইটা শেয়ার করা দরকার ছিল। তাই এখানে পোষ্ট করে দিলাম। এখানে মনে হয় লেখা পোষ্ট বন্ধ হয়ে গেছে। তাও দিলাম। ]
আজ ঘুম থেকে উঠলাম ই ফোনটা পেয়ে। শুভ ফোন দিয়ে বলল জাহিদের একটা দুঃসংবাদ আছে। আমরা তিনজন জাপানের একই জায়গায় পড়ি আবার একই ডর্মে থাকি।

বিস্তারিত»

ফয়েটে দুপুর

রেষ্টুরেন্টে বসে কি খাব মেনুতে চোখ বুলাচ্ছি। এমন সময় ,”আরে আপনাকে বসিয়ে রাখলাম” বলতে বলতে এক তরুণী এসে আমার সামনে বসল। আমি তো ভেবেই পাচ্ছিনা কারো কি আমার সাথে lunch করার কথা ছিল কিনা। কিন্তু তরুণী ভাবতেই মনে মনে পুলকিত হয়ে উঠতে গিয়েই হোঁচট খেলাম। চেহারাতে অতটা পুলকিত হবার কিছু নেই কিন্তু খুবই চেনা চেনা লাগছে। কোথায় যেন দেখেছি।

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

ট্রেন্ডঃ আরেক পর্ব

বাধনের একটা বিরক্তিকর অভ্যাস ছিলো, প্রতি শুক্রবার সে চাদর কাঁথা কম্বল সবকিছু নিয়ে ব্লকে রোদে দিত। এর জন্য শীত সকালের মিষ্টি রোদ জীবনেও রুমে ঢুকত না। আমরা ডর্মবাসিরা বিরক্ত হয়ে ডিসিশন নিলাম, ঠিক আছে, প্রতি বার সে কাথা কম্বল রোদে দেয়, এইবার ওরও রোদ পোহানোর সময় আসছে…। সেই মোতাবেক এক মিষ্টি শুক্রবার সকালে আমরা সবাই বাধনকে ধরপাকড় করে টানতে টানতে ব্লকে নিয়ে গেলাম আর বেল্ট,দড়ি যা কিছু ছিল তাই দিয়ে ওকে বেন্ধে রেখে মজা দেখতে থাকলাম(গড়াগড়ি) (গড়াগড়ি) ,

বিস্তারিত»

কোনদিন আসিবেন বন্ধু

ক্লাশের ভেতরে উৎকট শব্দে হঠাৎ চমকে উঠলাম। বিরক্ত অনেকগুলো মুখের সাথে আমিও শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কার করি, সবাই ভ্রু কুচকে আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। কি মুশকিল! এই বোরিং লেকচার শুনতে শুনতে কখন যে ঝিমুনি এসে গেছিলো টেরই পাই নি, চট করে পকেটে হাত দিয়ে মোবাইল ফোনটা বের করলাম, শব্দটা হচ্ছে ওখান থেকেই।

মেসেজ এসেছে। সেই মেসেজের প্রথম চারটে শব্দ পড়ে আবারো চমকালাম,

বিস্তারিত»