কতিপয় ডায়লগ(১ম পর্ব)

আমি মানুষের ভাল চাই!! তাই খারাপ কাজটা করতে পারলাম না। নামগুলো আড়ালেই থাকল……

– তিতাস হাউসের আমাদের এক ক্লাসমেট ঝগড়ারত অবস্থায়ঃ
“রক্ত বাইর করতে সময় লাগে না”(আমি আগে আসলেই জানতাম না)

-আমাদের জ্বালায় অতিষ্ঠ সেই একই ক্লাসমেটঃ
“আমি তোকে কুপন(ক্যাডেটদের টাকা) দিব তুই আমাকে মুক্তি দে”(হু! বাছাধন মুক্তি পাওয়া অত সহজ)

ফেসবুক মন্তব্য

বিস্তারিত»

একদিন

আমাদের কলেজে যে কোন অসুখই কিভাবে কিভাবে যেন ছোয়াচে হয়ে যায়। একবার কার জানি appendicitis হল। তার পর থেকে একের পর এক সাত আট জনের ( ঠিক মনে নাই, তবে সংখ্যাটা আরো বেশি, কম না) এই appendix operation হয়ে গেল! ডেভিডসন দেখলে বলেই দিতেন যে appendicitis ছোয়াচে রোগ।
একবার সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আমি লুলা হলাম। তারপর একের পর এক মানুষজন লুলা হতে থাকলো।

বিস্তারিত»

চাচা কাহিনী (মাত্র শুরু)

গতকাল বাজারে গিয়েছি। হঠাৎ চাচার ফোন।আমিতো অবাক। চাচারতো এমন সময়ে ফোন আসার কথা না।তারচেয়ে বলা ভাল চাচা যেখানে আছে সেখান থেকে এখন ফোন করতে পারার কথা না।যাইহোক কিছুটা কৌতূহল নিয়েই ফোনটা ধরলাম।
– আরে চাচা, কেমন আসো??
-ভালা,তোমার খবর কি?
-এইতো।তুমি কোথায়?কেমনে ফোন করলা??অইখানে তো নেটওয়ার্ক থাকার কথা না।
অবশেষে জানা গেল চাচা খাগড়াছড়ির কোন একটা পাহাড়ের উপরে।নিচে নেটওয়ার্ক নাই দেখে পাহাড় বেয়ে উপরে উঠে হলেও গ্রামীনফোনকে তার টাকা দেয়া চাই।আজকালকার জামাইরাও মনে হয় শ্বশুরবাড়িতে এত আদর পায়না।সবশুনে ভাবি এই না হলে চাচা।পাহাড়ের চুড়ায় ঊঠেও অনেক নিচে থাকা আমার কথা যত্ন করে মনে রেখেছে।মনটা খুশি খুশি হয়ে ওঠে।

বিস্তারিত»

একটি বৃহঃস্পতিবার ……..আর কিছু?

ক্যাডেট লাইফে একটি বৃহঃস্পতিবার যে কি তা শুধু এক ক্যাডেট-ই বলতে পারে। এমন কি কোন ক্যাডেট আছে যে সপ্তাহের
এই একটি বারের কথা ভুলতে পারবে? সকাল থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়ে যেত কে আজ কাঁঠাল পারবে, কে যাবে সিনেমা দেখতে,
আর সবার আগে যা চিন্তা তা হলো সেদিন রাতে কোন স্যার আর তার সাগরেদ(হাউস বেয়ারা) কে। সিনিয়রিটি বাড়ার সাথে সাথে ফুরতিও বাড়তে থাকে। ত রাতে সাধারনতঃ মুভি থাকত,

বিস্তারিত»

ভিন্ন রকম

সবার শেষে কোনমতে শার্ট ইন করতে করতে একাডেমি ব্লকের দিকে ছুটছি। সেকেন্ড প্রেপ শুরু হতে কোন সময়ই আর বাকি নেই। আমি অবশ্য একা নই। সাথে আহসান। ডিউটি মাস্টার ব্লকের সামনে দাড়িয়ে না থাকলে সে যাত্রা বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী ছিল। উপরন্তু, বেল পড়ার ইমেডিয়েট পড়ে ডিউটি মাস্টার একটা রাউন্ডে যায় প্রায়ই। কিন্তু ভাগ্য যতোটা খারাপ হওয়া সম্ভব তোতাটাই। ব্লকের ১০০ গজ সামনে থাকতেই বেল দিল এবং ব্লকে ঢুকে সরাসরি ডিউটি মাস্টারের সাথে মোলাকাত।

বিস্তারিত»

খাওয়া দাওয়া

খাওয়া দাওয়া টা অনেক important জিনিস। সবাই দেখি অনেক কিছু লিখে ফেলসে, punishment, stage compitition,হাবিজাবি। আমি আবার একটু খাওয়া দাওয়া পছন্দ করি, তাই…ব্লগটাও…আর আমি এইটা নিয়ে মোটেও লজ্জিত না।

বাইরে এসে মানুষজন বুঝে ক্যাডেট কলেজে রানী ভিক্টোরিয়ার হালে থাকতাম, খাওয়া দাওয়া তো কিছু পছন্দ হতো না ঐখানে (আমার অবশ্য হত! ), বিশেষ করে শুক্রবারের খিচুড়ি-ওফফ! ওইটা এমনকি আমারও পছন্দ হইত না। কিন্তু খেলা থাকলে আবার ওইটাই চুরি করে আনতাম।

বিস্তারিত»

ভ্যারাইটিজ শো এবং আমরা কয়েকজন

ইলেভেনে উঠে আমি প্রথম কলেজের বাইরে যাই। হাতে খড়ি হয় নাজমুল ভাইয়ের (ভাই কারণ টাংগাইলের বেবিস্ট্যান্ড নামক এক বিখ্যাত জায়গায় তিনি যাওয়া মাত্রই নাজমুল ভাই আসছে, নাজমুল ভাই আসছে এই রব উঠে) মাধ্যমে। তখন নব্য প্রেম চলছে আমার। নতুন প্রেমে পড়লে যা হয়, তাহার মুখের বাণী শোনার জন্য পরানটা সর্বদা আনচান করতো। কলেজ থেকে বের হয়ে কিছু দূর হাঁটলেই ফোনের দোকান ছিল। এভাবেই সুচনা।

বিস্তারিত»

বাংলা বিতর্ক, ক্যাডেট রায়হান এবং কিছু বিরক্তিকর প্যাচাল

কলেজে ক্লাস এইটে থাকার সময়কার একটা কথা এখনও স্পষ্ট মনে আছে। ভলিবল কম্পিটিশনের শেষ দিন। গেমস টাইমের ব্রেক অফের পর হাউসে ফিরে যাচ্ছি। তখন হঠাৎ করে এই বিশাল কলেজে আমার নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হচ্ছিল। হাউস ভেস্ট পড়ে থাকা নিজের ক্লাসের কয়েকজনকে দেখে মনে হচ্ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে ঘরে ফেরা কয়েকজন বীর সৈনিক। আহারে একবছর হয়ে গেল আমি এখনো কিছুই করতে পারলাম না। কি প্রচন্ড হীনমন্যাতা যে আমাকে গ্রাস করেছিল তা বলে বুঝানো যাবেনা।

বিস্তারিত»

না বলে চলে যাওয়া এক প্রিয় মানুষের কথা

কিছু কিছু মানুষ চলে যাবার পরেও চলে যেতে অনেক সময় নেয়। কিছু কিছু মানুষ আবার আরেকটু বেশি ত্যাদোড় টাইপের। নিজে চলে গেলেও ছায়াটুকু কখন যেন পেছনে ফেলে যায়। বাস্তবতার কড়া রোদে পুড়েও পুরোপুরি তা’ মুছে যায়না। সময় অসময়ে, রাতে বিরাতে মনের দরজায় এসে খট খট করে শুধু। বয়স কতইবা হল। সবে মাত্র একুশের নৌকায় পা ডুবিয়ে বসে আছি। এমন বয়সে চলে যাওয়া মানুষের চেয়ে কাছে আসা মানুষের মুখচ্ছবিতেই পুরো বুক ভরে থাকার কথা।

বিস্তারিত»

অন্যরকম খাওয়া দাওয়া

আচ্ছা,খাইতে কেমন লাগে?? নাহ, এই প্রশ্ন বাদ।তারচেয়ে বলেন,খাওয়ার কথা শুনলে প্রথম কিসের কথা মনে পড়ে?? হুম্‌ম… একেক জন নিশ্চয়ই একেকরকম খানাপিনার কথা ভাবতেসেন। কিছু মানুষ আছে যাদের খানাপিনার কথা শুনলে মাথার মধ্যে খালি খাওয়া দাওয়ার ছবিই ঘুরে না, কোত্থেকে জানি সেইসব খাবার এর গন্ধও নাকে এসে ধাক্কা মারে।পারলে তখনই খেতে বসে যায় এমন একটা অবস্থা।খাওয়ার কথা শুনে আপনার কি মনে হয় আমি সেটা বলতে পারবোনা।গ্যাজ মাইরা কলেজ লাইফে বহুত অবজেক্টিভ প্রশ্ন মিলাইসি।

বিস্তারিত»