random header image

আমের দেশে

mango gardenchoto shona moshjidat the boarderঅনেক দিন শহর থেকে দূরে কোথাও যাওয়া হয়না। নাগরিক জীবনের ছোট ছোট ক্লান্তি গুলো যখন বিশালতায় রূপ নিয়েছে তখন ই হঠাত্‍ করে রাজশাহী যাওয়ার একটা দাওয়াত এল। উদ্যোগটা ফেরদৌস ভাইয়ের। ফেসবুকে “ম্যাংগো অ্যটাক” নামে একটা ইভেন্ট খুলে পরিচিতদের দাওয়াত পাঠালেন। অনেক দ্বিধা দ্বন্দ আর সংশয়কে কাটিয়ে রাজশাহী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম। দ্বিধা দ্বন্দ এই অর্থে যে দক্ষিন বঙ্গের বাসিন্দা এই আমার এর আগে কখনো উত্তর বঙ্গে যাওয়া হয়নি। আর এত দূরের পথে যাওয়ার অনুমতি বাবা মার কাছ থেকে পাওয়া এক প্রকার দুঃসাধ্য ছিল। অবেশেষে পেলাম। প্রথমে অনেকে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আমাদের দলে ছিল পাঁচজন। আমি,ফেরদৌস ভাই,শাহরিয়ার মিজান ভাই,মোকাব্বির ভাই,এবং রাশেদ তুহিন ভাই। পাঁচজন মানুষ একটা মাইক্রোবাস। যাত্রা শুরু হল সকাল নয়টায়। যদিও সাতটার দিকেই আমরা বেরিয়ে পড়েছিলাম কিন্তু শাহরিয়ার ভাইয়ের বাসায় ব্রেকফাস্ট করায় একটু দেরী হল। ভাবী বেশ যত্ন করেই নাস্তার আয়োজন করলেন। শাহরিয়ার ভাইয়ের উত্তরার বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ী ছুটে চলল রাজশাহীর পথে। জীবনের প্রথম রাজশাহী যাত্রা তাই উচ্ছাসটা একটু বেশিই ছিল। আবহাওয়াটা তখন আমাদের অনুকূলে। আকাশটা আংশিক মেঘে ঢাকা। গাড়ীর কাঁচ উঠিয়ে দেয়াতে বাইরের বাতাস এসে সহজেই শরীরে প্রশান্তি ঢেলে দিয়ে গেল। প্রথম যাত্রা বিরতি হল আশুলিয়ার কাছাকাছি। সেখান থেকে রাশেদ ভাইকে তুলে নেয়া হল। রাশেদ ভাই কৌতুকপ্রিয় মানুষ। অনেক ক্ষনের ঝিমিয়ে যাওয়া পরিবেশটা তাঁর কৌতুকে বেশ জমে উঠল। কিছুক্ষন পর গ্যাস নেয়ার জন্য গাড়ী থামান হল। ফিলিং স্টেশনের পাশের একটা দোকান থেকে ড্রিংকস এবং আইসক্রিম খেয়ে ফ্রেশ হয়ে গাড়ীতে উঠলাম। ফেরদৌস ভাইয়ের সদ্য কেনা ক্যামেরা তখন ক্লিক ক্লিক শব্দে মুখর। নতুন ক্যামেরা কিনলে প্রথম প্রথম সবাই ফটোগ্রাফার হয়। সে হিসেবের বাইরে ফেরদৌস ভাই ও না। একের পর এক ছবি তোলা চলছে। আকাশের ছবি বাতাসের ছবি,রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভিক্ষুকের ছবি,কিংবা রাস্তার দুপাশে অবারিত সবুজের ভীড়ে অশাষনে বেড়ে ওঠা গাছের ছবি আর ঝুম বৃষ্টির ঝাপটায় গাড়ীর কাঁচে লেগে থাকা বৃষ্টির ফোঁটার ছবি। কাঁচা হাতে কিছুটা আনাড়ি আর কিছুটা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির চেয়েও সুন্দর,জীবন্ত।

ছবি তোলা,গান আড্ডা আর গল্পে তখন আমাদের মাইক্রোবাস ছুটে চলছে রাজশাহীর পথে। পেছনের সিটে বসা রাশেদ তুহিন ভাই একের পর এক জোকস বলে যাচ্ছেন আর শাহরিয়ার ভাই তাই চিরাচরিয়ত সেই হাসি দিয়ে জোকসটাকে সার্থক করছেন। সবার মধ্যে যখন একপ্রকার আনন্দ উচ্ছাস তখন খেয়াল হল আমরা প্রায় বত্রিশ কি.মি ভুল পথে চলে এসেছি। এদিকে গাড়ীর গ্যাস ও প্রায় শেষ। কাছাকাছি একটা ফিলিং স্টেশন পেলে আমরা সবাই সেখানে নেমে যাই। প্রচন্ড গরম আর এক ঘেঁয়ে ক্লান্তিতে আমরা তখন কিছুটা বিপর্যস্ত। ফিলিং স্টেশনে গাড়ীর লম্বা সিরিয়াল এর ফাঁকে আমাদের মাইক্রোকে আগে জায়গা করে দিতে কিছু টাকা খাওয়াতে হল। তারপরেও টানা একঘন্টা দেরী হল। রাজশাহী থেকে জিয়াউল কবির ভাই তখন ঘনঘন ফোন দিয়ে আমাদের অবস্থা জানছেন। তিনি এবং পরিচিত মানুষদের কাছে মতামত নিয়ে জানতে পারলাম আমরা যে জায়গায় আছি সেখান থেকে সোজা রাজশাহী যেতে অনেক সময় লাগবে। তাই আমাদের উল্টো পথে যাওয়াই ভালো। অবশেষে সিদ্ধান্ত হল বত্রিশ কিমি পেছনে গিয়েই রাজশাহীর রুটে যেতে হবে। ঘড়ির কাঁটা তখন তিনটা ছুঁই ছুঁই। সবার পেটে তীব্র ক্ষুধা। আমাদের গাড়ী তখন বনলতার দেশে। নাটোরে আসার পর বৃষ্টি নামল। নাটোরের বৃষ্টি অস্বাভাবিক সুন্দর। অনেকটাই ষোড়শীর অভিমানী কান্নার মত। বৃষ্টির কারনে নাটোরে গাড়ী থামানো গেলনা। নাটোর থেকে কিছু দূরে দত্ত পাড়া নামের এক জায়গায় আমাদের গাড়ী থামানো হল। তখন বিকেল চারটা বাজে। আশেপাশে ভালো কোন খাওয়ার জায়গা পেলাম না। অগত্যা শাহরিয়ার ভাই এবং ফেরদৌস ভাই এর সিদ্ধান্তে এনার্জি প্লাস বিস্কিট এবং দুধ চা সাথে প্রান চিপস দিয়ে কোনমতে লাঞ্চ সাড়লাম। রাজশাহী পৌঁছাতে সন্ধ্যা ছয়টা বাজলো।রাজশাহী বিভাগের বার্জার পেইন্টস এর মার্কেটিং প্রধান জিয়াউল কবির ভাইয়ের অফিসটা খুঁজে পেতেও একটু কষ্ট হল। জীবনে প্রথম বারের মত রাজশাহী দেখছি। একসময় যার নাম ছিল বরেন্দ্র ভূমি। আনন্দ আর আবেগ মিলে মিশে অদ্ভুত এক অনুভূতি তৈরি হল।
সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজটা পেলাম জিয়াউল কবির ভাই এর অফিসে গিয়ে। রাজশাহী শহরের সব এক্সক্যাডেট ততক্ষনে জড়ো হয়ে গেছে সেখানে। মোটামুটি উত্‍সব মুখর পরিবেশ। ফেসবুকের অনেক পরিচিত মুখের সাথে নতুন করে পরিচিত হলাম। এক্সক্যাডেট কম্যুনিটির সংঘবদ্ধতার আরো একটি পরিচয় পেলাম। রাজশাহী থেকে শাহেদ ভাই এর বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা এবং ঢাকা থেকে আমাদের রাজশাহী যাওয়াতে কেক কাটা হলো। সাথে খাওয়াদাওয়া। এক্ষেত্রে জিয়াউল কবির ভাইয়ের অবদানের কথা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। আমরা আরো পেয়ে গেলেম ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটির নিবেদিত প্রান সজল ভাইকে। এছাড়া মাহফুজ ভাই,জাহিদ ভাই,নূসরাত,নূর সাঈদা,গ্লোরী,তাসনিম আপু, শিমুল আপু, জামিল ভাই, ইমরান ভাই, সহ আরো অনেক এক্সক্যাডেটের দেখা পাওয়া গেল। সব এক্সক্যাডেটের আনন্দ উল্লাসে রাজশাহীর নির্ঘুম সে রাত জীবনের অবিস্মরনীয় একটি রাতে পরিণত হল। কারো ক্যাডেট জীবনের ফেলে আসা স্মৃতি, বয়ে চলা জীবনের ফাঁকে ঘটে যাওয়া ঘটনা সুখ দুঃখ না বলা কথা খুব সহজে ভাগ করে নেয়া হল নিদ্ধির্ধায়।
মাঝরাতে দিকে গাড়ীতে করে বেরিয়ে পড়লাম রাজশাহী শহরে। উদ্দেশ্য চা পান। রাজশাহী শহরের নামকরা টং এর দোকান গুলো তখনো জেগে আছে। কবির ভাই ফেরদৌস ভাই এবং শাহরিয়ার মিজান ভাইয়ের নেতৃত্বে চা পান করতে গেলাম। ফেরার পথে লেবু এবং কোক নিয়ে যাওয়া হল অ্যলকোহলিক আমেজ আনতে। সারারাত গল্প আড্ডা আর স্মৃতি চারনে কেটে গেল। সকাল সাতটার দিকেই আমরা রেডী হয়ে গেলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে। অসম্ভব সুন্দর এক সকালে আমাদের যাত্রা শুরু হল চাপাইনবাবগঞ্জ এর পথে। সকালে কাঁচা রোদ এসে মাইক্রোর কাঁচে অপূর্ব প্রতিফলন সৃষ্টি করছে। আর আমাদের গাড়ী ছুটে চলছে তার নিজস্ব গতিতে। দুপাশ অনেক কিছু আমার চোখে আটকালো। চাপাইনবাবগঞ্জের দুপাশে শুধু আম আর আম। মনে হয় আমের রাজ্যে হারিয়েই গেছি। বাঘড়িয়া বাজারের কাছাকাছি এসে আমাদের মাইক্রো নষ্ট হলে দু ঘন্টা যাত্রা বিরতি হয়। জায়গাটা একটা বাজারের কাছাকাছি ছিল। সেখানে চা এবং সিংগারা খাওয়া হল। আমাদের দল তখন অনেকটাই ভারী। সজল ভাই এবং মাহফুজ ভাই আমাদের বিদায় দিতে এলেও শেষ পর্যন্ত থেকে গেলেন। আমরা যখন চা পান করছি তখন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। এর ফাঁকে গাড়ী ঠিক করার কাজ চলছে। বাঘড়িয়া বাজারের একটা বর্ননা দেয়া যায়। ছোট ছোট অনেক গুলো দোকান। সেখানে আনারস,ডাব আর কলার ছড়াছড়ি। বাজারের একদিকে সিডির দোকানে বাংলা ছবির গান চলছে। আমি আর মাহফুজ ভাই আনারস খেলাম। এখানে একটা কথা বলতেই হয়। চাপাইনবাবগঞ্জের মানুষের আতিথেয়তার পরিচয় পেলাম। দোকানী বাসা থেকে কেটে এনে আনারস খাওয়ালো। ততক্ষনে জিয়াউল কবির ভাইয়ের দৃষ্টিগোচর হল ব্যাপারটি। তিনি আরো আনারস কাটার নির্দেশ দিলেন এবং সবাই খেলাম। গাড়ী ঠিক হলে আবার আমাদের যাত্রা পুনরায় শুরু হল।

আমাদের গাড়ী পৌঁছাল বাংলাদেশের শেষ সীমান্তে। অর্থাত্‍ বর্ডারে চলে এসেছি আমরা। দৃশ্যটা অদ্ভুত ছিল। কাঁটা তারের ওপারেই অন্য একটি দেশ। আলাদা এক ভুখন্ড। আলাদা জীবন যাত্রা। সবকিছু ভাগ করা গেলেও আকাশটাকে ভাগ করা যায়নি। আর তাই অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলাম মেঘমুক্ত আকাশ যেন ভারত বাংলাদেশ দুটোকেই আচ্ছন্ন করে রেখেছে গভীর মমতায়। বিজিবির অনুমতি নিয়ে নোম্যানস ল্যান্ডে দাঁড়ালাম। ছবি তুললাম। একপাশে লেখা বাংলাদেশে স্বাগতম আর অন্যপাশে “এই সীমানা অতিক্রম নিষেধ”। আমরা সবাই ছবি তুললাম। বর্ডার থেকে একের পর এক মালবাহী ট্রাক আসছে। একটি পরিবারকে দেখলাম প্রিয় কাউকে বিদায় দিতে এসেছে। দেখে মনে হল মুক্তভাবে জন্মালেও আমাদের কত সীমাবদ্ধতা। চাইলেও যা অতিক্রম করা যায়না। দেয়ালের ওপাশে অন্য এক পৃথিবী। অন্য এক আয়োজন।
যা অতিক্রম করা গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি বি এস এফ এর নির্বিকার গুলিবর্ষন অতঃপর মৃত্যু। বর্ডার থেকে ফিরে আমরা সরাসরি আমের বাগানে ঢুকলাম। এবং এই প্রথম আমি এত নিচ থেকে আম ঝুলতে দেখলাম। হাত দিয়ে স্পর্শ করার অনুভূতিটাও অদ্ভুত ছিল। একেকটা গাছ আমের ভীড়ে ন্যুয়ে পড়েছে। আম বাগানের পরিবেশটা শান্ত। এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধকে দেখলাম আম বাগান পাহারা দিতে। আম বাগানের মধ্যে খোঁজ পেয়ে গেলাম বাংলাদেশের অতি প্রাচীন এক মসজিদের। মসজিদটির নাম গৌড় মসজিদ। এতটাই পুরনো যা এখন প্রত্নতত্ত বিভাগের অধীনে চলে গেছে। সবকিছু ভালোভাবে দেখে আমরা ফিরে এলাম ছোট সোনামসজিদ এর কাছাকাছি। চাপাইনবাবগঞ্জে তখন ঝুম বৃষ্টি। চাপাই এর বৃষ্টি আমার ভালোলাগেনি। মনে হল স্বামী হারা যুবতীর কান্নার মত বৃষ্টি। ছোট সোনামসজিদ এর কাছাকাছি দুটো রেস্টুরেন্ট পেয়ে গেলাম। একটির নাম শেরাটন অন্যটি সোনারগাঁ। বাংলাদেশের অভিজাত দুটি রেস্টুরেন্ট এর নামে নাম দেখে বেশ মজা লাগলো। নানা দ্বিধা দ্বন্দ কাটিয়ে অবশেষে সোনারগাঁয়েই দুপুরের খাবার খেলাম। হাঁসের মাংস এবং মুরগীর মাংস দিয়ে।

দুপুরের খাবার খেয়ে আবার আমরা রাজশাহীর দিকে রওয়ানা দিলাম। মাঝপথে একটা বাজারে আম কেনার জন্য থামানো হল। পছন্দ না হওয়ার সেখান থেকে কেনা হলনা। চাঁপাই এর পথে পথে অনেক আমের বাজার। এখান থেকেই সারাদেশে আম পাঠানো হয়। রাজশাহী পোঁছাতে সন্ধ্যা হল। রাজশাহী শহর থেকে যে যার মত আম কিনলাম। রাজশাহীতে অদ্ভুত এক আমের দেখা পেলাম। যার নাম আম্রপালী কিংবা রুমালী আম। মাথা খারাপ করার মত স্বাদ। মাইক্রো আম ভর্তি করে আবার জিয়াউল কবির ভাইয়ের অফিসে গেলাম। সেখান থেকে ফ্রেশ হয়ে শহরে গিয়ে রাতের খাবার খেলাম। রাতের খাবার শেষে শেষবারের মত পদ্মার পাড়ে গেলাম। পদ্মা তখন ঘুমন্ত বালিকার মত নিশ্চুপ। পদ্মার পাড়ে কিছু সময় কাটালে মনটা ভরে উঠলো। ছবি তুললাম। আমাদের ফটোগ্রাফার ফেরদৌস ভাইয়ের হাত তখনো ক্লিক ক্লিক শব্দে ব্যস্ত। ফেরদৌস ভাই এর ড্রাইভার সাগর পদ্মার পাড়ে এসে মোটুমুটি আনন্দে আত্নহারা হয়ে গেল। বেচারা কোন এক গানের মিউজিক ভিডিওতে এই জায়গা গুলো দেখেছে। সব আনন্দের শেষে বিদায়ের পালা। অকৃত্রিম ভালোবাসায় সিক্ত আমরা রাজশাহী থেকে বিদায় নিলাম রাত এগারোটার দিকে। জিয়াউল কবির ভাই বিদায়ের আগ পর্যন্ত সাথে ছিলেন। অবশেষে আবার ঢাকার পথে যাত্রা শুরু হল। অনেক ক্লান্ত ছিলাম বলে ফেরার পথে কিছুই টের পাইনি তবে ভোর চারটার দিকে মির্জাপুরে চা খেতে নেমেছিলাম। ঢাকায় পৌঁছানোর প্রবেশ দ্বারে পুলিশের গাড়ীর মুখোমুখি হলাম। তাও এক বিরল অভিজ্ঞতা। পুলিশ বেচারা অনেকক্ষন গাড়ী তল্লাশী করে কিছু না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেলেন। অবশেষে যে যার বাসায় চলে এলাম। বাসায় আসার পর মনে হল এত অকৃত্রিম ভালোবাসা ক্যাডেট সমাজের বাইরে খুব একটা দেখা যায়না। এক্সক্যাডেট শুধু এই একটি পরিচয়ে পৃথিবী ব্যাপী যে সুবিশাল ভালোবাসার বন্ধন আছে তা টিকে থাকুক আজন্মকাল। জয়তু ক্যাডেট কলেজ। জয়তু এক্সক্যাডেট ফোরাম।

০ votes, average: ০.০০ out of ৫০ votes, average: ০.০০ out of ৫০ votes, average: ০.০০ out of ৫০ votes, average: ০.০০ out of ৫০ votes, average: ০.০০ out of ৫ (ভোট, ০.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

১১ টি মন্তব্য

  1. মোকাব্বির (১৯৯৮-২০০৪)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৮:২০ অপরাহ্ন |

    ভালো লিখেছিস কবি…

    [ জবাব দিন ]

  2. রকিব (০১-০৭)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৮:২১ অপরাহ্ন |

    ছবি দাও, আসলেই আম খাইছো তো :P

    [ জবাব দিন ]

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:০৫ অপরাহ্ন |

    হুম ভাইয়া খাইছি

    [ জবাব দিন ]

  3. মোকাব্বির (১৯৯৮-২০০৪)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৮:৩০ অপরাহ্ন |

    হাঁটুর কাছে ঝুলতে থাকা ফজলী আমের কিছু ছবি আপলোড দে তো!! সবাই দেখুক! :D

    [ জবাব দিন ]

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:০৩ অপরাহ্ন |

    ওকে ভাই। নেক্সট যখন পিসি থেকে ঢুকবো তখন দেবো

    [ জবাব দিন ]

  4. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৮:৪০ অপরাহ্ন |

    ফেরার পথে লেবু এবং কোক নিয়ে যাওয়া হল অ্যলকোহলিক আমেজ আনতে

    দুধের স্বাধ পানিতে মেটে? :P

    [ জবাব দিন ]

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:০১ অপরাহ্ন |

    smirnoff and vat69 এর সাথে মিশিয়ে খাইছি ভাই। লেখাটা একটা ম্যাগাজিনে পাঠিয়েছি বলে এখানে উল্লেখ করিনি

    [ জবাব দিন ]

  5. শরিফ (০৩-০৯)
      শরিফ (০৩-০৯)
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:২৭ অপরাহ্ন |

    ভাল হইছে লেখা । :party:

    [ জবাব দিন ]

    রাব্বী (২০০৫-২০১১)
        জুলাই ১৯, ২০১২ at ৯:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    :) :)

    [ জবাব দিন ]

  6.   শাহরিয়ার মিজান
       জুলাই ১৭, ২০১২ at ৯:৫১ অপরাহ্ন |

    কবি—- :clap:

    [ জবাব দিন ]

  7. Md.Sabbir Anam Adnan
      Md.Sabbir Anam Adnan
       নভেম্বর ২০, ২০১২ at ১:৪২ পুর্বাহ্ন |

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard