অনেকের মনেই প্রশ্ন আসিতে পারে, “বিফলে মূল্য ফেরত” জাতীয় বিজ্ঞাপনসমূহের সূচনা এই বংগদেশে কিরূপে হইলো। ইহার সঠিক সূচনা সম্পর্কিত দলিল যে কোনো ইতিহাস বেত্তা দিতে পারিবেন না, ইহা আমি হলফ করিয়া বলিতে পারি।কিন্তু আমার জনক তা জানেন বলিয়া জোর গলায় দাবী করেন।
জনক বলিয়া কথা। পারিবারিক কোন্দল এড়াইতে আমি সেই গপ্পো গিলিয়া যাইতে পারি। কিন্তু আপনারা গিলিবেন, না নেহায়েত মস্করা বলিয়া হাসিয়া উড়াইয়া দিবেন ইহা সম্পূর্ণরূপ আপনাদিগের উপরেই ছাড়িয়া দিলাম।
ঘটনার স্হান এবং কাল ব্রিটিশকর্তাদিগের শাসন আমল। বঙ্গদেশে তুমুল ছাড়পোকার উপদ্রপ হইলো।
গৃহে গৃহে, অপেরা হাউসে, রেস্তোরায়, বা্য়োস্কোপে, প্রেক্ষাগৃহে সর্বত্র ক্ষুদ্র এই জীব কোমল-কঠিন, ধনী-দরিদ্র কোনো জাতপাত না বুঝিয়া সকলের পশ্চাৎ দেশে চুম্বন করিতে লাগিলো।
বঙ্গদেশে তৎকালীন কীটনাশকেরও আবিস্কার হয় নাই। সূতরাং মৌখিকভাবে ক্ষুদ্র এই জীবের গুষ্ঠি উদ্ধার করা ব্যতীত মনূষ্য সমাজের আর কিছুই করিবার ছিলোনা।
এইরূপ দূ্র্যোগ কালে নামকরা এক দৈনিক কাগজে বিজ্ঞাপন আসিলো আধেক পাতা জুড়িয়া । ছাড়পোকা মারিবার অব্যর্থ উপায়।বিফলে মূল্য ফেরত। আট আনা পয়সা পিও বক্সে মনি অর্ডার করিলে এই যুগান্তকারী মারনাস্ত্র আপনার গৃহে ডাক যোগে পৌছাইয়া যাইবে।
সাধু! সাধু!! অতি উত্তম আবিস্কার। তাই বলিয়া আট আনা পয়সা !!
তৎকালীন আট আনা পয়সা কিরূপ অমূল্য তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। স্বস্তির নিমিত্তে তবুও মানুষ আট আনা পয়সার বলীদান চড়াইলো। মনি অর্ডার করিতে লাগিলো সক্কলে। জীবন বাচানো বলিয়া কথা।
সক্কলের গৃহে একটি করিয়া পার্শ্বেল আসিয়া পৌছাইলো। দুখানা করিয়া পাথর, এক খানা করিয়া ম্যনুয়াল। মানুষজন ভীরমি খাইয়া পরিলো। ম্যনুয়াল পুস্তিকার বিবরণ নিম্নরূপ:
“প্রথমে ছাড়পোকা ধরিবেন। ১ম পাথর খানার উপর উহাকে রাখিবেন। অতঃপর ২য় পাথর খানা লয়িয়া পিষিয়া মারিবেন।অনুরূপ ক্রি্য়ায় শত ভাগ সাফল্য আসিবে।অন্যথায় মূল্য ফেরত।”
শেয়ার করুন



২৭ টি মন্তব্য
ফার্ষ্ট হইছি!!!
[ জবাব দিন ]
সেইরকম!!!
[ জবাব দিন ]
২য়
[ জবাব দিন ]
নাহ ভাই! এই গল্প আমরা বুয়েটিয়ানরা সঅকলেই জানি
[ জবাব দিন ]
ওই হালা ঘুমা………
এত রাইতে জাইগা থাইকা কি করস??
[ জবাব দিন ]
আজহার কি করে??
[ জবাব দিন ]
আজহার এইবার সেইরাম সিরিয়াস…………
[ জবাব দিন ]
কে বলসে?আমি তো জানতাম না।
অ.টঃআপনার বুয়েটিয়ান ভাব আর গেল না
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
দারুন লিখছিস রেদু । তোর লেখা পড়ার মজাই আলাদা । তোরা যে জান্নাতুলের সাথে বিশাল এক ট্যুর দিয়ে আসলি সেটা নিয়েও কিছু লিখে ফেল
[ জবাব দিন ]
এক্কেবারেই অব্যর্থ উপায়।
মজা পেলাম পড়ে।
[ জবাব দিন ]
বড় অসময়ে দিলিরে দোস্ত।
কয়ডা দিন আগে দিলেও পারতি, হল ছাইড়া দিসি।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এক্কেবারেই অব্যর্থ উপায়।
মজা পেলাম পড়ে।
[ জবাব দিন ]
কঠিন।
[ জবাব দিন ]
চরম মজা পাইলাম।

কিন্তু ভাই এরপরে আরেকটা কাজ আছে, হাত টা ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে আসা।
[ জবাব দিন ]
এইটা কি সাবানের বিজ্ঞাপন দেয়ার ধান্দা নাকি?
[ জবাব দিন ]
এসব কি কথা? পোলাপানদের মাথা আসলেও নষ্ট।
[ জবাব দিন ]
কোন সব কি কথা ভাবী ?
[ জবাব দিন ]
মজা পাইলাম …………
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অব্যর্থ বটে
[ জবাব দিন ]
এক্কেবারে অব্যার্থ!!
[ জবাব দিন ]
ছাড়পোকা ড়ক করে ।
[ জবাব দিন ]
বুয়েট লাইফের প্রথম ৭ দিন রশিদ হলের এক সিনিয়র ভাইয়ের রুমে ছিলাম। তখন “তেনাদের” সাথে প্রথম পরিচয়। ফার্স্ট রাতের পর আমি নিয়মিত টিভি রুমে রাত কাটাইতে লাগ্লাম। রাত তিনটা/চারটার দিকে যখন ঘুমে চোখ আর খুলে রাখতে পারতাম না, তখন রুমে ফিরতাম।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]