random header image

স্বাধীনতা দিবসের আগেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী জানাই!

ডিস্ক্লেইমারঃ আমার লেখায় সীমাবদ্ধতা আছে। ভাঙ্গা রেকর্ড ঘুরে ফিরে বাজাই। বিষয়ের বৈচিত্র্য না থকায় মৌলিক লেখা সিসিবির পাঠকদের জন্য দেওয়া হয়ে উঠে না। তাই ডুয়াল পোষ্ট ছাড়া উপায় থাকে না। তবে সিসিবির সদস্যদের সম্মান জানিয়ে পুরোনো লেখা না দিয়ে একই সময়ে লেখাটি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এই লেখাটি অন্য ব্লগেও দেখতে পাবেন। যারা একাধিক ব্লগ পড়ে থাকেন তাঁদের অসুবিধের জন্য আমি দুঃখিত। আর এভাবে একই সময়ে অন্য ব্লগে পোষ্ট করাতেও যদি অধিকাংশ সদস্যদের আপত্তি থাকে তবে সেটা জানালে খুশি হব। সে ক্ষেত্রে মৌলিক লেখাই দেওয়ার চেষ্টা করবো।

দুধ-কলা দিয়ে সাপ পুষলে কি হয় তা মনে হয় আমরা এখন হাঁড়ে হাঁড়ে টের পাচ্ছি। আমাদের লজ্জা যে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তো করিইনি উল্টো তাঁদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। যে কারণে আজ তাঁরা বলতে সাহস করে যে স্বাধীনতায় তাঁদেরও অবদান আছে। আমরা জাতি হিসেবে কতটা খারাপ হয়ে যাচ্ছি সেটা আর কষ্ট করিয়ে আমাকে দেখিয়ে দিতে হচ্ছে না। যে জাতিতে যুদ্ধাপরাধীরা, দুর্নীতিবাজরা গলা উচিয়ে চলে আর সৎ মানুষেরা হয় সমাজে অচল, সে জাতি কিভাবে পৃথিবীতে টিকে থাকবে আমি জানি না। এখনো সময় আছে, আমাদের জাতিকে গড়ে তোলবার। যার জন্য এই প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে, কাজ করতে হবে। ভুলে যেতে হবে আমাদের আগের প্রজন্মের ব্যার্থতার কথা। তাঁরা পারেননি, হয়তো তাঁদের সীমাবদ্ধতা ছিল। তাঁরা হয়তো স্বাধীনতা এনে দিয়েই তাঁদের দায়িত্ব শেষ মনে করেছে।

আজকে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল, মিডিয়া সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে আমরা যেটা সুবিধে পাচ্ছি তা হল সমমনাদের একত্রে পাওয়া- যা অতীত কালে এভাবে সম্ভবপর হয়ে উঠতে পারতো না। আজ পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত হতে যে কেউ যে কোন প্রকল্প হাতে নিতে পারে এবং তার জন্য সকলে মিলে কাজ করতে পারি। যে কারণে দেশ হতে বাহিরে এসেও কেউই ভাবে না সে দেশের বাহিরে রয়েছে। আমি যেখানেই থাকি না কেন প্রিয় জন্মভূমির জন্য টান কখনো মলিন হবার নয়।

এই মুহুর্তে আমাদের যেটা করা দরকার ব্লগে ব্লগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য বিপুল জনমত তৈরী করা। আমি জানি জনমত তৈরী আছেই, কিন্তু সেটাই এখন আওয়াজ দিয়ে সরকারের কর্ণকুহরে পৌছানো। সরকার যেন কোনভাবেই না ভাবে যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিডিয়ার হত্যা মামলা বা ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা বা ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ। আর আওয়ামী লীগ যেন কোনভাবেই এই বিচারেকে তাঁদের আগামী নির্বাচনের ইস্তিহারের বিষয় ভেবে না রাখে। সরকারের বিভিন্ন কথাবার্তায় সে রকমই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমরা যত দেরী করবো তত এই যুদ্ধাপরাধীরা মানুষকে আরো বেশি বিভ্রান্ত করবে।

সরকারকে এই মুহুর্তে একটি ডেড লাইন দিয়ে দেওয়া জরুরী। এই ক্ষেত্রে আমি বলবো আমরা আগামী স্বাধীনতা দিবসের আগেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর্ব শুরু হয়েছে দেখতে চাই। এ জন্য আমরা সবাই প্রচারনা চালিয়ে যাই। ব্যানার হোক, পোস্টার হোক, শ্লোগান হোক, কবিতা হোক, গান হোক, ছবি হোক, গল্প হোক, লেখা হোক, মানব বন্ধন হোক। কিন্তু আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর্ব শুরু না হয়া পর্যন্ত আমাদের মুখ বন্ধ রাখবো না।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংগঠন তাঁদের কার্যক্রম শুরু করেছে। সিসিবি যুদ্ধাপরাধীদের জন্য আলাদা আর্কাইভ খুলেছে। সচলেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি/লেখা নিয়ে আলাদা আর্কাইভ এর চিন্তা শুরু হয়েছে। এ ছাড়া WCSF (War Crime Strategy Forum) গঠন হয়েছে যেখানে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে গড়ে উঠছে যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কিত মিডিয়া আর্কাইভ এবং ই-লাইব্রেরী । মিডিয়া আর্কাইভে গত এক বছরের যুদ্ধাপরাধ নিয়ে প্রকাশিত সকল পত্রিকার খবর ও ব্লগে প্রকাশিত লেখা, বিভিন্ন ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে। ই-লাইব্রেরীতে বাংলা ও ইংরেজীতে প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কিত বই, জার্নাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। এগুলো সকলের ব্যবহারে জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে একেক জন যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আলাদা আলাদা তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং সেখান থেকে তাঁদের কুকীর্তিগুলো নিয়ে প্রতিবেদন তৈরী করা হবে যা পরবর্তীতে উইকি এবং অন্যান্য সকল জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এই তথ্য ভাণ্ডার যেন বিচারের সময় ব্যবহৃত হয় সেটার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। এ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আরো তথ্য পাওয়া যাবে জেনোসাইড আর্কাইভ, মুক্তধারা, নিউ-ইয়র্ক বাংলার ওয়েবসাইটে। এই তথ্যগুলো সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হোক।

আমাদের প্রজন্মের আক্ষেপ থাকতে পারে যে আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের সুযোগ পাইনি। কিন্তু আমাদের এ কথাও ভুলে গেলে চলবে না যে মুক্তির জন্য সে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়ে যায় নি। এখনো রাজাকার, দুর্নীতিবাজরা লাল সবুজের পতাকার গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ায়। তাই নিজেকে প্রশ্ন করি যে যার অবস্থানে থেকে কি করতে পারি দেশের জন্য। সবাইকে যে এর জন্য রাজনীতি করতে হবে তাও নয়। প্রথমতঃ নিজে যদি সচেতন হই, মুক্ত চিন্তার মানুষ হই তখনই দেশ গড়ার কাজে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তারপর নিজের অবস্থান, নিজের ক্ষমতা বুঝে যে কোন একটি ক্ষেত্রে অবদান রাখা। এই মুহুর্তে সবচেয়ে উপযোগী ক্ষেত্র হচ্ছে বাংলা উইকিকেসমৃদ্ধ করা। আমার মতে আমাদের দেশের মত অনুন্নত দেশগুলোর জন্য উইকি একটি বিশাল সুযোগ এনে দিয়েছে। একটি শক্তিশালী নুতন প্রজন্ম গঠনের জন্য শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। মানুষ যে সব শিক্ষা শুধু বিদ্যালয়েই পায় তা নয়। তাঁর পরিবার, বন্ধু বান্ধব, সহকর্মী, মিডিয়া সকল ক্ষেত্রে থেকেই সে জ্ঞান লাভ করে। আর সেই জ্ঞানের জন্যই প্রয়োজন একটি তথ্য ভাণ্ডার। চিন্তা করে দেখুন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সম্ভবপর নয় সকল স্কুলে বা সকল গ্রামে একটি করে লাইব্রেরী দেওয়া। কিন্তু আমাদের পক্ষে সম্ভব সকল জায়গায় একটি করে কম্পিউটারর ও ইন্টারেন্ট দেওয়া। স্বল্প খরচে সকলের কাছে আমরা জ্ঞানের দড়জা খুলে দিতে পারি যদি আমদের সেই জ্ঞানের ভান্ডার থাকে। উইকিকে আমি সেই জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবেই দেখি। সকলের প্রচেষ্টায় আমরা এই ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করতে পারি। বাংলার ইতিহাস, পৃথিবীর ইতিহাস, সমাজ, বিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি কোন বিষয় নেই যা আপনি আজ উইকির মাধ্যমে জানতে না পারছেন।

বাংলা উইকির রাগিব সব সময় এই কথাগুলো বলার চেষ্টা করছে। আমিও আজ থেকে তাঁর সাথে এই কথাগুলো বলে যাবো। আমরা ফেইসবুকে বা ব্লগে যে পরিমান সময় ব্যয় করি তার থেকে কিছু সময় দিতে পারি উইকিকে, অন্তত পক্ষে বাংলা উইকিকে। উইকিতে লিখা আর ব্লগে লেখার মাঝে তেমন বিশেষ পার্থক্য নেই। তারপরেও রাগিবের টিউটোরিয়াল দেখে নিলে তেমন কোন সমস্যাই হবে না। আরকেটি কথাঃ অনেকেই ভাবি যে উইকিতে লিখতে হলে হয়তো অনেক কিছু জানতে হয়। সেটা ঠিক নয়। আপনি যা জানেন সেটাই লিখুন। কোন বইয়ে কিছু পড়েছেন, এবং যদি আপনার মনে হয় সেই তথ্যটি মানুষ জানলে উপকৃত হবে তবে তা দিয়ে দিন। শুধু বইয়ের সুত্রটি দিয়ে দিবেন। অথবা ইংরেজী উইকি থেকে কিছু পড়েছেন এবং যদি মনে করেন আপনি চান মানুষ সেটা জানুক তবে সেটাকে অনুবাদ করে নিজের ভাষায় কিছু লিখে দিন। ব্লগে যদি এত কিছু লিখতে পারেন তবে অবশ্যই সেখানেও দু’এক লাইন লিখতে পারবেন। আসুন গা ঝাড়া দিয়ে উঠুন, কিছু কাজ করুন। শুধু বিচারের দাবী জানিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে হবে না। আর কখনো যেন বিচারের জন্য অপেক্ষা না করতে হয় সেটার জন্যও কাজ করতে হবে। এমন একটি সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যেন সমাজে আইনের শাসনের প্রতিষ্ঠা হয়। কেউই যেন নিজেকে আইনের উর্ধ্বে মনে না করে। দুর্নীতিবাজ, যুদ্ধাপরাধীদের স্থান যেন হয় শুধু চার দেওয়ালের ভেতরে।

শেয়ার করুন
১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫১ vote, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

১২ টি মন্তব্য

  1. রকিব (০১-০৭)
       ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯ at ৮:৩৯ পূর্বাহ্ন |

    সরকারকে এই মুহুর্তে একটি ডেড লাইন দিয়ে দেওয়া জরুরী। এই ক্ষেত্রে আমি বলবো আমরা আগামী স্বাধীনতা দিবসের আগেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পর্ব শুরু হয়েছে দেখতে চাই।

    সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা জরুরী।

    মুক্তির জন্য সে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়ে যায় নি। এখনো রাজাকার, দুর্নীতিবাজরা লাল সবুজের পতাকার গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ায়। তাই নিজেকে প্রশ্ন করি যে যার অবস্থানে থেকে কি করতে পারি দেশের জন্য।

    সহমত। সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।

    যুদ্ধাপরাধীদের স্থান যেন হয় শুধু চার দেওয়ালের ভেতরে।

    চার দেয়াল নয়, এদের আর ইহজগতে দেখবার কোন ইচ্ছা আমার নেই, ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করানো হলেও এদের পাপমোচন হবে না।

    মোস্তফা ভাইকে :salute:

    [ জবাব দিন ]

    মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)
        ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯ at ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন|

    ধন্যবাদ রকিব।

    [ জবাব দিন ]

  2. ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪)
       ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯ at ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন |

    আজকের প্রজন্মই পারঅবে নিঃস্বার্থ ভাবে যুদ্ধপরাধীদের বিচার সমন্বিত এবং তরান্বিত করতে।
    বন্ধু তোকে সালাম।
    :salute:

    [ জবাব দিন ]

    মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)
        ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯ at ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন|

    ধন্যবাদ বন্ধু!

    [ জবাব দিন ]

  3. জিয়াদ (১৯৮৮-৯৪)
       ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯ at ১:৪৯ অপরাহ্ন |

    মোস্তফা
    তর মনে পরে কি না,ক্লাস ১২ এ থাকতে বাংলা গদ্দে একটা আর্টিকলে ছিল,যার একটা লিনে ছিল: “এই রাজ-চক্র,এর মর্ম ভেদ করা বড়ো কঠিন”….তেমনি যুদ্ধাপরাধী দের যথাযথ বিচার ঠিক মত কত খানি হবে,সেটাও একটা বিশাল প্রশ্নের ব্যাপার.

    [ জবাব দিন ]

    মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)
        ডিসেম্বর ১৮, ২০০৯ at ১:০০ পূর্বাহ্ন|

    দোস্ত তোর মন্তব্য পেয়ে আমি যারপর নাই বিষ্মিত। সিসিবিতে স্বাগতম :hug: । সিসিবিতে তোর করা প্রথম মন্তব্যটি আমার :awesome: । আশা করি নিয়মিত তোকে সিসিবিতে দেখবো।

    [ জবাব দিন ]

  4. mcctuhin
       ডিসেম্বর ১৮, ২০০৯ at ১:১২ পূর্বাহ্ন |

    জ্ঞানের জন্যই প্রয়োজন একটি তথ্য ভাণ্ডার। চিন্তা করে দেখুন আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সম্ভবপর নয় সকল স্কুলে বা সকল গ্রামে একটি করে লাইব্রেরী দেওয়া। কিন্তু আমাদের পক্ষে সম্ভব সকল জায়গায় একটি করে কম্পিউটারর ও ইন্টারেন্ট দেওয়া। স্বল্প খরচে সকলের কাছে আমরা জ্ঞানের দড়জা খুলে দিতে পারি যদি আমদের সেই জ্ঞানের ভান্ডার থাকে।

    ভালো উদ্যোগ।
    মুহাম্মদ একটা সময় খুব ভাল একটা কাজ করত। প্রতিদিন ক্লাসে যেটা পড়ানো হত, ইংরেজী উইকি থেকে সেটাকে বাংলায় অনুবাদ করে রাখত। ক্ষেত্রবিশেষে দেখা যেত বাংলাটায় আরো কিছু যোগ করে দিত।
    সেই কাজটা আমরা সবাই করতে পারি। প্রতিদিন অন্তত কিছুটা সময় উইকিতে দিলে ব্যাপারটা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। দশের লাঠি একের জন্য বোঝা-ই হবে বৈকি।

    [ জবাব দিন ]

  5. জিয়াদ (১৯৮৮-৯৪)
       ডিসেম্বর ১৮, ২০০৯ at ১১:০২ পূর্বাহ্ন |

    দোস্ত,আশা করি নিয়মিত আসবো এই ব্লগ এ.

    [ জবাব দিন ]

  6. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)
       ডিসেম্বর ২০, ২০০৯ at ৩:২০ অপরাহ্ন |

    ভাল কাজ মোস্তফা।

    [ জবাব দিন ]

    মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)
        ডিসেম্বর ২১, ২০০৯ at ১:২২ পূর্বাহ্ন|

    ধন্যবাদ আপু।

    [ জবাব দিন ]

  7. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
       ফেব্রুয়ারী ১, ২০১০ at ১২:২২ পূর্বাহ্ন |

    http://www.facebook.com/video/video.php?v=199042639834&ref=share
    এইটা পাইলাম কিছুক্ষন আগে….. x-(

    [ জবাব দিন ]

    মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)
        ফেব্রুয়ারী ১, ২০১০ at ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন|

    কি আর বলার আছে, গালি দেওয়া ছাড়া। এদের বিচার যত দেরী হবে তত এইগুলো শুনতে হবে।

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard