চব্বিশ পেরোনো এক বালককে চিনি
আয়নার ওপাশে
অসম দূরত্বে দাঁড়িয়ে, বসে, অথবা শুয়ে;
প্রায়শঃ আমার দিকে খুব নির্বাক চোখ
বিম্বের সরলতায় তাকিয়ে থাকে।
শরীরে ক্রমশ পড়ছে বুড়িয়ে যাওয়া পলি-ছাপ,
ঘন চুলের ফাঁকে লুকিয়ে কেউ কেউ
বিশ্বাসঘাতকতার সূত্রে নীরবে শাদা হয়
ধবল বকের মত, কালোপানির খালে দাগ জেগে ওঠে।
কনুইয়ের উল্টোপিঠে বাহু-ভাঁজ, সেখানে
রেখার আঁচড়, বয়স লিখিত হয় গলার নিচে,
মুখের চারপাশে শ’য়ে শ’য়ে নতুন সূচালো শ্মশ্রু-ঘাম জমে থাকে।
তার করতল থেকে শৈশব আর দুধ-গন্ধ ঝরে গেছে
গ্রন্থিতে, পেশিতে, মাংশে ভেঙে পড়ছে আকৈশোর প্রেম
এবং প্রেমিকারা-
অভিমানী মন নিয়ে চলে গেছে বিম্বের সামনের পারদে।
গাঢ়তম আঁধারে ঢেকে থাকা রাতে
আমি বিম্ব-নিবাসী বালকের প্রৌঢ়ত্বে
অনেক বিষণ্ণ হয়ে পড়ি; বুঝি,
বালকের চোখের একটি প্রশ্নও তখন
বেঁচে ছিল না।
***
৫.২.৯



২৬ টি মন্তব্য
একটু কঠিন লাগছে, কিন্তু কবিতাটা ভালাপাইছি
জবাব দিন
১ম
জবাব দিন
১ম না ২য়!!!
জবাব দিন
জবাব দিন
আজকে কয়জনরে ফটো ফিনিশে ধরা খাওয়াইলি রে
জবাব দিন
সে-ই একদিনে দুজন ধরা খাইলো… এখন আমারই মায়া লাগতেছে!
জবাব দিন
মানে কি
জবাব দিন
বিম্বে যে বালক বসবাস করে তার প্রৌঢ়ত্বে …
জবাব দিন
চব্বিশ পেরোলে আর বালক কিভাবে থাকে, এইটাই তো অনেক চিন্তা কইরা বাইর করতে পারলাম না।
তবে তুমি যা-ই লিখো তাতেই প্লাস।
জবাব দিন
এইটাইতো কুহক, এইটাই তো রহস্য। বালক নিজেও তার উত্তর জানেনা। খুঁজে বেড়াচ্ছে।
যা লিখি তাতেই প্লাস দিয়েন না। মাঝে মইদ্যে “মাইনাচ”
দিতে পারেন!
জবাব দিন
যেদিন বুঝুম সেদিন মাইনাচ দিমু।
তার আগ পর্যন্ত পিলাচ দিয়া যাই
জবাব দিন
এ+
simply nice bro.
জবাব দিন
ধন্যবাদ আলম। নম্বর যুগের মানুষ, এই প্রথম গ্রেড পাইলাম। অদ্ভুত ভালো লাগলো!
জবাব দিন
কিন্তু নামকরণ বুঝতেসি না!!
জবাব দিন
দ্বিঃ২। বাংলায় বললে অনেকটা সমার্থক শব্দ হলো, duality:2
জবাব দিন
আয়নাটা কি বুড়িয়ে গেছে? পারদ ক্ষয়ে গেছে?
সত্যি বলছি, ভালো লিখেছো।
জবাব দিন
বিষণ্ণতা নাই লাবলু ভাই, এটা তার থেকেও বড়ো দর্শন নিয়ে চিন্তা করছি।
আমরা যতো বড়ো হই, বুড়ো হই… আসলে কি ধীরে ধীরে শৈশবের পথেই ফিরে যাই না? আমার পিতামহীকে দেখি, স্মৃতিভ্রষ্টতায় ভুগছেন, শিশুর মতো জেদ করেন, রেগে যান, অভিমান করেন। তখন মনে প্রশ্ন জাগে এরকম বিবিধ জরা আমাদের আবার শৈশবে ফিরিয়ে নিবে কী না!
আপনার প্রশ্ন আমাকেও দ্বিধায় ফেলে দিল। আপনি যেভাবে কবিতাটা পড়লেন সেটা অভিনব!!
“আয়নার বুড়িয়ে যাওয়া!” অসাধারণ অনুভব লাবলু ভাই!
জবাব দিন
আমার সঙ্গে থাকেন আমার মাতামহী (নানী)। ওই রকমই। হা…হা…
তবে সিসিবি দেখলে বাইরের যে কেউ বলবে আমরাও শৈশবেই আটকে আছি!! সিসিবিটা তো আমাদের আয়না!
জবাব দিন
আর যা-ই হোক, সিসিবি-র এই আয়নাটা বুড়িয়ে যাবে না একেবারেই!
জবাব দিন
খুব সুন্দর…
জবাব দিন
ধন্যবাদ তোমাকে রায়হান!
জবাব দিন
সুন্দর
জবাব দিন
চব্বিশে কি এই অবস্থা হয় নাকি?
ভাল লিখছ।
জবাব দিন
আন্দালিব ভাই, আমিও গাছে উটপো।
জবাব দিন
আন্দালিব, কি ‘দ্বি’ লা????
এবার তো আমি পুরা বুঝে ফেললাম…
কিন্তু, এসব চিন্তা তো আরও কিছুদিন পরে আসার কথা…
জবাব দিন
কয়দিন চুপচাপ দেখি তুমি!
তাই পুরোনো একটা লেখা খুঁজে বের করে পড়ে নিলাম।
মিস করছি তোমার কবিতা।
জবাব দিন