আজ থেকে ৩৫ বছর আগে ৫৬টি বালক এক অজানা ভয় আর আনন্দের অদ্ভূত অনুভূতি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ঢুকেছিল। তারপর তারা ৬টি বছর একসঙ্গে সুখে-দুঃখে, ভালোবাসা-যন্ত্রণায় কাটিয়েছে। তারা অতিক্রম করেছে সাগর আর পাহাড়ের কোলে এক অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ প্রান্তরে অসাধারণ সব সময়। সময়ের টানে আজ তারা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। কিন্তু ওই সময়ে তাদের মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল, তা আজো উষ্ণতার চাদর একইরকমভাবে ওদের মুড়ে রেখেছে। মৃত্যু ছাড়া তাদের আর কেউ কখনো বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি, পারবে না।
৫৬ জনের মধ্যে দুজন অবশ্য হারিয়ে গেছে না ফেরার দেশে। মিজান এবং শিলার। কিন্তু প্রতিটি মুহূর্তে এরা ফিরে আসে বারবার তাদের ফেলে যাওয়া বন্ধুদের স্মৃতিতে।
জীবনের মধ্যবয়সে এই বালকেরা তাদের বন্ধুত্বের ৩৫ বছর মাসব্যাপী উদযাপন শুরু করেছে ১৪ আগস্ট থেকে। সেদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লাগামহীন আড্ডা, খোঁচাখুঁচি, স্মৃতিচারণ আর খাওয়া-দাওয়ায় তারা সময় কাটিয়েছে। আজ শুধু তারাই বসবে আরেক আড্ডায় ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে। এ মাসে চলবে এমন আরো আরো আড্ডা, মজা। ১৪ আগস্টের ছবি দিয়ে শুরু হোক তাদের বন্ধুত্ব বার্ষিকী উদযাপনের প্রথম পোস্টটি। ব্লগের সবাইকে ঈর্ষায় জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিতে বন্ধুত্ব বার্ষিকীর ধারাবাহিক পোস্ট আসতেই থাকবে। তাই আগেভাগেই সবাই সাবধান!!
শুভ জন্মদিন ফৌজদারহাটের ২১তম ব্যাচ। সিসিবির মাধ্যমে আমি আজ চিৎকার করে জানান দিচ্ছি, আমি তোদের ভালবাসি বন্ধুরা, ভীষণ ভীষণ ভালোবাসি।

আড্ডায় যোগ দিতে সবার আগে এসেছিল জিয়াউল, আমাদের মহারাজা। একটু নেচে সেটাই ও উপভোগ করছে! 

উপস্থিত সবাইকে খালি পায়ে ঘরে ঢুকতে হয়েছে। এখানে তারা রেখে গেছে আরেক স্মৃতি। বন্ধুত্ব কি শুধু মানুষেই হয়? 

আড্ডা কখনো কখনো মিশ্র চেহারা নিয়েছিল। স্বামী-স্ত্রী-সন্তানরা মিলে মিশে খালি কথা বলেছে আর কথা গিলেছে! চলেছে অবিরাম হা….হা….হি….হি…… 

মেয়েদের আড্ডায় বেরসিকের মতো মাঝে-মধ্যেই হানা দিয়েছে ফয়সাল আর আশরাফ। এ ব্যাপারে আরো কারো কারো সুখ্যাতি আছে! 

ছাদে আড্ডার ছলে চলেছে ধুমিয়ে সিগেরেট ফোকা। বউ-বাচ্চাদের ভয়ে এদের অনেকেই এখন লুকিয়ে-চুরিয়ে সিগেরেট টানে! স্বাধীনতা বলে কিছু আর থাকলো না!! ফিরিয়ে দাও আমাদের ৩৫ বছর……. 

ছবি তোলা হবে, ছবি! আশেপাশে যারা ছিল সবাইকে ধরে এনে বসিয়ে একটি ফটোসেশন….. স্মাইল প্লিজ…… 

দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর একটু অলস সময়, অলস শরীর। কেউ গড়াচ্ছে, কেউ ক্ষুদেবার্তা নিয়ে ব্যস্ত। বাকিরা আড্ডায়…. 

পার্টির অন্যতম আকর্ষন ছিল ব্যাংকার বন্ধু ইকরাম। হৃদয়ে আংটি পড়ে ছিল বেশ ফ্রেশ মুডে। হৃদয়ে একে একে আংটি পড়বে আরো অনেকেই। সামনের সপ্তাহে সম্ভবত পড়বে চট্টগ্রামের ডা. শামীম। ইকরামের পরে আছে রাজনীতিবিদ কাম চট্টগ্রামে ডেইরি খামারের মালিক নাঈম (যদিও ওর খামারের দুধ আমাদের একফোটাও খাওয়ায়নি), যথারীতি উচ্ছল আশরাফ বহুজাতিক সিমেন্ট কোম্পানি হাইডেলবার্গের উচ্চকর্তা এবং কিছুটা সিরিয়াস ভঙ্গিতে (যদিও এটা ওর চরিত্রের সঙ্গে বেমানান) বিমানবাহিনীতে কর্মরত গ্রুপ ক্যাপ্টেন রবিউল ইসলাম শিকদার

সুযোগ বুঝে ঘুমিয়ে নিচ্ছে ডা. হানিফ আর বেসরকারি চাকরিজীবী সাদেক। ওদের অবশ্য কেউ জ্বালায়নি। ৩০ বছর আগে এটা অসম্ভব ছিল! 

অবসর নেওয়ার পর থেকে লে. কর্নেল শাহাদাতের মাথায় খালি জমি আর জমি। নিজে কিনবে, বন্ধুদের কেনাবে। কিন্তু বেচারার এত্তো চেষ্টায়ও বন্ধুরা কেউ পটছে না! তবে জমি আর হোতাপাড়ার রিসোর্ট নিয়ে শাহাদাতকে বিনে পয়সায় পরামর্শ দিচ্ছে বেসরকারি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি শাইনপুকুরের কর্তা ফয়সাল। 

অন্য কিছু ভাবার কোনো কারণ নেই! বাসায় নিজেদের মধ্যে কথা বলার সময় পায় না ব্যস্ত চিকিৎসক দম্পতি। তাই এখানে দুদণ্ড শান্তিতে পারিবারিক আলোচনা সেরে নিচ্ছে ডা. হানিফ ও ডা. পাপড়ি! 

খোলা প্রান্তর, অবারিত আকাশ আর অঢেল বাতাস…… বন্ধুরা সব মুগ্ধ সময় কাটিয়েছে। তবে বাসায় পৌঁছাতে অনেককে যথেষ্ট হ্যাপা পোহাতে হয়। আগে থেকে পাঠানো গুগল ম্যাপ তো ছিলই কারো কারো পকেটে, আর মোবাইলে দূরে সারাদিন বসে থাকা বাসটা বাসা চিনতে বেশ কাজে দিয়েছে 

না এই পরিবার এতো বড় নয়! আমার কোলে ছোট ভাই ফয়েজের ছেলে আদিত, বউ ছবির কোলে সবচেয়ে ছোট ভাই সাইফের মেয়ে উমামা, মাঝখানে আমাদের ছেলে উদয়। ওর জন্মদিন ছিল ১৪ আগস্ট। বিকেলে কেক কেটে সেটাও পালন হলো। ছেলেটা বড় হয়ে যাচ্ছে…… 

আমাদের সন্তানেরা। পরের প্রজন্ম। সামনে আগের প্রজন্মের আমার মা। নাতি-নাতনিদের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ তিনি হারাতে চাননি 

সন্ধ্যায় একটু বেরানো। হাটতে হাটতে বাসার সামনে রকিবের চায়ের দোকানে সবাই……. একেকজন কয়েক কাপও টেনে নিল। চিনি ছাড়া কনডেন্সড দুধের চা। বিল কিন্তু বাকি নাই! 

দিনের শেষটা হলো একটা দুর্ঘটনা দিয়ে। মেয়ে অনুভাকে কোচিং করিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে ফেরার পথে বন্ধু পত্নী কাজল অল্পের জন্য রক্ষা পেল। গাড়িটা ঝুলতে থাকলো রাস্তা আর খালের মাঝখানে। দুজনই নিরাপদে বেরিয়ে এসেছে। 

শেষ পর্যন্ত আসলো পুলিশের রেকার। কালা কুর্তা বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়েছিল নিরাপত্তার জন্য! কিন্তু ওরা ব্যস্ত পরের দিনের জন্য! মধ্যরাতে অল্প ক্ষতিতেই গাড়িটি উদ্ধার হলে সবাই হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। ![]()

এটাই সেই বাড়ি। আমাদের নতুন বাড়ি। বাড়ির মালিক অবশ্য আমার বউ। রীতিমতো ভাড়া দিয়ে আমাকে এখানে থাকতে হয়! বেতনের প্রায় সবটাই যায় ভাড়ায়। তা না হয় গেল, কিন্তু কখনো কখনো বাড়ির মালিকের কাছ থেকে ঋণও নিতে হয়! বন্ধুদের পার্টির মাধ্যমে বাড়ির শুভ উদ্বোধনও হলো ওইদিন 
আলোকচিত্র : শাহাদাত, জিয়াউল ও লেখকের তোলা।
শেয়ার করুন


১২৪ টি মন্তব্য
শুভ জন্মদিন সানা ভাই
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ আব্দুল্লাহ। সবই হচ্ছে খালি সাঁতারটা একমাস ধরে বন্ধ!!
[ জবাব দিন ]
রমজানের পর ইনশাল্লাহ শুরু করতে হবে
।
খিয়াল রাইখেন পিলিজ 
[ জবাব দিন ]
অদ্ভুত তো!!!
আমি প্রথম!! পড়ছি!!!!!!!!!!!!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন সানা ভাই
[ জবাব দিন ]
গ্রহণ করলাম। ভালো থেকো।
[ জবাব দিন ]
বাড়ীটা
চমৎকার 
[ জবাব দিন ]
লেখা আর ছবিগুলা?? খালি ইট-সিমেন্টই দেখলা? মানুষগুলা??
[ জবাব দিন ]
লেখা ছবি সবই দারুন।বাট বাড়ীটা আমার নজর কেড়েছে বেশি।
সবার কিন্তু বাড়ী দেখে লোভ লাগছে।সবাই মিলে না গেলেই নয়। জনতার এই দাবী উপেক্ষা করা আপনার সম্ভব হবে কি 
[ জবাব দিন ]
নিচে দিহানের মন্তব্যের জবাব দেখ!

[ জবাব দিন ]
বর্ষপূর্তির শুভেচ্ছা আপনাদের সবাইকে।
শুভ জন্মদিন।
বন্ধুত্বের শতবছর পূর্ণ করে আরো, আরো অনেকদিন বেঁচে থাকুন সবাই।
আমরাও আপনাদের মতো হতে চাই।
[ জবাব দিন ]
তুমি দেখি ফয়েজের মতো কইলা! শতবছর! শুভ কামনা হিসাবে হইলে ঠিক আছে। ল্যাংড়া-লুলা, বিছানায় পইড়া সবার যন্ত্রণা নিয়া অতোদিন বাঁচনের শখ নাই!!
ভালো থেকো।
[ জবাব দিন ]
জটিল ………

[ জবাব দিন ]
জটিলের জবাব কি হইবো? সরল!! ধন্যবাদ মইনুল।
[ জবাব দিন ]
শুভ জন্মদিন …



বাড়িটা জটিল হইছে।
কোথায় এটা ?? আমাদের দাওয়াত কবে ??
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ মেহেদী। বাড়িটা ইস্টার্ন হাউজিং পল্লবী দুইয়ে।
[ জবাব দিন ]
সবাইকে শুভেচ্ছা। নতুন বাড়িটা জব্বর হইসে।
সানা ভাইয়ের বাসায় একটা গেট টুগেদার হইলে মন্দ হয়না

[ জবাব দিন ]
জিহাদ কিছু কইলা মনে হয়!! মাথার উপ্রে দিয়া গেল………
[ জবাব দিন ]
মন্দ হয়না মন্দ হয়না; জিহাদরে সাপোর্ট।
সানা ভাই, দারুণ আপনাদের ব্যাচ। শুভ কামনা। সুবর্ণ জয়ন্তীর পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
[ জবাব দিন ]
বেঁচে থাকলে সুবর্ণ জয়ন্তীর পোস্ট অবশ্যই পাবে রায়হান। আসলেই আমাদের ব্যাচটা দারুণ। অসাধারণ বন্ধুত্ব। টুকটাক ঠোকাঠুকি তো সবখানেই থাকে। কিন্তু আমরা সম্পর্কটাকে মূল্য দিই।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
শুভ জন্মদিন ভাইজান,

আপনাদের ছবি দেখে ভাবতেসিলাম আমরা কখন সবাই এমন করে একসাথে হবো?
খুব ভালো হয়েছে ছবিগুলো, আর ছবি’র মানুষগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিলো তারা সেই ৩৫ বছর আগে ফিরে গিয়েছে।
[ জবাব দিন ]
এইবার শীতে। আসবা নাকি? দিনভর একটা সিসিবি গেট-টুগেদার হবে। ফুটবল, ক্রিকেট, ডাংগুলি, ছি-কুতকুত- সব খেলা চলবে। পিকনিক পিকনিক মুডে!!
চারদিক খালি। প্রচুর আলো আর বাতাস। উড়াইয়া নিয়া যায়। ঢাকার জীবনে এই প্রথম আসলেই সুখ অনুভব করছি। কতোদিন থাকবে জানিনা। তবে উপভোগ করে নিচ্ছি।
[ জবাব দিন ]
কি যে লোভ লাগাচ্ছেন ভাইজান? ইচ্ছেতো হচ্ছে এখুনি উড়ে চইলা আসি।

এই শীতে ভাইজান বুঝতে পারছিনা। দেখি আল্লাহ কি রাখছে?
[ জবাব দিন ]
শীত?????

আমাদের এইখানে তো বৃষ্টির পরেও রীতিমত ভাপ দিয়ে গরম বেরোয়।।
একটা শীত পাইতে বড়ই মঞ্চায়………অন্তত লেপ মুড়ি দিয়া ঘুমাইতে পারতাম।।
[ জবাব দিন ]
চমৎকার লাগল লাবলু ভাই- ছবি আর ক্যাপশনগুলো।
আপনাদের সবাইকে বর্ষপূর্তির শুভেচ্ছা।
আপনার বাসাটা তো চমৎকার- আপনার বাসায় কবে দাওয়াত খেতে যাব বলেন?
[ জবাব দিন ]
তানভীর, উপরে দিহানের মন্তব্যের জবাব দেখ!

[ জবাব দিন ]
এই শীতে!! আহ্! এখনই মনে ফূর্তি চইল্যা আসছে।
:party: 
[ জবাব দিন ]
তানভীর ভাইয়া, এই শীত বুঝাইতে ভাইজান আমি দেশে আসার পর বুঝাইসেন।

[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
সিসিবি থেকে মইনকে একটা আবেদন পাঠানো যেতে পারে। যাতে এই শীতে সে সপরিবারে দেশে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়। কামরুল, রবিন, তানভীরসহ ‘৯৪ ব্যাচ আবেদন করো। আমি ব্লগ প্রিন্সিপাল হিসাবে সেখানে সুপারিশ করে দেবো।

[ জবাব দিন ]
তোমরা মন্তব্য করতে থাকো। আমি ততক্ষনে বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের পার্টিটা হয়ে আসি……….
আরো গা জ্বালানো পোস্ট আসবে। আজকের পার্টির ছবিসহ……..

[ জবাব দিন ]
ঠিক কইসেন ভাইজান আরো দেন … আমিতো দেশে নাই। তাই ছবি দেইখাই আনন্দ।
[ জবাব দিন ]
চমৎকার লাগল লাবলু ভাই- ছবি আর ক্যাপশনগুলো।
আপনাদের সবাইকে বর্ষপূর্তির শুভেচ্ছা।
আপনার বাসাটা তো চমৎকার- আপনার বাসায় কবে দাওয়াত খেতে যাব বলেন?
ovro te khali hang kortese tae tanveer vae er lekha copy paste korlam
sana vai asolae dekhe khub valo laglo osadharon
[ জবাব দিন ]
একদিন আমরাও বেঁচে থাকলে বন্ধুত্বের ৩৫ বছর পুর্তিএর পার্টি করবো।
, পয়সা দেবো কইল্কাত্যার মাস্ফ্যু সেন থুক্কু গৌরী সেন।
ভাইয়া বাড়িটা সুন্দর, আর বাড়ির মানুষগুলো…নাই বা বললাম।
তিনতলাটা খালি মনে হলো, ভাড়া নিমু ভাবতেছি
[ জবাব দিন ]
একদিন আমরাও বেঁচে থাকলে বন্ধুত্বের ৩৫ বছর পুর্তিএর পার্টি করবো।
বেঁচে থাকাটা বড্ড কঠিন হয়ে যাচ্ছে , তাইনা ?
কিন্তু পরিবেশ বিপর্যয় আর মানুষের নির্মম কুঠারাঘাতে
[ জবাব দিন ]
তোমারে আবার কে কুঠারাঘাত করে সামীউর? তোমাদেরও তো একযুগ হইলো, নাকি?
[ জবাব দিন ]
ভাইয়া অসাধারাণ…..
আমরাও একদিন আপনাদের মত হবো…
[ জবাব দিন ]
আমাদের চেয়ে বড় হবে………. কনক। শুভকামনা।
[ জবাব দিন ]
আইচ্ছা হইলো হইলো, আপনারা বুইড়ারা আড্ডা দিলেন, আইচ্ছা এইটা ঘটা কইরা কওনের কি আছে বুঝলাম না
আইচ্ছা কইয়া যখন ফেলছেন, তাইলে শুভকামনাই করি, বাইচা থাকেন শত বচ্ছর, আর শতকে নাতির মুখ দেখেন
শুভ জন্মদিন চাচ্চু
[ জবাব দিন ]
ফয়েজরে জোরসে মাইনাস, এই সব বিপদজনক আইডিয়া পোলাপাইনের মাথায় ঢুকানোর জন্য।
“চাচ্চু” আবার কি? এখানে সবাই ভাই বোন। এ্যামনে চুলে পাক ধরতাসে, আর ফয়েজ দিতেছে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা। 
লাগান প্লীজ।


প্রিন্সিপাল ভাই, ওরে
ভাই জিহাদ, লং আপের ইমোটা কই গেলো?
[ জবাব দিন ]
কেমন আছো রায়হান?
[ জবাব দিন ]
ভাল আছি নূপুর ভাই। আপনি কি এখন দিল্লীতে, নাকি ফিরেছেন? সুমনের কাছ থেকে মাঝে মাঝে আপনার খবর পাই। আর সিসিবি-তে আসলে সাম্প্রতিক কবিতাগুলো তো পড়া হয়ই।
দেখেছেন কি দারুণ একটা প্ল্যাটফর্ম বানিয়েছে এই ছেলেমেয়েগুলো?
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মস্ফু ভাইয়া, তুমি খুশি হচ্ছো কেন? রায়হান ভাই বৃক্ষদের বলেনি তো, ছেলেমেয়েগুলো বলেছেন।
[ জবাব দিন ]
@ রায়হান ভাই,
জন্মদিন তো প্রিন্সিপাল ভাইয়ের পোলার, তাই চাচ্চু কইছি
আমি তো ওর চাচ্চুই হমু
প্রিন্সিপাল ভাইকে নাইলে চাচ্চু কইতে হইবো 
আইডিয়া বিপদজনক হওয়া ভালো, নাইলে খেলা জমে না
[ জবাব দিন ]
হুম, কথা ঠিক।
আইডিয়ার বিপদজনক হওয়ার বিষয়ে একটাই কথা: সিসিবি-র চিন্তা-বোমারুরা বেরিয়ে আসুক। 
[ জবাব দিন ]
রায়হান কেমন আছো? যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে তোমার কাজ কেমন চলছে? আমি এই ব্যাপারে তেমন সাহায্য করতে পারবো বলে মনে হয় না। আসলে এ নিয়ে আমার পড়াশুনা, কাজ কোনোটাই নেই। তবে চোখে যদি কিছু পড়ে জানাবো। ভালো থেকো। আর কাজটাকে এগিয়ে নিয়ে যাও। অবশ্যই সঙ্গে পাবে।

[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ সানা ভাই। আমি জানি আপনাকে এবং আপনার মতো সবাইকে সবসময়ই পাশে পাবো আমরা। বুকে সাহস পাই সে জন্য। এই বিষয়ে আমারও জানাশোনা আসলে সামান্য। কিন্তু যতটুকু বুঝতে পারছি তাতে এটা স্পষ্ট যে সামনে পাহাড় প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, পুরো জাতির জন্যই। এটা এমনই কাজ, যা আমার মনে হয় না কোন সরকার বা কোন প্রশাসনের পক্ষেই এককভাবে সামাল দেয়া সম্ভব। এ জন্য এই ইস্যুতে আরও সংঘবদ্ধ কাজ দরকার এবং সেগুলোকে সারা দেশ এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া তো আরও জরুরী। কারণ, শুনতে যেমনই শোনাক, জাতির সামনে এটাই প্রথম এবং সম্ভবত শেষ সুযোগ। এখানে ভুলের কোন জায়গা নেই, তা সে যত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্রই হোক না কেন।
এ তো গেল প্রয়োজনীয়তার বাস্তবতা। কিন্তু তার বিপরীতে আমাদের মাঠের সংগঠনগুলোর যে পরিমান প্রফেশনালিজম এবং অভিনিবেশ দরকার, সেটা কিন্তু এখনো অনেকটাই অনুপস্থিত বলবো। মূল ইস্যুগুলোর অনেকগুলোতেই প্রয়োজনীয় ঐক্যমত্য গড়ে ওঠেনি এখনো। কিছু প্রভাবশালী সংগঠনের মধ্যে তো এমনকি মুখ দেখাদেখিও বন্ধ, এক টেবিলে বসে সিদ্ধান্তগ্রহণ তো আরও দূরবর্তী বিষয়। ইগো এবং আত্মম্ভরিতা দ্বারা তাড়িত হলে যা হয় আর কি। আর কিছু সংগঠন আছে যারা কাজ করার চেয়েও বিবৃতি প্রদান, প্রিম্যাচিউর নিবন্ধবাজি এবং নিজেদের প্রচার নিয়েই বেশী ব্যস্ত। এসবের মধ্যখানে আমরা এক রকম ধারালো ক্ষুরের ওপরই যেন হাঁটছি বলতে পারেন; অত্যন্ত লো-প্রোফাইল বজায় রেখে যতটা পারি কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। পাশাপাশি মহাজ্ঞানী মহাগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অত্যন্ত বিনয়ের সাথে উদ্দুব্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি তাঁরা যেন একটা সম্মিলিত ঐক্যমত্যের জায়গায় পৌঁছান যত দ্রুত সম্ভব, ইস্যুটির স্বার্থেই। নগন্য আমাদের না আছে বাহুবল, না আছে বংশবল, না আছে সেই স্মার্টনেস যা থাকলে মিডিয়াকে বিভোর করে রাখা যায়! তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি।
কি আর বলবো সানা ভাই! একেক সংগঠনের দায় দায়িত্বহীন বিবৃতি আর ক্ষোভ প্রকাশের জোয়ার দেখে অত্যন্ত সচেতনভাবেই আমরা এই বিষয়ে উম্মুক্ত কোন ফোরামে আমাদের তরফ থেকে আজকাল সব ধরণের লেখালেখিও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি। নিতান্ত দায়িত্ববোধ থেকেই অগত্যা আমাদের এই সিদ্ধান্তে আসতে হয়েছে। পাছে ঘোলা পরিস্থিতি আমাদের কারণে যেন অন্তত আরও ঘোলা আর না হয়! তবে আমরা থেমে নেই। যা কিছু কাজ হচ্ছে, তার প্রায় সবটাই এখন অণ্তরালে হচ্ছে (ইমেইল, স্ট্রাটেজিক ফোরাম ইত্যাদিতে)। এভাবেই দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা অসাধারণ কিছু নিবেদিতপ্রাণ নিভৃতচারী মানুষ এবং গ্রুপের সাথে পরিচয় হচ্ছে। এদের সাথে কাজ করে প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিখছি, সেই সাথে বাড়ছে আত্ববিশ্বাস আর প্রত্যয়।
১৯৭১ এ এদেশের তরুণ সমাজ সব ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিল দেশ স্বাধীন করবে বলে। আবার ওদের বেরিয়ে পড়ার সময় এসেছে মনে হয়, অসম্পন্ন কাজগুলো শেষ করতে। সব ধরণের মিডিওক্রিসি, সব ধরণের মতলববাজি, সব ধরণের ইগোবাজি বানের জলে বঙ্গোপসাগরে ভেসে যাবে, একবার যদি ওরা সত্যিকার অর্থে বেরিয়ে আসে আর করণীয় কাজগুলো হাতে তুলে নেয়। ওদের ঔজ্জ্বল্য ম্লান করে দিতে পারে খোদ সূর্যকে।
দুঃখিত সানা ভাই, লিখতে লিখতে অনেক কিছুই লিখে ফেললাম। আপনার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হল। হতাশা থেকে লিখিনি কিন্তু। এমনকি হতাশায় নিমজ্জিত হবার মতোও অতিরিক্ত সময় নেই এখন আমাদের কারো হাতে।
[ জবাব দিন ]
লাইগা থাকেন ভাইয়া, আমরা আর কিছু না পারি সাপোর্ট দিয়া যামু।
[ জবাব দিন ]
সাথেই আছি
[ জবাব দিন ]
ফয়েজ কি আমার পোলার শুভকামনা করলা? শতেক নাতি
ওহ্ মাই গড!! তোমারো এই সখ আছে নিকি??

[ জবাব দিন ]
কোন শখ বস, শতেক নাতি নাকি শতেক পোলা?
নাহ আইডিয়া নাকি বিপদজনক, ভাবছি, রিভাইস দিমু।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
৩৫ বছর পূর্তির শুভেচ্ছা
আপনার বাড়িটা জটিল হইছে 
শাহাদাত ভাইয়ের রিসোর্টের নাম কি? কোন জায়গায়?
[ জবাব দিন ]
শিরোনামটা আরো জোরদার হতে পারত…যেমন…গাইজ,আমি তোদের অনেক লভ করি

সানা ভাই,আপনার বাসার পাশের খালি জায়গায় বুকিং দিলাম

[ জবাব দিন ]
দারুণ দারুণ সানা ভাই।
বাড়িটা সত্যিই খুব সুন্দর।
শামীম ভাই আপনাদের ব্যাচের তাহলে…
কেমন আছেন এখন উনি?
কোথায় আছেন?
আমরা কিছুদিন উনাকে টিচার হিসেবে পেয়েছিলাম সি এম সি তে।
[ জবাব দিন ]
শামীম এখনো সিএমসিএইচে। আগামী সপ্তাহে ঢাকায় এনজিওগ্রাম করাবে। লাগলে আংটিও পড়ে ফেলবে।
[ জবাব দিন ]
বলেন কি?
সব ঠিকঠাকমতন হোক তাহলে…
উনারে নিয়া আমাদের ব্যাচের মেয়েরা বড়ই
মুগ্ধ ছিলো। বিবাহিত ছিলেন বইলা খুবই দু:খিত ছিলো ওরা।
[ জবাব দিন ]
সানা ভাই…জব্বর হইছে





জন্মদিনের শুভেচ্ছা
নেক্সট শীতের অপেক্ষায় আছি
অঃটঃ বাসাটা খুব পছন্দ হইছে……
কোন ফ্লোর খালি টালি আছে ?? তাইলে একটু ট্রাই নিতাম
[ জবাব দিন ]
অফটপিক : পোষ্টটা দেইখা কষ্ট লাগলো…আম্রাও একদিন থুর্থুরা বুড়া হইয়া যামু!!

[ জবাব দিন ]
আমি ত হয়া গেসি রে……

[ জবাব দিন ]
লাবলু ভাই, আপনি কোথায়? এখোনো তেতলায়?
[ জবাব দিন ]
kothin. apnar barite nahoy winter e jabo. kintu apnader ei celebration e amare r kamrul k ektu ki join korano jai?
roza er agei r ki
[ জবাব দিন ]
রবিন ভাইর মতলব কি???সন্দেহজনক!!!!

[ জবাব দিন ]
রবিন, তোমার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। আবেদনের তালিকাডাও বিশাল। কমিটি হইছে। দেখা যাক রোজার আগে সম্ভব কিনা!!

[ জবাব দিন ]
সেইরম ক্যাপমন আর সেইরম ছবি। আড্ডা দেইখা মনে হইল সবাই মাত্র ইন্টার পাশ কইরা বার হইছে…………….
বাড়িটা দারুণ.ক্যান ইস্টার্ন হাউজিং ছাড়লাম..

[ জবাব দিন ]
“ক্যাপমন”টা আসলেই সেইরকম হইসে…

[ জবাব দিন ]
বণ্য……….

[ জবাব দিন ]
আপনার ছবি ব্লগ গুলা ভাই অসাধারণ লাগে …
প্রথমে কিছু ভাললাগা কথা
তারপর চ্রম চ্রম ক্যাপশান সহ ছবি
পড়ে মনে হয় যেন আমিও ছিলাম …
(আবেগ ধরে রাখতে না পেরে সিরিকাস কমেন্ট করে ফেললাম … )
[ জবাব দিন ]
হ, আবেগাপ্লুত তাইফুরের সিরিয়াস কমেন্ট বোধহয় এইডাই পরথম!!
[ জবাব দিন ]
লাবলু ভাই,

খুব ভাল লাগলো আপনার ছবি ব্লগ।
মনে শীতের গেট টুগেদার এর প্রতীক্ষাটুকু তুলে রেখে আপনাদের ৩৫ বছরের বন্ধুত্বের জন্য অভিনন্দন জানালাম।
ভাতিজাকে জন্ম দিনের শুভেচ্ছা জানাবেন।
[ জবাব দিন ]
apnader intaker ei vaiyatar nam kemon jani…
Sana vai, Happy Intake birthday…

[ জবাব দিন ]
বিভিন্ন ব্যাচে জুনা, বন্য, নীলপদ্ম, বৃক্ষ নাম থাকতে পারলে ২১তম ব্যাচে লেখক নামে সমস্যা তো বুঝলাম না!!

[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এত হাসাহাসির কী হইলো। নাম তো যে কুনু কিছুই হইতে পারে, তাই না

[ জবাব দিন ]
জায়গা তো চিনি। এখন কন কবে সিসিবির গেট টুগেদার হবে। মেনুই বা কী??
[ জবাব দিন ]
মেনু আমেরিকান স্টাইল! প্রত্যেকে একটা করে কিছুমিছু নিয়ে আসবে। সেগুলো সবাই মিলে খাবো। তারপর আমি নিশ্চিত, মাস্ফ্যু না থাকলে আমাদের বাসার পরের দিনের খাবারও হয়ে যাবে………………..

[ জবাব দিন ]
ঠিক আছে, কাইয়ুম ভাইরে নিয়া আসুম।
[ জবাব দিন ]
কি বলেন কাইয়ূম ভাই?

[ জবাব দিন ]
কাইয়ুম ভাই কিসু না বইলা খাওয়ার গন্ধ শুঁকা শুরু করসে মনে হয় এখনই
[ জবাব দিন ]
রোস্ট হিসাবে কাইয়ুম ভালো হইবো না, মাস্ফ্যুটা জোস লাগবো!!

[ জবাব দিন ]
মাস্ফু’রে রোষ্ট করতে বিরাট ঝামেলা। লোকবল লাগবো অনেক

[ জবাব দিন ]
জামাইদের তো রোস্ট হয়না, খুব বেশি হইলে টুকরা টুকরা কইরা চুলার তলে দিয়া অঙ্গার টাইপ কিছু বানানি যায়
[ জবাব দিন ]
আরে কাইয়ূম ভাই নাকি?
[ জবাব দিন ]
এইডা কাইয়ুমই তো মনে হয় দিহান……

[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
গতকাল সিসিবির দোতলায় ভেজা পার্টি। পোস্ট দিয়া তোমাদের জ্বালা আর বাড়াইতে চাইলাম না! তাই একটা ভদ্র ছবিই খালি দিলাম!!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আপনেরে দেখা যায় না ভাইজান?
[ জবাব দিন ]
দেখতেই হইবো?
[ জবাব দিন ]
জ্বে
[ জবাব দিন ]
রবিন
রোজার আগে চল শেষবার একটা ভেজা পার্টি করি।
[ জবাব দিন ]
কালকে আয়
[ জবাব দিন ]
দেখো তাইলে! চিয়ার্স …. বন্ধুত্বের ৩৫ বছরের জন্য ….
[ জবাব দিন ]
হুইস্কি অন দ্যা রক ?
[ জবাব দিন ]
পার্টি শেষ! আড্ডা শেষ হয় না …………
[ জবাব দিন ]
জ্বী, ভাইজান, একদম খাঁটি কথা।
[ জবাব দিন ]
ভদকা লাইমের গ্লাস দেখতেছি একটা কোনায় !
[ জবাব দিন ]
জি ওইডাও আছিল……….
[ জবাব দিন ]
না, উইথ সোডা অ্যান্ড আইস………..
[ জবাব দিন ]
বাম থেকে ওয়াসিফ, ফয়সাল, সাদেক……. অ্যাপিটাইজার পর্বে…….
[ জবাব দিন ]
ভাইজান আরো দেন, পোলাপাইন দেখে দেখে দেয়ালে মাথা ফাটাক কিছুক্ষন,
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ডিনার কারো চলছে কারো শেষ। বা থেকে ইকরাম, মামুন, মাহমুদ……..
[ জবাব দিন ]
লেখাটা গতকালকেই পড়েছিলাম। কিন্তু বিদেশি ষড়ষন্ত্রের কারণে ইদানিং নেটের এত দুর্দান্ত স্পিড থাকে যে বেশির ভাগ ছবিই দেখতে পারছিলাম না।
বাড়ির ছবি পছন্দ হয়নাই। স্বশরীরে দেখলে মনে হয় ভালো লাগবে। কী বলেন লাবলু ভাই?
[ জবাব দিন ]
বাড়ির রঙটা সবুজ হইলে ভালো হইতো
[ জবাব দিন ]
ইয়ে নতুন জামাই দেখি

[ জবাব দিন ]
নতুন জামাই


সেই সাথে সেঞ্চুরী করলাম কমেন্টে
[ জবাব দিন ]
অফটপিকঃ ছোট ভাইয়ার কোন খবর নাই, কেমন আছিস???
[ জবাব দিন ]
এইতো আপু আছি মোটামুটি।
[ জবাব দিন ]
এইটা কেমুন আপু, নাচতে নাচতে জিগায় ছোট ভাই কেমুন আছে!!

[ জবাব দিন ]
ভাইজান মিরা যায়েননা,

আমি তাইলে আপনাকে গান গাইতে গাইতে জিগাই, কেমুন আছেন ভাইজান?
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
আবীর, খুশি হইছো মনে হয়!!
[ জবাব দিন ]
আবার জিগস ভাইজান
[ জবাব দিন ]
সানা ভাই এইটা আপনার ৭১ তম পোস্ট খেয়াল করছেন? ৭১ সংখাটার কিন্তু মাজেজা অনেক।
[ জবাব দিন ]
৩৫ বছর তাইলে হয়েই গেল
বাড়িটা সুন্দর, আড্ডার গল্পটাও সুন্দর 
[ জবাব দিন ]
আড্ডা, ছবি, ছবির ক্যাপশন, মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য সবই দারুন । দোআ করি সারাজীবন সুস্থ থেকে আড্ডাবাজি চালিয়ে যান
[ জবাব দিন ]