random header image

ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা : আলোচনা বিতর্কের এখনি সময়

এদেশে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষাব্যবস্থা অর্ধশতক পূর্ণ করেছে এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের বয়স আজ ৫১ বছর। স্বাধীনতার পর একবার বাংলাদেশে বিতর্ক উঠেছিল ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার আর প্রয়োজন আছে কিনা। আজ ৫০ বছর পর আবার একই প্রশ্ন উঠেছে। তবে সেটা সরকার বা জনগণের মধ্যে নয়। সরকার দিন দিন ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে আর জনগণ তাদের এলাকায় আরো আরো ক্যাডেট কলেজ চাইছে। কিছুদিন আগে সংবাদপত্রে গোপালগঞ্জে ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি সম্পর্কিত খবর পড়েছিলাম। আর ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আমরাই এখন এ নিয়ে বিতর্ক করছি। ক্যাডেটরা সুবিধাভোগী শ্রেনী কিনা, সমাজ ও দেশের জন্য তাদের অবদান যথেষ্ট কিনা, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার আর প্রয়োজন আছে কিনা অথবা ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার কিনা- এমন সব প্রশ্ন এখন আমরা নিজেরাই করছি। এটাই সম্ভবত এই আলোচনার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক।

একসময় বাম রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলাম। তখন বাম কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-বিতর্ক দেখতাম-শুনতাম। অবশ্য ক্যাডেট কলেজের অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীই বাম রাজনীতিতে একসময় ভালোভাবেই যুক্ত ছিল। অন্ততঃ আমাদের সময় আশির দশকে। এখনকার কথা জানি না। ক্যাডেট কলেজে পড়ার কারণে তখন নিজেকে মহা-অপরাধী মনে হতো। এখন অবশ্য এরকম আর মনে হয় না। কারণ আমি জানি, ক্যাডেট কলেজ আমার ১২/১৪ বছর বয়সের মনস্তত্বকে শুরুতেই পরিণত করে দিয়েছিল। নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছিল। যা আমাকে পরবর্তী জীবনে বারবার নানা চ্যালেঞ্জ নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। মানবিক অনেক বোধ-বুদ্ধি ওই বয়সেই আমার ভেতরে জন্ম নিয়েছিল।

মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত একটা পরিবারের সন্তানের সামনে থাকে খুবই সাধারণ একটা লক্ষ্য থাকে। জিপিএ-৫ পাওয়া, চিকিৎসক, প্রকৌশলী বা সরকারি কর্মকর্তা হওয়া। ওই মধ্যবিত্ত মূল্যবোধ থেকে ক্যাডেট কলেজে গিয়ে ওই বালক বা বালিকার মনস্তত্বে যে বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটে; আমি জানি না আর কোনো শিক্ষা ব্যবস্থায় সেটা সম্ভব কিনা! তারপরও সময় বলে কথা। ৫০ বছর এখন অনেক সময়। এটা এমন এক কাল, যখন একটা দশক এক বা দুই শতাব্দীর মতো সময়কে সামনের দিকে এগিয়ে দেয়।

ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব হয়ে গেল গত ২৫-২৭ ডিসেম্বর, ২০০৯। ওই উৎসবে একটা স্মরণিকা বেরিয়েছিল। ঘটনাচক্রে তার সম্পাদনার দায় চেপেছিল আমার ঘাড়ে। সময়, সুযোগ ছিল কম। তারপরও এই বিতর্কটা সেখানে তোলার চেষ্টা করেছি। এই স্মরণিকার সম্পাদকীয়টি সিসিবিতে পোস্ট করছি। উদ্দেশ্য একই। আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক চাই। পথ খুঁজতে চাই। এককের ভাবনার সঙ্গে আরো অনেকের চিন্তা যুক্ত হলে সেটা সুগঠিত, পরিণত রূপ নেয়। ব্লগের জন্য অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে সম্পাদকীয়টি সবার আলোচনার জন্য এখানে উন্মুক্ত করলাম।

এ বিষয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা-বিতর্কের প্রেক্ষাপটটি না বললেই নয়। স্মরণিকাটি প্রকাশের কিছুদিন আগে সাইফুদ্দাহার শহীদ ভাই (ষষ্ঠ ব্যাচ ও সিসিবির সবচেয়ে সিনিয়র সদস্য) ক্যাডেট কলেজের ভবিষ্যত নিয়ে “আত্ম-অনুসন্ধানে”র একটা তাগিদ দিয়ে প্রথমে আমাকে, রায়হান রশীদ ও আনোয়ারুল হক ভাইকে (১২তম ব্যাচ) একটি মেইল দিয়েছিলেন। পরে একই বিষয়ে তার ষষ্ঠ ব্যাচের বন্ধুদের উদ্দেশ্যেও ওফার গ্রুপে একটি মেইল তিনি দেন। সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের ঠিক আগে আগে সাইফ ভাইয়ের আরেক বন্ধু অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী মুশফিক ভাই ডেইলি স্টারে ক্যাডেটদের অবদান নিয়ে সমালোচনামূলক একটি লেখা ছাপান। এ নিয়ে ওফার গ্রুপ মেইলে বিতর্ক হয়। আনোয়ার ভাই ওফা মেইল গ্রুপে মুশফিক ভাইয়ের লেখার বিপরীতে একটি বড় মেইল দেন। ঝিনাইদহের ছোট ভাই ইকরাম কবীরও (বিবিসিতে কর্মরত ও সিসিবির সদস্য) মুশফিক ভাইয়ের লেখার জবাব দেয় ডেইলি স্টারে। মুশফিক ভাই ও আনোয়ার ভাইয়ের লেখা দুটিও স্মরণিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের ওয়াহিদা নূর আফজা বা শান্তা নামে আমরা যাকে চিনি, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থা দেশের নারী শিক্ষায় কি অবদান রাখছে এবং সেটাকে কিভাবে আরো কার্যকর ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে স্মরণিকায় একটি লেখা দিয়েছিল। ওটিও ছাপা হয়েছে। আমি অবশ্য শান্তাকে তার লেখাটি সিসিবিতে পোস্ট করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

Cover স্মরণিকার প্রচ্ছদ এবং এর পুরো নকশা করেছে ৩০তম ব্যাচের সাইফের বিজ্ঞাপনী সংস্থা “পেপার রাইম”-এর ফারুক আহমেদ মনি

Inner-7 Editorial স্মরণিকায় প্রকাশিত সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

আমাদের প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার প্রতিষ্ঠার ৫১ বছর অতিক্রম করেছে। আমরা ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালন করছি। একজন শিক্ষার্থী বা প্রাক্তন শিক্ষার্থীর জন্য এর চেয়ে আনন্দের ঘটনা খুব কমই থাকে। সামনে আদিগন্ত বঙ্গোপসাগর, পেছনে পাহাড়ের মাঝে সবুজ সমতলে অনিন্দ্য সুন্দর ক্যাম্পাসটি আমাদের উদার, কষ্টসহিষ্ণু, প্রকৃতি প্রেমিক করে গড়ে তুলেছে। শিক্ষকেরা আমাদের সৎ মানুষ, যোগ্য নাগরিক আর দক্ষ নেতা-কর্মী হওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন এবং দিয়ে যাচ্ছেন।

আমরা অধিকাংশই সাধারণ মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছি এবং এখনো আসছি। মহানগর, মফস্বল শহর এবং গ্রাম থেকে ভালো শিক্ষা পাওয়ার আশায় এই ক্যাম্পাস আমাদের অতীতে আকৃষ্ট করেছে এবং এখনো করছে। আমাদের বেশির ভাগেরই আজকের যার যা অবস্থান তার পেছনে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের আছে বিশাল অবদান। এখান থেকে বেরিয়ে আমরা বিশেষ কোনো শ্রেণী বা গোষ্ঠিতে পরিণত হইনি। আমরা এই সমাজেই আছি, এই দেশ-মানুষ ও সমাজের অংশ হয়েই আছি। কিছু ব্যতিক্রম বাদে দেশের আর সব মানুষের মতো আমরা মুক্তিযুদ্ধে লড়াই করেছি, জীবন দিয়েছি; গণতন্ত্রের জন্য স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আমরা রাজপথে-মাঠে ছিলাম, আর এখন দুর্নীতিমুক্ত গণতান্ত্রিক কল্যাণমূলক একটা সমাজ গঠনের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আজকের এই উৎসবের দিনে আমরা মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ফৌজদারহাটের বীর সেনানী মেজর এম এ খালেক, একেএম নুরুল আবসার, মোশাররফ হোসেন, লেফটেনেন্ট আনোয়ার হোসেন বীর উত্তম, ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা, বদিউল আলম বীরবিক্রম, মুফতি এম কাসেদ এবং লেফটেনেন্ট রফিক এ সরকারকে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করি।

গত ফেব্রুয়ারিতে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে ফৌজদারহাটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী লেফটেনেন্ট কর্নেল ইনশাদ ইবনে আমিন (১৮তম ব্যাচ), লেফটেনেন্ট কর্নেল আবু মুসা আইয়ুব কায়সার আহমেদ (২২তম ব্যাচ) ও মেজর মাহমুদ হাসান (২৬তম ব্যাচ) নৃশংস হত্যাযজ্ঞের শিকার হন। এ ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ। নিরস্ত্র অবস্থায় এই তিন ফৌজিয়ানসহ ৫৯ জন সেনা কর্মকর্তা এবং আরো ১৩ জনকে উশৃঙ্খল বিডিআর সদস্যরা হত্যা করেছিল। দেশবাসীর মতো আমরাও অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য বিচার দেখতে চাই। সাম্প্রতিক সময়ে অসুস্থতা, দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে বেশ কয়েকজন ফৌজিয়ানকে আমরা অকালে হারিয়েছি। বিনম্র শ্রদ্ধায় আমরা তাদের স্মরণ করছি।

ভালো, দক্ষ এবং যোগ্য সামরিক নেতা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে পাঁচ দশক আগে প্রথমে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পরে আরো তিনটি এবং সর্বশেষ মেয়েদের জন্য তিনটিসহ মোট বারোটি ক্যাডেট কলেজ স্বাধীনতাপূর্ব ও পরের সরকারগুলো গড়ে তুলেছে। পাকিস্তান আমলে ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার যে লক্ষ্য ছিল, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে এবং আজ এই পঞ্চাশ বছর পরে অনেকটাই বদলে গেছে। প্রতি বছর এখন কমপক্ষে ৬০০ শিক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজগুলো থেকে বেরুচ্ছে। এই ৬০০ জনকে ধারণ করার ক্ষমতা সামরিক বাহিনীর নেই। তারপরও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীতে আজ ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা ভালোভাবেই জায়গা করে নিয়েছেন। অনেকেই সরকারি, বেসরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। সচিব হয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী, উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন উদ্যোক্তা, শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি হয়েছেন কেউ কেউ। এদের অনেকেই নিজের যোগ্যতা ও মেধায় যার যার পেশায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়- সাহিত্য, শিল্পকর্ম, নাটক, চলচ্চিত্র, গান, সাংবাদিকতার মতো সৃজনশীল পেশায়ও এখন বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজের অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের মেধার প্রমাণ রাখছেন। পরিবেশ রক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, যুদ্ধপরাধের বিচারে জনমত গঠনের মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনেও দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন অনেক প্রাক্তন ক্যাডেট। দেশের মতো বিদেশেও শিক্ষা, গবেষণা, বিশ্বখ্যাত নানা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

তবে এসব অর্জন যথেষ্ট নয়। আমরা এতে তৃপ্ত বা সন্তুষ্ট নই। আমরা অধিকাংশই এই দরিদ্র দেশের মানুষের রক্ত-ঘাম ঝড়ানো বিনিয়োগে ক্যাডেট কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রকৌশল বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা পেয়েছি। আজ পাঁচ দশক পর আমরা আত্ম-অনুসন্ধানে, আত্মসমালোচনায় নেমেছি। আমরা এই সমাজের জন্য, দেশের জন্য কি কিছু করতে পেরেছি? আমাদের সাফল্য এবং ব্যর্থতার জায়গাগুলো কোথায়? আমরা ক্যাডেটরা কি সুবিধাভোগী কোনো শ্রেণীতে পরিণত হয়েছি? ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থা কি এই দেশের জন্য বোঝা হয়ে উঠছে? ক্যাডেট কলেজগুলোর কি আর প্রয়োজন আছে, নাকি সময় ও যুগের সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োজন হয়েছে এর রূপান্তরের?

সুবর্ণজয়ন্তীতে “ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার ৫০ বছর : ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৫০ বছর” শিরোনামে এই সংকলনটি প্রকাশ- এই আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক শুরু করার একটা প্রয়াশ হিসাবে আমরা দেখছি। এই সংকলনে লেখকদের সমালোচনা, ভিন্নমত প্রকাশকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা নিয়ে এরকম কিছু লেখা আমরা এই সংকলনে প্রকাশ করেছি। আর যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হচ্ছে, আমরা চাই একে গঠনমূলক একটা উপসংহারে নিয়ে যেতে। আগামী দিনগুলোতে এ নিয়ে আমরা প্রথমে নিজেদের মধ্যে, তারপর সাধারণের মধ্যে এই আলোচনাকে নিয়ে যেতে চাই। আশা করি প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটরা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেবেন।

এই সংকলনটিতে আমরা ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের লেখা শুধু নয়, প্রাক্তন শিক্ষকের লেখা ও সাক্ষাৎকার এবং অন্য ক্যাডেট কলেজগুলোর সাবেক শিক্ষার্থীদের কিছু লেখা প্রকাশ করেছি। ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার ৫০ বছর পূর্তিতে এরকম একটা সংহতিই আমরা তৈরি করতে চেয়েছি। আকাঙ্খার সবটা পূরণ হয়নি। কিন্তু শুরুটা করা গেছে। বাকিটা আগামী দিনগুলোতে আমরা সবাই মিলে এগিয়ে নেবো।

ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী সফল হোক। সবাই মিলে আসুন আমাদের সমাজটাকে আরো উদার, সহনশীল আর দেশটাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় আজ ঘোষণা করি।

সানাউল্লাহ। ২১তম ব্যাচ

Inner-34 এক নজরে বারোটি ক্যাডেট কলেজ

৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫৬ votes, average: ৫.০০ out of ৫ (ভোট, ৫.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

৫৯ টি মন্তব্য

  1. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১২:০৭ পুর্বাহ্ন |

  2. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১২:০৮ পুর্বাহ্ন |

    + দিয়ে sure হলাম যে 1st হইতে পারছি কি না … confirm ১ম … :clap: :clap: :clap:

    [ জবাব দিন ]

  3. নাজমুল (০২-০৮)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১২:১১ পুর্বাহ্ন |

    সানাউল্লাহ ভাই অসধারণ একটি লেখা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ. ভাইয়া একটা সময় ছিল জখন কলেজে সব শ্রেনীর মানুষের ছেলে মেয়ার পড়তে পারত কিন্তু বর্র্তমানে প্রচুর পরিমানে বেতন বাড়ার কারণে এখন অনেকের পরা সমস্যা হয়ে যাচ্ছে
    অনেক কিছু লিখার ইচ্ছা আছে অভ্র ইনস্টল করে লিখব

    [ জবাব দিন ]

  4. আছিব (২০০০-২০০৬)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১২:২২ পুর্বাহ্ন |

    আমি আবারো ২য়..। :(
    যাউকগা,আমি মনে করি ক্যাডেট কলেজ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে।
    মুরুব্বীরা ভালো মতামত দিবেন আশা করি।

    [ জবাব দিন ]

  5. মাহমুদ (১৯৯৮-২০০৪)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১২:৩২ পুর্বাহ্ন |

    সারা বাংলাদেশে যেখানেই যাই না কেন,আমি সবখানেই ক্যাডেটের গন্ধ খুঁজি এবং পেয়েও যাই!এই যে একটা নেটওয়ার্ক…ক্যাডেট কলেজ না থাকলে কি পেতাম?

    [ জবাব দিন ]

  6. চির হরিৎ (৯৫-০১)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১:৪৯ পুর্বাহ্ন |

    ক্যাডেটরা সুবিধাভোগী শ্রেনী কিনা, সমাজ ও দেশের জন্য তাদের অবদান যথেষ্ট কিনা, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার আর প্রয়োজন আছে কিনা অথবা ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার কিনা- এমন সব প্রশ্ন

    আমি মনে করি এমন সব প্রশ্ন করা আম জনতার এখতিয়ার এ পরে না। কেন না ক্যাডেট কলেজ পরিচালিত হয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থে এবং অবশ্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষে। যদি ক্যাডেট কলেজ গুলো সেই লক্ষ ও উদ্দেশ্য পুরন করতে সফল হ্য় তাহলেই এর সার্থকতা। ক্যাডেট কলেজ না থাকলে এর জন্য বেচে যাওয়া অর্থ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অন্য কাজে ব্যবহার হতো। কই কেউ তো প্রশ্ন করে না ক্যান্টনমেন্ট কলেজ বা বিএন কলেজ বা শাহীন কলেজ দরকার আছে কি না? ক্যাডেট কলেজ এর সাফল্যে ক্যাডেট কলেজ আনুকরনে ব্যবসা করতে য়েয়ে অনেক ভুইফোড় ক্যডেট স্কুল আর হাবিজাবি ব্যবসা খোলা হচ্ছে এগুলো নিয়ে মাথা ব্যথা করার তো কেউ নাই?

    ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার আর প্রয়োজন আছে কিনা এটা নির্ধারন করার বা মুল্যায়ন করার অধিকার আছে একমাত্র সশস্ত্র বাহিনীর । আর ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার কিনা তা নির্ধারিত হবে এর লক্ষ্য কে সামনে রেখেই। ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা “ব্যবস্থার” বা system এর কোন সুপারিশ বা মুল্যায়ন করার য়োগ্যতা এবং অধিকার ও একমাত্র ক্যাডেট এবং এক্স-ক্যাডেট দের জন্য ই মানায়। য়ে কোন দিন সাতার কাটে নি খালি সাতার দেখেছে তার জন্য সাতার এর জন্য উপদেশ/নির্দেশনা দেয়া আহাম্মকি বই কিছু নয়।

    তবে ক্যাডেট কলেজ বা এর থেকে বের হওয়া ক্যাডেট রা যদি দেশ ও যাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে থাকে (য়েমন ভার্সিটিগুলোর বর্তমান ছাত্র রাজনীতি দেশ ও যাতির জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর) সেক্ষেত্রে য়ে বা যাহাদের ক্ষতি হচ্ছে তারা আপত্তি তুলতে পারে এমন কি ক্ষতিপুরন মামলা ও করতে পারে।
    বর্তমানে আবার ধান্দাবাজ নেতা/নেত্রীদের ধান্দা হয় নিয়ের এলাকায় ক্যাডেট কলেজ বানিয়ে ভোট বাড়ানোর। এটাও স্বার্থপরতা ছাড়া কিছু না। এসব ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীকে বুদ্ধিমত্তার সাথে অপচেস্টা বর্জন করানোর চেস্টা করা উচিত।
    সর্বোপরি তথাকথিত ও ভুইফোড় বুদ্ধিজীবি, ঞ্জানপাপী, নিজের যায়গা ছেড়ে সব জায়গায় নাক গলানো টাইপ মহাঞ্জানী দের ঘেও ঘেও এ কান না দিয়ে দেশ ও যাতির জন্য সবার ই sincerely কাজ করা উচিত।
    মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের নিজ নিজ জায়গায় থেকে দেশের জন্য কিছু করার শক্তি দান করুন। আর যদি ভাল কিছু করতে না পারি তাহলে যেন খারাপ কিছু না করি এবং যারা দেশ কে নিয়ে, দেশ এর স্বার্থ নিয়ে ব্যবসা ফেদে বসেছে তাদের মুখের উপর ঘৃনা ভরে থুথু ফেলতে পারি সেই মানসিক শক্তি দান করুন।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ২:৩৭ অপরাহ্ন |

    //ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার আর প্রয়োজন আছে কিনা এটা নির্ধারন করার বা মুল্যায়ন করার অধিকার আছে একমাত্র সশস্ত্র বাহিনীর //

    তীব্র এবং তীব্র দ্বিমত।সশস্ত্র বাহিনী(এবং দেশের সব সরকারী প্রতিষ্ঠান) আমজনতার পয়সাতেই চলে বলেই আমি জানি-কাজেই যাদের পয়সায় আমরা দুর্ভিক্ষের সময়েও থার্সডে নাইটের পুডিং পর্যন্ত খেতে পারছি- প্রশ্ন করবার অধিকার অবশ্যই তাদের আছে।

    ভাইয়া সম্ভবত ক্যাডেট কলেজকে নিয়ে অকারণে না জেনে উল্টোপাল্টা বকা কিছু লোকের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিরক্ত হয়ে(যেটা আমরা অনেকে হরহামেশাই হই) এমনটি বলেছেন-আমার অন্তত তাই মনে হয়েছে,ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    [ জবাব দিন ]

  7. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ২:০৫ পুর্বাহ্ন |

    আমি মনে করি এমন সব প্রশ্ন করা আম জনতার এখতিয়ার এ পরে না। কেন না ক্যাডেট কলেজ পরিচালিত হয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দকৃত অর্থে এবং অবশ্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষে। যদি ক্যাডেট কলেজ গুলো সেই লক্ষ ও উদ্দেশ্য পুরন করতে সফল হ্য় তাহলেই এর সার্থকতা। ক্যাডেট কলেজ না থাকলে এর জন্য বেচে যাওয়া অর্থ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অন্য কাজে ব্যবহার হতো

    চির হরিত ভাই,
    প্রশ্ন করা জনতারই অধিকার । কারণ সামরিক খাতে যে টাকা (বাজেট) দেয়া হয়,সেটা জনগনের টাকা। আমি অন্য কোন বিষয় নিয়ে কথা বলছি না, just প্রশ্ন করার অধিকারের কথা বলছি। যদি ব্যাপারটা এমন হয় যে “ক্যডেট কলেজের দরকার নেই”, তাহলে আমরা সাসমরিক খাতে বরাদ্দ কমিয়ে দিয়ে সেটা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেব।

    [ জবাব দিন ]

  8. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ২:৫৪ পুর্বাহ্ন |

    হাতে খুব বেশি সময় নেই, কাল দুইটা কুইজ xm আছে … …
    তবে আমিন ভাইয়ের একটা পোস্টে আমার করা কিছু কমেন্ট এখানে কপি করে দিচ্ছি , আশা করি, ঐ কমেন্টগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এই পোস্টে কিছু গঠনমূলক আলোচনা পাব:

    ০. আমি ১০/১৫/৩০ বছর আগে ক্যাডেট কলেজ নয়, বরং বর্তমান সময়ের ক্যাডেট কলেজ নিয়ে কথা বলছি। আর গত ১০/১৫/৩০ বছরে দেশ তথা পৃথিবী অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
    ১. আমিও ক্যাডেট কলেজের কাছে অনেক অনেক ঋণী, I love my college more than i can express … … সুতরাং ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে নেগেটিভ কমেন্ট আমারও সহ্য হয় না, কিন্তু ব্লগে আমি বোধ হয় সেই ব্যাক্তি যে কারনে-অকারনে ক্যাডেট কলেজ নিয়ে “বাজে মন্তব্য” করি এবং এ কারণে অনেকেই আমাকে অপছন্দ করে এবং ভাবে যে আমি ক্যাডেট কলেজের প্রতি অকৃতজ্ঞ। আসলে আমি ক্যাডেট কলেজের নামে “বাজে মন্তব্য” নয়, বরং বর্তমান সময়ে ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পদ্ধতির পুন:গঠনের প্রয়োজনীতার ব্যাপারে মন্তব্য করি …

    ৩.“কেবল মাত্র সুযোগ্য আর্মি অফিসার গড়ে তোলার জন্যে” হাজার হাজার টাকা দিয়ে ক্যাডেট কলেজ চালানো আমাদের মত দেশের জন্য “হাতি পোষা”র মত; তবে “দেশকে কিছু প্রকৃত মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক উপহার দেয়ার জন্যে” সরকারি অর্থায়নে ক্যাডেট কলেজের মত প্রতিষ্ঠাণ অবশ্যই প্রয়োজন। অর্থাৎ সময় এসেছে ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে পরিবর্তন আনার এবং এর “লক্ষ্য ও উদ্দোশ্য” পুন:নির্ধারনের।

    ব্যাখ্যা:

    “… …“কেবল মাত্র সুযোগ্য আর্মি অফিসার গড়ে তোলার জন্যে” … …” আর্মি অফিসার তৈরির জন্যে বিশ্বে “ক্যাডেট কলেজ সিস্টেম” খুব বেশি দেশে পরিচালিত হয়নি, কিংবা প্রয়োজনও হয়নি। (আর্মি অফিসার তৈরির জন্যে Military Academy আছে।) তবে বিশ্বের অনেক দেশেই সরকারি অর্থে পরিচালিত অধিকতর সুবিধা-সম্বলিত “শিক্ষা প্রতিষ্ঠান” আছে।


    “to produce worthy leaders of society who have physical fitness of a military person and mental keenness of an intellectual-people who would lead in their respective area and progress the nation through this”


    এগুলো বাস্তবে হলে আমার কোন দু:খ ছিল না, কিন্তু বর্তমান সময়ের ক্যাডেটদের সাথে কথা বললে জানতে পারবেন কলেজে “ডিফেন্সে” যোগদানের জন্য যতটা কাউন্সিলিং করা হয়, অন্য কোন কিছু হওয়ার জন্যে তার একবিন্দুও করা হয় না। এর মানে কি এই নয় যে, ক্যাডেট কলেজের প্রাকটিকাল উদ্দেশ্য হচ্ছে “আর্মির জন্যে ready করা”, কিন্তু সেখানে by product হিসেবে অন্যান্য কিছুও পাওয়া যেতে পারে … … আর এখানেই আমার “শ্বেতহস্তী” প্রসঙ্গ। জনগনের হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে যে প্রতিষ্ঠান চালানো হয় , বর্তমানে সেখানে HSC’লেভেলে শিক্ষার মান standard এর চেয়ে অনেক অনেক নিচে। এর কারণ কি ? কারণ অথরিটি একাডেমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান সময়ে HSC তে ক্যাডেট কলেজের Teaching Quality “standard” এর চেয়ে অনেক নিচে। আর তাইতো ছুটিতে private tutorএর কাছে পড়া বর্তমান সময়ের ক্যাডেটদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাড়িয়েছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নয়ন বলতে English Version করা। দু:খের বিষয় হচ্ছে এটাও “লোক দেখানো উন্নয়ন”, কারণ Teacher দের সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত না করে শিক্ষার্থীদের উপর এ রকম একটি সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়ার মানে কী??? বর্তমান সময়ের ক্যাডেট কাছে খোঁজ নিলে জানতে পারবেন, কলেজে HSC লেভেলে শিক্ষকদের class teaching এর মান কেমন । [শিক্ষকদের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি] তাই লোক দেখানো উন্নয়নের জন্য “হাতি পুষে” লাভ কী ? একজন all-rounder (আমাদের অর্থাৎ Cadet দের এটাই বলা হয় যে তারা শুধু পড়াশুনায় নয়, সবদিকে সেরা ) যদি আসল জায়গাই কাঁচা থাকে তাহলে অন্য সব দিকে boss হয়ে লাভ কী ??? ক্যাডেট কলেজতো আসল জায়গাটায়ই ক্যাডেটদের পিছিয়ে দিচ্ছে ???

    ক্যাডেট কলেজ ক্যাডেটদের “শেখানো”তে গুরুত্ব দেয় না, গুরুত্ব দেয় resultএ। আর বর্তমান সময়ে তরুন কোন ভাল শিক্ষক ক্যাডেট কলেজে চাকরি করতে চান না, কারণ সেখানে শিক্ষকের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই (শিক্ষকের সুযোগ বলতে কেবল বাসস্থান আর রেশন নয়)। specially HSC লেভেলে বর্তমানে ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার মান “standard” এর চেয়ে অনেক নিচে। ক্যাডেটরা যে ভাল result করে তার অনেকটাই নিজেদের চেষ্টায়।

    “দেশকে কিছু প্রকৃত মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক উপহার দেয়ার জন্যে” সরকারি অর্থায়নে ক্যাডেট কলেজের মত প্রতিষ্ঠাণ অবশ্যই প্রয়োজন। মন্তব্যের ব্যাখ্যা:
    আমাদের মত গরীব দেশে মেধার অভাব নেই, আছে সুযোগএর অভাব, আর ক্যাডেট কলেজ নি:সন্দেহে অনেক গরীব-মেধাবী ছেলেদের সেই “সুযোগ” করে দেয়। কিন্তু আমি চাই ক্যাডেট কলেজগুলোতে সেই সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্যে এর সিস্টেমে যুগোপযোগী এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন আসুক তাতে ক্যাডেট কলেজ “ক্যাডেট কলেজ” নামে থাকুক কিংবা এর নাম পরিবর্তন হোক, আর্মি দ্বারা পরিচালিত হোক কিংবা না হোক- তাতে আমার কোন আপত্তি নেই।
    যাই হোক, বর্তমান সময়ে ক্যাডেট কলেজে যে হারে বেতন বাড়ানো হচ্ছে, তাতে ক্যাডেট কলেজ খুব বেশিদিন আর “সুযোগ” দিতে পারবে বলে মনে হয় না।

    =======================================

    এই কথাগুলো এই পোস্টের প্রক্ষিতে নয়। আগে আমিন ভাইয়ের পোস্টের প্রেক্ষিতে দিয়েছিলাম, এই পোস্টের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় কিছুটা এডিট করে কপি-পেস্ট করে দিলাম। তবে এখানে হয়ত আমার মতামতের পূর্ন ব্যাখ্যা দিতে পারিনি, সময় পেলে আরও একটু বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেব আশা করি।

    তবে এই পোস্টের অলোচনায় যে সকল বিষয় সম্পৃক্ত হতে পারে এবং অলোচনায় আসা উচিত তা হচ্ছে :
    ১. বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার পটভূমি এবং বর্তমানে সেই পরিপ্রেক্ষিত বজায় আছে কিনা
    ২. ক্যাডেট কলেজের পরিচলনা ব্যায় এবং বাংলাদেশের মত গরীর (যেখানে শিক্ষা অধিকার নয়, সুযোগে পরিনত হয়েছে, যেখানে মৌলিক শিক্ষা সবার সবার হাতের নাগালে নয়) এর যৌক্তিকতা
    ৩. দুই-তিন দশক আগে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থা ও তৎকালীন সময়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বর্তমান সময়ে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থা ও বর্তমান সময়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
    ৪. ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থায় কী কী পরিবর্তন আনলে তা দেশের জন্য আরও ভাল ফল বয়ে আনতে পারে।

    ইত্যাদি ইত্যাদি … …

    একটা প্রানবন্ত এবং গঠনমূলক আলোচনার অপেক্ষায় রইলাম। specially সিনিয়রদের (যারা আশির দশক কিংবা তারও আগের, যেমন: সানা ভাই, সাইফুদ্দাহার শহীদ ভাই … ..) কাছ থেকে কিছু অলোচনা পেলে খুব ভাল লাগত। আর সানাইল্লাহ ভাইরে অবশ্যই ধন্যবাদ এ ধরনের একটা গঠনমূলক আলেচনার প্লট তৈরি করে দেয়ার জন্য।


    [এখানে প্রকাশিত মন্তব্য একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত, আর একজনের সাথে অন্যজনের মতের অমিল থাকতেই পারে।]

    [ জবাব দিন ]

    আমিন (১৯৯৬-২০০২)
        জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ৪:০৩ অপরাহ্ন |

    তারিকের বক্তব্যগুলো আমার পোস্টে করা আর তার কিছু কথায় আমি আপত্টি তুলেছিলাম যা তারিক এখানে দেবার চেষ্টা করেছে।
    তারিক, তোমার বক্তব্যগুলো চমৎকার , এবং ভাবনায় সমস্যা নেই তবে কিছু জায়গায় অসামঞ্জস্য লেগেছিলো। হাতি পোষা শব্দটার ব্যবহার মনে হয় বর্তমান সময়ের শিক্ষার মান নিয়েই ছিলো তাই না। আমার আপত্টির জায়গাটা এখানেই ছিলো শিক্ষার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তুমি খুব বেশি রকম একাডেমিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছো। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের দান হচ্ছে প্রকৃত মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক তাই না?? তাই যদি হয় একাডেমিক শিক্ষাকে একটু বেশি প্রধান্য দেয়া হয়ে গেলো না ? তুমি যে সমস্যার কথা বলেছো সেটা আমার কাছে একটু আজব মনে হয়েছে কারণ আমাদের আগের খিংবা পরের দু তিন বছরে সাধারণ প্রবণতা ছিলো মিলিটারি সাইড না বরং একাডেমিক সাইডে অধিক গুরুত্ব আরোপ। যেটা আমার কাছে অসহনীয় মণে হতো। আরেক জায়গায় আমি বলেছি তখন (সম্ভবত এখনও) ক্যাডেট কলেজে নিজের ছেলেমেয়েদের যারা দেন তাদের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েদের যতটা না আর্মি বানাতে চান তার চেয়ে বেশি চান তাদের কাছে একাডেমিক রেজাল্ট আড় চান সামাজিক নিরাপত্তা। এইখানেই আমার আপত্তি ছিল। সরকারি অর্থায়নে যাদেরকে গড়ে তোলা হবে তাদের মাঝে মূল্যবোধ থাকবে কৃতজ্ঞতা বোধ থাকবে। আর তাদের গড়ে তোলার ট্রেনিং কিন্তু মিলিটারি ট্রেনিং বা একাডেমিক ট্রেনিং মূল না। বরং আমার নিজের কাছে মনে হয় ক্যাডেট কলেজ একটা অল্প বয়সী ছেলের চিন্তার জগতে বিপ্লব ঘটিয়ে দিতে পারে। তাকে সামাজিকভাবে বিল্ড আপ করে । “আমি” র চাইতে “আমাদের” এই কন্সেপট গ্রো করে। আরো যা করা হয় তাদের মাঝে প্রতিকঊল পরিবেশে সারভাইভ করা শিখানো হয় ইত্যাদি ইত্যাদি আমি কী বলতে চাইছি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো? মানছি ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার মান যথেষ্ট নয় (বিশেষত এইচ এস সি লেভেলে)। তবে আমার মনে হয় তার পিছন কার কারণ গুলো শিক্ষকদের প্রশাসনিক কাজে বেশি ইনভলভমেন্ট দায়ী । তবে আমাদের দেশের সামগ্রিক শিক্ষার যে অবস্থা তার থেকে খুব পিছিয়ে আছে একথাও বলা যাবে না। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে একাডেমিক নিয়ে তোমার উদ্বেগ সেটা সঠিক কিন্তু শুধু ক্যাডেট কলেজের প্রেক্ষাপটে নয় বরং আমাদের সারা দেশের টোটাল শিক্ষা ব্যবস্থার একটা প্রতিফলন।
    আমার দ্বিমতের জায়গাটা ধরতে পারছো নিশ্চয়ই। আামদের সময়ে অনেক নীর পুতুলদের বাবা মায়েরা নাকি হেড কোয়াটারে লিখে পাঠাতেন গেমস পিটির জন্য তাদের সোনার পুতুলরা পড়তে পারে না। এই সব শুনলে গা জ্বালা ধতো। তাই এখন তোমার লকাছে যখন শুনেছি এখনকার ক্যাডেট কলেজে গুলোতে এতটা পরিবর্তন হয়েছে তাই একটু অবাকই হয়েছি।

    [ জবাব দিন ]

  9.   সোহেল (৮৫-৯১)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ৭:০২ পুর্বাহ্ন |

    এখানে কমেণ্ট করলে অনেক বড় হয়ে যাবে। এ বিষয়ে আমি বিভিন্ন তথ্য ও যুক্তি সহকারে একটা কলাম লিখছি। একসময়ে আমি লিন্ক দিয়ে দেব।

    ১) ক্যাডেট কলেজের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমার কোনই সন্দেহ নেই। ২০০৫ সালে ১২ টা ক্যাডেট কলেজের বাজেট ছিল ১৯ কোটি টাকা, যার ৮০% ই থাকা, খাওয়ার খরচ। (অনেকেই ক্যাডেট কলেজের বাজেট ‘কয়েক হাজার কোটি টাকা’ এমন ভাবে বলে থাকে।) কত টাকা কতভাবে নষ্ট হ্য়, আর কিছু মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী কিছু ছেলেমেয়ের পেছনে ‘শিক্ষার’ ও ‘বেড়ে ওঠার’ খরচ নিয়ে কেন এত কথা।

    ২) ঢাকার বা্ইরে হাতে গোণা কিছু ভাল স্কুল-কলেজ আছে? আমার মত ঢাকার বাইরের অনেকেই ভাল শিক্ষার সুযোগ পেতনা ক্যাডেট কলেজ না থাকলে।

    ৩) ভাল শিক্ষার জন্য দরকার ১) পরিবারের স্বচ্ছলতা ২) ভাল স্কুল। ক্যাডেট কলেজ ছাড়া বাংলাদেশে আর কি কোনো প্রতিষ্ঠান আছে, যা এ দুটোরই চাহিদা মেটায়? হতে পারে সেটা খুব অল্পকিছু পরিবারের ছেলেমেয়েরাই মেধার ভিত্তিতে পায়। কিন্তু তাতেওতো শিক্ষার কিছু উন্নতি হচ্ছে। আমরা অনেকই আতিউর রহমানের কথা শুনেছি। অধিকাংশ (৯০%) ক্যাডেটই কিন্তু মধ্যবিত্ত (সরকারি চাকুরিজীবি) বা নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে আসে। আমার দেখা ৯৫% ক্যাডেট কলেজের অস্তিত্ত্ব নিয়ে সমালোচনা শুনেছি তাদের মুখে যারা তাদের ছেলেমেয়েদের ভাল সুযোগ দিতে পারে – বাড়িতে বা স্কুলে। তারা খুব সমতার কথা/বুলি বলে। অথচ ঢাকা-ঢাকার বাইরে, শহর-গ্রাম, সবখানেই কিন্তু অসমতা বিদ্যমান। একজন নিম্নবিত্ত পিতামাতা কিন্তু ভাবে শুধু যদি তাদের মেধাবী ছেলে/মেয়েটা ক্যাডেট কলেজে ঢুকে সরকারি সাহায্যে একটু ভালো কিছু হতে পারে! আমি ঢাকার বাইরে থাকে, এবং ঢাকার সুবিধা পায়না, এমন কারো কাছ থেকে সমালোচনা শুনতে চাই।

    ৪) আমদের কি উচিত নয় ক্যাডেট কলেজের উন্নয়ন, কিভাবে আরো বেশি ছেলেমেয়েদের ১২ টা কলেজে নেয়া যায় বা ক্যাডেটরা যাতে শান্তিতে ও ভালভাবে সেখানে বেড়ে ওঠে, সেটা নিয়েই মুলত মাথা ঘামানো? সিনিয়র এক্স-ক্যাডেটরা এটা নিয়ে ভাবলে এখনকার ক্যাডেটদের অনেক উপকার হত।

    ৫) ২০ কোটি টাকা দিয়ে একটা মিগ-২৯ বা কয়েকটা ট্যান্ক কিনলে হয়ত কি ভাল হত? অথবা এ টাকায় কয়েকগুন স্টুডেন্টদের মোটামুটি সুযোগ সুবিধা দেয়া যেত। কিন্তু ক্যাডেট কলেজ কি কোনো অপচয় করছে কিছু ছেলেমেয়েদের ভাল সুবিধা দিয়ে? যখন কেউ বুয়েট/ঢাবি তে পড়ে, সে কিন্তু হাজার হাজার ছেলেমেয়েদের সুযোগ নিয়ে নিচ্ছে, যেটা পাড়ার কোনো কলেজে বিএ পড়ুয়া ছেলেটা পাচ্ছেনা যদিও তার সমান অধিকার – অথচ এটা কি আমরা সেভাবে দেখি? আমরা কি ভাবি ‘অসমতা’ শুধু ১৮+ জন্য জায়েজ? ১২ বছরের কিছু মেধাবি ছেলেমেয়েদের জন্য নয়?

    [ জবাব দিন ]

    আমিন (১৯৯৬-২০০২)
        জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১১:৩৮ পুর্বাহ্ন |

    অসাধারণ মন্তব্য ভাইয়া। আমার জানার সীমাবদ্ধতা ছিল তথ্যহীনতা। আমি তত্ব দিয়ে যে জিনিসটা বুঝতে চাইছিলাম তার সাথে কিছু তথ্য যোগ হলো। আপনার লেখাটার লিংকের প্রত্যাশায় রইলাম।
    আমার বক্তব্যের কিছু ব্যাপার তারিকের দেয়া লিংকটিতে (আমার পোস্টে) বলেছি। আর এখানে মুরুব্বীদের কথা শুনি আগে। তার পরে কিছু বলার চেষ্টা করি।

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১:৪৭ অপরাহ্ন |

    আমদের কি উচিত নয় ক্যাডেট কলেজের উন্নয়ন, কিভাবে আরো বেশি ছেলেমেয়েদের ১২ টা কলেজে নেয়া যায় বা ক্যাডেটরা যাতে শান্তিতে ও ভালভাবে সেখানে বেড়ে ওঠে, সেটা নিয়েই মুলত মাথা ঘামানো? সিনিয়র এক্স-ক্যাডেটরা এটা নিয়ে ভাবলে এখনকার ক্যাডেটদের অনেক উপকার হত।

    ধন্যবাদ ভাইয়া। এটাই আমাদের আলোচনার অন্যতম পয়েন্ট। কিন্তু ভাইয়া, একটা বিষয়ে আপনার মতামতটা যদি আর একটু পরিস্কার করতেন তাহলে বেশ ভাল হত। বিষয়টা হচ্ছে, আপনি পুরো কমেন্টে “গরীব মেধাবীদের জন্য সুযোগ”- এ বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। আমিও আমার কমেনটে এই বিষয়টার কারণেই ক্যাডেট কলেজকে অত্যাবশ্যকীয় বলেছি। কিন্তু “সুযোগ” সৃস্টির জন্যে ক্যাডেট কলেজ এর “আর্মি”-মুখী শিক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ? অর্থাত “ক্যাডেট” কলেজকে সামরিক বাহিনীর অধীনে পরিচালিত করা এবং এ থেকে “ভবিষ্যত আর্মি অফিসার পাওয়া”-র নীতি কতটা গুরুত্বপূর্ন ?

    আপনার তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

    [ জবাব দিন ]

  10. আমিন (১৯৯৬-২০০২)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ৪:৪৪ অপরাহ্ন |

    ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা যারা করে আমি তাদের অনেকের সাথে খুব কাছে থেকে কথা বলে যা বুঝেছি সেটা হলো বাস্তব ক্ষেত্র না দেখে তত্ত্ব দিয়ে বুঝতে চাওয়া। (বাম রাজনীতি যারা করে আমার পরিচিত সবার মাঝেই এই ব্যাপারটা কাজ করতে দেখেছি)। আর তার সাথে আছে আর্মি বিরোধী মনোভাব। আর তারও সাথে শুধু না না বুলি দেয়া। এ জাতীয় লোকদের মুখে আমি শুধু শুনি “না”। এটা না ওটা না এটা করা যাবে না ওটা করা যাবে না তার পরে তারা যা করতে হবে বলে সেটা যে সম্ভব না সেটাও তারা জানে। এর সাথে আছে কিছু ক্যাডেট কলেজের সাথে হিংসিত ছেলেমেয়ে আর তাদের অভিভাবক যাদের চিন্তভাবনার দেখলে কষ্ট পাই না বরং তাদের প্রতি করুণা জন্মে।
    এবার পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বলি। প্রথম কথা হলো পোস্টের পরিসর এত বড় যে খুব ছোট সাধারণ কথায় কনক্লুসিভ পয়েন্টে আসা যাবে না। অসমতা এই প্রশ্নে আমি একমত আবার দ্বিমত। কেন তা ব্যাখ্যা করি, ক্যাডেট কলেজে সুযোগ সুবিধা পায় যেটা অসম এটা এদেশের সব লোক পায় না। এটুকু মানা গেলো। তাহলে বলি ক্যাডেটরা কি সর্বোচ্চ সুবিধা পায়? পেলে কোন কোন ক্ষেত্রে কিভাবে? আমি মানি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্যাডেটরা অনেক জায়গায় এগিয়ে থাকবে। কিন্তু ক্যাডেট কলেজ বাদ দিলে অন্য প্রতিষ্ঠান গুলোর মাঝে কি অসামঞ্জস্য নেই? উত্তর সবাই জানি। অবশ্যই আছে। আর বর্তমানের প্রেক্ষাপটে সেটা আরো বেশি। আমরা লক্ষ্য করলে দেখবো সরকারি স্কুল কলেজের চাইতে বেশিরভাগ দিকেই বেসরকারি গুলোব এগিয়ে আছে। এখন বেসরকারিগুলোতে ঢুকতে কোন মাপকাঠজি নেই। দুঃখিত আছে!!! সেটা হলো টাকা। যার টাকা আছে সে সেখানে ঢুকতে পারবে মেধার খুব দরকার আছে তা কিণ্তু না। অন্যদিকে এখন পর্যন্ত ক্যাডেট কলেজের এই প্রিভিলাইজড ছেলেদের যোগ্যতার মাপকাঠি হলো তাদের মেধা । এটাই কি আমাদের সমাজের মাথাদের ক্যাডেট কলেজের প্রতি বিতৃষ্ণার কারণ?
    ক্যাডেট কলেজ গুলোতে যেমন আছে একজন কোটিপতির ছেলে তেমনি আছে এৃকজন কৃষকের ছেলে আছে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত সব ধরণের লেভেলের ছেলেপেলে। আর অসমতা? ক্যাডেট কলেজের ভিতরে উচ্চবিত্ত নিম্ন বিত্তে কোন অসমতা আমি ক্যাডেট হিসাবে দেখিনি ( আর্মির ছেলেমেয়েদের কিছু প্রিভিলাইজ পাওয়া ছাড়া যার দায় সিস্টেমের চাইতে প্রশাসকের দুর্বলতা)।
    এর ফলে ছোট বয়সে ছেলেগুলার মাঝে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাথে সুস্থ ইন্টার একশন ঘটে। যেটা বাইরে বড়লোক বাচ্চাদের মাঝে কখনো পাওয়া যাবে না। বরং ছোটবেলায় ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে গুলশান বনানীর হাইফাই স্কুল কলেজে পড়ে তাদের তুলনামূলক কম বিত্তশালী আত্মীয়দের প্রতি উন্নাসিকতা জন্মায় (আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলা)।
    আপাতত এটুকুই আমাকে মন্তব্যটি কয়েক ধাপে বলতে হবে। পরে সময় করে আরো কিছু বলবো।

    [ জবাব দিন ]

  11. মুস্তাকিম (৯৪-০০)
       জানুয়ারি ৩১, ২০১০ at ১০:৪৪ অপরাহ্ন |

    এখন আর্মি মুখি ক্যাডেট কলেজ ভাবনাটা আমার কাছে খুব একটা বাস্তব সম্মত মনে হয় না।ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষাপদ্ধতির কিছু পরিবরতন এর চিন্তা নিয়ে একটা লেখা লিখছিলাম।আশা করি ভাল কিছু আইডিয়া দিতে পারব।‌‌‍

    [ জবাব দিন ]

  12.    ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ২:২৩ অপরাহ্ন |

    আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম আমরা সবাই কলেজের নাম ভুলে জাচ্ছি। এটা কেডেট কলেজ। এটার মানেই এটা আর্মি বা ডিফেন্সের নিয়মে চলবে।এটার বেসিক জিনিস গুলা পরিব্রতন করলে এটা আর কেডেট কলেজ থাকবেনা। সেটা আলাদা কথা। কিন্তু সারা দুনিয়াতে এমন কেডেট কলেজ আছে এবং কোয়ালিটি এডুকেশন এর জন্য তা সব জায়গায় প্রশংসিত। কিন্তু এর মুল কাজ এ হল দেশপ্রেমিক এবং মুল্যবোধ স্মপ্নন্ন নাগরিক গড়ে তোলা। এতে বেশির ভাগ ক্যডেটই ডিফেন্সে জ়েতে আগ্রহী হয়। এবং এখানে বিভিন্ন শ্রেনীর ছেলে বা মেয়ে একসাথে পরে।বাংলাদেশ এর মত একটা দেশের জন্য এর চেয়ে বড় শিক্ষা আর কিছু হতে পারেনা।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৪:৪৬ অপরাহ্ন |

    এতে বেশির ভাগ ক্যডেটই ডিফেন্সে জ়েতে আগ্রহী হয়। আমার ব্যাচের ৫০ জনের মধ্যে ১৪ জন ডিফেন্সে।ডিফেন্সে একটা বড় অংশ যায় তবে বেশির ভাগ ক্যাডেট সম্ভবত না-অন্তত আমাদের সময়ে এবং তৎপরবর্তী সময়ে উল্টোটাই দেখা গেছে।আইএসএসবিতে গিয়ে ইচ্ছে করে ফাজলেমী করে এমন কারণে আমাদের পরের ব্যাচে এমনকী দুইবার আইএসএসবি দেয়াটাও অপশনাল করে দেয়া হয়েছিলো।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান কি একটু জানাবা ভাই?আমি বলছি ২০০৩ এর কথা-এখন অবশ্য উল্টোটাও হতে পারে।এইটা ঠিক-ক্যাডেট কলেজের নিয়মকানুন বদলে দিলে তা আর ক্যাডেট কলেজ থাকেনা-তবে সময়ের সাথে সাথে নিয়ম কানুন বদলানোও কিন্তু প্রগতির লক্ষণ।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৫:০৩ অপরাহ্ন |

    এটার মানেই এটা আর্মি বা ডিফেন্সের নিয়মে চলবে

    একটা জিনিস ভুলে যাচ্ছ,এইটা মিলিটারি একাডেমি না।আর্মি অফিসারদের গুনাবলীগুলো যেমন নিয়মশৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ,সমায়ুনবর্তিতা ইত্যাদির প্রতি এখানে নজর দেয়া হবে কিন্তু মূল উদ্দেশ্য(আগে একটা কমেন্টে বলেছিলাম)- to produce worthy citizens who have physical fitness of a military person and mental keenness of an intellectual,citizens who would lead the country towards development in their respective fields”

    এটা ঠিক যে এখানে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রন অবশ্যই থাকবে(আমার সেরা প্রিন্সিপাল ছিলেন লেঃকর্নেল আবুল কাশেম স্যার),
    কিন্তু তার সাথে অন্যান্য গুনাবলীরও সমন্বয় ঘটাতে হবে।সেক্ষেত্রে ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট ভীষণ জরুরী-যেমন,প্রশ্নাতীত আনুগত্য যুদ্ধের ময়দানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করা সৈনিকের জন্যে বড় গুণ হলেও ভবিষ্যতের গবেষকের জন্যে ঠিক এর উল্টোটা।এই জিনিসগুলাও মাথায় রাখতে হবে।সেনা কমান্ডের অধীনে থেকেও সেটা ভালভাবেই সম্ভব- যদি প্রিন্সিপাল,এডজুটেন্ট এবং শিক্ষকেরা সচেষ্ট থাকেন।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৫:০৯ অপরাহ্ন |

    কিন্তু এর মুল কাজ এ হল দেশপ্রেমিক এবং মুল্যবোধ স্মপ্নন্ন নাগরিক গড়ে তোলা। এতে বেশির ভাগ ক্যডেটই ডিফেন্সে জ়েতে আগ্রহী হয়।

    একটু ব্যাখ্যা করলে ভাল হয়।অনেকটা এরকম শোনাচ্ছে যেন দেশপ্রেমিক এবং মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক মানেই ডিফেন্সে যাওয়া।আমি নিশ্চিত ডিফেন্সে যাঁরা আছেন তাঁরাও মনে করেন যে দেশপ্রেম এবং মূল্যবোধ ডিফেন্সের অপরিহার্য গুণ-তবে অন্য যে কোন পেশার মানুষের জন্যেই এ দুটো গুন খুবই জরুরি(নাই দেখেই তো দেশের এই অবস্থা :( ) ।

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৮:৫৬ অপরাহ্ন |

    আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম আমরা সবাই কলেজের নাম ভুলে জাচ্ছি। এটা কেডেট কলেজ। এটার মানেই এটা আর্মি বা ডিফেন্সের নিয়মে চলবে।এটার বেসিক জিনিস গুলা পরিব্রতন করলে এটা আর কেডেট কলেজ থাকবেনা।

    আদিব ভাই, এটাইতো এই পোস্টের আলোচনার অন্যতম বিষয়। আর এব্যাপারে আগের কমেন্টে আমার মতামত আমি দিয়েছি এভাবে:
    আমাদের মত গরীব দেশে মেধার অভাব নেই, আছে সুযোগএর অভাব, আর ক্যাডেট কলেজ নি:সন্দেহে অনেক গরীব-মেধাবী ছেলেদের সেই “সুযোগ” করে দেয়। কিন্তু আমি চাই ক্যাডেট কলেজগুলোতে সেই সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্যে এর সিস্টেমে যুগোপযোগী এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন আসুক তাতে ক্যাডেট কলেজ “ক্যাডেট কলেজ” নামে থাকুক কিংবা এর নাম পরিবর্তন হোক, আর্মি দ্বারা পরিচালিত হোক কিংবা না হোক- তাতে আমার কোন আপত্তি নেই।

    কিন্তু এর মুল কাজ এ হল দেশপ্রেমিক এবং মুল্যবোধ স্মপ্নন্ন নাগরিক গড়ে তোলা। এতে বেশির ভাগ ক্যডেটই ডিফেন্সে জ়েতে আগ্রহী হয়।

    ব্যাক্তিগতভাবে আমিও এটাই চাই যে এই ধরণের প্রতিষ্ঠানে দেশপ্রেমিক এবং মুল্যবোধ স্মপ্নন্ন নাগরিক গড়ে তোলা হোক এবং তাদের শেখানো হোক কীভাবে দেশকে ভালবাসতে হয়, কীভাবে যে কোন পেশায় থেকে দেশকে কিছু দেয়া যায়। [বর্তমানের এবং পূর্বের ক্যাডেটরা এটা জানে না- আমি সেটা mean করছি না] আমি বোঝাতে চাইছি, কলেজের সব ক্ষেত্রে defense/defense কলরব বাদ দিয়ে সকল পেশার জন্য উপযুক্ত কনসালটেন্সি করা হোক।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ১:১১ পুর্বাহ্ন |

    তাতে ক্যাডেট কলেজ “ক্যাডেট কলেজ” নামে থাকুক কিংবা এর নাম পরিবর্তন হোক, আর্মি দ্বারা পরিচালিত হোক কিংবা না হোক- তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। :( :( ভাই তারিক,কিছু মনে নিওনা,এইখানে তোমার সাথে একটু দ্বিমত করি-আমাকে গোঁড়া বলতে পারো। ক্যাডেট কলেজকে ক্যাডেট কলেজ না বলা হইলে আমি দেশে আগুন লাগায়ে দিবো x-( x-( x-(

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ১:১৩ পুর্বাহ্ন |

    আমি বোঝাতে চাইছি, কলেজের সব ক্ষেত্রে defense/defense কলরব বাদ দিয়ে সকল পেশার জন্য উপযুক্ত কনসালটেন্সি করা হোক।

    ভাই আর্মি পরিচালিত প্রতিষ্ঠান যেহেতু সেখানে ডিফেন্স ডিফেন্স রব যে উঠবে এইটা তো জানা কথাই।তবে এইটা ঠিক,মাত্রা না ছাড়ায় গেলে সমস্যা নাই।ডিফেন্সের যে চমৎকার গুনগুলো ক্যাডেটরা অর্জন করে সেগুলা কিন্তু এই ডিফেন্স ডিফেন্স রবেরই ফসল! :) ওই যে বললাম,মাত্রা ছারায়ে না গেলেই হল :)

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৩:১৩ পুর্বাহ্ন |

    ভাই, আমিতো একটু বাড়াবাড়িই করে ফেলছি। কিন্তু আমার বাড়াবাড়ির logic টা হচ্ছে এই যে, নামে কী আসে যায়; লক্ষ্য বাস্তবায়ন, উদ্দেশ্য সাধন আর উন্নয়নটাই আসল।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৩:৫৯ পুর্বাহ্ন |

    আরে দুর,তোমার মূল কথার সাথে আমি একমত।তবে অতিরিক্ত “আর্মি হঠাও” মনোভাবের ফলে ক্যাডেটদের বেসিক গুনগুলো যাতে হারায়ে না যায় এইটা খেয়াল রাখতে হবে।গত রিইউনিয়নে গিয়ে শুনি প্যারেড বন্ধ করে দেওয়ার প্রস্তাব আসছিলো জেসিসিতে x-(

    [ জবাব দিন ]

  13. মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
       ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৭:৪৮ অপরাহ্ন |

    মাসরুফের মতামতের সাথে আমি কিছুটা একমত। ক্যাডেট কলেজে পড়াশুনা করে যে সেনাবাহিনিতেই যেতে হবে এমন কোন কথা নেই, সবাই যার যার ক্ষেত্রে সফল ভাবে নেতৃত্ব দিবে সেটাই কাম্য। আমার মনে হয় শুধুমাত্র ক্যাডেট কলেজ আছে বলেই আমাদের দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাময় নেতা উঠে আসছে, তা না হলে সকল কর্মক্ষেত্রে এই নেতৃত্ব কতিপয় ঢাকা কেন্দ্রিক গোষ্ঠীর ভেতর সীমাবদ্ধ থাকতো। তাই আমার মতামত হচ্ছে ক্যাডেট কলেজ এর প্রয়োজন আছে এবং অবশ্যই আছে। তবে এখন সংখ্যা বাড়ানোর কথা আপাতত না ভাবায় উত্তম।

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৯:০৫ অপরাহ্ন |

    ক্যাডেট কলেজে পড়াশুনা করে যে সেনাবাহিনিতেই যেতে হবে এমন কোন কথা নেই, সবাই যার যার ক্ষেত্রে সফল ভাবে নেতৃত্ব দিবে সেটাই কাম্য।

    আমার মনে হয় শুধুমাত্র ক্যাডেট কলেজ আছে বলেই আমাদের দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাময় নেতা উঠে আসছে, তা না হলে সকল কর্মক্ষেত্রে এই নেতৃত্ব কতিপয় ঢাকা কেন্দ্রিক গোষ্ঠীর ভেতর সীমাবদ্ধ থাকতো।

    জনৈক মণীষী[ () :frontroll: বলার আগেই দিলাম ]মাস্ফু (ভাই) বলেন,

    প্রশ্নাতীত আনুগত্য যুদ্ধের ময়দানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করা সৈনিকের জন্যে বড় গুণ হলেও ভবিষ্যতের গবেষকের জন্যে ঠিক এর উল্টোটা।

    মেহেদী ভাই, তার মানে আপনার কথা হচ্ছে আর্মি অফিসার তৈরির জন্যে ক্যাডেট কলেজ দরকার নেই, বরং গরীব-মেধাবীদের ‘সুযোগ’ তৈরি করে দেয়ার জন্য এ ধরনের প্রতিষ্ঠাণ দরকার। ভাই, তার মানে কি এই নয় যে, ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা দরকার। এবং আমাদের দরকার এমন একটা প্রতিষ্ঠান যেখানে সরকারি অর্থায়নে ধনী-গরীব সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। এবং সেই প্রতিষ্ঠাণ থেকে বের হওয়া ছেলেরাই দেশের উন্নয়নে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেবে।

    [ জবাব দিন ]

      iqbal hossain
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৩:৩০ অপরাহ্ন |

    তাই, সব জায়গাতেই মেধা সংকট দেখা দিয়েছে

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৪:১৪ অপরাহ্ন |

    আমার মন্তব্যের যে অংশটা তুমি কোট করেছ সেখানে লক্ষ্য কর, এটা বাস্তবায়নের জন্য সিস্টেমের তেমন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না (যুগের পরিবর্তনের জন্য যেটা পরিবর্তন প্রয়োজন তা ব্যাতিত)। সবাই যার যার ক্ষেত্রে সফল ভাবে নেতৃত্ব দেওয়া মানে এই না যে তাকে লেখাপড়ায় ভাল হতে হবে। সে যদি সেনাবাহিনীতে যায় সেখানেও সে সফল হবে এবং যদি অন্যান্য স্থানেও সে তার অবস্থা সমুন্নত রেখেই সফল হবে। মনে হয় বর্তমান সিস্টেমে এটা সম্ভব, যার অনেক অনেক উদাহরন আমাদের মাঝেই বিদ্যমান।

    এবং আমাদের দরকার এমন একটা প্রতিষ্ঠান যেখানে সরকারি অর্থায়নে ধনী-গরীব সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে। এবং সেই প্রতিষ্ঠাণ থেকে বের হওয়া ছেলেরাই দেশের উন্নয়নে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেবে।

    আমি যতদুর জানতাম, ক্যাডেট কলেজে সকারি অর্থায়নেই ধনী-গরীব সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে এবং ক্যাডেটদের বেতন আমাদের সময় পিতার আয়ের উপরে নির্ধারন করা হত। এছাড়াও আমার মনে হয় ক্যাডেট কলেজে ধনী-গরীবের কোনরুপ ভেদাভেদ করা হয় না, অন্তত আমাদের সময় দেখিনি।

    [ জবাব দিন ]

      মাস্ফ্যু
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৪:৪০ অপরাহ্ন |

    এখন শুনছি বেতন নাকি ম্যালা বাড়ছে :(

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৭:১৪ অপরাহ্ন |

    বাজেট তেমন বাড়ানো হয়নি। সেনাবাহিনীর বাজেট একই থেকে গেছে সেই তুলনায় জিনিসপত্রের দাম ও চাহিদা বেড়েছে, শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো হয়েছে একই বাজেট থেকে। এইটুকু মনে হয় মেনে নিতেই হবে, আরো বাজেট বাড়াতে পারলে অবশ্যই অনেক অনেক ভাল হত, সুযোগ সুবিধা বাড়ানো যেত।
    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এভাবে যেতে থাকলে কতদিন স্ট্যান্ডার্ড ধরে রাখা সম্ভব হবে……??

    [ জবাব দিন ]

  14. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ৯:৫০ অপরাহ্ন |

    আর্মিমুখী শিক্ষার বর্তমান রূপ যে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে তার এটা উদাহরণ দেই। তবে ঘটনাটা বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়ণরত ক্যাডেটদের কাছে শোনা, কোন রেফারেন্স দিতে পারছি না বলে দু:ক্ষিত।

    ২০০৯ ICCLM এ DAG নাকি এমন ঘোষণা দিয়েছেন যে, SSC এর পরে ক্যডেটদের একটা PRE-ISSB হবে। সেখানে যারা ভাল করবে, তদের পরবর্তিতে আরও বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে।

    ব্লগে যারা বর্তমান ক্যাডেট আছে তারা হয়ত ব্যাপারটা জানবে। আমি শুনেছি BCC রায়হান (general knowledge competator in last ICCLM) এর কাছে।

    আর ক্যাডেট কলেজে আর্মিমুখী “নিয়মের দোহাই” এর ২টা উদাহরণ দেব আমর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দিয়ে।

    ১. লাইব্রেরির ব্যবহার এবং লোক দেখানো লাইব্রেরী ক্লাস: আমাদের সময়ে সপ্তাহে একটা লাইব্রেরী ক্লাস ছিল, মাত্র ৪০ মিনিট। এই সময়ে ক্যাডেটরা লাইব্রেরীতে যেতে পারবে। আমার কাছে ব্যাপারটা মনে হল এমন যে “৪০ মিনিটে লাইব্রেরীতে কি আর করা যায় … …” ক্লাস টুয়েলভে সিসিপি হওয়ার পরে আমি ব্যাক্তিগতভাবে প্রিন্সিপাল আর এডজুট্যান্ট স্যারকে ব্যাপারটা বোঝাতে চেষ্টা করলাম যে কোন ক্যাডেট যদি লাইব্রেরির রেফারেন্স বই ব্যবহার করে কিছু শিখতে চায়, জানতে চায়, তাহলে সপ্তাহে ৪০ মিনিট কিছুই নয়। প্রেপ টাইমে (সন্ধ্যার পড়াশুনার সময়) যদি লাইব্রেরী খোলা থাকলে এবং ক্যাডেটদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি থাকে, তাহলে ব্যাপারটা উৎসাহী ক্যাডেটদের জন্য ভাল হত। কিন্তু হাজারো নিয়ম-অনিয়মের দোহাই দিয়ে আমাকে বোঝানো হল যে, এতে অনেক ঝামেলা, অনেক সমস্যা, তাছাড়া কি দরকার অযথা ঝামেলা করার।

    মতামত: ক্যাডেট কলেজের প্রসপেক্টাসে বিশাল করে লেখা থাকে – এখানে রয়েছে …হাজার বই সম্বলিত আধুনিক লাইব্রেরী, কিন্তু হায়, থাকার জন্যই থাকা। আর ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে এমন অনেক জায়গায়ই শিক্ষা ততটা গুরুত্ব পায়নি। সপ্তাহে দুইদিন drill করাটা যেখানে আবশ্যক, সেখানে সপ্তাহে ৪০ মিনিটই লাইব্রেরিতে যাওয়া যথেষ্ট !!! !!!

    ২. কারেন্ট এফেয়ার্স ও কারেন্ট ওয়ার্ল্ড প্রসঙ্গ: কলেজে ক্লাস সেভেন, এইট কিংবা নাইনে অনেক ক্যাডেটই বাসায় চিঠিতে লিখত ” …এই মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স ও কারেন্ট ওয়ার্ল্ড কিনে পাঠিয়ে দিও … ” বাবা-মা ২০ টাকায় কেনা কারেন্ট এফেয়ার্স ও কারেন্ট ওয়ার্ল্ড পাঠাতো ৩০ টাকা পোস্ট-মাশুল খরচ করে, তাও পৌছাত মাসের ১০/১২ তারিখে। অথচ বরিশাল শহর থেকে প্রতিদিন হকার কলেজে পত্রিকা দিয়ে যেত সকাল ৮ টার মধ্যে। আমি প্রিন্সিপাল আর এডজুট্যান্ট স্যারকে ব্যাপারটা বোঝাতে চেষ্টা করলাম যে ক্যাডেটরা যদি সরাসরি হকারের কাছ থেকে এগুলো কিনতে পারত, তাহলে অযথা মাসের ১০/১২ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করা লাগত না আর বাবা-মায়ের ঝামেলাও কমত। কিন্তু “হাটু-বুদ্ধি” (কলেজের প্রচলিত ভাষা, কোন ব্যক্তি আক্রমন নয়) আমাকে শত সমস্যার যুক্তি দিল … … …

    এমন আরও অনেক ঘটনা আপনারা সবাই জানেন। তাই কথা বাড়াবো না। তবে আমর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, বর্তমান সময়ে ক্যাডেট কলেজ এবং এর প্রচলিত (তথাকথিত) নিয়ম একজন ক্যাডেটকে যেমন অনেক অল্প বয়সে পরিণত করে তোলে , তেমনি একটি শিশুর মাঝ থেকে এমন কিছু গুণকে কেড়ে নেয়, যেগুলো একজন মানুষের জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ১:০৭ পুর্বাহ্ন |

    প্রেপ টাইমে (সন্ধ্যার পড়াশুনার সময়) যদি লাইব্রেরী খোলা থাকলে এবং ক্যাডেটদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি থাকে, তাহলে ব্যাপারটা উৎসাহী ক্যাডেটদের জন্য ভাল হত।

    ২০০২-২০০৩ সালে কিন্তু জেসিসিতে এই নিয়ম ছিলো, প্রথম প্রেপে ক্যাডেটরা লাইব্রেরি ব্যবহার করতে পারতো।ভিপি রফিক নওশাদ স্যারের অন্য অনেক দোষ থাকলেও এই জিনিসটা তিনি চালু করেছিলেন-সেনা অথরিটি থেকেও মনেহয়না কোন বাধা এসেছিলো।এটা আমার মনে হয় ব্যক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করে- এজন্যে সরাসরি সেনা অথরিটিকে দোষ দেবার পক্ষে আমি নই।তবে সেনা অথরিটি যদি একটি সাধারণ নির্দেশনা হিসেবে এমনটি করে তাহলে চমৎকার হয়-আমার মনে হয় এটি করার মত লোক সেখানে আছেন।

    [ জবাব দিন ]

    আছিব (২০০০-২০০৬)
        ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১০ at ৩:৪৭ পুর্বাহ্ন |

    বস,আর সি সি তেও এই নিয়ম চালু ছিল।বিষু আসার পর বন্ধ কইরা দিছে x-(

    [ জবাব দিন ]

      iqbal hossain
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৩:৩২ অপরাহ্ন |

    হ্যাঁ, সব জায়গাতেই মেধা সংকট দেখা দিয়েছে।

    [ জবাব দিন ]

  15.   সোহেল(৮৫-৯১)
       ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ at ১১:২৪ অপরাহ্ন |

    তারিকের কিছু পয়েন্টের আলোচনা -

    ১) লাইব্রেরী ক্লাস সপ্তাহে একটাই ছিল আমাদের সময়েও। ক্যাডেট কলেজে লাইব্রেরী ক্লাসটা মুলত প্রতি সপ্তাহে যে কোনো ধরনের বই ইস্যু করার জন্য ও পত্রিকা পড়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। নিজের বই ছাড়াও অন্য সবার বইও ভাগাভাগি করে পড়ে নেয়া যায়। সেদিক বিবেচনায় লাইব্রেরীর ব্যবহার ঠিকভাবেই হয় বলতে হবে। তবে রেফারেন্স বই ইস্যু করা যেত না, যার জন্য লাইব্রেরীতে সময় কাটানো দরকার যেটা ক্যাডেটরা পর্যাপ্ত পায়না। প্রেপটাইমে লাইব্রেরী ব্যবহারের সুযোগ থাকলে সব ক্যাডেট যে রেফারেন্স বই নিয়ে রিসার্চ করার জন্য সেখানে যাবে তাতে আমি সন্দিহান। তবে ছুটির দিন লাইব্রেরী খোলা রাখা উচিত – যদিও তাতে লাইব্রেরীয়ানের বাড়তি ডিউটি থাকে (তাকে সেভাবে বেতন বাড়িয়ে দেয়া যেতে পারে)। এতে যারা লাইব্রেরীতে সময় কাটাতে ইচ্ছুক ও সিরিয়াস, তাদের উপকার হবে। এ রকমটা আমাদের সময়ে কিছুদিন ছিল প্রিন্সিপাল আবদুর রব ও মাসুদ হাসানের সময়ে। এটা সম্পুর্ণই প্রিন্সিপাল এর উপর নির্ভর করে। এটা কিন্তু HQ থেকেও নিয়ম করে দেয়া যেতে পারে। ছুটির দিনে যদি খেলাধুলা করা যায়, লাইব্রেরীও ব্যবহার করতে পারা উচিত।

    ২) HSC লেভেলে ক্যাডেট কলেজ কি পিছিয়ে? আমাদের সময়েও অনেকেই ছুটিতে প্রাইভেট পড়ত মুলত এগিয়ে থাকার জন্য। এখন আমি একটা বিষয় ভেবে দেখছি, যেটা কলেজে থাকাকালীন সেভাবে ভাবিনি। তা হল, আমরা যখন ক্লাস সেভেন থেকে টেন পড়েছি, ক্যাডেট কলেজের টিচারদের লেকচার শুনেছি, আমরা কিন্তু স্কুল টিচারদের নয় বরং প্রফেসরদের লেকচার শুনেছি। বাইরের কলেজে একাদশ, বিএ, এমএ পড়ানোর জন্য যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়, ক্যাডেট কলেজে তাদেরকেই নেয়া হয়, প্রফেসর (লেকচারার) হিসেবে (কারন এদেরকে সেভেন-টেন ছাড়াও এলেভেন-টুয়েল্ভ পড়াতে হয়)। সবাই এরা মাষ্টার্সে ভাল রেজাল্ট করা, এমন অনেককে দেখেছি যারা জয়েন করার কয়েক বছর পরে পাবলিক ভার্সিটিতে বা লোকাল কলেজে চলে গেছেন। সুতরাং আমি বলব, ক্যাডেটরা সেভেন থেকে টেন বাইরের যে কোনো স্কুলের চেয়ে অনেক ভাল ইনর্ষ্টাকশন পায়। এই অনেক ভালর ব্যবধান এলেভেন-টুয়েল্ভে কমে যায়, কারন এই লেভেলে বাইরের প্রফেসররাও অনেকেই ক্যাডেট কলেজের প্রফেসরদের মত একই ইন্টালেকচুয়াল লেভেলে। কিছু হয়ত এখানটাতে একটু এগিয়ে কারন তাদেরকে বিএ, এমএ পড়াতে হয়। তারিক হয়ত এই ব্যাপারটাই লক্ষ্য করেছে। এটা আমি বলবনা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষকদের বা কলেজের কোনো দোষ। আসলে এলেভেন-টুয়েল্ভ স্কুলেরই পার্ট (আমেরিকা, ইংল্যান্ড এ), কলেজ নয়। আমি শুনেছি এলেভেন-টুয়েল্ভকে স্কুলের সাথে টেনের পরে নিয়ে আসা হবে।

    ৩) আর্মিমূখী কলেজ নিয়ে পরে সময় করে লিখব।

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ২:২২ পুর্বাহ্ন |

    সোহেল ভাই, প্রথমেই অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে আমার বক্তব্যগুলোর উত্তর দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।

    প্রেপটাইমে লাইব্রেরী ব্যবহারের সুযোগ থাকলে সব ক্যাডেট যে রেফারেন্স বই নিয়ে রিসার্চ করার জন্য সেখানে যাবে তাতে আমি সন্দিহান।

    ভাইয়া, “লাইব্রেরী খোলা রাখা” মানে হচ্ছে তোমার জন্যে সুযোগ খোলা আছে। যেমন ধরেন, বিভিন্ন ভার্সিটিগুলোতে যে লাইব্রেরি খোলা থাকে, সেখানে সবাইতো (১০০%) আর লাইব্রেরিতে গিয়ে study করে না।

    এটা কিন্তু HQ থেকেও নিয়ম করে দেয়া যেতে পারে। ছুটির দিনে যদি খেলাধুলা করা যায়, লাইব্রেরীও ব্যবহার করতে পারা উচিত।

    হ্যা ভাই, এটাই আমার পয়েন্ট। এর মানে হচ্ছে, নীতি নির্ধারকেরা প্রতিদিন compulsory গেমস টাইম রাখার প্রয়োজন বোধ করেছেন, কিন্তু “লাইব্রেরি সুবিধা” (related to knowledge) পুরোপুরি নিশ্চিত করার বিষয়টি তাদের মাথাতেই আসেনি।

    তাই আমি বলতে চাচ্ছি, নীতির পরিবর্তন এবং আর্মিমুখী নির্দেশনার পরিবর্তন। অর্থাৎ ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে কিছুটা পরিবর্তন।

    আমাদের ব্যাচে একটা “অ্যাবনরমাল” (রূপকঅর্থে: আমার ধারণা ওর চিন্তাশক্তি আমাদের চেয়ে অনেক উচু লেভেলের ছিল) ছিল। ওর গেমস-টেমসে কোন আগ্রহছিল না। গেমস টাইমে সে মাটিতে physics এর কী সব সূত্র-টুত্র লিখত। সারাক্ষণ physics, physics, physics … অথচ তার জন্যে অত সুযোগ-সময় ছিল না। আবার আর একজন ছিল “ইংরেজি বিশারদ” : ইংলিশ লিটারেচারের জাহাজ। games time এ তাকে দেখতাম হাতে ছোট ছোট কাগজ (কোন ইংলিশ উপন্যাসের পৃ্ষ্ঠা) নিয়ে পড়ছে। কেন রে বাপু, এত কষ্ট করতে হবে কেন !!! শরীর সুস্থ রাখার জন্যে সকালের পিটিটার দরকার আছে মানলাম, প্রতিদিন একেবারে compulsory গেমস রাখার মানে কি ??? ১৩/১৪ বছরের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করতে চায়, ঠিক আছে; তাই বলে ৫০ জনের মধ্যে ৫০ জনেরই একেবারে প্রতিদিন খেলাধূলায়ই আগ্রহ থাকবে, তা হতে পারে না। বিকেলের সময়টায় উন্মুক্ত সুযোগ দাও, যার যে ক্ষেত্রে আগ্রহ সে সেই ক্ষেত্রে কাজে লাগাক। “সুশিক্ষিত মানুষ মাত্রই স্বশিক্ষিত।” কিন্তু ক্যাডেট কলেজ এ ব্যাপারে কতটা সুযোগ দিচ্ছে ? একাডেমি আওয়ারে ক্লাস ফলো করা আর রেগুলার প্রেপ টাইমে text book পড়লেই রেজাল্ট ভাল করা। এসবই নীতি নির্ধারকদের “নীতি”র ব্যাপার। তবে এটা ঠিক, ক্যাডেট কলেজের শত নিয়মের মাঝেও ক্যাডেটরা সবই করে। কিন্তু সব কিছু আমাকে করতে হবে চুরি করে, কেন রে ভাই !!! !!! শত নিয়মের বেড়াজালে কিশোর বয়সটার একেবারে ২৪টা ঘণ্টা বেধে দেয়ার কী দরকার ??? একটা কিশোর-কিশোরীর জন্য যেগুলো একান্তই দরকার (সকালে পিটি, ৮:০০-১৩:০০ ক্লাস আওয়ার ইত্যাদি) সেগুলো আবশ্যক করা হোক, তার জন্যে যেগুলো ক্ষতিকর সেগুলো নিষেধ করা হোক, তার মনের নিজস্ব বিকাশের জন্য রাখা হোক ব্যক্তিগত কিছু সময়। এরমক আরও আনেক বিষয় আছে যেসব ক্ষেত্রে নীতি-নির্ধারনের জন্য কেবলমাত্র “উচ্চ পদমর্যাদার কয়েকজন আর্মি আফিসারের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি ” যথেষ্ট নয়। কারণ তারা যে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তাদের কালচার (আর্মির internal protocol বা manner) তার সামজ্ঞস্য খুজে বেড়ান। আর তাইতো তারা শিক্ষকদের “শিক্ষাদান” এর চেয়ে “রাখালগিরি” (ক্যাডেট পিছনে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি)কে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

    এই অনেক ভালর ব্যবধান এলেভেন-টুয়েল্ভে কমে যায়, কারন এই লেভেলে বাইরের প্রফেসররাও অনেকেই ক্যাডেট কলেজের প্রফেসরদের মত একই ইন্টালেকচুয়াল লেভেলে।

    ভাইয়া, আপনার ধারণা অনেক উচু । অর্থাৎ আপনি এখনো ৮৫-৯১ ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ভাবছেন। আমার দেখা শেষ তিন বছরে যতজন নতুন টিচার নিয়োগ পেতে দেখেছি, তাদের ব্যাক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে কমেন্ট করতে চাই না। শুধু একটা ঘটনা বলি, একবার ক্যামেষ্ট্রি টিচার নেয়ার জন্যে বিজ্ঞত্তি দেয়া হল, একজন অনার্স First Classও ঐ পোস্টের জন্য apply করে নি। শেষ পর্যন্ত যাকে সিলেক্ট করা হয়েছিল সে এখন MGCC তে আছে। বিসিসির পোলাপান যারা তার ক্লাস করছে, তারা জানে … …

    ভাই, আমি অযথা কথা বাড়াচ্ছি এবং অলোচনাকে বোধ হয় তর্কে নিয়ে যাচ্ছি। আমার এতসব কথার স্বারমর্ম হচ্ছে, আর্মিমুখী নীতি বাদ দিয়ে এমন একটা শিক্ষা-ব্যবস্থা যেখানে সবার জন্যে সুযোগ থাকবে এবং যেখানে কোন বিশেষ পেশার কথা চিন্তা করে নয়, বরং “দেশপ্রেম আর মূল্যবোধ” এর কথা বিবেচনা করে পুরো সিস্টেমকে সাজানো হবে।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৪:০৯ পুর্বাহ্ন |

    শেষ লাইনের সাথে একমত,তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কম্পলসারি গেমস,পিটি এইগুলা বাদ দেওয়ার চিন্তা করাটাও বাতুলতা।আমার ছেলেমেয়েকে ক্যাডেট কলেজে দিলে আমি কখনোই চাইবোনা যে সে ননীর পুতুল হোক-তাই ওই বয়েসে খেলাধূলা এবং পিটি প্যারেড কম্পলসারি রাখার পক্ষেই আমার অবস্থান।যাদের ইংরেজি বা বিজ্ঞান ইত্যাদিতে আগ্রহ আছে একটা সময়ের পরে(কলেজ থেকে পাস করার পর) তা নিশ্চয়ই প্রস্ফূটিত হবে-আর সেইটা যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয় সেই খেয়াল কযাডেট কলেজের রাখতে হবে।কিন্তু তা করতে গিয়ে ক্যাডেটদের বেসিক গুনাবলীর একটা-অর্থাৎ শারীরিক পটুতা-এইটা স্যাক্রিফাইস করতে আমি কোনভাবেই রাজি না।আমার ছোটবোনের এক ক্লাসমেট আছে যে মোটা চশমা পড়ে,ইয়া বিশাল ভুড়ি বাগিয়েছে এই বয়েসেই- বুয়েট,আইবিএ সবগুলাতে চান্স পাইছে কিন্তু জীবনে ফুটবলে একটা লাথিও মারেনাই।নার্ডদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি(বিল গেটস বলেছেন,নার্ডদের প্রতি সম্মান দেখাও-এমন দিন আসতে পারে যে তোমাকে তাদের অধীনে কাজ করতে হবে), ১২ থেকে ১৮ বছর বয়েসেই আমার সন্তান ওরকম হোক আমি তা চাইনা।আমি আমার ছেলেমেয়েকে দেখতে চাব ফরিদ ভাইয়ের মত(ইচ্ছে করেই এই ব্লগের দুই একজনের উদাহরণ দিলাম না-উনারা লজ্জা পাবেন) যে কিনা সব কয়টা গেমস খেলবে,সব রকম সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করবে আবার একই সাথে বোর্ডে ফার্স্ট স্ট্যান্ডও করবে।”বুকওয়ার্ম” পয়দা করার জন্য ক্যাডেট কলেজ না-তার জন্য বাসায় ১৪টা গৃহশিক্ষক রেখে দেয়াই যথেষ্ট।

    আবারো বলি,ভুল বুইঝোনা।তোমার মূল বক্তবযের সাথে আমি পুরোপুরি একমত-যা পার্থক্য তা ছোটখাটো বিষয়গুল নিয়ে।

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৪:৩৬ পুর্বাহ্ন |

    কম্পলসারি গেমস,পিটি এইগুলা বাদ দেওয়ার চিন্তা করাটাও বাতুলতা

    শারীরিক সুস্থতার জন্য পিটি দরকার আছে এবং পিটির প্রধান উদ্দেশ্য “শারীরিক সাবলম্বীতা”। কিন্তু আমি just compulsory গেমস এর বিষয়ে আপত্তি করছি। কারণ খেলাধুলার প্রধান উদ্দেশ্য মানসিক বিনোদন (পাশাপাশি এটা শরীরকেও সুস্থ রাখে -এটা ঠিক), সবার মন কি খেলাধুলার মাঝেই বিনোদন খুজে পায় ??? বিষয়টা যখন “বিনোদন” , তখন কোন কিছু compulsory হওয়াটি কি ঠিক ??? মানুষের মন একেক সময়ে একেক জিনিসে বিনোদন খুঁজে পায়, কখনো খেলাধুলায়, কখনোবা বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিয়ে, কখনোবা সাহিত্যচর্চা করে … …
    [ভুল বুঝি নাই, আপনার বক্তব্যের সাথেও আমি একমত,”বুকওয়ার্ম” পয়দা করা গ্রহণযোগ্য নয়,শারীরিক পটুতা-ও স্যাক্রিফাইস করার প্রশ্নই ওঠে না।]

    [অফটপিক: ভাই, ঘুম দেন, কাল পরীক্ষা খুব ভাল হোক- এই প্রত্যাশা করি, best of luck ... ...]

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৬:৫৫ অপরাহ্ন |

    ক্যাডেট কলেজে আসলে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থ্যতার কথা চিন্তা করে না, এখানে চিন্তার ব্যাপ্তি আরো অনেক বেশি। তোমাকে মনে রাখতে হবে তুমি ক্যাডেট, তুমি সাধারন স্কুলের ছাত্র নও। আর গেমস টাইম উন্মুক্ত করে দিলেই ক্যাডেটদের আগ্রহের বিষয়ে তারা বেশি মনযোগ দিতে পারবে আমার মনে হয় সেই ধারনা ঠিক না। কারন এটাও মানসিকতা বিকাশের একটা অংশ। মনে কিছু কর না, ক্যাডেট কলেজ কাউকে চ্যাম্পিয়ন বানায় না, বানায় অলরাউন্ডার। কারো এই বিষয়ে আপত্তি থাকলে তার ক্যাডেট কলেজে না যাওয়ায় ভাল। আমার কাছে পিটি, গেমস, ড্রিল মানেই আর্মিমুখী শিক্ষা নয়, এটা একজন কিশোরের ব্যক্তিত্ব বিকাশে যথেষ্ট ভুমিকা রাখে। ক্যাডেট কলেজকে অন্যসব ভাল স্কুল-কলেজ থেকে আলাদা করে এই অলরাউন্ডার বানানোর বিষয়টিই।

    আমরা ছুটির দিনে লাইব্রেরিতে যেয়ে পড়াশুনার সু্যোগ পেয়েছি। এটা ব্যক্তি প্রশাসকের উপর নির্ভর করে।

    হ্যাঁ, আমি স্বীকার করি বর্তমান পেক্ষাপটে ক্যাডেট কলেজের নিয়ম কানুনে কিছুটা পরিবর্তন আনা জরুরী। কিছু ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে, শিক্ষকদের সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা উচিৎ। তবে আমি মনে করি না যে, আর্মিমূখী শিক্ষা চলবে না এই অযুহাতে ব্যাসিক কিছু জিনিসে (পিটি, ড্রিল, গেমস, সিনিয়ন-জুনিয়ন রিলেশন ইত্যাদি) পরিবর্তন আনা উচিৎ। তাহলে আমরা তাকে ক্যাডেট কলেজ বলতে পারবো না। অন্য কোন নাম দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে পুনর্জীবিত করতে হবে।

    [ জবাব দিন ]

    মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৭:২৫ অপরাহ্ন |

    আমার কথাগুলো আরো ভালভাবে বলে দিলেন।

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৯:২৩ অপরাহ্ন |

    তাহলে মিস্টি খাওয়া… :guitar: :party:

    [ জবাব দিন ]

  16. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)
       ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ১:০০ পুর্বাহ্ন |

    এই বিতর্কের অবতারনা করার জন্য ব্লগটা আরো বেশি কার্যোকরি হলো বলেই আমার ধারনা। ৫০ বছর আগের থেকে আমাদের সমাজ, সমস্যা, জনসংখ্যা, মূল্যবোধ, সামর্থ, দিকনির্দেশনা, অনেক কিছুই বদলে গেছে। অধিক উপযোগী পরিবর্তন নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।

    অফটপিকঃ সানা ভাই, আমার লেখাটা দি্যে দিচ্ছি।

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৭:১৭ অপরাহ্ন |

    ৫০ বছর আগের থেকে আমাদের সমাজ, সমস্যা, জনসংখ্যা, মূল্যবোধ, সামর্থ, দিকনির্দেশনা, অনেক কিছুই বদলে গেছে। অধিক উপযোগী পরিবর্তন নিয়ে ভাবার সময় এসেছে।

    :thumbup: সহমত

    [ জবাব দিন ]

  17. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ৭:৪৫ অপরাহ্ন |

    ভালো লাগছে, চমৎকার আলোচনা-বিতর্ক হচ্ছে। প্রতিদিনই পড়ছি। আশা করি এটা অব্যাহত থাকবে। আর একটা বিষয় কি আলোচনায় আসতে পারে? প্রতিটি ক্যাডেট কলেজে কিছু অবকাঠামো বাড়িয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়ানো যায় কি? এখন আছে গড়ে ৩০০ করে। এটা ৫০০ করা যেতে পারে।

    আর একটা বিষয়, যেখানে যেখানে জায়গা বেশি আছে, অর্থাৎ যেসব কলেজের আয়তন ১০০ একরের বেশি, সেখানে কি পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার কোনো বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান বা গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়?

    [ জবাব দিন ]

  18. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       ফেব্রুয়ারি ২, ২০১০ at ১০:০২ অপরাহ্ন |

    @ মেহেদী হাসান ভাই,

    আর গেমস টাইম উন্মুক্ত করে দিলেই ক্যাডেটদের আগ্রহের বিষয়ে তারা বেশি মনযোগ দিতে পারবে আমার মনে হয় সেই ধারনা ঠিক না।

    ভাইয়া, আমিতো তর্ক-বিতর্কে যেতে চাই না [আপনি তর্ক করছেন- এমনটা বলছি না।]। বরং কী করলে “ক্যাডেটদের আগ্রহের বিষয়ে তারা বেশি মনযোগ দিতে পারবে” এ ব্যাপারে আপনার (মানে ব্লগাররা নিজ নিজ) মতামত জানতে চাই। মানে, এই পোস্টে ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে কী ধরনের প্রয়োজন আনলে তা দেশের এবং ক্যাডেটদের উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারে, সেই ব্যাপারে সবার নিজস্ব চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে চাই। তবে এখানে মতামত – পাল্টা মতামত অবশ্যই আসবে। তবে পাল্টা-মতামতের পাশাপাশি ঐ বিষয়ে আপনার মতামতটাও জানালে ভাল হয়।

    তোমাকে মনে রাখতে হবে তুমি ক্যাডেট, তুমি সাধারন স্কুলের ছাত্র নও। … … কারো এই বিষয়ে আপত্তি থাকলে তার ক্যাডেট কলেজে না যাওয়ায় ভাল। … তাহলে আমরা তাকে ক্যাডেট কলেজ বলতে পারবো না। অন্য কোন নাম দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে পুনর্জীবিত করতে হবে।

    ভাইয়া, শাব্দিক অর্থে ক্যাডেট বলতে যা বোঝায় (A cadet is a trainee officer in the military, a junior branch of an important family, or simply a person who is a junior trainee.) এখানটাতেই তো আমার আপত্তি্। আমি বলতে চাইছি, ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমে এমন কিছু পরিবর্তন আসুক যাতে ক্যাডেটদের (মানে ঐ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষানবীষদের) লক্ষ্য থাকে আদর্শ ছাত্র (ছাত্র বলতে বুকওয়ার্ম নয়, ছোটবেলায় পড়া ছাত্রজীবন রচনার আদর্শ ছাত্র) হওয়া এবং প্রতিষ্ঠানেরও লক্ষ্য থাকবে cadet নয়, বরং একজন কিশোরকে আদর্শ তরুনে পরিনত করা। আমাদের (ক্যাডেটদের) যে সকল গুণ সাধারণ স্কুল-কলেজের ছাত্রদের থাকে আমাদের আলাদা রাখে, সেগুলো হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা, বিচক্ষণতা, শারীরিক পটুতা ইত্যাদি এবং একজন ছাত্রকে তখনই আদর্শ ছাত্র বলা যেতে পারে যখন পড়াশুনার পাশাপাশি তার এসকল গুণও থাকবে (ছোটবেলায় ছাত্রজীবন রচনা পড়ে এটাই জেনেছি যে ছাত্র মানে শুধু বই পড়া নয়।)। আর একজন আদর্শ ছাত্র যদি পরবর্তিতে আর্মিতে যোগদানের মাধ্যমে দেশের সেবা করতে চায়, তাহলে তাকে ক্যাডেট বানানোর দায়িত্ব নেয়ার জন্য Military Academy তো আছেই।
    “ক্যাডেট কলেজ” নামের প্রসংগ নিয়ে আমার মতামত হচ্ছে, নামে কী আসে যায়; লক্ষ্য বাস্তবায়ন, উদ্দেশ্য সাধন আর উন্নয়নটাই আসল। … … তাতে ক্যাডেট কলেজ “ক্যাডেট কলেজ” নামে থাকুক কিংবা এর নাম পরিবর্তন হোক, আর্মি দ্বারা পরিচালিত হোক কিংবা না হোক- তাতে আমার কোন আপত্তি নেই।

    ভাইয়া, আপনার সাথে স্বত:ফূর্ত আলোচনায় খুব মজা পাচ্ছি, তবে কোনকিছুতে কষ্ট পেলে বা মতের অমিল হলে ভুল বুঝবেন না। আশা করি, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    @মাস্ফু ভাই:

    অতিরিক্ত “আর্মি হঠাও” মনোভাবের ফলে ক্যাডেটদের বেসিক গুনগুলো যাতে হারায়ে না যায় এইটা খেয়াল রাখতে হবে।

    ভাই ১০০% একমত এবং পরিবর্তন আনতে হলে খুব সতর্কতার সাথে এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। কিন্তু ভাইয়া, আমার কথা হচ্ছে, যে সকল গুণাবলি/জ্ঞান military academy (BMA) তে গিয়ে নিলেও সে ক্যডেট হতে পারবে (যেমন: আপনার দেয়া উদাহরণ: প্রশ্নাতীত আনুগত্য ইত্যাদি ) সেগুলো military academy’র জন্য রাখা হোক। ক্লাস সেভেন-টুয়েলভেই এগুলো শেখানোর উপর জোর দেয়ার দরকার নেই । বরং অন্যান্য বিষয়গুলোতে নজর দেয়া জরুরী।

    @ সানাউল্লাহ ভাই:
    প্রস্তাবটা খুবই মনে ধরেছে। সরকারি অর্থায়নে উচ্চশিক্ষার সুযোগকে আরও একটু এগিয়ে নিতে এটা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে। ভাই, আপনাদের কাছ থেকে কিছু কমেন্ট আশা করি। আমি ৭০/৮০ দশকের ক্যাডেট কলেজ এবং বর্তমান সময়ের ক্যাডেট কলেজ- এ দুয়ের মাঝে ব্যবাধানগুলো নিয়ে জানতে খুব আগ্রহী।

    আলোচনার মাঠে অন্যরা নাই কেন ? খালি আমরা কয়েকজনই কমেন্ট চালাচালি করছি !!!

    [ জবাব দিন ]

        ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৫:১৬ পুর্বাহ্ন |

    এতে বেশির ভাগ ক্যডেটই ডিফেন্সে জ়েতে আগ্রহী হয়।
    মাশ্রুফ ভাই, আমি দুঃখিত এখানে বেশির ভাগ না হয়ে অনেক হবে, অনেক ব্যপারটা সময়ের উপর নির্ভর করে।আমার ক্লাস এর ২৯ জন ডিফেন্সে তাই বলতে একটু ভুল হয়ে গেছে। আর আমি বলতে চাই ডিফেন্সের বাইরে আরো বেশি দেশপ্রেমিক মানুষ আছে। আমার লেখা কোন ভুল অর্থ বোঝালে আমি দুঃখিত।

    আমি চাই ক্যাডেট কলেজগুলোতে সেই সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্যে এর সিস্টেমে যুগোপযোগী এবং দেশের চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তন আসুক তাতে ক্যাডেট কলেজ “ক্যাডেট কলেজ” নামে থাকুক কিংবা এর নাম পরিবর্তন হোক, আর্মি দ্বারা পরিচালিত হোক কিংবা না হোক- তাতে আমার কোন আপত্তি নেই।

    তারিক ভাই কিছু মনে কোরনা। তোমার এই কমেন্টা পরার পর থেকে তোমার এখানকার আর সব কমেন্ট অপ্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে। ক্যাডেট কলেজ এর নাম যদি আর ক্যাডেট কলেজ না থাকে, এটা যদি ডিফেন্সের দারা পরিচালিত না হয় তাহলে তোমার এখানে কমেন্ট না করে নতুন কোন সিস্টেম নিয়ে পোস্ট দাও। বরং মাস্রুফ ভাই এর মত এসব ঠিক রেখে কিভাবে এটাকে উন্নত করা যায় তা নিয়ে কিছু বলার থাকলে কমেন্ট দিলে ভালো হয়।তারপরও বলি, তোমার অ্যাবনরমাল বন্ধু যদি গেমস এ না যায় তাহলে সে একজন ভাল ছাত্র হতে পারে কিন্তু কখনো একজন অলরাউন্ডার হবে না। ভাল ছাত্র বানানোর জন্য দেশে অনেক কলেজ আছে। একজন শুধু ভাল ছাত্র থেকে একজন ক্যাডেট এই কারনেই আলাদা।তুমি দেশের জেলা শহর গুলার কলেজগুলোকে টারগেট করতে পারো ওখানে আরো বেশি ছাত্র পরে। কিন্তু ক্যাডেট কলেজ আমি চাই ক্যাডেট কলেজই থাকুক। তুমি যদি শুধু বুয়েট এই দেখ, কারা লেখাপড়ার পাশাপাশি হলগুলোকে খেলাধুলায় নেতৃত্য দেয়। এবং আমার বুয়েট এ পড়া দুই মেধাবী ক্লাসমেট এর কেউ কিন্তু প্রথমে গেমস করতে চাইত না। এখন দেখ দুইজন অসাধারন বাস্কেটবল আর ফুটবল প্লেয়ার। তোমার কল্পনার কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটা দিতে পারবে বলে তো অন্তত তোমার লেখা থেকে মনে হয় না।

    আর পারি না। বাংলা লেখা বহুত পাঙ্গা। ~x(

    [ জবাব দিন ]

    মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
        ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৫:৪৯ পুর্বাহ্ন |

    আদিব ভাই, আপনি আমার মূল বক্তব্য হয়ত বুঝতে পারনেনি কিংবা আমি আপনাকে বোঝাতে পারিনি। আমি কেবলমাত্র বই পড়া ভাল ছাত্রের পক্ষে নই। আমার সবগুলো কমেন্ট হয়ত আপনি খেয়াল করেননি। আমি যে ধরনের পরিবর্তনের কথা বলছি তাতে বর্তমান ক্যাডেট কলেজে প্রচলিত সবগুলো ভাল দিক বজায় রেখে তবেই পরিবর্তনের কথা বলছি। ভাই একটু কষ্ট করে শান্তাপুর এই লেখাটা পড়ে দেখবেন কি । তাহলে হয়ত আমার কথাগুলো বুঝতে সুবিধা হবে। তবে ভাইয়া একটা কথা বলি, আমার কথাগুলো বুঝতে হলে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করুন। অর্থাত আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, এখানে প্রতিরক্ষা ব্যায়, শিক্ষা খাতে ব্যায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে প্রতিররক্ষা ও শিক্ষার মধ্যে আপেক্ষিক গুরুত্ব, ক্যাডেট কলেজের আর্মিমুখী শিক্ষার গুরুত্ব ইত্যাদি বিষয়গুলো যদি মাথায় রাখেন, তাহলে ভাল হত। আর ভাইয়া একটা প্রশ্ন , আমি যে ধরনের আদর্শ ছাত্রের কথা বললাম, তার মধ্যে এমন কোন গুণ নেই যেটা ক্যাডেটদের মধ্যে থাকে ???
    তবে ভাই, আগেই বলে রাখি, কোন রূপ তর্কে জড়াতে চাই না, just একটা গঠনমূলক আলোচনা চাই। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া ।

    [ জবাব দিন ]

        ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ২:০৬ অপরাহ্ন |

    তারিক তুমি আবারো বিষয় থেকে সরে যাচ্ছ। তোমরা যা নিয়ে কথা বলছ সেটা একটা রেসিডিন্সিয়াল মডেল স্কুল বা কলেজ হবে কিন্তু কখনই একটা ক্যাডেট কলেজ হবে না। ওরকম স্কুল বানাও তা দেশের জন্য লাভের হবে। কিন্তু ক্যাডেট কলেজ গুলকে ওরকম করতে চাইলে মনে হয় এই ব্লগ এর কেউ রাজি হবে না আমিতো নাই।তোমার আদর্শ ছাত্রের নেতৃত্য এবং ফিল্ড এ তার পারফরমান্সে আমার যথেস্ট সন্ধেহ আছে।

    [ জবাব দিন ]

  19. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)
       ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৫:৫৬ পুর্বাহ্ন |

    আদীব ভাই,
    শান্তাপুর ঐ পোস্টে সাইফুদ্দাহার শহীদ ভাইয়ের কমেন্টটাও খেঢাল করেন, উনি অনেক সংক্ষেপে অনেক মূল্যবান কিছু দিক তুলে ধরেছেন।

    [ জবাব দিন ]

  20. বন্য (৯৯-০৫)
       ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৯:০২ পুর্বাহ্ন |

    ১.আমিন ভাই ও সোহেল ভাইর কমেন্ট ভাল্লাগসে
    ২.তারিক বক্তব্য ভালো লাগল না।ক্যাডেট কলেজে সারাক্ষন ডিফেন্স ডিফেন্স রব উঠে এমন তো দেখলাম না কখনো। যেই রুটিনটা আমরা মেনটেইন করি এইটা কোন আহামরি আর্মিটাইপ রুটিন না…স্ট্যান্ডার্ড রুটিনই বলা যায়।প্লাস ক্যাডেট কলেজে একস্ট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজ এর ও প্রচুর গুরুত্ব এবং এই জিনিসটা কিন্তু রিয়েল লাইফে হিউজ ইমপর্টেন্স বহন করে ।আর কলেজে একটা জিনিস করতে হইলে ৩০০ জনের জন্য সামগ্রিক ভাবে যেইটা ভাল সেইটাই করতে হবে..শুধু ৩০-৪০ জনের জন্য ব্যবস্হা করা যায়না…
    hsc লেভেলে শিক্ষ্যার মান অনেক নিচে??পোলাপাইন বাসায় প্রাইভেট পড়া ছাড়া গতি নাই??শুন.জুবায়ের(আমাদের সময় যে বুয়েটে ফার্ষ্ট) কখনও প্রাইভেট পড়েনাই…ও আইসিসি এলএমে GK তে ফার্ষ্ট..কই ওরে তো কখনও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স কবে আসে না আসে এইগুলা নিয়া ভাবতে দেখি নাই(infact ওর জন্য আসতও না)…
    খেয়াল করে দেখবা…রেগুলারিটি মেনটেইন করলে প্রতিদিন তিনঘন্টা পড়াও কিন্তু কম না…আর যতদিন কলেজে বস বস ফ্রেন্ডরা আসে…ততদিন কলেজে শিক্ষকদের মান যাই হোক..ক্যাডেটদের পড়াশোনার মান খারাপ হবেনা…

    ৩. কলেজ কিংবা ক্যাডেটের সংখ্যা বাড়ানো উচিত নয় বলেই মনে করি।কোয়ালিটি ফল করবে নিশ্চিত ।
    ৪.বেতন এখন আসলেই অতিরিক্ত।আগের মত সামনেও সব শ্রেনীর পোলাপাইন সুযোগ পাবে কিনা সন্দেহ আসে।

    তাড়াহুড়া কমেন্ট।সব জট পাকাই আসে..পরে সময় করে বলার আসা রাখি

    [ জবাব দিন ]

    এহসান (৮৯-৯৫)
        ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৯:১৮ পুর্বাহ্ন |

    বন্যর কমেন্ট ভালো লাগসে।
    তারিক, তুমি অনেক লম্বা করে যুক্তি দেখাও। সোহেল ভাই এর মতো বুলেট পয়েন্ট কিংবা নাম্বারিং করে মূল কথা বললে ভালো লাগতো।
    সানা ভাই, ধন্যবাদ পোস্টের জন্য। ভালো লাগছে, চমৎকার আলোচনা-বিতর্ক হচ্ছে।

    [ জবাব দিন ]

    মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)
        ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০ at ৫:০২ অপরাহ্ন |

    এহসান ভাই, অনেকদিন পরে আসলেন মনে হয়, কেমন আছেন…??
    বন্য, তোমার মন্তব্যের সাথে একমত।

    এখন বেশি সময় হাতে নেই, পরে বাকীটা বলব।

    [ জবাব দিন ]

  21. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
       ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১০ at ৫:৩৭ অপরাহ্ন |

    আদীব, তারিক : তোমরা বিতর্কটা ক্যাডেট কলেজ নাম থাকা না থাকায় নিয়ে যাচ্ছো কেন? প্রত্যেকেরই তার মত দেওয়ার অধিকার আছে। আমরা আলোচনা করলেই ক্যাডেট কলেজ থাকবে বা উঠে যাবে না। আসলে গত ৫০ বছরে আমাদের অর্জন কি, আগামী ৫০ বছরে লক্ষ্য কি, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো গলদ আছে কিনা, এর কোনো পরিবর্তন প্রয়ো্জন কিনা- আলোচনা এভাবে এগুলে ইতিবাচক দিকগুলো বেরিয়ে আসবে।

    কেউ মনে করতেই পারে, এখন যেভাবে আছে সেটাই ঠিক। পরিবর্তনের প্রয়োজন নাই।

    আবার কেউ ভাবতে পারে এর খোল-নলচে বদলে ফেলা দরকার। নাম শুদ্ধো।

    কোনো ভাবনাতেই সমস্যা নেই। খালি আবেগ না, প্রত্যেকের কথায় যুক্তি থাকলেই হলো। সময়ের সঙ্গে কিভাবে ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা থেকে সর্বোচ্চ সুফল বের করে আনা যায়- সেটা আলোচনার কেন্দ্রে থাকলেই হলো।

    [ জবাব দিন ]

        ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০ at ৪:৩৬ পুর্বাহ্ন |

    সরি সানা ভাই আমি বুঝতেসি সবাই দেশের উন্নতি চায় । কিন্তু কি কারনে এই ক্যাডেত কলেজ কে পরিবর্তন করতে হবে বা মাত্র ১২টা ক্যাডেট কলেজ পরিবর্তন করলেই দেশের হঠাৎ কি পরিবর্তন হবে তাই আমার কাছে স্পস্ট না। তারপরও আমার মনে হয় নিছক যুগোপযুগি করতে এরকম একটা প্রুভড সিস্টেম পরিবর্তন করার দরকার নাই। তারপরো কেউ যদি বলে দেশে সম্পদের অভাব, ক্যাডেট কলেজ বেসিক এর সিস্টেম পরিবর্তন করে, এর নাম পালটিয়ে, একে সাধারন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ পরিনত করে আমজনতার উপযোগি করলে দেশের বেশি লাভ হবে, তাহলে আমি ওই একি খরচে কমপক্ষে ৫০০ সেক্টর দেখাতে পারি যা পরিবর্তন করলে দেশের আরো অনেক বেশি লাভ হবে। এখানে অন্তত কোন আবেগ নেই পুরোটাই অংক।

    [ জবাব দিন ]

    সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
        ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০ at ৯:২৩ অপরাহ্ন |

    আদীব, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য যেমন কারণ দেখানো যাবে, তেমনি পরিবর্তন না করার জন্যও যুক্তি তুলে ধরা যাবে। এখানে সবাই খোলামনে মতামত দেবেন এমনটাই আশা করি। এটাকে পরিবর্তন করতেই হবে বা করা একেবারেই যাবে না- এমন কোনো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা কেউ বসে নেই। তবে একটা বিষয় সবাইকে ভাবতে হবে, ক্যাডেট কলেজ শিক্ষার মূল ফোকাসটা একন পরিবর্তন হয়ে গেছে। ক্যাডেট কলেজ আর ভবিষ্যত সামরিক কর্মকর্তা তৈরির প্রজনন ক্ষেত্র নেই। এটাই বাস্তব।

    [ জবাব দিন ]

  22. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০ at ৭:১৫ অপরাহ্ন |

    আমার মনে হয় ক্যাডেট কলেজ নিয়ে পরিপূর্ন মন্তব্য করার মত সময় এখনো আসেনি, ক্যাডেট কলেজের পঞ্চাশ পূর্তি হয়েছে ঠিকই, আর তা ফৌজদারহাটের। আশির দশকে অনেক গুলো কলেজ হয়েছে, যাদের এক্স-ক্যাডেট রা এখনো মেইন স্ট্রীমে সেই অর্থে অবদান রাখা শুরু করেনি।

    আরও বিশ বছর পরে এটা নিয়ে ডিবেট করতে পারবো আমি।

    [ জবাব দিন ]

    সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
        ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১০ at ৭:৪৮ অপরাহ্ন |

    ধন্যবাদ ফয়েজ। এটাও একটা মত হতে পারে।

    [ জবাব দিন ]

  23. খালেদ (১৯৯২-১৯৯৮)
       ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১০ at ৪:৫৩ পুর্বাহ্ন |

    লেট করে কমেন্ট দিতে আসায় লাভ হইছে। ফয়েজ ভাইয়ের কমেন্টটা পছন্দ হইছে।

    যখন ক্যাডেট কলেজে ছিলাম, অনেক কিছুকে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি মনে হত। কিন্তু বিএমএ বা বাফা-তে রগড়া খাইয়া বুঝতে পারছি ওইগুলা ছিলো মুভির ট্রেইলার। আমি নিশ্চিত, আমার মত যারা ডিফেন্সে আছে তারা কেউ কিন্তু ক্যাডেট কলেজে বাড়াবাড়ি হয় সেটা মনে করতে পারবেনা।

    বাড়াবাড়ির ফল যে ভালো হয় না তা আমাদের সিলেট ক্যাডেট কলেজের হারিয়ে যাওয়া দুই ছোট ভাই তাদের জীবন দিয়ে দেখিয়ে গেছে।

    ক্যাডেট কলেজ বাড়ানোর কথা উঠে শুধু কোন ক্যাডেট কলেজের কোন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে। এটা নিয়ে বাকিরা ভাবেও না। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, এটা যে কারনে প্রতিষ্ঠিত সেটা পুরন করাই যথেষ্ট। বাড়ানোর দরকার নাই।

    অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমাদের দেশে লীডারশীপ নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা একমাত্র মিলিটারিতেই দেয়া হয়। অথচ কিছু সিভিল প্রতিষ্ঠানেও লীডারশীপ শিক্ষা চালু করা যেতে পারে, যারা আমাদের দেশের যোগ্য নেতৃত্বের অভাব পুরন করতে পারবে। তাই ক্যাডেট কলেজকে পরিবর্তন না করে বরং তার থেকে কিছু ভালো দিক নিয়ে অধিকতর কার্যোপযোগী করে কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা উচিত সরকারী সহায়তায়। যাতে সারাদেশের ধনী-গরীব নির্বিশেষে যোগ্য ছেলে মেয়েদের প্রশিক্ষিত নেতা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

    সেসব প্রতিষ্ঠানের গঠনেও কিন্তু দেখবেন প্রাক্তন ক্যাডেটরা ঢুকে যাবে। যাদের গা জ্বলে তারা তখনো জ্বলবে। :)

    [ জবাব দিন ]

  24. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
       এপ্রিল ২৮, ২০১২ at ৫:৩১ পুর্বাহ্ন |

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard