তোর মিষ্টি ডাকে ভেঙ্গে গেল ঘুম
সোহাগ দিয়ে আদর করে কপোলে দিয়ে চুম-
বললি, “মাগো নাইবা গেলাম স্কুল”,
“ক’রনা এমন ভুল!
বড় তোমায় হতেই হবে…
ইসকুলটা কামাই দিলে
তুমি খানিক পিছিয়ে যাবে।”
জেদ ধরলে তুমি
দিলাম কষে চড়!
ভাবলে বুঝি আম্মুটা আজ হয়েই গেল পর।
লক্ষী,মানিক,সোনা আমার বুঝিস্ নে ভুল তুই
কথায় কথায় ঠোঁট ফুলালে আমি যে যাই কই!
আজ বয়স হল তোর সাত, শুভ জন্মদিন!
জীবনে যেন এগিয়ে যাস পংকিলতাহীন।
তোকে ঘিরে সব স্বপ্ন আমার, ভাবি বসে দিবারাত-
অশ্রুকনায় শুকরিয়া করি হাত তুলে মোনাজাত।



(৮ভোট, ৪.৫০/ ৫)
১৯ টি মন্তব্য
শুভ জন্মদিন রাযীন। অনেক বড় মানুষ হও তুমি।
আপু, আপনার দুই ছানাই অনেক কিউট।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ তানভীর তোমার ভাগ্নেদের উইশ করার জন্য! তুমি প্রথম মন্তব্য করলে, আমি ভালো চা বানাতে পারিনা, নইলে খাওয়াতাম!
[ জবাব দিন ]
আমার মেয়েটার সাথে দিনে কয়বার যে এই রকম মান আভিমানের খেলা চলে আমার, কোনো হিসেব নেই।
শুভ জন্মদিন রাযীন। অন্যটার নাম কি আয়েশা????
[ জবাব দিন ]
জী ভাইয়া, অন্যটা হলো সামীন… আপনার মেয়ের সাথে মান অভিমানের গল্পগুলো লিখে ফেলুন– পড়তে খুব ভালো লাগবে।
[ জবাব দিন ]
শুভ জন্মদিন রাযীন।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ রবিন।
কে যেন পাঁচ এ তিন রেটিং করে গেছে!

কিন্তু আজ আসলে ওর জন্মদিন না। লিখাটা অবশ্য ওর জন্মদিনেই লিখেছিলাম। আমার অতি আহ্লাদী বাচ্চাটা জন্মদিনে স্কুল যেতে চাইছিলনা, ওকে থাপ্পর দিয়ে স্কুলে পাঠিয়েছিলাম। ওকে স্কুলে ড্রপ করে দিয়ে এসে আমার এত খারাপ লাগছিল যে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছিল….ঠিক তখনিই লিখাটা লিখে ফেললাম।এটা কোনো কবিতা লিখার জন্য লিখিনি,সম্পূর্ণই আমার মনের কথা।কবিতা টা যেদিন ফেসবুকে দিয়েছিলাম সেদিন বিকেলে এক ভাবি আমার কবিতাটা পড়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে কাঁদতে কাঁদতে রিং দিল;(তারও দুটো ছেলেমেয়ে আছে) বাচ্চার ভালোর জন্য সেও বাচ্চার প্রতি মাঝে মাঝে অনেক কঠোর হয়ে যায় ব’লে সে জানায়।তাই ভাবলাম লিখাটা বুঝি মন্দ হয়নি, সিসিবি তে পাঠিয়ে দেই। কিন্তু এখন দেখছি ভরাডুবি হয়েছে আমার…..!
[ জবাব দিন ]
সিনা, কবিতা সম্পর্কে এফবি তে আগেই কমেন্ট করেছিলাম, আবারো করছি, শ্বাশত বাঙ্গালী মা।
[ জবাব দিন ]
সন্তান কে নিয়ে লেখা আমার পড়া সেরা লেখাগুলোর মধ্যে একটি।
[ জবাব দিন ]
বাহ, দারুন ।
অনেক মমতা নিয়ে লিখেছেন সেটা কিছুটা বুঝতে পারছি।
মামা-দুইটাই হেভি হ্যান্ডসাম। অনেক আদর।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ!
[ জবাব দিন ]
কি আর এমন হইত একদিন স্কুলে না গেলে?

সিসিবির প্রিন্সিপ্যাল স্যাররে দিয়া আপনারে পাঙ্গানোর ব্যবস্থা করতে হইব…
জোক্স এপার্ট-কবিতাটা খুব ভাল লাগল…

রাযীন, সামীনের জন্য অনেক অনেক আদর…
[ জবাব দিন ]
এত্ত বড় স্পর্ধা! সিনিয়ারের নামে প্রিন্সিপাল সারের কান ভরবা? তুমি এক্ষুনি আমার dorm এ আস, খবর আছে তোমার!

….যাও আজকের মত ক্ষেমা দিলাম।
আচ্ছা থাক……… মনটা এখন একটু শান্তি পাচ্ছে,
আমার গড় রেটিং টা ভালো হইসে এখন
[ জবাব দিন ]
আমারেও সাথে নিস, সিনা
ইসসসস…। কত্ত দি যে জুনিয়ার পাঙ্গাই না
[ জবাব দিন ]
শোন, তোকে একটা মজার অভিজ্ঞতার কথা বলি, ১৯৯৫ সালে ঢাকায় হঠাৎ করে এক মেয়ের সাথে আমার দেখা হয়ে যায়।কলেজফেরত মেয়েটি ছিল লাল হাউসের এবং আমাদের ঠিক এক ব্যাচ জুনিয়র।মেয়েটি প্রথম সাতদিন কলেজ থাকার পর দ্বিতীয়বার আর কলেজ ফেরত যায়নি, ওর সাথে চখাচখি হলে আমি মিষ্টি হেসে জিগ্গেস করলাম, “আরেহ তুমি X না ?”
মেয়েটি বলল, “হুম”। আমি ফের ভদ্রতার খাতিরে বললাম, “কেমন আছ তুমি?” মেয়েটি আমাকে পুরো হতভম্ব করে দিয়ে মুখ ভেংচি কাটল
[ জবাব দিন ]
চমৎকার!
কবিতার ভেতরের অনুভূতিটা ধরা গেল খুব সহজেই…
[ জবাব দিন ]
রাজীন, সামীনের জন্য আদর। ওরা অনেক বড় হোক। মায়ের স্বপ্ন নিশ্চয়ই ওরা পূরণ করবে।
ভালো থেকো আয়েশা।
[ জবাব দিন ]
তোমার অনুভূতিটা ভেতরে ধারন করতে পারলাম। খুব ভালো থাকুক ওরা।
[ জবাব দিন ]
ধন্যবাদ লাবলু ভাই ও ওয়াহিদা আপু। আমার এই লিখাটা আপনাদের মত গুণী মানুষরা পড়েছেন, এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।
[ জবাব দিন ]
রাজীন বাবা আর সামীন মামনি’র জন্য অনেক আদর। ইনশাল্লাহ তারা আপনার স্বপ্ন পূরণ করবে।
আপনার মত মা পেয়ে তারা খুব লাকী।
[ জবাব দিন ]