বলের বদলে গ্রেনেড (৩য় পর্ব)

১ম পর্ব
২য় পর্ব

৪।

পরদিন সকাল বেলা।
ওয়ার্ম আপ শেষে সবাই মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। সুনীলদা অনিককে ডেকে বললেন,
-এখন থেকে তুই পয়েন্টে ফিল্ডিং করবি। শুধু প্র্যাকটিসের সময় নয়, ম্যাচের সময়েও।
-কেন, সুনীলদা?
-পয়েন্ট এবং গালি’তে দলের সবচেয়ে ভাল ফিল্ডারকে থাককে হয়। শার্প ক্যাচের ব্যাপারটি তো আছেই, বিপক্ষ দলের ব্যাটসম্যান রান চুরি করতে চাইলে রান আউটের সুযোগ পাওয়া যায়।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (২য় পর্ব)

বলের বদলে গ্রেনেড (১ম পর্ব)

২।

কড়া নাড়ার পর চাচা নিজেই দরজা খুলে দিলেন।
-আরে, ডন ব্রাম্মান যে! সব খবর ভাল তো?

সুনীলদা এবং চাচা দুজনেই একসাথে হেসে উঠলেন। চাচা কেন সুনীলদাকে ‘ডন ব্রাম্মান’ বলে ডাকে তা কয়েকবার জিজ্ঞাসা করতে গিয়েও অনিক সাহস পায় নি। নিশ্চয়ই কোন কাহিনী আছে! আজ কৌতূহল চেপে না রাখতে পেরে অবশেষে জিজ্ঞাসা করেই বসল,

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (১ম পর্ব)

১।

জানুয়ারি, ১৯৭১।

কথায় আছে- ‘মক্কার লোক হজ্জ্ব পায় না’!!
অনিকের জন্য কথাটা শতভাগ প্রযোজ্য! ওর বাসা খুলনা পুলিশ লাইনের ঠিক পাশের গলিতেই। বাসা থেকে সার্কিট হাউজের মাঠে যেতে এক মিনিটেরও কম সময় লাগে। অথচ কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই বিকালের প্র্যাকটিসে ও সবার শেষে উপস্থিত হচ্ছে! কোচ সুনীলদা ওকে খুব স্নেহ করেন বলে তেমন কিছু বলেন না, শুধু ওয়ার্ম আপের সময় দুই চক্কর বেশি দৌড়াতে পাঠান।

বিস্তারিত»

কিন্নরকণ্ঠী নদী – ১৪

(পিলখানার শহীদদের স্মরণে আমার প্রথম উপন্যাসের এই অধ্যায়টি এখানে দিলাম। পিলখানা বিষয়ক অনেক তথ্য আমি এখানকার ব্লগার সাইফের ব্লগ থেকে নিয়েছিলাম।)

চৌদ্দ

হিয়া ভেবেছিলো বয়স্ক কোন ড্রাইভার আর অফিসের পিয়নের সাথে বোধহয় তাকে বান্দর বনে যেতে হবে। কিন্তু হোটেল লাউঞ্জ থেকে ফোন পেয়ে ভোর ছয়টায় যখন নিচে নেমে এল তখন দেখল যে তার অপেক্ষায় অল্পবয়সী এক আর্মি অফিসার একটা জীপের মধ্যে বসে আছে।

বিস্তারিত»

কেন ‘দুষ্টু ক্যাডেটের গল্প’ লেখলাম

dushtu22
বাইরে থেকে ক্যাডেট কলেজগুলোকে অনেকের কাছে স্বপ্নপুরী মনে হয়। ওখানে বাচ্চারা খুব ভাল থাকে। আবার কেউ-কেউ মনে করেন ইট-পাথরের দালানের মধ্যে কিছু রুক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর বসবাস। আসলে এই কলেজগুলোতে যারা বেড়ে ওঠে তাদের তৈরী করা হয় সশশ্রবাহিনীর উপযুক্ত করে। তিনশো-ষাঠ ডিগ্রি শিক্ষায় তাদের গড়ে তোলা হয়। সবাই হয়তো সশশ্রবাহিনীতে যোগ দেয় না, তবে তিনশো-ষাঠ ডিগ্রি শিক্ষা লাভ করে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পরে।

বিস্তারিত»

মৃত এক ভায়ের চিঠি

মৃত এক ভায়ের চিঠি

(বোনদের কাছে লেখা একজন অকম্যর্ খেয়ালি ভায়ের চিঠি)
মোহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ ।

এমনই জনম পোড়া কপাল জীবন নিয়ে আমার
তোমাদের সাথে বসবাস ভালবাসা হল না আর
তাই হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিলাম , থাকবো না
এই ঘরে বসবো না চেয়ারে, সিঁড়ি বেয়ে হাঁটবো না
যেন আর কোনদিন দেখা না হয় তোদের সাথে।
কত কথা কত জন কত রাগ আমাকে নিয়ে
আমি নছ্ছার বেয়ারা বাঁদর অসভ্য কোথাকার
জানি কত যে দোষ ছিল আমার হাজার হাজার।

বিস্তারিত»

জোনাথন সুইফট কি ডিমোস আর ফোবস এর মূল আবিষ্কারক?

অ্যামেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী আসফ হল ১৮৭৭ সালের ১১ আগষ্ট রাতে  মঙ্গল গ্রহের ছোট চাঁদ ডিমোস আবিষ্কার করেন। তার ছয় রাত পর ১৭ আগষ্ট আবিষ্কার করেন বড় চাঁদ ফোবস। কিন্তু ১৭২৬ সালে প্রকাশিত গালিভার্স ট্রাভেলস এর ৩য় খণ্ডের ভয়েজ টু লাপুটায় মঙ্গল এবং তার উপগ্রহ দুইটির বর্ণনা আছে। তা হলে জোনাথন সুইফট কি ডিমোস আর ফোবস এর মূল আবিষ্কারক ?

Travels into Several Remote Nations of the World.

বিস্তারিত»

একটি খাকির আত্মকাহিনী

ক্যাডেট লাইফের খুব প্রিয় একজন বন্ধুকে নিয়ে লিখলাম । জানি না কেমন হয়েছে। তবে এত বড় লেখার প্রচেষ্টা এটাই প্রথম। আশা করি ভুল ত্রুটী গুলো শুধ্রে দিবেন।


আমি খাকী।খাকী বলতে শুধু খাকী রং বুঝবেন না।খাকী শার্ট ও প্যান্ট। লোকে আমাকে আদর করে ছোট্ট নাম খাকী বলে ডাকে। লোক বললে ভুল হবে।যাদের সাথে আমার আনাগোনা তারা অন্য এক জাতি।ক্যাডেট জাতি।আমার জন্ম কোন হাইফাই টেইলার শপে নয়।ছোট্ট একটা ঘরে অনেক সহোদর ভাইয়ের সাথে অনেকটা তাড়াহুড়া মুডে আমাকে বানাতে দেখেছি।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবন নিয়ে বই প্রকাশ সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি: আলীম হায়দার।

ক্যাডেট কলেজের জীবনে বেড়ে ওঠা শৈশব কৈশোরের আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না, বিদ্রোহ ও প্রেম নিয়ে দুটি উপন্যাস পাওয়া যাচ্ছে এবারের অমর একুশে বই মেলায়, প্রথম উপন্যাস : রক ক্যাডেট, দ্বিতীয় উপন্যাস: বুড়ো বালকের দল, স্টল নাম্বার ২২০-২২১, জয়তী প্রকাশনী, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এছাড়া আমার দুটি কবিতার বই (১) চিত্রপট এবং (২) গাঙ গিরি গন্ধবহে পিঙ্গলে পিঙ্গলে, বইদুটিও পাওয়া যাচ্ছে একই স্টলে।
ধন্যবাদ ।

বিস্তারিত»

ইস্তানবুলের ডায়েরী………কিছু স্মৃতিচারণ

স্বপ্ন নাকি বাস্তবতা… নাকি দুটোই…অনেকের মত আমিও হাতড়ে বেড়াই এই প্রশ্নের না জানা উত্তরটি। হয়ত সেই অজানা উত্তরের আশায় হাতড়িয়ে বেড়াতেই কেটে গেছে সময়ের গর্ভ থেকে নামবিহীন ২ টি বছর। খুলে দেখা হয়নি সেই পুরনো ডায়েরীর মলাটখানা। হয়তবা তারই আবর্তে ঢাকা পড়ে গেছে সেই অভিজ্ঞতার পাতা গুলো, জীর্ণতা ছেয়ে বসেছে প্রতিটি কোণে। আজ হটাৎ করেই অজানা এক বাস্তবতার বুক চিরে আবারো সেই ডায়েরীর মলাটখানায় হাত রাখলাম।

বিস্তারিত»

রেল লাইনের মত স্বপ্ন পর্ব (৫-৮)

রেল লাইনের মত স্বপ্ন
পর্ব ৫

একটা বিরাট বিল্ডিংয়ের সামনে বহু মানুষ জমা হয়েছে। এটা কি সেই শপিং মল? মনে হচ্ছে যেন যুদ্ধ চলছে! চারিদিকে গুলির শব্দ, মানুষের চিতকার। আমি কোনমতে গলা বাড়িয়ে সবাইকে বললাম “এখানে কোন হাসপাতাল আছে? প্লিজ আমাকে নিয়ে চলুন!” কিন্তু কেউ শুনে না আমার ক্লান্ত গলার ভাংগা আওয়াজ। উলটো ভয় পায় আর বলে “আপনার পায়ে কি হয়েছে? রক্ত ঝরছে কেন?”
তখনি রফিক সাহেবকে দেখলাম একপাশে চুপ করে দাঁড়ানো।

বিস্তারিত»

রেল লাইনের মত স্বপ্ন (পর্ব ১-৪)

পর্ব ১

জীবন আর স্বপ্ন কেমন যেন রেললাইনের মত মনে হয়। পাশাপাশি চলছে। কিন্তু মিলছে না। আবার যতদূর চোখ যায়, মনে হয় মিলছে! এই মিললো বলে! মাঝে মাঝে মনে হয়, মাঝখানের কাঠের পাটাতনগুলো খুলে জীবন আর সপ্ন এই দুটোকে, জোর করে মিলিয়ে দিই। ধূর! কি সব এলোমেলো ভাবনা ভাবছি!

হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে দেয়ালে তাকিয়ে আছি। আমার অনাগত শিশুটির কথা ভাবছি। আর মাত্র ২ মাস হলেই আমার কোলে ছোট্ট একটা শিশু দুলুনি খেতো।

বিস্তারিত»

ঘরট্ট (সম্ভবত পাঁচ-ছয় পর্বের একাংশ)

সাবজেক্ট হিসেবে দর্শন যে এতো আগ্রহোদ্দীপক সেটা আগে বুঝিনি। দর্শনপাঠ আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে দর্শনের শুরুটাও মানুষের অবাক হবার ক্ষমতা থেকে। অবাক বিস্ময়ে মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করেছে, আচ্ছা আমরা কোত্থেকে এলাম? এই পৃথিবীটা আসলে কিসের তৈরি? আকাশে নিয়ম করে র্সূয উঠে, চাঁদ ডুবে, রাতের আকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার নক্ষত্রকণা – এতোসব আয়োজন – এর পেছনের রহস্য কি? প্রচলিত পূরাণকাহিনী অনুযায়ী এসব এক একজন দেব-দেবী কিম্বা তাদের কোন যাদুকলা। 

বিস্তারিত»

ঘরট্ট (প্রথম পর্বের কিছু অংশ)

আমরা এখন গুলিস্তান বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ আগে এইখানে বানরের খেলা দেখানো হলো। আমাদের এতো কাছে যে না চাইতেও আমরা গোল হয়ে ঘিরে থাকা দর্শকের ভীড়ে মিশে গেলাম। তাও আবার প্রথম সারিতে। বানরের নাম মন্টু মিয়া। খেলার সর্বশেষ আইটেম হিসেবে মন্টু মিয়া এখন বউ খুঁজতে বেরুবে। কী আর্শ্চয! মন্টু মিয়া আমার সামনে এসে লাফালাফি শুরু করে দিল। চারপাশ থেকে তুমুল হাততালি। এতো দুঃখের মাঝেও আমার খুব হাসি পেল।

বিস্তারিত»

‘বিতংস’-এর বঙ্গবিজয়

বইটিকে দু’মলাটের মধ্যে রেখে পড়া হয়নি, আদ্যোপান্ত-পড়াও হয়নি।
এই সিসিবিতেই উঁকি দিয়ে পড়ে গেছি কখনো সখনো; ফাঁকিবাজ বলে, পরিশ্রমী পাঠক নই বলে সযত্ন মন্তব্য বা পাঠপ্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি সেভাবে।
তবু, ‘বিতংস’ উপন্যাসটি কি করে যেন আমার হয়ে গেছে, নিজের অজান্তেই। অত্যন্ত আগ্রহের সাথে অনুসরণ করছিলাম ব্লগপাতায় প্রকাশিত হতে থাকা কালো কালো অক্ষরসমূহের বিবর্তন।

সিসিবির পাতায় উপন্যাসটির নানান পর্বগুলোতে আমাদের সদস্যরা আগ্রহোদ্দীপ্ত মন্তব্য দিয়ে লেখকের সংগে সক্রিয় কথোপকথন চালিয়ে গেছেন।

বিস্তারিত»