
এষা নামের দুঃখী মেয়ের দুঃখ পেলাম ঋণ,
এখন আলো অন্ধকারে বেদনা মলিন,
তৃষ্ণা জাগায় লোনা স্বাদের
ভগ্ন হৃদয় পরিচ্ছেদের
বিকেল হতেই কান্না তোলে লালচে সোনা দিন
বৃষ্টি নামের দুঃখী মেয়ের দুঃখ পেলাম ঋন!
অন্ধকারে উপুর করে যে ঢেলে দেয় কালি,
আজকে আবার তার স্তাবকে প্রচন্ড হাততালি
ভাঁড়ার ঘরে অন্ধ মূষিক
ধারাল দাঁতে সব কেটে নিক
অশ্রুরা সব হাওয়ায় উড়ুক,চোখে স্মৃতির বালি
এষার দুখের ফুলবাগানে স্বপ্নেরা হোক মালী!
কালারপ্লেটে জলরংয়ের লাল বেদনা গুলে
তুলির ডগায় জল ছুঁইয়ে অশ্রু নিলাম তুলে
শীতল চোখকে কাগজ ভেবে
যেই সহসা আঁচড় দেবে
দেখবে তখন চিচিং ফাঁকের মস্ত আগল খুলে
প্রস্তাবিত পাঠ-পুরোনো সব গিয়েছ ভুলে!
চাঁদের গায়ে কলঙ্ক দেয় কোন সে হৃদয়হীন
রূপোর সাদা কৌটোতে আজ সিঁদুর মেশায় লীন
কী আকুতি,সজল চোখ
রেগে উঠুক,লালচে হোক
আমি তো এক মূর্খ বালক,বেজায় উদাসীন!
লাভ কী আমার অলস বুকে দুঃখ রেখে ঋণ?



১২ টি মন্তব্য
[ জবাব দিন ]
তুই তো জোস কবিতা লেখস । ভাল লাগলো ।
[ জবাব দিন ]
ছোডো ভাই, ঋণ পাইছো বুঝলাম। কিন্তু এটা যেন ক্ষুদ্র না হয়। তাইলে কিন্তু কবরে যাইয়াও শান্তি পাইবা না।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
মাহমুদ ভাইরে তো ইউনুসের ভূতে ভালৈ ধরছে
[ জবাব দিন ]
ভালো!!
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
হালার পো, এষাটা কে??
[ জবাব দিন ]
কবিতায় মন্তব্য করাটা আমার কাছে খুবই জটিল মনে হয়, ভালো লাগলেও সেটা ক্যাম্নে সুন্দর করে লিখতে হয়, যা লিখলাম তাতে আসলেই ভালোলাগা টুকু বুঝা গেল কিনা ….এইসব বড় জটিল ।
তোমার বেশ কটা কবিতা পড়লাম, ভাল্লাগলো । কবিতার শুরুতে একটা পেইন্টিং থাকে, এই ব্যাপারটাও খুব পছন্দ হইছে ।
[ জবাব দিন ]
আচ্ছা, বুঝলাম না…… মেয়েটার নাম আসলে কি? এষা, না বৃষ্টি?
[ জবাব দিন ]
এত বোঝা লাগবো না…
[ জবাব দিন ]