সাগর থেকে মেঘের পরী
এই শহরে এলো
আমরা তখন সিঁড়ির কাছে
ভীষণ ব্যস্ত ঠোঁটে
মাঝ দুপুরের নির্জনতা
শব্দ করে ফোটে
নিচের থেকে দ্বারপ্রহরী
এলো কী কুক্ষণে
বিদায় বেলায় এসব কথা
কেউ রাখে না মনে!
সেদিন কত আর্দ্র রাত্রি
বৃষ্টিতে মন্থর
যাদুকরের মন্ত্রে ছোটে
বজ্র হিবিজিবি
দুর্যোগে তার তন্দ্রা ছোটএ
বিস্মিত পৃথিবী
হরিণ যত দৌড়ে পালায়
প্রাচীন মায়াবনে
আজকে সেসব মিথ্যে কথা
কেউ রাখে না মনে।
রাতের পরে রাত্রি জেগে
আমরা একলা ঘরে
ভীষণ গাঢ় লালচে রঙে
তোমার আঁকা ছবি
দুঃখদিনে ঢেলে সাজাই
বিষন্ন করবী
অন্য সবাই তখন ছিলো
মগ্ন বিনোদনে
আজকে প্রাচীন সেসব ছবি
কেউ রাখে না মনে!
এমন অনেক রাত কেটেছে
দু’জনে নির্ঘুম
কাঁচঘরেতে মুখোমুখি
শব্দ দিয়ে খেলা
প্রাণের কথা প্রাণকে জানাই
সকল অবহেলা
আপন করা দুঃখগুলো
সাজাই সযতনে
এখন প্রখর সুখের দিনে
কেউ রাখে না মনে।



১৪ টি মন্তব্য
১ম
জবাব দিন
ছবিটা আছে??
জবাব দিন
কবিকে সেলাম।
মুগ্ধতা জেনো।
এ লেখাটা পড়ে ‘হকু’ কে মনে পড়ে গেল।সৈয়দ শামসুল হককে।
জবাব দিন
সহমত দাদা।
জবাব দিন
কেন?আংগিক, না ভাষা?
জবাব দিন
হকের কিছু কবিতা আছে যেখানে ইমোশনটা এরকমই।
একটা ভালো কবিতা যেমন আরেকটা ভালো কবিতাকে মনে পড়ায়, তেমনভাবেই আমার মনে হলো।
তোমার লেখার স্বাতন্ত্র্য প্রশ্নাতীত।
জবাব দিন
অনেকদিন পর ভালো একটা কবিতা পড়লাম।
টাইপো রয়ে গেছে।
সাধারণত কবিতা পড়িনা (আমকবিদের)। দাদার কমেন্ট পড়ে আগ্রহী হয়ে পড়লাম।
সাধু সাধু।
জবাব দিন
ভাইয়া ওর আগের কবিতাগুলো পরে দেখবেন। ওইগুলাও অনেক সুন্দর।
জবাব দিন
একবার পড়লাম, একটু পরে আবার পড়ব–
জবাব দিন
উত্তর পাই নাই উত্তর পাই নাই!!!!
জবাব দিন
জানি না,আমি সব কিছু আম্মুর কাছে দিয়ে দিছিলাম…থাকতে পারে হয়তো!
জবাব দিন
থাকলে জানাবেন কিন্তু!!!!
জবাব দিন
শাহরিয়ার, তুমি কি বসে বসে ঘুমাও? আর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কুবতে লিখ? তোমার কুবতে অনেক ভালো লাগে। ছন্দ, ভাব দুইটাই সুন্দর ফুটে উঠে।
জবাব দিন
আপ্নাদের দোয়া!
জবাব দিন