কতই বা বয়স ছিল আমাদের। ১১/১২/১৩? ঐ অতটুকু বয়সে ছাড়লাম ঘর। আর ফেরা হয়নি। মা-বাবার আদরের সান্নিধ্য ছেড়ে শতাধিক ক্রোশ দূরে এক অজানা অচেনা জায়গাকে কি সহজেই আপন করে নিলাম। আসলেই কি আপন করতে পেরেছিলাম? হোম-সিকনেস আর ‘কলেজ ফিলিংসের’ একটা দ্বৈতস্বত্বা কি বাস করেনি আমার মাঝে? কলেজে থাকতে বাড়ির টান, আর ছুটিতে থাকতে কলেজের টান – এই দুইয়ের মাঝে পার করে দিলাম শৈশব-তারুণ্যের ছয় ছয়টি বছর।
বিস্তারিত»আমার কাজলাদিদিরা – ৪ (নিশুআপু)
আমার কাজলাদিদিরা -৩ (চামু)
২০০৪ সালের পহেলা এপ্রিল দেশ ছাড়লাম। কোন রকম এপ্রিলফুল ছাড়াই আমরা জাপানে চলে আসলাম। বন্ধুরা মজা করে বলছিল তোদের নিশ্চয়ই প্লেনে তুলে চিটাগং নিয়ে নামিয়ে দিবে। চিটাগং এর ভাষা না বুঝে তোরা মনে করবি আসলেই জাপানে আসছিস। এরকম আরো অনেক মজার কথা বলে অনেকেই মন ভাল করার চেষ্টা করছিল। যখন আসছিলাম তখন ভেবেছি ৪-৫ বছর মনে হয় আর দেশে আসতে পারব না বন্ধুদের সাথে দেখা হবে না,
টুকলিফাইং – ০৪
কল্পনার এপিটাফ
ঘুম ভেঙ্গে চোখ মেলে চাইলাম,
নিশ্ছিদ্র অন্ধকার, ছন্দপতনহীন নীরবতা মাঝে।
যখন জেগে ছিলাম মূমুর্ষূ আমার চারপাশে ছিল কত কি!
মা, বাবা, আত্মাহীন আত্মীয়,
ফিনাইলের গন্ধ, সাদা চাদর, নিষ্প্রাণ ডাক্তার
আর ছিল শুকিয়ে যাওয়া কালো গোলাপ, সাদা রজনীগন্ধা।
আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে……
গত দুইদিন ধরে লস এনজেলসে বৃষ্টি হল, সেই সাথে হাড় কাঁপিয়ে ঠান্ডা (অবশ্য এখানকার মাত্রায়)। সাত তলায় আমার ছোট্ট রুমের জানালা দিয়ে চোখে পড়ে সামান্য দূরের ‘শান্তা-মনিকা’ পাহাড়, কুমারীর সযত্ন আঁচড়ে তোলা চুলের শিঁথীর মত তার গা ঘেষে এঁকেবেকে উঠে যাওয়া পাহাড়ি রাস্তা। বৃষ্টি নামলে আবছা কুয়াশামত কিছু একটা দৃষ্টিসীমায় এসে প্রতিদিনকার চেনা দৃশ্যটাকেই খানিকটা অচেনা করে দেয়। গতকালও এমন হয়েছিল, আমার চেনা দৃশ্যটা অন্যরকম হয়ে দেখা দিয়েছিল।
বিস্তারিত»প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-১
কয়েকদিন থেকে মনটা খুব খারাপ ছিল। সিসিবি থেকে নীরব নির্বাসনে চলে যাব ভেবেছিলাম। কিন্তু তা আর পারলাম কই? শওকত ভাইয়ের সেরা ১০ মুভি নিয়ে লেখায় ঠিকই কমেন্ট করে ফেললাম। ওখানে আবার সামিয়ার সাথে হালকা ভুল বোঝাবুঝি। বোনের সাথে এরকম হলে কি কারো ভাল লাগে? তাই সিসিবির আমাদের সবার পছন্দের বোনটার জন্য লিখে ফেললাম এই গল্পটা।
স্বাতী নিঃসন্দেহে ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে নয়,
বিস্তারিত»