ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩]
(এই সিরিজ টা অনেকদিন ধরে লেখা হচ্ছে না। মাথায় আছে, কিন্তু নানান ব্যস্ততায় লেখা হয়ে উঠতেছিলো না। আর ব্লগের এক বিখ্যাত মনিষী তো বলেছেনই লেখা হলো সে_র মতো।
বিস্তারিত»মাদার তেরেসা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা মানবতাবাদী ও মানবসেবী। গোঁড়া ধর্মীয় মনোভাব এবং রাজনৈতিকি অপোরচুনিজম এর কারণে সমালোচিত হলেও তার অনবদ্য মানবসেবা নিয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না।
আলবেনীয় ভাষায় তার নাম: Nënë Tereza, ন্যন্য টেরেজা
মেসিডোনীয় ভাষায়: Агнес Гонџа Бојаџиу (Agnes Gonxhe Bojaxhiu) – আগনেস গঞ্জা বয়াজু
জন্ম – ২৬শে আগস্ট, ১৯১০
মৃত্যু –
গোলাম আযমের লেখা আত্মজীবনী মাত্রই শেষ করলাম। একটা মানুষকে বোঝার জন্যই কষ্ট করে তিন খন্ড জীবনী পড়া। পড়ে বুঝলাম এই লোকটার মতো অভাগা আসলেই কেউ নেই। বুকে পাকিস্তান নিয়ে বাস করতে বাংলাদেশে। তাই সারা বই জুড়েই পাকিস্তান নিয়ে আক্ষেপ। এটা পড়ে বুঝলাম তার আন্ডা-বাচ্চারাও কি পরিমান মনোকষ্টে থাকে।
আসুন দেখি কি লিখেছেন গোলাম আযম।
১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় অধ্যাপক গোলাম আযম নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় জনগণকে আওয়ামী লীগকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলতেন,
যারা দেশের বাইরে আছেন কিংবা ব্যস্ততার কারণে মিস করেছেন তাদের জন্য … … দু:খ করবেন না, একদিন আপনিও দেশে আসবেন, আপনিও আমাদের খাওয়াবেন এবং তখনো আমরা আবার এভাবে সিসিবিতে তা তুলে ধরব … … তো কে কবে দেশে আসছেন – ছবি দেখতে দেখতে সেটা ঠিক করে ফেলুন … …
বিস্তারিত»কলেজে আমি ছাত্র হিসাবে ছিলাম মিডিয়াম ক্যাটাগরির আর ক্যাডেট হিসাবে ছিলাম টপ বদমাইশ। প্রথম টার্মে ছিলাম ১৮ দিন এবং এরমধ্যে ২/৩ টা ঘটনা ঘটালাম।আমার প্রথম ক্যাড্ট ক্রাইম হিসেবে সুরু হল , জুম্মার নামাজের সময় , আমার দুই ফ্রেণ্ডের পাঞ্জাবির কোনা গীড়া দিয়ে দেয়া।দুঃখজনকভাবে আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার পাঁঠা তা দেখে ফেলল এবং তাঁর আভ্যাসমত কান ধরে মলা এবং ৮২ শিক্কার একটা থাপ্পর ! ক্লাস সেভেনে এইরকম কাজ করার জন্য তিনি আতিশয় আশ্চয’
বিস্তারিত»১.
তাইফুর ভাইয়ের আসার কথা ছিল বিকাল ৫টার মধ্যে। কাইয়ুম ভাই আর আমারে তুলে নিবেন পান্থপথ থেকে, সেখান থেকে যাবো মিঃ বেকারের কেক নিতে, তারপর বেঙ্গল ক্যাফেটেরিয়া।
ঘড়ির কাটা পাঁচটা পার হয়ে যাবার পর আর থাকতে না পেরে কাইয়ুম ভাইরে ফোন দিলাম,
বস, তাইফুর ভাই কই?
মৌচাক পর্যন্ত আসছিলো, এখন আবার বাসায় ফেরত যাইতেছে
ক্যান কি হইছে?
মনটা নাকি ভুলে বৌয়ের কাছে রাইখা আসছে ,
ফ্লার্ট করা কি তা এই ব্লগের ইঁচড়ে পাকা জুনিয়র পোলাপাইন থেকে শুরু করে সম্মানিত বড় ভাইয়েরা-মোটামুটি সবার নখদর্পনে।আর ইয়ে মানে আমার পড়াশুনাটা যেহেতু দেশের নামকরা ডিজুস ইউনিভার্সিটি এন এস ইউতে-তাই মিলিটারি একাডেমি থেকে “ম্যায় হু না” এর মেজর রামের মত সরাসরি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির চক্করে পড়া এই আমার ফ্লার্টিং নিয়ে অভিজ্ঞতার ঝুলিটাও একেবারে খালি না।আপনারা জানেন যে আপনাদের মাস্ফ্যু অতি ভদ্র ছেলে তাই ব্যক্তিগত জীবনে তার ক্যারিয়ারে কালো দাগ নাই বললেই চলে।কিন্তু আশে পাশের রথী-মহারথীদের কীর্তি কাহিনী এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কখনো কখনো এতই বিনোদন-উদ্দীপক ছিল যে ভাবলাম কিছু কিছু শেয়ার করি আপনাদের সাথেঃ
১)জাতীয় ভাইয়া-আমাদের কাশেম ভাই ছিলেন পুরা রোমিও টাইপ।প্রতি সেমিস্টারে ক্যাম্পাসে কোন ডিপার্টমেন্টে কোন সুন্দরী তরুনীর আগমন ঘটেছে সে ব্যাপারে উনার জ্ঞান ছিল অনেকটা কিংবদন্তী পর্যায়ের।আশ্চর্যের বিষয়-সেই সব তরুনীদের সাথে কিভাবে কিভাবে জানি উনার ভাবও হয়ে যেত।কিছুদিন উনাকে বেশ লাজুক মুখে ঘুরতে দেখা যেত ওই তরুনীর সাথে-একসাথে গ্রুপ ডিসকাশন আর এসাইনমেন্ট সল্ভিং হত লাইব্রেরিতে-এবং সবচাইতে উল্লেখযোগ্য যেটা হত-এক মাসের মধ্যে সেই মেয়ে উনাকে “ভাইয়া”
বিস্তারিত»