random header image

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ আসুন ক্বাফী ভাইকে সমর্থন করি

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, আমাদের সিলেট ক্যাডেট কলেজের ৪র্থ ব্যাচের (৭৯ -৮৫) ক্বাফী ভাই (বর্তমান সভাপতি, ওকাস) আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তর এর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তিনি বাংলাদেশে ক্রীয়াশীল সকল বামদল সমূহের সমর্থিত একক প্রার্থী হিসেবে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী কাফী ভাইকে আসলে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। তারপরও যে কথাটুকু না বললেই নয় সেটি হল- আমরা যারা বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই, সৎ, নিবেদিত প্রাণ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির প্রর্থী চাই, তাদের জন্য কাফি ভাই এর নির্বাচনে অংশগ্রহণ একটি বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। আমরাই পারি যার যার অবস্থান থেকে তাকে নানা ভাবে সমর্থন দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের সূচনা করতে।

ফেসবুকের কল্যাণে আপনারা ইতিমধ্যেই হয়তো নিচের লেখাটি পড়েছেন । তারপরও নিজের প্রার্থীতা সম্পর্কে কাফি ভাইয়ের নিজের বক্তব্য আপনাদের সদয় বিবেচনার জন্য তুলে দিলাম-

এক্স-ক্যাডেট হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আপনাদের সমর্থন চাই

আমি, আবদুল্লাহ আল ক্বাফী (কাফি রতন) সিলেট ক্যাডেট কলেজের চতুর্থ ব্যাচের একজন ক্যাডেট । ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত সিলেট ক্যাডেট কলেজে ছিলাম। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএসএস ও এমএসএস ডিগ্রী লাভ করি। বর্তমানে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজার হিসেবে মতিঝিল ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখায় কর্মরত আছি। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী । ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক জীবন শুরু । ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলাম। কেন্দ্রীয় কমিটিতে বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলাম। বর্তমানে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।

আমি বর্তমানে ওকাস-ওল্ড ক্যাডেটস্ এসোসিয়েশন অব সিলেটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি । ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের একজন সদস্য ।

আমি,আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদ প্রার্থী । বাংলাদেশে ক্রিয়াশীল সকল বামদলসমূহের সমর্থিত একক প্রার্থী হিসেবে আমি এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।

প্রিয়, এক্স-ক্যাডেটগণ আমি আপনাদের সতীর্থ ছিলাম। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একজন প্রার্থী হিসেবে আপনাদের সমর্থন এবং প্রচার-প্রোপাগান্ডায় আপনাদের সক্রিয় অংশ গ্রহন প্রত্যাশা করছি।(আমার মোবাইল নং ০১৭১৫০২৪৬৬১)

আপনাদের বিবেচনার জন্য আমার প্রোফাইল সংযুক্ত করলাম।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র পদ প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী (কাফি রতন) এর প্রোফাইলঃ

ব্যক্তি জীবনঃ
জন্ম ১৯৬৬ সাল।
পিতা আবদুল হান্নান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা
মাতা নূরজাহান বেগম নাখাল পাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
স্ত্রী তাহমিনা ইয়াসমিন নীলা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহকারী সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস এন্ড ডাইভারসিটি বিভাগের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
দুই কন্যা ধরিত্রী,অরোরা বিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী।

শিক্ষা জীবনঃ
নাখাল পাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ লাভ করেন।
সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ন হন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএসএস ও এমএসএস করেছেন।
১৯৮৮ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী মস্কোর হায়ার কমসোমোল স্কুল থেকে সামাজিক বিজ্ঞানে উচ্চতর ডিপ্লোমা গ্রহন করেন।

পেশা জীবনঃ
১৯৯২ সালে প্রবেশনারী অফিসার হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকে যোগদান।
১৯৯৭ সালের জুন থেকে বর্তমান পর্যন্ত ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কর্মরত। বর্তমানে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ব্যাংকের মতিঝিল ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখায় ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আধুনিক প্রযুক্তির অন লাইন ব্যাংকিং এ উত্তরণ পর্যায়ে টিমের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।

রজনৈতিক জীবনঃ
১৯৮৪ সালে চট্টগ্রাম কলেজের কৃতী ছাত্র সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনে শহীদ শাহদাতের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মিছিলে অংশ নেয়ার মধ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলন শুরু।
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর কমিটির সমাজ কল্যান সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, সহকারী সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৯-৯০ মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হল ছাত্র সংসদের প্রথম নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।
এরশাদ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কর্মী হিসেবে লড়াই শুরু করে ’৯০ এর ছাত্র গণ অভ্যুত্থানে প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বর্তমানে দ্বিতীয় দফা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, বর্তমানে উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

অন্যান্য সংগঠনঃ
সিলেট ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ওল্ড ক্যাডেটস্ এসোসিয়েশান অব সিলেটের (ওকাস) এর দ্বিতীয় দফা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলের প্রক্তান আবাসিক ছাত্রদের সংগঠনের উপদেষ্টা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অলামনাইয়ের জীবন সদস্য।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সদস্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট।
ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের সদস্য ।

বিদেশ সফরঃ
উচ্চতর শিক্ষা গ্রহনের জন্য ১৯৮৮ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে গমন করেন।
২০০০ সালে ফরাসী কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেসে অংশ গ্রহনের জন্য ফ্রান্সে গমন।
২০০৩ সালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই) এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিতে সিপিবির তিন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে ভারত গমন।
গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের (ওয়াল্ড ফেডারেশান অব ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ-উফডি) কার্যনির্বাহী কমিটির সভা যোগদানের জন্য নেপাল, সাইপ্রাস গমন।
২০১০ সালে দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী প্রিটোরিয়ার অনুষ্ঠিত ১৭তম বিশ্ব ছাত্র-যুব উৎসবে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
২০১১ সালে অল চায়না ইয়ুথ ফেডারেশানের আমন্ত্রনে ৫ সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসাবে চীন সফর করেন।
এছাড়া ডাচ-বাংলা ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে ২০০১ সালে ব্যাংকিং বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারের অংশ নিতে সিঙ্গাপুর ও মালোয়েশিয়া গমন করেন।
২০০৩-৪ সালে দুই মাস ডাচ-বাংলা ব্যাংকের হয়ে ব্যাংকিং সফটওয়ারের উপর ভারতের বেঙ্গালোর ও বোম্বেতে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন।

অন্যান্যঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলের পক্ষে জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেছেন।
সাপ্তাহিক একতায় নানা বিষয়ে নিয়মিত লিখেন।
একাধিক বই ও পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন।

১৯৯১ সালে এপ্রিল মাসের বিধ্বংসী ঘূর্নিঝড়ের পর বাংলাদেশ যুব ও ছাত্র ইউনিয়নের উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্ব দিয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনা করেছেন। শত শত লাশ দাফন করেছেন। তিনি সবসময় বলেন তার জীবনের সবচেয়ে ভাল কাজ হচ্ছে এটি।

১ vote, average: ১.০০ out of ৫১ vote, average: ১.০০ out of ৫১ vote, average: ১.০০ out of ৫১ vote, average: ১.০০ out of ৫১ vote, average: ১.০০ out of ৫ (ভোট, ১.০০/ ৫)
রেটিং করার জন্য আপনাকে রেজিস্টার্ড সদস্য হতে হবে
Loading ... Loading ...
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত। এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা।

১০ টি মন্তব্য

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
       মার্চ ৭, ২০১২ at ৬:০৬ পুর্বাহ্ন |

    আশা করছি ভাইয়া আশাব্যাঞ্জক ভোট পাবেন।
    তবে কিনা বাংলাদেশে কম্যুনিস্ট পার্টির ভাত নাই।

    [ জবাব দিন ]

  2. ফয়েজ (৮৭-৯৩)
       মার্চ ৭, ২০১২ at ৫:১০ অপরাহ্ন |

    ভোটার কার্ড করেছি চট্টগ্রামে, জানি না সিটি কর্পোরেশনে ভোট দিতে পারবো কিনা। ইন-ফ্যাক্ট, আমি উত্তরে নাকি দক্ষিনে তাও জানি না। তবে কিছু প্রশ্ন তৈরী হল

    ১। ১৯৮৪ সালে ক্যাডেটে ছিলেন, ধারনা করছি ছুটিতে ক্লাস ইলেভেনে বাইরের মিছিলে ছিলেন। এরকম মিছিল রংপুর কারমাইকেলে গিয়ে আমিও অনেক করেছি। কিন্তু এটা কি প্রোফাইলে দেয়ার মত কোন ঘটনা?

    ২। প্রচলিত ব্যাংক গুলো যতদূর জানি ক্যাপিটালিস্ট ভাবাধারার কিছু একটা। তিনি প্রচার করছেন কমুনিজম, কাজ করছেন ব্যাংকে, এই দুই বিপরীত জিনিসের সংগে সন্ধি করলেন কিভাবে? বুঝতে পারছিনা।

    ৩। বিদেশ সফর কি প্রোফাইলকে খুব ভারী করে নাকি? বুজলাম না। পার্টির টাকায় বেশ ঘুরেছেন বুঝা যায়। মেয়র হলে ট্যাক্সের টাকায় ঘুরাঘুরি করবেন না তো আবার?

    ৪। রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কি করছেন তা তো কোথাও নেই।

    আমার কাছে এটা একটা জগাখিচুরী প্রোফাইল মনে হয়েছে। তিনি আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ নন, এটাই মনে হয়েছে। “মেয়র হলে একটা নতুন ব্যাংক খুলে ফেলবেন” এই টাইপ কিছু একটা মনে হয়েছে।

    ভালো লোক আসুক চাই, তাই সমালোচনার দৃষ্টিতেই দেখলাম সব কিছু।

    [ জবাব দিন ]

    রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
        মার্চ ৮, ২০১২ at ৫:০৭ পুর্বাহ্ন |

    *ফয়েয ভাই আমি কিন্তু লাইফে একটা মিছিলে গেছিলাম।
    সালমান রুশদীর ফাসি চাই; ৮৯, ৯০এ।
    এখনো আফসোস করি এজন্য। অবশ্য স্কুল থেকে সবাই মিছিল করে উপজেলায় এসেছিল নালিশ নিয়ে। আমার আমার বাসা ওখানেই ছিলো।
    * কয়েকদিন আগে এক কম্যুনিস্ট বন্ধুর সাথে কথা হলো। বাংলাদেশে কোন কম্যুনিস্ট নেই। মারা গেলে যাদের (কমরেড ফরহাদ )জানাজা হয় তারা আবার কিসের কম্যুনিস্ট! সেখানে বাঙ্কিং ব্যাপারটা অবান্তর। চীনে, রাশিয়ায় কি ব্যাংক নেই?
    * বিদেশে কি করতে গিয়েছিলো সেটাই ব্যাপার বস। যেমন ধরেন ইউনুস মিয়া প্রথম ব্যাক্তি যে কিনা জাম্বুরিতে যোগ দিয়েছিল (বাঙ্গালদের মধ্যে)।
    * আর ভাই কথা কি জানেন আপনি না হয় ভোটার না ঢাকার, কিন্তু যারা ভোটার (এই ব্লগের) তারাও কিন্তু ভোটের সময় আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জামাতরেই ভোট দিবো।
    না হইলে চোরগুলা সংসদে যায় কি কইরা???

    [ জবাব দিন ]

    ড. রমিত আজাদ (৮২-৮৮)
        মার্চ ১১, ২০১২ at ৪:০৪ অপরাহ্ন |

    সমাজতান্ত্রিক রাশিয়া বা চীনের ব্যাংক পুঁজিবাদী দেশগুলোর ব্যাংকগুলোর চাইতে একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির ছিল।

    [ জবাব দিন ]

    গুলশান (১৯৯৯-২০০৫)
        মার্চ ১১, ২০১২ at ১১:২৬ অপরাহ্ন |

    ফয়েজ ভাই, আমার কাছে এসব কোন কিছুই তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি। আমার কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে, সেটা আমি আলাদা ব্লগ পোস্টে বলার চেষ্টা করেছি- “ভিশন চাই” শিরোনামে। (চামে একটু নিজের ঢোল পিটাইলাম)

    [ জবাব দিন ]

  3. হামীম (২০০২-২০০৬)
       মার্চ ৭, ২০১২ at ৭:০৯ অপরাহ্ন |

    রাশিয়া ফেরতেরা সব রাজনীতিতে নামে,বুঝতেপারলাম্না বিষয়টা। কড়া সমর্থন রেখে গেলাম।

    [ জবাব দিন ]

    রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)
        মার্চ ৮, ২০১২ at ৪:৫৫ পুর্বাহ্ন |

    হামিম আমি রাশিয়ায় যেতে চাই। যোগাযোগ কর আমার সাথে।

    [ জবাব দিন ]

  4. ড. রমিত আজাদ (৮২-৮৮)
       মার্চ ৭, ২০১২ at ৭:৫২ অপরাহ্ন |

    মন্তব্য এড়িয়ে যাব ভাবছিলাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এড়াতে পারলাম না।
    কাফী ভাই একজন এক্স-ক্যাডেট, আবার আমারই কলেজের, সেই হিসাবে মেয়র প্রার্থী হিসাবে উনাকে দেখতে ভালোই লাগছে।
    তবে ফয়েজের রিমার্কসগুলো গুরুত্বপূর্ণ। আমি বহু কম্যুনিস্টকেই দেখেছি ক্যাপিটালিস্ট প্রতিস্ঠানে নানা সহযোগিতা করছেন এবং সেখান থেকে ব্যক্তিগত সুবিধাও ভোগ করছেন, আবার বক্তৃতায় ঠিকই কম্যুনিজম ফলাচ্ছেন।

    রাশিয়া ফেরত বলতে যা বোঝায় কাফী ভাই সেরকম নন। তিনি রাশিয়া থেকে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী অর্জন করেননি। তিনি পার্টির পক্ষ থেকে রাশিয়া সফর করেন ও সেখানে কয়েক মাসের কম্যুনিস্ট মতাদর্শগত কোর্স করেন।

    রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি কতটুকু সফল জানিনা। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতায় কাফী ভাই নিঃসন্দেহে অনেক প্রার্থীর চাইতেই ভালো।

    [ জবাব দিন ]

  5. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
       মার্চ ৮, ২০১২ at ১:২৮ অপরাহ্ন |

    এত কিছু না লিখে শুধু

    সিলেট ক্যাডেট কলেজের ৪র্থ ব্যাচের (৭৯ -৮৫) ক্বাফী ভাই

    লিখলেই মনে হয় ভাল হত… :-B

    ভোট দিলে ক্বাফী ভাইরেই দেব… :dreamy:

    [ জবাব দিন ]

  6. শাওন (৯৫-০১)
       মার্চ ১১, ২০১২ at ১১:০২ অপরাহ্ন |

    ফয়েজ ভাইয়ের সাথে কিছু ব্যাপারে সহমত হতে পারছিনা। যে কোন কারণেই হোক ক্যাডেট থাকা অবস্থায় মিছিল করাটা একটা বিশেষ ব্যাপার যা কিনা প্রচলিত ক্যাডেট সুলভ ধারার বাইরের কিছু।

    নিজের বৈষয়িক বিষয়গুলো পরিচালনের জন্য ব্যাংকে চাকরী করাটাকে আমি সাভাবিক ভাবেই দেখি। এটা অনেকটা মন্দের ভালো। আমাদের প্রচলিত সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যেখানে প্রার্থীর কোন তথ্যই প্রকাশ পায়না, সেখানে কাফী ভাইয়ের এই চেষ্টাকে আমি একটা প্রচলিত ধারার বিরুদ্ধে খানিকটা চেষ্টা হিসাবেই দেখবো।
    ওকাসে কাজ করার সুবিধাতে আমি কাফি ভাইকে যতটুকু দেখেছি, তাতে উনাকে আমার ব্যাংকার থেকে রাজনীতিবিধ ই বেশি মনে হয়েছে।
    ফয়েজ ভাই ৩ নম্বর পয়েন্টা যেভাবে প্রকাশ করেছেন তার ধরণটা নিয়ে আমি একটু হতাশ হয়েছি। আমার কাছে প্রকাশের ধরণটা একটু অশোভন মনে হয়েছে। তাছাড়া সাদামাটা ভাবে বললে সরকারী সফরগুলো জনগণের ট্যাক্সের টাকাতেই হয়। একটা সরকার আর দেশ ই চলে ঋন, সাহায্য, বাণিজ্য আর ট্যাক্সের টাকায়। বিদেশ সফর মন্দনা, যদি সেটা কাজের খাতিরে হয়। সেটা মন্দ তখনই হয়, যখন সফরটা হয় ব্যাক্তিগত।
    আমি শুনেছি সানা ভাই (সানাউল্লাহ লাভলু) কাফী ভাইকে ব্যাক্তিগত ভাবে চিনে্ন। যদি সেটা ঠিক হয় তবে তার কাছ থেকে একটা মন্তব আশা করছি।

    [ জবাব দিন ]

মন্তব্য করুন :

আপনার ই-মেইল ঠিকানা কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা শেয়ার করা হবেনা। দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা। আবশ্যিক তথ্যগুলো * চিহ্নিত করা আছে।

*
*
:) :( :P :D :)) :(( =)) :clap: ;) B-) :-? :grr: :boss: :shy: x-( more »


(বাংলায় টাইপ করতে ctrl+g চাপুন। একটি শব্দ লেখা শেষে স্পেস বার চাপুন। তাহলেই ইংরেজী থেকে শব্দটি বাংলায় রুপান্তরিত হবে।একই শব্দের একাধিক বানান অপশন দেখতে শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করুন)
Ekushey Inline virtual Bangla keyboard