এতো বড় সুসংবাদটা কেউ এখনো সিসিবিতে শেয়ার করলো না দেখে কষ্ট পাইলাম।
যাক, ছেলেটাকে এত পছন্দ করি যে সবাইকে জানাতে পেরে নিজেরও অনেক গর্ব হচ্ছে।
ব্যাপার কী, বুঝতে পারছে না?
আগে আজকের প্রথম আলোর এই ফিচারটা সবাই একটু পড়ে আসুন। সেখানে এমন একটা ছবি দেখবেনঃ

শার্ট ইন করা পোলাটা আমার আদরের রায়হান আবীর।
এবার এই লাইনগুলো খুঁজে বের করুন-
ইসিজি যন্ত্র: বিভাগের এমফিল গবেষক রায়হান আবির তৈরি করেছেন ইসিজি যন্ত্র। বাজারে একটি ইসিজি যন্ত্রের দাম এক লাখ টাকা হলেও তাঁর এ যন্ত্রটি তৈরি করতে লেগেছে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আবির প্রথম আলোকে বলেন, এ যন্ত্রটি বর্তমানে ব্যবহূত যেকোনো ইসিজি যন্ত্রের মতোই কাজ দেয়। দেশীয় উপকরণ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি সস্তা বলে জানান এ নবীন গবেষক।
আর কিছু কি বলার দরকার আছে?
অভিনন্দন, রায়হান। অনেক অনেক অনেক।


(৬ভোট, ৪.৮৩/ ৫)
৯০ টি মন্তব্য
এই ছুটিরদিনেও ভোর থেকে কারেন্ট না থাকায় চোখমুখ হা কইরা জাইগা থাকতে হইছে
তাতে একখান লাভ হইসে। ভোরবেলাতেই পরথমালু ঠোটস্থ করতে গিয়া জিনিসখান চোখে পরসে। সাথে সাথে হিট বিজ্ঞানীরে একখান অভিনন্দন এসেমেস দিয়া একটি [ : D ] প্রাপ্তি স্বীকার পাইলাম
সাবাশ ব্যাটা।
[ জবাব দিন ]
মেডিকেল ফিজিক্সে আসলেই গর্ব করার মতো কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে, যার নব্বইভাগ কৃতিত্ব রব্বানী স্যারের। উনার মতো মানুষের সাথে কাজ করতে পারাটা আসলেই ভাগ্যের ব্যপার। যদিও আমি তেমন কিছুই পারিনা। একদিন হয়তো পারবো।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
লেজ সুদ্ধা রায়হান আবীর পিএইচডি ভাইয়ের ব্যাঞ্চাই; এত বড় খবরটা দিব্যি কেমন চেপে গেলেন উনি !!!!
ইউ ড়ক আবীরদা।
এখানেই থেমে গেলে চলবে না কিন্তু।
[ জবাব দিন ]
মারা যা।
[ জবাব দিন ]
বাহ বাহ! দারুণ খবর!
অভিনন্দন রায়হান। এ’রকম কাজ করছো শুনলেও গর্ব হয়, ভালো লাগে খুউব!
[ জবাব দিন ]
এইরকম কাজের সাথে জড়িত থাকতে পেরেও আমিও আসলে গর্বিত। স্যারের সকল কাজ ধীরে ধীরে মানুষে কাজে লাগা শুরু হয়েছে। সরকার থেকে সাপোর্ট পেলে আসলেই অনেক্কিছু বদলে দেওয়া সম্ভব হবে।
[ জবাব দিন ]
Paper a news ta dekhr por thekei ashe pasher lokjon ke dekhie bolchi ei polada amar porichito… Amar college er choto vai. Gorbe buk ta vore jachchilo she shomoy.
Sabbash rayhan… Asha kori aro onek boro hobi (mobile theke, tai banglish type korte holo)
[ জবাব দিন ]
একদিন যেন সত্যি সত্যি পার্ট লইতে পারেন, সেই কামনা করি
[ জবাব দিন ]
সাবাস রায়হান! অভিনন্দন! গবেষণা শুরুর এক বছরের মাথায় কেমনে শেষ করে ফেললি?? তুই সত্যিই একটা অমানুষ।
যন্ত্রটার খুঁটিনাঁটি নিয়া ব্লগ চাই।
[ জবাব দিন ]
আমি কাজ করছি সাত মাস। এবং ইসিজিটা আমার মেইন রিসার্চ না। আমার মেইন রিসার্চ FIM এর যন্ত্রপ্রস্তুত। এইটা নিয়ে লাস্ট ব্লগে একটু লিখছি।
আর আপাতত ইলেক্ট্রনিক্সে কামলায় স্যারকে সাহায্য করি। প্রথম প্রজেক্ট ছিলো ইসিজি মেশিন বানানো।
খরচ কমানোর জন্য আমরা ভগিজগি কিছু জিনিস বাদ দিয়েছি। আমি ডিজাইন করছি শুধু ইলেক্ট্রনিক্স পার্ট টা। অর্থাৎ হার্ট থেকে ইসিজি সিগনালটা নিয়ে ঐটাকে ঘষামাজা করা। সার্কিট ডায়াগ্রাম খুবই সহজ। তবে এতো সময় বেশি লাগার কারণ, প্রথম দিকে কিছুই পারতাম না, ধীরে ধীরে কাজ করতে করতে শিখছি। আর তত্ত্বীয়ভাবে অনেক সার্কিট কাজ করবে ধরা হলেও, শেষ মেষ ভুতুড়ে নয়েজ আসে। এই কারণে বিভিন্নভাবে কাজটা করা চেষ্টা করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে যেইটা দেখানো হয়েছে, সেইটা রিলায়েবল। আমি ডাটা বের করছি, এইটা এখন কম্পিউটার বা আলাদা ডিসপ্লেতে নিয়ে দেখা যাবে।
[ জবাব দিন ]
জোশিলা …
পুরা পান্খা !!
নবীন গবেষকরে
পুলাটা বিটলামি কৈরা টাইম্লস না করলে আরো
মার্কা কিছু কর্তে পার্তো
[ জবাব দিন ]
সহমত
[ জবাব দিন ]
সকালেই দেখছি
রায়হান ভাইরে
[ জবাব দিন ]
ক্যাসপার কেমুন আছোস?
[ জবাব দিন ]
কবরের লাইফ খুব কষ্টের ভাই.
তাছারা অরে জুনিয়র রা দেখলে” অসসালামুয়ালায়কুম ইয়া আহলাল কুবুর” বলে
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এইতো ভালই আছি
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন রায়হান আবির। খবরটা শুনে খুব ভাল লাগলো। আরো বেশি কাজে লেগে পড়, তোমাকে দিয়েই হবে। আল্লাহ ভরসা। আবারও অভিনন্দন।
[ জবাব দিন ]
হবে কিনা জানিনা। কাজে লেগে আছি।
[ জবাব দিন ]
সামীরে…………তুমি সত্যিই ড়ক্কর, ভাইয়া
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
হুম- সমস্ত প্রসংশা ………
[ জবাব দিন ]
রায়হান,
পুরা বাঘের বাচ্চা!
আরো অনেক দূরে যাও…
[ জবাব দিন ]
বাইক কিনা দেন। অনেক দূর যাইতে পারি তাইলে এখনই
[ জবাব দিন ]
রায়হান,সাবাস!!!!! ইয়ে, তুই যার লেজ-সেই “হেড” এর এই খবরে প্রতিক্রিয়া কি?
[ জবাব দিন ]
তার প্রতিক্রিয়াঃ মাস্ফ্যু ভাই কবে খাওয়াবে?
[ জবাব দিন ]
ভাবি এমুন কিপটা জানতাম না !
[ জবাব দিন ]
খাওয়ানোর ডেটঃ আগামী পরশুর পর থেকে যে কোন দিন
স্থানঃ স্টার কাবাব, ধানমন্ডি দুই নম্বর
মেন্যুঃ লাচ্ছি,খাসির লেগরোস্ট, পরোটা/নান,তারপর বিএফসিএ আইসক্রিম
অংশগ্রহণকারীঃলেজের “মাথা”,তবে মাথার সাথে সাথে লেজ দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারে(সে খাবেনা)
বিল পরিশোধকারীঃ গরীব মাস্ফ্যু
[ জবাব দিন ]
আমার অফিসে লাচ্ছি,খাসির লেগরোস্ট, পরোটা/নান,তারপর বিএফসিএ আইসক্রিম পার্সেল না আসলে আমি হবু পুলিশ কর্মকর্তারে খুন কইরা যাবজ্জীবন ফাঁসি নিমু ।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
কামরুল ভাই আমারে খুন করার হুমকি দিছে,কালকেই থানায় জিডি করামু
[ জবাব দিন ]
________ মাসফু ভাই কবে খাওয়াবে
[ জবাব দিন ]
রায়হান ভাইয়া,অনেক শুভেচ্ছা
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
রায়হান সাহেব, অনেক শুভেচ্ছা
;)
[ জবাব দিন ]
সহমত
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন!!!!!
বিসিসি ড়ক করে
[ জবাব দিন ]
কারণ সাব্বির ভাই বিসিসিতে পড়ে
[ জবাব দিন ]
সাবাস রায়হান! তুমি আমাদের গর্ব!
[ জবাব দিন ]
— যেন হতে পারি।
[ জবাব দিন ]
ওরে রায়হান। অসাধারন। তুই আমার সাথে দেখা করিস। একসাথে বইসা সেলিব্রেট করমু নে।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
এইগিলি খাওয়া হ্রাম না?
[ জবাব দিন ]
রবিন ভাই আমি লোক ভালুনা। এই ফুটবল শেষ হওয়া মাত্রই ফোন দিমু
[ জবাব দিন ]
রায়হান ভাই

একটা কমদামের ups বানায় দ্যান সবার উপকার হবে
[ জবাব দিন ]
হে হে হে হে হে।
UPS কিংবা IPS কমদামই। মূল যন্ত্রের দাম আর কতো, দাম তো হয় ব্যাটারির। এইটা কমানোর উপায় নাই, যদিনা বৈপ্লবিক কোন আবিক্ষার করা সম্ভব হয়।
তবে UPS, IPS এ আসলে কারও সমস্যাই মিটবেনা। আমি নিজে আমার বাসায় আইপিএস লাগাইতে দেই নাই। কারণ এইটা মারাত্মক আনইথিক্যাল। আইপিএস দিয়া তুমি অন্যের ভাগের কারেণ্ট চুরি করলা। তারচেয়েও বড় কথা, ধর, তুমি মূল লাইন থেকে একঘন্টা টিভি চলার মতো কারেন্ট আইপিএস এ সংরক্ষণ করলা, তারপর কারেন্ট যাওয়ার পর টিভি চালাও। এক ঘন্টার জায়গায় ত্রিশ মিনিট বা তারও কম চলবে। সিস্টেম লস। সুতরাং যত আইপিএস এর ব্যবহার বাড়বে, তত সিস্টেম লস বাড়বে।
[ জবাব দিন ]
লাগবেনা
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
রায়হান আবীর ভাইয়াকে অনেক অভিনন্দন
[ জবাব দিন ]
সবাই সামনে থাকলে একবারেই পুরা ব্যপারটা বুঝায়ে কওয়া যাইতো। এখন আলাদা আলাদা কমেন্ট লিখতে হয়। খেলুম্না। ভাবীপ্পু ভালো থাইকো, অভিনন্দন জমা কইরা রাখ, সত্যিকারের যেদিন কিছু করুম [যার সম্ভাবনা খুবই কম] সেদিন দিও…
[ জবাব দিন ]
আবীর সাহেবকে তো কখনো ফোনে পাওয়াই যায়নি, এখনতো আরো পাওয়া যাবেনা।
ফোন কি বন্ধ থাকে
[ জবাব দিন ]
বন্ধ থাকেনা। বিশেষ নাম্বারের সাথে বিজি থাকে
[ জবাব দিন ]
জিহাদ সাহেব বর্ষা নিয়ে লিখা দিচ্ছেন কবে?
[ জবাব দিন ]
ফোন তো খোলাই থাকে
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন…
অনেক অনেক শুভেচ্ছা…
[ জবাব দিন ]
উহুউউ। অভিনন্দনটা আমাকে না দিয়ে আসলে স্যারকে দেওয়া উচিত। আমি তো কাজ করি মোটে সাত মাস। স্যার বত্রিশ বছর ধরে হাজার সমস্যার মধ্যেও অসংখ্য কাজ করেছেন …
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন, রায়হান। অনেক অনেক অনেক।
[ জবাব দিন ]
উহুউউ। অভিনন্দনটা আমাকে না দিয়ে আসলে স্যারকে দেওয়া উচিত। আমি তো কাজ করি মোটে সাত মাস। স্যার বত্রিশ বছর ধরে হাজার সমস্যার মধ্যেও অসংখ্য কাজ করেছেন…
[ জবাব দিন ]
তোমার স্যার+তার কাজ সম্পর্কে অনেক কথা শুনেছি। সময় করে তাকে সিসিবি’তে পরিচয় করিয়ে দিও। (ফিজিক্সের আমিনূর রশীদ স্যার নাকি একবার ক্যাডার দিয়ে তার ল্যাব পুড়িয়ে দিয়েছিলো?!)
[ জবাব দিন ]
ফিজিক্সের কেউ তাকে সহায়তা করেন না। ঈর্শায়। আমরা সেদিন বিজ্ঞান মন্ত্রনালয়ের ফেলোশিপের জন্য আবেদন করলাম, স্যার বললাম, ফিজিক্সের কেউ যদি ঐখানে থাকে তাহলে এইটা পাবানা। ফিজিক্সের যেসব মাস্টার্সের যেসব ছাত্ররা স্যারের কাছে থিসিস করতো তাদেরকে আচ্ছামতো ফাইনালে বাঁশ প্রদান করা হতো।
ল্যাবে আগুন লাগার কথাটা স্যার প্রায়ই বলেন। আমাদের সবসময় দরজা জানালা বন্ধ করে রাখার উপদেশ দেন। কিন্তু আগুন যে কেউ ক্যাডার দিয়ে লাগিয়েছিলো এইটা অবশ্য বলেন নাই। দেখি জিজ্ঞেস করবো।
[ জবাব দিন ]
যেহেতু এখন স্যারের সাথেই কাজ করতেসিস, উনার এবং উনার কাজকর্ম, ইতিহাস এগুলো নিয়া ব্লগ লিখে ফেল, আমরা সবাই আরো ডিটেইলে জানি উনার সম্পর্কে।
[ জবাব দিন ]
হুম, স্যার বলেননা, কিন্তু ছাত্ররা সবাই জানে স্যারের বিরুদ্ধে এইসব নোংরামির কাহিনী। তারা স্যারকে বেশ কয়েকবার বহিস্কার করার চেষ্টাও করেছিল- এ’ সবই ফিজিক্সের ছাত্রদের কয়েকজনের থেকে শোনা।
- এমন বৈরী পরিস্থিতিতে কাজ করতে হলে সব কিছু জেনে নিও তারাতারি। তা না হলে অযথা যন্ত্রনাগুলোকে মোকাবিলা করা কঠিন হবে।
[ জবাব দিন ]
ফিজিক্সের অনেক নোংরামি আমি নিজেই স্যারের কাছ থেকে শুনেছি। সবাই অবশ্য না। তবে কয়েকজন তার মতো একটা দুর্দান্ত মানুষকেও কিভাবে টেনে নীচে নামিয়ে রাখতে চায় তা দেখে সত্যিই দুঃখ হয়।
এখন তো আর তেমন কোন ঝামেলা নেই। স্যারের নিজের ডিপার্টমেন্ট। আর কয়েকদিন পর কার্জন হল ছেড়ে মোকাররম ভবনেও চলে যাবার কথা।
[ জবাব দিন ]
রায়হান ভাই কি ভাবটাই না নিচ্ছে………….একটা জবাবও দিচ্ছে না……………..অভিনন্দন রায়হান ভাই……
[ জবাব দিন ]
ভাবনারে ভাইডি। স্পণ্ডিলোসিসের ব্যথায় বিছানার আটকায়ে আছি। ডান বামেও কাত হইতে পারিনা। এখন গলায় কাফ লাগায়ে উইঠা বসলাম। তোমার অবস্থা কি?
অভিনন্দন দেওনের কিছু নাই। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় উপস্থিত ছিলাম।
[ জবাব দিন ]
গর্বিত-


আনন্দিত-
অভিনন্দন-
[ জবাব দিন ]
যতই বিখ্যাত কুখ্যাত হও না কেন বাবা, তোমারে পাংগাইতে আমার বিন্দুমাত্র টেনশিত হইতে হবে না। বইলা দিলাম
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন…….রায়হান আবীর!!
[ জবাব দিন ]
কিপিটাপ
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন। কিপ ইট আপ
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন। কিপ ইট আপ
[ জবাব দিন ]
সাবাস রায়হান! অভিনন্দন দেরিতে জানালেও কি যে অসম্ভব খুশী হইছি খবরটা জেনে। কিংকং এর মুখেই প্রথম শুনছিলাম যে পেপারে দিসে যে ছবিসহ রায়হান সাহেবের খবর বের হৈসে। রায়হান সাহেব তো সেলিব্রেটি হয়ে গেলো!
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন ব্রাদার
[ জবাব দিন ]
ছুডো ভাই রায়হান,
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন রাব্বানী স্যার এবং তার চেলা রায়হান আবীরকে! কিপ ইট আপ!
[ জবাব দিন ]
সেলেব্রিটিতে ত ভইরা যাইতেছে সিসবি।
সিসিবি-সেলিব্রিটি ক্যাডেটস ব্লগ
[ জবাব দিন ]
অভিনন্দন, রায়হান। অনেক অনেক অনেক।
কিপ ইট আপ( কোপাইতে থাক)
[ জবাব দিন ]
বাহ! পড়ে সত্যিই খুব ভাল লাগলো। সরকার যথাযোগ্য সহায়তা করুক-এই আশা করছি। স্যার এবং রায়হানকে অভিনন্দন।
[ জবাব দিন ]
বাহহহহ। দারুণ খবর তো। ছবিটার দিকে ভাল করে তখন তাকাইনি। বিশাল এক অভিনন্দন।
[ জবাব দিন ]
রায়হান এবং গোটা গবেষক গ্রুপটাকেই অনেক অনেক অভিনন্দন। এইটা একটা অসাধারন ভালো কাজ হয়েছে। চালিয়ে যাও সবাই।
[ জবাব দিন ]
অনেক অভিনন্দন রায়হান, পড়ে খুবি আনন্দিত হলাম । দোআ রইলো ।
[ জবাব দিন ]
অসাধারণ কাজ হচ্ছে রায়হান। ছবি ও খবর আগেই দেখেছিলাম পত্রিকাতে। চালিয়ে যাও আর উজ্জ্বল করো সিসিবির মুখ।
[ জবাব দিন ]
তোকে এমন অবস্থায় দেখতে চাই যাতে পেপারে খবর আসার পর অন্য কেউ বলে ‘আমি তো কিছুই করি নাই, সব করেছেন রায়হান আবীর স্যার…‘
[ জবাব দিন ]
আপনার কমেন্টটা সবচেয়ে পছন্দ হইল জুনা ভাই
[ জবাব দিন ]
জুনার কমেন্টে লাইক
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]