একের পর এক দুঃসংবাদ স্তব্ধ করে দিচ্ছে আমাদেরকে।
আজ সকালে (মঙ্গলবার, মার্চ ০৩) পাকিস্তান সফররত শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের ওপর হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। দুই দলের মধ্যে চলমান সিরিজের তৃতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের কাছে তাদের গাড়িবহরে এ হামলা হয়। ক্রিকেটারদের ওপরে হামলা পাকিস্তানে তো বটেই সারা বিশ্বেই কখনো কোথাও ঘটেনি! অবশ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে ক্রিকেটের ক্ষতি কিংবা সফর বাতিল আগেও অনেক বার হয়েছে।
ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় আর সবার মতো সারা ক্রিকেট দুনিয়াই স্তম্ভিত, বিস্মিত, ব্যথিত।
শ্রীলংকা দলের অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারা, থিলান সামারাবীরা, চামিন্ডা ভাস, অজন্তা মেন্ডিস জখম হয়েছেন। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কমপক্ষে পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, হামলায় মুখোশ পরা ১২ জন বন্দুকধারী অংশ নেয় এবং তাদের হাতে ছিল গ্রেনেড ও রকেট লঞ্চার।
শ্রীলংকার ক্রিকেটারদের প্রতি আমাদের পক্ষ থেকে সমবেদনা। যে ক’জন সাধারণ মানুষ এ হামলায় নিহত হয়েছেন তাদের জন্য সহানুভূতি। অন্য সবার মতো আমরাও মর্মাহত।
শ্রীলংকার জায়গায় এখানে আমাদের বাংলাদেশের খেলোয়াড়রাও সফররত থাকতে পারতো।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
শেয়ার করুন


২১ টি মন্তব্য
চারিদিকে কেবল হামলা। মানুষ কি দিন দিন আরও নৃশংস হয়ে উঠছে!
[ জবাব দিন ]
খুবই সহিহ পর্যবেক্ষণ। পুরো একমত।
কিছু প্যাটার্ণ কন্তু লক্ষ্যনীয়,-
এক, যতই সন্ত্রাসবিরোধী জোট-অভিযান-প্রচার-আইন-আইন প্রয়োগকারী সংস্থা-সাধারন মানুষের জীবনে এসবের ইম্প্যাক্ট বাড়ছে, সন্ত্রাসও তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। অথচ, এই সন্ত্রাসবিরোধী মহাযজ্ঞের প্রকাশ্য উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাস কমানো।
দুই, বারবার এইসব কর্মপদ্ধতি ব্যর্থ প্রমানিত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের জীবনের বিনিময়ে, ব্যর্থতার ব্যাপ্তিও ক্রমাগত বাড়ছে। কিন্তু কর্তারা তাদের এই সন্ত্রাস বিরোধী প্রকল্পে কোন পরিবর্তন আনতে নারাজ।
[ জবাব দিন ]
আসলেই।
সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে কোন লাভই হচ্ছে না। এ ধরণের অভিযান এবং “War on terrorism” দিয়ে কিচ্ছু হবে না। আমেরিকা এর নামে যা করেছে তার সবই তো নিজের স্বার্থসিদ্ধি ও ব্যবসায়িক ফায়দা লুটার জন্য।
তাদের এই বেপরোয়া পদক্ষেপের জন্যই বিশ্বময় জঙ্গী তৎপরতা বেড়ে গেছে। বেড়ে গেছে সন্ত্রাস। ভুগতে হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর।
[ জবাব দিন ]
তোমার পাঠবর্হিভুত সিলেবাসটা বাড়ায়ে দেই একটু।- সময় পাইলে ফুকোর “Discipline and Punish: Birth of Prison”টা পড়ো।
আর হ্যাঁ, সচলে গিয়ে দেখলাম তুমি ত বিরাট কাম কইরা ফালাইছো মিয়া।
অনেক শুভেচ্ছা।

[ জবাব দিন ]
বইটা বাংলাদেশে পাওয়া গেলেও কিনে পড়া বোধহয় সম্ভব হবে না। কারণ মূল ইংরেজি বইয়ের দাম অনেক হওয়ার কথা। সফ্ট কপি পাওয়ার কোন উপায় আছে? কোন সাইটে ফ্রি ডাউনলোডের জন্য আছে? গুগল সার্চ বা ইস্নিপস থেকে এখনও কিছু পাইনি।
———————————————
ধন্যবাদ।
তবে এইটা বলে লজ্জা দিলেন। আমি আসলে এটার জন্য যোগ্য নই। অনেক কম করেই অনেক বেশী কিছু পেয়ে গেছি।
[ জবাব দিন ]
আসলে মনটা খারাপ ছিলো। তা না হলে আগেই আমার শুভেচ্ছা পাইতা। আর বিনয় করো না। তাইলে ফ্রন্ট্রোল কিন্তু……(আমি আবার জুনিয়রদের পানিশমেন্ট দিতে ভালা পাইতাম
)
ডোন্ট ওরি। আমি দেখি, কোথাও পাওয়া যায় কি না। এখানে কিছু ওয়েবসাইট খুব সস্তায় পুরান বই বেচে।
[ জবাব দিন ]
[ জবাব দিন ]
ক্রিকইনফোতে পড়লাম ঘটনার বিবরণ। হামলাকারীরা বাসের টায়ারে গুলি করে রকেট লাঞ্চার দিয়ে বাস উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। বাস ড্রাইভারের সাহসিকতায় তাদের সে চেষ্টা সফল হয়নি। উনি বাসের এক্সিলেটরে গোঁয়ারের মতো পা চেপে বসে ছিলেন।
[ জবাব দিন ]
ধুত কী যে মেজাজ খারাপ হয়
[ জবাব দিন ]
মুম্বাই-তাজ হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা, শ্রীলংকায় তামিল গেরিলাদের সাথে সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতি, বাংলাদেশে বিডিআর গণহত্যা ও সবশেষে পাকিস্তানে ক্রিকেটইতিহাসের কালো অধ্যায়-শ্রীলংকার টিম বাসে হামলা। ২০১১ বিশ্বকাপের সবকটি আয়োজক দেশেই অশান্ত পরিস্থিতি। ২০১১ বিশ্বকাপ কি আদৌ এই উপমহাদেশে হবে নাকি অন্যকোথাও স্থানান্তরিত হবে এখন এটাই প্রশ্ন?
[ জবাব দিন ]
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পাকিস্তান। কারণ সেখানে তো ক্রিকেট নিয়াই সহিংসতা ঘটল। আমার মনে হয় পাকিস্তানে কোন ম্যাচ হবে না। সবগুলা ভারত, বাংলাদেশ আর শ্রীলংকায় হতে পারে। এগুলাতে তো আর যাই হোক ক্রিকেট নিয়ে কিছু হয় নাই।
[ জবাব দিন ]
বিশ্বকাপ শুধু মাঠের ভিতরের খেলা না। এর সাথে আগত সমর্থক, বিশ্বের সাংবাদিক ও মিডিয়া ক্রু, ক্রিকেট ভিত্তিক পর্যটন ও তাদের নিরাপত্তা সবগুল দিক আছে। ভারতে যে হোটেলে সন্ত্রাসী হামলা হইলো (তাজ ট্রাইডেন্ট) সেখানে ইংল্যান্ড টিমের থাকার কথা ছিলো। শ্রীলংকান টিমের বাসে হামলার সাথে সহিংস তামিল গেরিলাদের যোগসূত্রের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আর বাংলাদেশ যদিও এখনো তেমন বড় কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রম হয় নাই, সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়া থেকে বিশ্বকাপ সরায়ে নিলে বাংলাদেশের কিছু করার থাকবে না। আর আইসিসি যদি বিসিসিআই এর চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে তাহলে ২০১১ বিশ্বকাপ দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেই চলে যাবে। কারণ অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড বা সাউথ আফ্রিকা নিরাপত্তার ব্যাপারে অনেক নাক উঁচু ভাব নিয়ে চলে।
[ জবাব দিন ]
দারুন পর্যবেক্ষণ!

এটা ধরে রাখো। আরো অনেক পাজলের সমাধান আসতে পারে।
একটা সূত্র দেই, ২০০৫/০৬/০৭ সালের বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগ-প্রস্তাবগুলো খেয়াল করে দেখো।
[ জবাব দিন ]
আইসিসি তো বলে দিছে, পাকিস্তানে বিশ্বকাপের কোন ম্যাচ আর হবে না…
[ জবাব দিন ]
মাঝখান থেকে পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরটা বাতিল…

[ জবাব দিন ]
খুবই দুঃখজনক
[ জবাব দিন ]
উগ্রবাদ, মৌলবাদ একটা দেশকে কিভাবে ধবংশ করে দিতে পারে-তার জ্বলন্ত (আক্ষরিক অর্থেই) উদাহরণ এখন পাকিস্তান…


এ থেকেও যদি আমরা শিক্ষা নিতে না পারি…তাহলে বলতেই হয়- পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ…
তাই আসুন- আর তর্কের খাতিরে তর্ক নয়…আমাদের সাথে গলা মিলিয়ে বলুন…
আয় হায়…এইটা তো কোন ডিবেট না…সুরি!!!
[ জবাব দিন ]
মাহমুদ ভাই একটু ক্লিয়ার করলে ভাল হইতো। ক্যাচ করতে পারি নাই ব্যাপারটা।
শতভাগ একমত।
[ জবাব দিন ]
আমি এখানে ভিন্ন মত পোষণ করছি…..কারণ ওরা ওদের দেশকে খুব বেশি ভালবাসে….কোন এক টেস্ট ম্যাচে মুরলিধরনের ‘চাকিং’ ধরার জন্য ওরা ড্যারেন হেয়ার কে হুমকি দিয়েছিল….
কি….ঝাতি জানতে ছায়…..
[ জবাব দিন ]
আমি এখানে ভিন্ন মত পোষণ করছি…..কারণ ওরা ওদের দেশকে খুব বেশি ভালবাসে….কোন এক টেস্ট ম্যাচে মুরলিধরনের ‘চাকিং’ ধরার জন্য ওরা ড্যারেন হেয়ার কে হুমকি দিয়েছিল….
কি?….ঝাতি জানতে ছায়…..
[ জবাব দিন ]
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।সেই সাথে
অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক পশু অধিক সেইসব নরপশুদের
আমাদের বুকে যারা কৃষ্ণ পক্ষ দেয় শেটে……………।
হত্যাকে উতসব ভেবে………………।
[ জবাব দিন ]