কয়দিন হইল ফেসবুকে একটা তামশা শুরু হইছে। আপনার অমুক অমুক বন্ধু এই লিঙ্ক শেয়ার করছে, ওই লিস্টে কিছু বিশ্বস্ত বন্ধুর নাম দেখলাম। দেখায় অমুকের স্ক্যান্ডাল ভিডিও, তমুকের এইডা- ঐডা দেখা যাচ্ছে এই টিভি শো তে। এগুলার ওপরে থাকে প্রায় কাপড় না না পড়া কোন একটা মেয়ের ছবি।ডানে বামে তাকাইয়া রুমে কেও নাই শিওর হইয়া দিলাম লিঙ্কটায় ক্লিক কইরা।জিগাইলো আপনি ১৮+ কিনা।লাফ দিয়া উঠলাম , কইলাম ১০০বার। বয়স তো ৮০ ছুঁই ছুঁই করতেছে। দরজাডা বন্ধ কইরা বসুম কি না ভাবতেছি।একবার, দুইবার,তিনবার….. কিন্তু শালা কিছুই আইল না।কয়ডা গাইল দিয়া অন্য কাজে লাইগা পরলাম।কিন্তু ঘটনা ঘইটা গেছে।আমারে কিছু দেহায় নাই কিন্তু আমার দেয়ালে পোস্ট হইয়া গেছে।আমার বন্ধুদের দেখাইতেসে অমুকে এইডা শেয়ার করছে।শালার স্প্যামওয়্যার ইজ্জত টা মাইরা দিল।
আমার যারা ফেসবুক, বিভিন্ন ব্লগ গুলায় নিয়মিত, আর মাঝে মইদ্দে ওই যে ওই সাইট
গুলায় ঘুরাঘুরি করি, কিন্তু পিসির তেমন কিছু বুঝি না তারা পরি বাঁটে।
একদা কি হইয়াছে বর্ননা করিতেছি । একখানা ওইরূপ সাইটে প্রবেশ করিয়া স্ক্রিনখানায় একখানা সুন্দরীর আবির্ভাবে চক্ষু কিঞ্চিত বৃহদাকার ধারণ করিল, রম্ভা আমাকে এইরূপে ইশারা করিয়া ডাকিতেছিল যাহাতে বিন্দু মাত্র কালক্ষেপন না করিয়া ইদুরটাকে ধরিয়া নিয়া উহার ডাকে সারা দিবার নিমিত্তে ক্লিক করিয়াই দিলাম। ইহার ফল স্বরূপ যাহা ঘটিল তাহাতে আমার গননা যন্ত্র চালনা করা বন্ধ হইবার উপক্রম হইল। চালু করলেই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ,একখানা নহে একাধিক অর্ধনগ্ন সুন্দরী বালিকা টাস্কবারের তলা হইতে জাগিয়া উঠিত; তাহারা বিভিন্ন প্রকার শারীরিক কসরত করিতে করিতে উহাদের বস্ত্র সমুহ একখানা একখানা করিয়া অনাবৃত করিয়া দেহ পল্লবীর সৌন্দর্য প্রদর্শন করাইতে লাগিল। কিরূপ বিব্রতকর অবস্থায় পরিলাম তাহা ভাষায় প্রকাশ করিবার অযোগ্য।
আর দুই দিন পর পর ভাইরাস তো আসতেই আছে পেনড্রাইভ নয়তো নেট থেকে আমাকে কিছু না বলেই। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলাম। লাগাইলাম এন্টিভাইরাস।ফাও, ক্র্যাক ভার্সন। টুলবারে আইল লাল ছাতা। মেশিন হইয়া গেল স্লো। তাও ধৈর্য রাখলাম।কিন্তু পরের দিন সেই লাল ছাতা খুইলা গেল।পিসি হ্যাং।আর কিছুই করা যায় না।ছাতা বন্ধও হয় না, এভিরা আনইনস্টল ও হয় না।কি আর করা।নতুন করে উইন্ডোজ মারলাম।
একটু বুদ্ধি খাটাইলাম।কিনা আনলাম লাইসেন্স কপি ক্যাস্পারস্কি । কনফিডেন্স লেভেল হাই হইয়া গেল।পেনড্রাইভ লাগাইলেই স্কান করে।বিপদ আপদ দেখলেই পিপ পিপ কইরা জানান দেয়।আমিতো বেজায় খুশি। মেশিন একটু স্লো হইল। নিজেরে বুঝাইলাম তাতে কি তালা লাগাইলে তো দরজা খুলতে একটু টাইম নিবই।ভালই চলতেছিল।তারপর একদিন সেই দিন আইল।যেদিন আমি আবিস্কার করলাম যতই আপডেট আর স্কান করুক কোন লাভ হয় নাই। পিসি ইনফেক্টেড।চড়া মুল্য দিতে হইল।পিসি তে রাখা সবগুলা ছবি খাইয়া ফালাইছে কোন এক হারামজাদা ভাইরাস।রাগে দুঃখে চোখে পানি চলে আসল।শালা ভাইরাস, ফ্লেস ইটিং ভাইরাসের চেয়েও খারাপ কাজ করছে।আমার এত দিনের সব সওওওব ছবি খাইয়া ফালাইছে।সব রাগ যাইয়া পরল এন্টিভাইরাসের ওপর।টাকা দিয়া দাড়োয়ান রাইখাও ডাকাতি হইছে। এন্টিভাইরাসের মাকে …… ধুর খারাপ কিছুনা বিদায় করে দিলাম মেশিন থেকে।
কাছের বন্ধু পরামর্শ দিল অটোরান অফ করে এক্সপ্লোরার দিয়ে পেনড্রাইভ ইউস করার।দেখলাম কাজ ভাল করে । শুধু নেট আর লিঙ্কের গুলাই ঝামেলা। এভাবেই অনেক দিন চলল। তারপর একদিন দেখলাম কিছু ভাইরাস অটোরান অফ না অন কিসু কেয়ার করে না।কেমনে জানি ঠিক ই হান্দাইয়া পরতাছে।এর ভিতর একটা আছে শালা শর্টকাট নামে ৪টা ফাইল তৈয়ার করে আর মেশিন ব্যবহার অনুপযোগী স্লো কইরা ফেলায়।টেনশন টেনশন।শালার আমি কম্পিউটারের কিছু বুঝি না পারি না বইলা কি ইউজ ও করতে পারুম না।যে শালারা এক্সপার্ট তারা এইসব ভাইরাস বানাই বানাই ছাইরা দেয় আমার মত মফুগুলার জন্য।
এখন পাইছি বিট-ডিফেন্ডার ২০১২, আমিতো পুলকিত। একটু কফিগারেশঅন হাই চায়। কিন্তু মাল ব্যাপক।কথায় বিশ্বাস না পাইলে গুগলাইয়া দেহেন।ফেসবুক,টুইটার,গুগোল,ইয়াহু,সাইট,ব্লগ যেখানে যত লিঙ্ক আছে পাশে লাল,হলুদ আর সবুজ বাত্তি দিয়া দেহাইয়া দেয় কোনডায় হান্দান যাইব আর কোনডায় হান্দাইলে বাঁশ যাইব। সার্ভিস ও ভাল।আপাতত হ্যাপি।ইজ্জত আর মেশিন দুইডাই বাঁচানোর লাইন পাইছি মাইরি।দেহি কয় দিন বাঁচে।ডুবাইলে আবার নতুন পোস্ট দিমু।



৩৪ টি মন্তব্য
তাই নাকি? টেস্ট করতে হয়…ফ্রি কই পাওয়া যাবে? লিঙ্ক দেন।
আর আবেগের বশে আউল লিঙ্কে ক্লিক কইরেনা….দরকারি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ…।।
জবাব দিন
নিচে আছে দেখ।রাকেশ ভাই দিয়া দিসে।
জবাব দিন
এভিজিও ভাল। ডিফেন্ডারও ফেল মারলে ইউজ করে দেখতে পারেন।
জবাব দিন
দেহি আগে এইডা কি করে। (সম্পাদিত)
জবাব দিন
পোষ্টের বক্তব্য ভালো ছিল।
কিন্তু এটা বন্ধুদের আড্ডা মনে করলে ত সমস্যা ছোটভাই। এখানে এমনকি আমাদের বাবা বয়সি বড়ভাইরাও আসেন। এমন করে মনের ভাব প্রকাশ আমাদের জন্য অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তাই, শব্দ ব্যবহারের সময় বড়/ছোট ভাই-বোনদের কথাও বিবেচনা করো
জবাব দিন
ঐ
জবাব দিন
ইয়ে, ভাইয়া, কোন শব্দগুলাতে আপত্তি? আমি আবার সেকেন্ড টাইম পড়লাম খুজার জন্য
জবাব দিন
কোন আড্ডায় যদি আমার থেকে ছোট কেউ এইরকম শব্দ দিয়ে আলাপ শুরু করে, তাতে আমি অস্বস্তি বোধ করি। (ভুল করে ফেললাম না তো?)
জবাব দিন
মাহমুদ ভাইয়া স্টার্টিং চেঞ্জ করে দিলাম। বুঝতেছি যে তারপর ও সমস্যা রয়েই যাচ্ছে। সব চেঞ্জ করতে গেলে লেখাটাই থাকে না। সরি ভাইয়া।
জবাব দিন
খানিকটা এডিট করেছো বলে ধন্যবাদ। কিন্তু সরি হওয়ার দরকার নেই। কারণ, এরকম আলাপ, এর থেকেও এডাল্ট আলাপ ক্যাডেটমাত্রই করে থাকে। তবে সেসব বন্ধুদের মাঝে। আমরা ক্যাডেটরা সিনিয়রিটি/জুনিয়রিটি নিয়ে অন্যদের থেকে বেশি সেন্সিটিভ বলেই কথাগুলো বলেছিলাম। মাইন্ড করো নাই দেখে ভালো লাগছে।
জবাব দিন
মাহমুদ সুন্দর করে বলেছিস।
জবাব দিন
সরি ভাইয়া।এর পর থেকে আর লিখব না। আসলে জেভাবে বলি সেভাবেই লিখি ত তাই ভেজাল হইয়া গেছে।
জবাব দিন
এইটা তো করা যাবে না মোরশেদ।
জবাব দিন
পয়সা দিয়ে ভাইরাস নিধন করার সামথ্য এই বান্দার নাই…
গরীবের সম্বল মাইক্রোসফট সিকুরিটি এসেনশিয়াল..
তবে, ভাইয়া সামনে বিজয় দিবস উপলক্ষে যদি এই ছোট ভাইকে আপনার মত এক কপি উপহার দেন, তবে আমার মেশিনটা আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে……
জবাব দিন
লাঞ্চের পর তুই দেখা করবি আমার সাথে।
জবাব দিন
জবাব দিন
ভাল লেখা। আমি বহুদিন ধরে তামাম অ্যান্টিভাইরাস নিয়ে গুতাগুতি করে আসছি (নিজে একটা বানামু নাকি?), আর এই কন্টিনিয়াস গুতাগুতির এই পর্যায়ে আমার মত হল, বিটডিফেন্ডার আমাদের লোকাল মার্কেটে অ্যাভাইলেবল যে কারো চেয়ে ভাল পিসি সিকিউরিটি দিতে পারে, বাইরে থেকে প্রমানও পাইছি।
টেকি টেকি গন্ধওয়ালা কমেন্ট দিব? না এখন থাক, পরে আবার সময় করে দিব। তাই আপাতত অল্প কয়েকটা পয়েন্ট দেই।
মুলত অ্যান্টিভাইরাস আর ইন্টারনেট সিকিউরিটির পার্থক্য দেখতে হবে আগে। অ্যান্টিভাইরাসের কাজ বেসিক প্রটেকশন দেয়া ভাইরাস আর ম্যালওয়ার থেকে, আর ইন্টারনেট সিকিউরিটির কাজ অ্যান্টিভাইরাসের সব সাপোর্ট দেয়া, প্লাস ফায়ারওয়াল সাপোর্ট দেয়া। ফায়ারওয়াল এখানে অনেক গুরুত্বপুর্ন কারন অনলাইন থ্রেটের প্রথম মোকাবেলা এরাই করে।
তাই ইন্টারনেট সিকিউরিটি = অ্যান্টিভাইরাস + ফায়ারওয়াল, আশা করি সবাই জানে।
এখন,
১) অনেকেই ফ্রি হিসেবে এভাস্ট ইউজ করে, যেটা আসলে অ্যান্টিভাইরাস (ইন্টারনেট সিকিউরিটিতে পয়সা লাগে)। তেমনি এসেট অ্যান্টিভাইরাসও ইউজ করে (এটাও অ্যান্টিভাইরাস, ইন্টারনেট সিকিউরিটি বা স্মার্ট সিকিউরিটিতেও টাকা লাগে)। বা অনেকে মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইউজ করে (এটাও অ্যান্টিভাইরাস)। এই সব ক্ষেত্রেই শুধু আমরা অ্যান্টিভাইরাসের উপর নির্ভর করি, আর ফায়ারওয়ালের জন্য উইন্ডোজের ডিফল্ট ফায়ারওয়ালের উপর নিজের পিসিকে ছেড়ে দেই। ভাল বুদ্ধি, দেখি এটার ক্ষতি কি।
২) নেটেও রিভিউ পরে দেখতে পারেন, তবে উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালের কথা আসলেই নিচের ছবিটার কথা মনে হয় – দরজা একটা দিয়ে রাখছে কিন্তু এদিক ওদিক অনেক ফাকফোকর রেখে।
কই যেন পড়ছিলাম একটা টেস্টে দেখা গেছে এভারেজ অনলাইন থ্রেটের ৮৩% ই উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল ধরতে পারে না। তবে এই ইনফোর যেহেতু কোন সুত্র দিতে পারছি না, আপাতত এটা দেখতে পারেন।
৩) তাই মুল সমাধান হল ইন্টারনেট সিকিউরিটি নেয়া। যদি পয়সা দিয়ে কিনতে হয় তাহলে বেস্ট যেটা সেটাই কেনা উচিত, যেমন নিচের লিঙ্ক -
সেরা দশ ইন্টারনেট সিকিউরিটি
অন্য যত সব অ্যাওয়ার্ড
৪) ফ্রি ফ্রি ক্র্যাক ভার্সনও ব্যাবহার করা যায়, তবে কিনা কোম্পানিগুলা বড় বজ্জাত, রেগুলার আপডেট করার সময় মাঝে মাঝেই ভেলিডেশন চেক করে, হঠাত ঘুম থেকে উঠে দেখবেন পিসির টাস্কবারে ক্র্যাক অ্যান্টিভাইরাসের আইকন লাল হয়ে আপনারে দেখে হাসতেসে
৫) ফ্রি সেফ থাকার বুদ্ধি আছে, ৪-৫টা সফটওয়ার লাগবে আর আপনার র্যামের ১ জিবির বেশী খাবে। তাই ১ বছরের জন্য ১০০০ টাকা, খুব কি বেশী?
সর্বশেষ এখানে এক্টু কিলিক, বাম পাশে মনেহয় ডাউনলোড ফ্রি ট্রায়াল অপশন আছে (সম্পাদিত) (সম্পাদিত)
জবাব দিন
২ নাম্বার ছবিতে এটা হবে, আসে নাই কেন বুঝলাম না
http://www.pcmech.com/forum/attachments/general-discussion/5725d1134128957-windows-xp-firewall-windows-xp-firewall.jpg
(সম্পাদিত)
জবাব দিন
ধইন্যবাদ ভাইয়া।
জবাব দিন
মোরশেদ
একটু খেয়াল কইরা ডাইনে প্লাস্টিক বডি, বায়ে ডাবল।।
জবাব দিন
রাজীব ভাই,সরি।সবই বুঝলাম। কিন্তু কি করমু লিখতে গেলেই তো ৭নাম্বার বাসের ড্রাইভার হইয়া যাই। ডানে বামে দেখার কথা মনে থাকে না।
আর লিখব না ভাইয়া।
জবাব দিন
আমি খুবই দুঃখিত। আসলেই এটা ঠিক যে আমি যে গুলা লিখছি এ গুলা আমার বাবা বা বোনের সামনে কখনোই বলব না।আর সিসিবি তে লেখার সময় আমার মাথাতে এটা থাকে যে এখানে আমার সিনিওর,জুনিওর এবং বোনেরা আছে। কিন্তু সাথে এটাও থাকে যে যারা আছে তারা সবাই ক্যাডেট আর নয়ত ক্যাডেট বিহেভিয়রের সাথে পরিচিত। এবং ক্যাডেট সাথে সাবলীল ভাষায় কথা বলা যায় বা বিহেভ করা যায়। এ পর্যন্ত যা যা লিখেছি সব ই আমার মনে হইছে ক্যাডেটদের সাধারন আচরন। যত টুক খারাপ ভাষা ব্যাবহার করেছি আমার মনে হয়েছে আবার বলতেছি এটা আমার মনে হয়েছে যে এটুকো করা যায়। লেখার সময় হয়তো আমি বেশি বাজে ভাষা ব্যাবহার করে ফেলেছি । যেটা আমার ঠিক হয় নাই। হয়তো আমার ভূল হইছে। আসলে বেশী ফর্মাল ওয়েতে আমি লিখতে পারি না। বেশী জ্ঞান ও আমার নাই যে জ্ঞানগর্ভ লেখা লিখব।
আমি মডারেটর দের আনুরোধ করব আমার লেখাগুলা যদি সবার পড়ার অনুপোযগী হয় তাহলে ব্লগ থেকে রিমুভ করে দেয়ার জন্য। এই ব্লগটা আমার খুবই প্রিয়। আমি চাই না এই ব্লগের পরিবেশ নস্ট হোক, সেটা আমার জন্য হলেও।
জবাব দিন
লেখার স্টাইলটা আমার ভাল্লাগসে। বেশ মজা করে লেখা। আর বিষয়টাই এমন যে এক্টু আধটু ইয়ে
না থাকলে লেখাটা জমত না । আর মাহমুদ ভাইর অব্জেকশান এর সমাধান হতে পারে পাঠক শ্রেণীর জন্য ট্যাগ দিয়ে দেওয়া
… লেখা চলুক।
জবাব দিন
বন্য কথাটা ঠিক বললা না।
কি ট্যাগ করবা? ১৮ প্লাস না অন্যকিছু। এখানে সবাই তো ১৮ প্লাস; তাইলে!
মাহমুদ আর আমি তো মনে হয় না খুব বেশি বুড়া হয়ে গেছি; আমাদের আভারেজ ৩৩-৩৪ চলে। এখানে ৬০ এর উপরেও অনেকে আছে। সেইটা তো বিবেচনায় আনতে হবে।
জবাব দিন
ধুর ভাই , ১৮ + দিমু ক্যান , ধরেন আপনাদের অ্যাভারেজ যদি ৩৩-৩8 হয় , তাইলে ট্যাগ দিলাম “৩৪ মাইনাস”
জবাব দিন
ট্যাগ করার সিস্টেম টা আমার খুব ই মনে ধরছে মাইরি। এবারের লেখাটায় করুম।
জবাব দিন
বেশি আতলামি করার দরকার নাই।
লিখতে থাক।
জবাব দিন
চা খা।
জবাব দিন
ইজ্জত তো কলেজে ঢুকার সময়েই হারাইছেন এ আর নতুন কী?
জবাব দিন
জবাব দিন
ম্যালাদিন পরে মোর্শেদ ভাই, খবর কিরাম??
জবাব দিন
খবর ভাল নারে। ওপরের কমেন্টস গুলা দেখ, তাইলেই বুঝবি।
জবাব দিন
ভাই লেখা কিন্তু সেরাম হয়সে ।।
জবাব দিন
জবাব দিন